রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৫ পি.এম
বাঙ্গরার নৈরপাড়-এলখালের মানুষের চলাচলের রাস্তা এক সময় ছিল জমির আইল। এই কারণে, এ অঞ্চলে বিয়ে সাদী করা হতো না, এবং আইল দিয়ে হেঁটে স্কুলে যেতে কষ্ট হত। ফলে, পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়েছিল এলাকার মানুষ। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) সেই আইলকে সড়কে উন্নত করেছেন। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও উন্নয়ন করেছেন। নৈরপাড়-এলখালের মানুষের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। তবে, গত ১৭ বছরে হাসি বিষাদে রূপ নিয়েছে, কারণ দীর্ঘদিনের সড়ক ভেঙে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়লেও আওয়ামী লীগ সরকার একবারের জন্যও সড়কটি সংস্কার করেনি।
আওয়ামী লীগের পতনের পর, ব্যক্তিগত অর্থায়নে মজলুম রাজনীতিবিদ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে সংস্কার করেছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে সড়কটি পুনরায় সংস্কার করবেন।
ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। তিনি বাঙ্গরা উপজেলার পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নের নৈরপাড়-এলখাল সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন।
১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) ভার্চুয়াল মাধ্যমে বাঙ্গরার নৈরপাড়-এলখালের সড়ক সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।
এ সময় মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন উপস্থিত ছিলেন। বিশিষ্ট সমাজ সেবক মামুন মিয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভূইয়া ও নাছির উদ্দিন।
ধর্মমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ শরীফ আহমেদ, নবীয়াবাদ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা বদিউল আলম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সোহেল সামাদও উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারী জয়নাল মোল্লার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সৈয়দ আতিকুল্লাহ প্রিয়া, মুখলেছুর রহমান হিরন, অবিদ হোসেন অবিদ, আনিছ খান, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
প্রশংসায় ভাসছেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ
নৈরপাড়-এলখাল সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) প্রশংসায় ভাসছেন। স্থানীয় জনতার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। শিক্ষার্থীরা আনন্দিত, কারণ তারা নির্ভয়ে নির্বিগ্নে স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে পারবেন।
ভ্যান চালক আবু মুসা হাসিমুখে বলেন, "আমি এ সড়কে ভ্যানে করে হকারী করি। সারাদিন গাড়ি চালিয়ে রাতে কোমড় ব্যথায় মরি। দাদা আইল থেকে এ রাস্তা করছে আবার দাদায়ে সংস্কার করল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ডিবেটিং ক্লাবের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. কামরুল হাসান, যিনি ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন তাসমিয়া তাহমিদ আপন, যিনি একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ মোঃ নিসতার জাহান কবীরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১২ সদস্যের এই কমিটি প্রকাশিত হয়।
এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিভাগীয় প্রধানকে উপদেষ্টা এবং প্রভাষক সামির আহমেদকে মডারেটর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। আগামী এক বছর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
প্রথমবারের মতো ঘোষিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ২০তম আবর্তনের ফারদ্বীন খান, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ১৯তম আবর্তনের মাহমুদুল হাসান, অর্থ সম্পাদক হিসেবে ইফফাত রওনাক প্রমি এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে ২০তম আবর্তনের আলভী আবিব।
এছাড়া, কর্মশালা ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পাদক পদে ২১তম আবর্তনের ওমর ফাহমিদ খান এবং আলোকচিত্র সম্পাদক হিসেবে ২০তম আবর্তনের তৈয়ব ইসলাম শুভ দায়িত্ব পালন করবেন।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ২১তম আবর্তনের মো. রেহান আবরার মল্লিক, ফাইরোজ ইতু, স্নেহা দত্ত ও কাজী ইবতিসাম ইনান।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক তাসমিয়া তাহমিদ আপন মন্তব্য করেন, "আমি অনেক আনন্দিত, প্রথমবারের মতো হওয়া কমিটিতে যুক্ত হতে পেরে। আমাদের বিভাগ নিয়ে অনেকের মনে কিছু ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত, যা আসলে সত্য নয়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোন সৃষ্টিশীল কাজে আমাদের বিভাগ ভাল করছে। বিতর্ক একটি বুদ্ধিবৃত্তিক শৈলী, এর মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের বিকাশ সাধিত হয়। আমি বিশ্বাস করি, এ বিতর্ক ক্লাবের মধ্যে দিয়ে আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল মননের আরও উৎকর্ষ সাধিত হবে।"
সভাপতি মো. কামরুল হাসান বলেন, "প্রথমবারের মতো ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ ডিবেটিং ক্লাবের প্রারম্ভ হলো ভেবেই পুলকিত আমরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের আমাদের বিভাগ ইতোমধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল নানা অনুষঙ্গে প্রশংসিত। বিতর্কে আমাদের অংশগ্রহণ ঈর্ষণীয় সাফল্য বয়ে আনছে বিভাগের জন্য। আমি আশাবাদী এবং দৃঢ়প্রত্যয়ী, চলচ্চিত্র শিক্ষার পাশাপাশি এই কার্যক্রম আমাদের শৈল্পিক দৃষ্টিকোণকে আরও বিস্তৃত করবে এবং বৃহত্তর অর্থে চলচ্চিত্র নির্মাণশৈলীতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কার্যনির্বাহী কমিটির সকলকে অভিনন্দন জানাই।"
বিভাগ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এ ক্লাবের কার্যক্রমের মাধ্যমে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থীদের যুক্তি, বিশ্লেষণ, উপস্থাপন ও সৃজনশীল চিন্তার চর্চা আরও বিস্তৃত হবে। পাশাপাশি চলচ্চিত্র শিক্ষার সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্কের সমন্বয় শিক্ষার্থীদের নির্মাণ ও শিল্পচর্চার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাম ভবন (সংসদ সদস্যদের বাসভবন) থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) জি এম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় নজরুল ইসলাম তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে একসঙ্গে ছিলেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত সংসদ সদস্যদের বাস ভবন ন্যাম ভবনের ৫ নং বিল্ডিং এর তৃতীয় তলায় ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার তদন্তে পুলিশ, এসআরবি, পিবিআই সিআইডি সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাজ শুরু করেছে।
পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, মরদেহ উদ্ধারের পূর্বে ঘটনাস্থলটি নিরাপদ রাখা হয়েছে। ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, নজরুল ইসলাম দুপুরে তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে খাবার খেয়েছেন। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তারা আলাদা আলাদা রুমে চলে যান। পরে ৫টার পরে ছোট স্ত্রী মরিয়মকে ডাকতে গেলে দরজা বন্ধ পান। জানালা দিয়ে দেখেন, মরিয়ম ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। এরপর তিনি থানায় পুলিশকে জানান। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয়ে পুলিশ বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি।
গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তার বিরুদ্ধে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওগুলো ভাইরাল হওয়ার পর তার কিছু সমর্থক এগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার চালান।
তবে পরদিন কয়েকটি ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান ভিডিওগুলো এআই দিয়ে তৈরি নয় বলে দাবি করে। এ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই সম্প্রতি তাকে বিয়ে করেছেন।
মরিয়ম খাতুনের একটি বায়োডাটা বা জীবনবৃত্তান্ত সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। দাবি করা বিয়ের তারিখের পাঁচ দিন পরের ওই বায়োডাটায় মরিয়মের বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ ছিল।
একই বায়োডাটায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ‘জোর সুপারিশ করছি’ লেখা একটি স্বাক্ষরও দেখা যায়। এ নিয়ে চাকরির প্রলোভন দেখানো কিংবা অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ঘিরে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়।
ভিডিও ভাইরালের পর ২২ জুলাই সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার এবং একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি অবগত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীরা পেশার স্বকীয়তা ও অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভেটেরিনারি অনুষদের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি তুলে ধরেন।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অধিশাখা থেকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে ‘সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার’ পদে ৪৯২টি পদ সৃষ্টিতে সম্মতি দেওয়া হয়। সরকারি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে এসব পদ রাজস্ব খাতে নিয়োগের জন্য অর্থ বিভাগের সম্মতি প্রদান করা হয়েছে। ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, এই পদে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে, যার জন্য তারা আন্দোলন শুরু করেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) হাবিপ্রবির ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীরা তাদের তিন দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো—
১. সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার (৯ম গ্রেড) পদে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ দিতে হবে।
২. ক্যাডার কাঠামোর বাইরে নন-ভেটেরিনারিয়ানদের পদোন্নতি দিয়ে রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের সমকক্ষ বা উচ্চতর পদে পদায়নের কোনো সুযোগ ভবিষ্যতে রাখা যাবে না।
৩. প্রতিটি উপজেলায় চারজন করে সার্জনের পদ দ্রুত সৃষ্টি ও নিয়োগ কার্যকর করতে হবে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন হাবিপ্রবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. রাকিবুল ইসলাম, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসানসহ বিভিএসএর নেতৃবৃন্দ এবং ভেটেরিনারি অনুষদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
অধ্যাপক ড. রাকিবুল ইসলাম এ সময় বলেন, "আমাদের এই প্রফেশনে পাঁচটি পদ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার (৯ম গ্রেড) এবং সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার (১০ম গ্রেড) পদ ছিল। পরবর্তীতে বাকি পদগুলো বাদ দিয়ে সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার পদকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এখন সরকারের কাছে আমাদের দাবি, ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার (৯ম গ্রেড) পদটি আমাদের দিতে হবে। তা না হলে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সহকারী ইঞ্জিনিয়ার পদগুলোকে ৯ম গ্রেডে উন্নীত করার যে নীতিমালা রয়েছে, সেই নীতিমালা অনুসারে সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার পদের যোগ্যতা পরিবর্তন করে ৯ম গ্রেড নির্ধারণ করে সেখানে ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ দিতে হবে।"
বিভিএসএর সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তিন দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, "আজ আমরা একা নই। আমাদের সঙ্গে ১৭টি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী এবং আমাদের সিনিয়র ভেটেরিনারিয়ানরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা পিছু হটব না।"
তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে উপজেলায় মাত্র একজন ভেটেরিনারিয়ান দায়িত্ব পালন করেন। একটি উপজেলায় এতগুলো ইউনিয়নের প্রাণিস্বাস্থ্য রক্ষায় একজন ভেটেরিনারিয়ান যথেষ্ট নন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন টুকু প্রতি উপজেলায় চারজন করে ভেটেরিনারিয়ান নিয়োগের যে বক্তব্য দিয়েছেন, আমরা তার দ্রুত বাস্তবায়ন চাই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়ের জন্য ২৮ রানের প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। তবে হাতে ছিল মাত্র ১ উইকেট।
এমন পরিস্থিতিতে জিম্বাবুয়েকে ফেভারিট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। কিন্তু শেষ উইকেট জুটিতে ব্যাট হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করলেন দুই বোলার নাথান এলিস এবং স্পেন্সার জনসন। তাদের অবিচ্ছিন্ন ২৭ রানের জুটিতে ১ বল ও ১ উইকেটে জয়লাভ করল অস্ট্রেলিয়া।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আজ অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে, জিম্বাবুয়ে আগে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান সংগ্রহ করে। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৭২ বল মোকাবেলা করে ৮১ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। ক্রেইগ আরভিন ৭৯ বল খেলে ৫৯ রান করেন।
লক্ষ্য তাড়ায় জশ ইংলিসের সেঞ্চুরির পর এলিস-জনসনের অসাধারণ পারফরম্যান্সে হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া। এ জয়ের মাধ্যমে মিচেল মার্শের দল স্বাগতিকদের ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ