ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফের চালু হচ্ছে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল


ফের চালু হচ্ছে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল

বারবার চালু এবং বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে থমকে গেছে সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় জুট মিলস। ১৯৬০ সালে গড়ে ওঠা এই পাটকলটি একসময় প্রায় ৫ হাজার মানুষের জীবিকার ভরসা হলেও, দুর্নীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং লোকসানের চাপে বহুবার বন্ধ হয়ে গেছে এর কার্যক্রম। তবে সরকার আবার এটি বেসরকারি খাতে চালুর উদ্যোগ নেয়ায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও বেকার হয়ে পড়া শ্রমিকরা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের রায়পুরে ১৯৬০ সালে ৭৫ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় নর্দান পিপলস জুট মিল। স্বাধীনতার পর, প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করে নামকরণ করা হয় কওমি জুট মিল। সে সময় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাসে ৫০ থেকে ৬০ টন পাট সংগ্রহ করে উৎপাদিত হতো হরেক রকমের পাটজাত পণ্য, যা দেশের চাহিদা পূরণ করতো এবং বিশ্বের বাজারেও রফতানি হতো।

একসময় এই মিলকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থান হয়েছিলো প্রায় ৫ হাজার মানুষের, যা পুরো এলাকার আর্থসামাজিক চিত্র বদলে দিয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় লোকসানের মুখে পড়ে ২০০৭ সালে বন্ধ হয়ে যায় এর উৎপাদন। ২০১১ সালে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে নাম পরিবর্তন করে জাতীয় জুট মিল নাম রেখে আবারও চালু করা হয়, তবে ঋণ এবং পাট সংকটসহ নানা জটিলতার কারণে ২০১৯ সালে এটি আবারও বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ২০ বছরের জন্য ভাড়া দিলে স্বল্প পরিসরে উৎপাদন শুরু হলেও বছর না ঘুরতেই আবারও স্থায়ী নীরবতা নেমে আসে। তবে বর্তমান সরকার বন্ধ এই জুট মিলটি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা স্থানীয় এলাকাবাসী অসাধারণ শ্রমিকদের জন্য আশার আলো হিসাবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন

সম্প্রতি সরকারের দুই মন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এই মিলটি পরিদর্শন করেছেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম জানান, বন্ধ পাটকলগুলোর আবারও বেসরকারি খাতে চালুর অংশ হিসেবে এই মিলটি ৩০ বছরের জন্য ইজারায় ইতিমধ্যেই বহুজাতিক একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। দ্রুত এটি চালু করা হবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানী এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সিরাজগঞ্জ দুই আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, 'সরকারের প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেশের সব বন্ধ মিল কারখানা চালু করা হবে। তারই অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল একটি বেসরকারি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি চালু হলে এই এলাকার বহু মানুষের কর্মসংস্থা এবং পুরো এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটবে।'

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ঐতিহ্যবাহী জাতীয় জুট মিলটি পুনরায় চালু হলে কেবল সিরাজগঞ্জের কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানই ফেরত আসবে না, বরং এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে, এভাবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ১৮

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৭ শিক্ষক, তবুও পাসের মুখ দেখেনি কেউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


১৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৭ শিক্ষক, তবুও পাসের মুখ দেখেনি কেউ

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দাখিল পরীক্ষায় নড়াইল সদরের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। সদর উপজেলার পেড়লি দাখিল মাদ্রাসা ও আফরা দাখিল মাদ্রাসা থেকে আসা সকল পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার কারণে শতভাগ ফেলের তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন।

জানতে পারা গেছে, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত পেড়লি দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবার ১৮ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১২ জন নিয়মিত এবং ৬ জন অনিয়মিত রয়েছে। কিন্তু ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই ১৮ জন শিক্ষার্থীর সবাই ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে এবং কয়েকজন অন্য বিষয়েও ফেল করেছে। অথচ বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে কর্মরত আছেন ১৭ জন শিক্ষক।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা এই ফলাফলে চরম বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত এক পরীক্ষার্থী আক্ষেপ করে বলেছেন, 'আমি এর আগে বৃত্তি পেয়েছি, টেস্ট পরীক্ষাতেও ফলাফল ভালো ছিল। দাখিলে ইংরেজি পরীক্ষাও ভালো হয়েছিল। অথচ শুধু আমি নই, সবাই ইংরেজিতে ফেল করেছে। বিষয়টির সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার।'

ব্যর্থতার দায় কিছুটা স্বীকার করে পেড়লি দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, 'শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিয়মিত ক্লাসে আসতে পারছে না। করোনার সময় পড়ালেখা বন্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়া হয়েছিল, যার নেতিবাচক প্রভাব ফলাফলে পড়েছে। পাশাপাশি আমাদের তত্ত্বাবধানেও নিঃসন্দেহে ঘাটতি ছিল। আমরা আরও তৎপর হলে এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারব।'

অন্যদিকে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের তালিকা অনুযায়ী, সদরের আফরা দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর সাতজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে όλοι অকৃতকার্য হয়েছে।

সরেজমিনে আফরা দাখিল মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা গেছে জরাজীর্ণ অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিয়মিত পাঠদান বন্ধ রয়েছে এবং স্থাপনা নষ্ট হচ্ছে। মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় বর্তমানে সুপারিন্টেন্ডেন্ট আতিকুর রহমান ছাড়া সেখানে আর কোনো শিক্ষক নেই।

আতিকুর রহমান বলেন, '২০০১ সাল থেকে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী এবং ২০০৮ সালে দাখিল পাঠদানের অনুমতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে আসছি। ২০১০ সাল থেকে এখান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে এবং অন্যান্য বছর পাসও করেছিল। তবে এ বছরের ফলাফল খুবই খারাপ। এখন আর একা প্রতিষ্ঠানটি চালানো সম্ভব নয়।'

দুটি মাদ্রাসার শতভাগ ফেলের ঘটনাকে দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে নড়াইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন বলেন, 'আমরা শিগগিরই এ দুটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করব। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে আগামী বছর যাতে ভালো ফলাফল করা যায়, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেনি ৩ শিক্ষার্থীকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেনি ৩ শিক্ষার্থীকে

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ১১ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী থাকার পরও এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ৩ জন শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার শূন্য শতাংশ রেকর্ড হয়েছে। অথচ প্রধান শিক্ষকসহ ওই বিদ্যালয়ের ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়মিত সরকারি নিয়মে বেতন-ভাতা ভোগ করছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ২০০৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়েছিল। এরপর ২০২৫ সালে এটি নিম্ন মাধ্যমিক থেকে মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নীত হওয়ার অনুমতি পায়। ঐ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬ জন শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছিল। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩ জন শিক্ষার্থী ছিলেন মানবিক বিভাগের।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় যে, উক্ত ৩ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি।

ফলাফলের এই চরম বিপর্যয় নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন মুঠোফোনে বলেন, 'এর আগে আমাদের বিদ্যালয়ের ফলাফল কখনো এতটা খারাপ হয়নি। এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থীই গণিতের বিষয়ে ফেল করেছে। এর অন্যতম কারণ হলো, আমাদের গণিত শিক্ষক ফারুক খালেক দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন এবং বর্তমানে একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন।'

এদিকে একই জেলায় সাদুল্যাপুর উপজেলার 'উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়' থেকেও এ বছর ৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তবে তাদের মধ্য থেকেও কেউ পাস করতে পারেনি।

সংকটজনক এই ফলাফলের বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জানান, 'কেন এমন শতভাগ ফেলের ঘটনা ঘটল, সে ব্যাপারে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষককে জানানো হয়েছে। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনোভাবেই এমন হতাশাজনক ফলাফল আশা করা যায় না।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাইভ চলাকালেই কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিনা চানের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


লাইভ চলাকালেই কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিনা চানের মৃত্যু

জাপানি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার মিনা চানের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রমাগত কটূক্তি ও অনলাইন হয়রানির মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। ৫ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে তাঁর নিজ বাসভবনে টিকটক লাইভ চলাকালে ২৫ বছর বয়সী এই তরুণীর মৃত্যুর খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৩ মিনিটে মিনা চানের বাসায় পুলিশের উপস্থিতি ঘটে এবং সেখান থেকে তাঁকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সিউলের ইয়ংসান পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

মিনা চানের মৃত্যুর খবর প্রথমবার প্রকাশ পায় তাঁর বোনের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পরে ১১ আগস্ট পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মিনা চানের মৃত্যুর বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। পরিবার জানিয়েছে, মিনা চানের ২৬তম জন্মদিনের দুদিন আগে তাঁকে ‘বাড়ি’ ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব ছিল।

পরিবারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য, কটূক্তি ও তীব্র সমালোচনা মিনা চানের ওপর গভীর মানসিক চাপ তৈরি করেছিল। মিনা চানের মৃত্যুর পর অনলাইন হয়রানি ও সাইবারবুলিংয়ের ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মিনা চান কে-পপ ব্যান্ড ENHYPEN-এর একজন ভক্ত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ফ্যাশন, লাইফস্টাইল ও কসমেটিক্স বিষয়ক বিভিন্ন কনটেন্ট নিয়মিতভাবে তৈরি করতেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাঁর টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে কয়েক লাখ অনুসারী ছিল।

মিনা চানের মৃত্যুর আগে অনলাইনে তাঁর বিরুদ্ধে সমালোচনা ও হয়রানির ঘটনার বিষয়ে নানা ধরনের দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে এসব ঘটনার সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। স্থানীয় পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নিযুক্ত হয়েছে।

মিনা চানের মৃত্যুর পর তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনাটি অনলাইন হয়রানি, সাইবারবুলিং এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গন্ধ ও প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আবারও অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোহাম্মদ নূর ‎​ স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


দুর্গন্ধ ও প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আবারও অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ

‎তীব্র দুর্গন্ধ ও প্রতিকূল পরিবেশকে উপেক্ষা করে আবারও মানবিক ও পেশাদারিত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম। কোনো ধরনের অনীহা বা রাখঢাক না রেখে নিজে সরাসরি উপস্থিত থেকে হাওরের পানিতে ভেসে থাকা একটি অজ্ঞাত শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছেন তিনি।
‎
‎বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর সংলগ্ন দেখার হাওর এলাকা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে গোবিন্দপুর এলাকার দেখার হাওরের পানিতে আনুমানিক ৯ থেকে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর মৃতদেহ ভাসতে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মরহদেহটি থেকে ততক্ষণে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করায় সাধারণ মানুষের পক্ষে সেখানে যাওয়া বা এগিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।
‎পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে স্থানীয় লোকজন দ্রুত বিষয়টি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখকে জানান। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিন্দুমাত্র বিলম্ব না করে নিজের সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এই পুলিশ কর্মকর্তা। পরে প্রতিকূল পরিবেশ ও পচাগলা দুর্গন্ধের মাঝেই নিজ তদারকিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
‎
‎
‎এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ পিপিএম বলেন, "দেখার হাওরে একটি শিশুর মরদেহ ভেসে উঠেছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে আমি নিজে টিম নিয়ে সেখানে ছুটে যাই। সেখান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
‎
‎পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তার এমন সাহসী ও মানবিক ভূমিকা স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অজ্ঞাত এই শিশুর পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%