প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাঙ্গরার নৈরপাড়-এলখালের মানুষের চলাচলের রাস্তা এক সময় ছিল জমির আইল। এই কারণে, এ অঞ্চলে বিয়ে সাদী করা হতো না, এবং আইল দিয়ে হেঁটে স্কুলে যেতে কষ্ট হত। ফলে, পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়েছিল এলাকার মানুষ। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) সেই আইলকে সড়কে উন্নত করেছেন। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও উন্নয়ন করেছেন। নৈরপাড়-এলখালের মানুষের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। তবে, গত ১৭ বছরে হাসি বিষাদে রূপ নিয়েছে, কারণ দীর্ঘদিনের সড়ক ভেঙে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়লেও আওয়ামী লীগ সরকার একবারের জন্যও সড়কটি সংস্কার করেনি।
আওয়ামী লীগের পতনের পর, ব্যক্তিগত অর্থায়নে মজলুম রাজনীতিবিদ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে সংস্কার করেছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে সড়কটি পুনরায় সংস্কার করবেন।
ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। তিনি বাঙ্গরা উপজেলার পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নের নৈরপাড়-এলখাল সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন।
১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) ভার্চুয়াল মাধ্যমে বাঙ্গরার নৈরপাড়-এলখালের সড়ক সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।
এ সময় মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন উপস্থিত ছিলেন। বিশিষ্ট সমাজ সেবক মামুন মিয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভূইয়া ও নাছির উদ্দিন।
ধর্মমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ শরীফ আহমেদ, নবীয়াবাদ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা বদিউল আলম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সোহেল সামাদও উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারী জয়নাল মোল্লার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সৈয়দ আতিকুল্লাহ প্রিয়া, মুখলেছুর রহমান হিরন, অবিদ হোসেন অবিদ, আনিছ খান, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
প্রশংসায় ভাসছেন ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ
নৈরপাড়-এলখাল সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (এমপি) প্রশংসায় ভাসছেন। স্থানীয় জনতার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। শিক্ষার্থীরা আনন্দিত, কারণ তারা নির্ভয়ে নির্বিগ্নে স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে পারবেন।
ভ্যান চালক আবু মুসা হাসিমুখে বলেন, "আমি এ সড়কে ভ্যানে করে হকারী করি। সারাদিন গাড়ি চালিয়ে রাতে কোমড় ব্যথায় মরি। দাদা আইল থেকে এ রাস্তা করছে আবার দাদায়ে সংস্কার করল।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন