মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫২ এম
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় সংঘটিত একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরপি পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস এবং বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের সরকারপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে হতাহতদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আরপি পরিবহনের বাসটি বরিশাল থেকে আসছিল এবং বিপরীত দিক থেকে ট্রাকটি চলছিল। ভোরের দিকে বাস ও ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে ৯ জনের মৃত্যু ঘটে এবং পরে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি সড়কের ওপর থাকায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
নাটোর ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আক্তার হামিদ বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিম সকালের খাবারের মধ্যে একটি জনপ্রিয় পছন্দ। এটি সহজে প্রস্তুত করা যায়, খরচ সাশ্রয়ী এবং এতে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। ডিম সেদ্ধ, ভাজা বা অমলেট হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। ডিমের উচ্চমানের প্রোটিন পেশি গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পেশি মেরামতে সহায়তা করে। এছাড়াও, এতে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে, যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, চোখের স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে চান, তাদের জন্য ডিম একটি আদর্শ খাবার হতে পারে। তবে একটি সাধারণ প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিদিন কতগুলো ডিম খাওয়া নিরাপদ? চলুন জেনে নিই—
দিনে কতগুলো ডিম খাওয়া যায়?
অনেক সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন একটি আস্ত ডিম খাওয়া সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, কারও খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং পুষ্টির চাহিদার ওপর নির্ভর করে এর চেয়ে বেশি ডিম খাওয়াও উপযুক্ত হতে পারে। সবার জন্য প্রযোজ্য এমন নির্দিষ্ট সীমা নেই।
ডিমের কুসুমে খাদ্যগত কোলেস্টেরল বিদ্যমান। তবে খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করা কোলেস্টেরল সবার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রায় একইভাবে প্রভাব ফেলে না। অন্যদিকে, সামগ্রিক খাদ্যতালিকায় থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে পারে।
অতএব, শুধুমাত্র কতগুলো ডিম খাচ্ছেন, সেটির ওপর গুরুত্ব না দিয়ে ডিমের সঙ্গে আর কী কী খাবার খাচ্ছেন, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
উচ্চমানের প্রোটিন সরবরাহ করে
ডিমে নয়টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড বিদ্যমান। তাই এটি সম্পূর্ণ প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। প্রোটিন পেশি গঠন ও মেরামতে সহায়তা করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতেও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।
ডিমের কুসুমে কোলিন নামের একটি পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম, স্মৃতিশক্তি এবং স্নায়ুতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্যও কোলিন বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।
চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
ডিমে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই উপাদানগুলো চোখের রেটিনায় জমা হয় এবং চোখকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখতেও এগুলো ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রয়োজনীয় ভিটামিন সরবরাহ করে
ডিমে ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি, ভিটামিন এ-সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলো শক্তি উৎপাদন, হাড়ের স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে।
বেশি ডিম খেলে কি কোলেস্টেরল বেড়ে যায়?
ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল থাকার কারণে হৃদযন্ত্রের ওপর এর প্রভাব নিয়ে অনেকের উদ্বেগ রয়েছে। তবে গবেষণা অনুযায়ী, ডিম খাওয়া এবং হৃদরোগের ঝুঁকির মধ্যে সম্পর্ক বেশ জটিল।
অধিকাংশ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে ডিম খাওয়া সুষম খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে মানানসই হতে পারে। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে খাবার থেকে গ্রহণ করা কোলেস্টেরল রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা তুলনামূলক বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে।
যাদের LDL কোলেস্টেরল বেশি, পারিবারিকভাবে কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে বা হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি, তাদের ডিম খাওয়ার পরিমাণের বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া উচিত।
ডিমের সাদা অংশ প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস। এতে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ খুবই কম। যারা ক্যালরি বা খাদ্যগত ফ্যাটের পরিমাণ সীমিত রেখে প্রোটিন গ্রহণ বাড়াতে চান, তাদের জন্য ডিমের সাদা অংশ উপকারী হতে পারে।
তবে কুসুম বাদ দিলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানও বাদ পড়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে কোলিন, ভিটামিন ডি এবং লুটেইন।
পুরো ডিমে সাদা অংশের তুলনায় বেশি ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। তাই আপনি যদি সুস্থ থাকেন এবং বিশেষ কোনো খাদ্যসংক্রান্ত বিধিনিষেধ না থাকে, তাহলে ডিমের কুসুম এড়িয়ে চলার প্রয়োজন নেই।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি অবৈধ স্বর্ণখনির ধসের ঘটনায় অন্তত ১৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো সাতজন। ঘটনার পর ১২ থেকে ১৫ জন খনি শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। খবরটি প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সোমবার (১৯ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দুর্ঘটনাটি নারিনো বিভাগের সান্তা বারবারা দে ইসকুয়ান্দে পৌরসভার প্রত্যন্ত চামবেরো এলাকায় ঘটেছে।
নারিনো বিভাগের গভর্নর লুইস আলফোনসো এসকোবার দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শেষ হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এদিকে, নারিনোতে দুর্যোগ মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা হোর্হে তোভার কাস্তিলো জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর আরও ১২ থেকে ১৫ জন খনি শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পৌর কর্তৃপক্ষ উদ্ধার তৎপরতা ও দুর্ঘটনা মোকাবিলার দায়িত্বে রয়েছে, তবে দুর্গম এলাকার কারণে যোগাযোগে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
সান্তা বারবারা দে ইসকুয়ান্দে একটি ঘন বৃষ্টিবনবেষ্টিত প্রত্যন্ত অঞ্চল। সেখানে যাতায়াতের জন্য নৌকা কিংবা ছোট উড়োজাহাজের ওপর নির্ভর করতে হয়, ফলে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
গভর্নর এসকোবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে খনিটিকে ‘অনানুষ্ঠানিক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কলম্বিয়ার গ্রামীণ অঞ্চলে অনানুষ্ঠানিক ও অনিয়ন্ত্রিত খননকাজের প্রচলন রয়েছে। এসব খনিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব দেখা যায়, যার ফলে সেখানে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের প্রতি গভর্নর এসকোবার সহমর্মিতা জানিয়ে লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার হলো মানুষের জীবন বাঁচানো, পরিবারগুলোর পাশে থাকা এবং এই মর্মান্তিক ঘটনায় দ্রুত ও কার্যকর সহায়তা নিশ্চিত করা।’
এর আগে গত আগস্টে নারিনো বিভাগের পলিকারপা পৌরসভায় একই ধরনের একটি খনিদুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় আর্চার শীতল দেবী এশিয়ান প্যারা গেমসে একটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন। নারীদের কম্পাউন্ড আর্চারির যোগ্যতা অর্জন পর্বে ৭২০-এর মধ্যে ৭০৪ পয়েন্ট স্কোর করে তিনি এই রেকর্ড স্পর্শ করেন।
শীতল দেবীর সঙ্গে পায়েল নাগেরও অসাধারণ পারফরম্যান্স লক্ষ্যণীয়। উভয়ে মিলে ১,৩৭৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে দলগত বিভাগে ভারত শীর্ষস্থান দখল করেছে। চিন ১,৩৩৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। যোগ্যতা অর্জন পর্বে প্রথম স্থান পাওয়ার ফলে ভারত সরাসরি সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছে।
পঞ্চম বাছাই থাইল্যান্ড এবং চতুর্থ বাছাই কাজাখস্তানের মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনালের বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে ভারতীয় জুটি। ঐ ম্যাচে বিজয়ী হলে পদকের লড়াইয়ে তারা পৌঁছে যাবে।
শীতলের বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ এবং পায়েলের দুর্দান্ত অভিষেক, দুইয়ের সম্মিলিত সাফল্যে নাগোয়ায় আর্চারি প্রতিযোগিতার শুরুতেই ভারত তাদের শক্তির পরিচয় তুলে ধরেছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের শীতল ৭২টি শটের মধ্যে ৫৭টিতে নিখুঁত ১০ পয়েন্ট অর্জন করেন। এর মধ্যে ৩২টি ‘এক্স’ ছিল। তার পূর্ববর্তী এশীয় রেকর্ড ছিল ৬৯৮ পয়েন্ট। এক ধাক্কায় ছয় পয়েন্ট বাড়িয়ে তিনি সেই নজির ভেঙে দিয়েছেন।
২০২৪ সালের প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে তুরস্কের ওজনুর গির্দি ৭০৪ পয়েন্ট স্কোর করে যে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন, এদিন সেই রেকর্ডই স্পর্শ করেন শীতল।
প্যারিস প্যারালিম্পিক্সের ব্রোঞ্জজয়ী শীতল ২০২৩ সালের হাংঝৌ এশিয়ান প্যারা গেমসে ৬৮০ পয়েন্ট স্কোর করে এশিয়ান প্যারা গেমসের রেকর্ড গড়েছিলেন। সেবার তিনি ব্যক্তিগত ও মিক্সড টিম বিভাগে সোনা এবং ডাবলসে রুপো জিতেছিলেন। চলতি বছরের মার্চে নিজের এশীয় রেকর্ড বাড়িয়ে ৬৯৮ পয়েন্টে নিয়ে গিয়েছিলেন শীতল। নাগোয়ায় আরও এক ধাপ এগিয়ে বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঝালকাঠিতে একটি দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঝালকাঠি জেলার সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, স্পষ্ট দৃষ্টির চশমা বিতরণ এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঝালকাঠি সরকারি কলেজ চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
সাজেদা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ডব্লিউসিসি ঝালকাঠির সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
বাংলাদেশে ৩৫ বছরের বেশি বয়সি প্রতি ১০ প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ছয়জনই প্রেসবায়োপিয়ায় ভুগছেন। নারীদের মধ্যে (৬৩.১%) এর প্রাদুর্ভাব বেশি, যা পুরুষদের (৬০.২%) তুলনায় বেশি, তবে আক্রান্তদের মধ্যে মাত্র ৩ থেকে ১৩ শতাংশ মানুষ চশমা ব্যবহার করেন। তৃণমূল পর্যায়ে সাশ্রয়ী ও টেকসই চক্ষু সেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে এই কর্মসূচি শ্রমিক, কারিগর, কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাজের উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক জীবনমান উন্নত করতে সরাসরি ভূমিকা রাখছে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চশমা ব্যবহারের ফলে একজন ব্যক্তির আয় ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মমিন উদ্দিনের সক্রিয় সহযোগিতায় আয়োজিত এই চক্ষু ক্যাম্পে ৭৮৭ জনের চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। ৪৯১ জনের প্রেসবায়োপিয়া শনাক্ত হয় এবং তাদের মাঝে ৪৯১টি চশমা বিতরণ করা হয়। এছাড়া ৩৬ জন ছানি রোগী শনাক্ত করা হয়, ১০২ জন অসংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীকে চিহ্নিত করা হয় এবং ৭৯ জন সাধারণ রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (সংসদ সদস্য, ঝালকাঠি-২)।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাত হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, এবং ঝালকাঠি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ