মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৪ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বর্তমানে ভারতে দুই দিনের সফরে রয়েছেন। এই সফরের অন্যতম প্রধান গন্তব্য গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের তেল শোধনাগার, যা বিশ্বের বৃহত্তম একক তেল শোধনাগার কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রুবিওর সফরটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
কেন এই সফর?
গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত এই শোধনাগার প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করে। এটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু। মার্কিন প্রশাসন রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে, সেইসাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জ্বালানি ও ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হোয়াইট হাউস প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রিলায়েন্সের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রাশিয়ার তেল ও মার্কিন কূটনৈতিক চাপ:
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে চীনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই আমদানির একটি বড় অংশ রিলায়েন্সের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ওয়াশিংটন যখন রুশ তেল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপ করেছে, তখন রুবিও ভারতের বিকল্প জ্বালানি পোর্টফোলিও এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে, একদিনে হঠাৎ করে রাশিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন, তবে ভারত তাদের আমদানির ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রে রিলায়েন্সের বড় বিনিয়োগ:
এই কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ভারতের শীর্ষ ধনী এবং রিলায়েন্সের প্রধান মুকেশ আম্বানি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের বিনিয়োগ শুরু করেছেন। টেক্সাসের ব্রাউনসভিল বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নতুন শোধনাগার প্রকল্পে রিলায়েন্স যুক্ত রয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া মাস্কের স্টার্লিং কোম্পানির সাথে ভারতীয় টেলিকম বাজারে রিলায়েন্স জিও-র প্রতিযোগিতা এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আরেকটি আলোচিত অধ্যায়।
সবমিলিয়ে, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে কিছু মতপার্থক্য ও বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত টানাপোড়েন থাকা সত্ত্বেও, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় জামনগরের এই শোধনাগারটি এখন মার্কিন কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে তিনি নগরীর রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলে পূজাম-প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন। এরপর এক মতবিনিময় সভায় সনাতন সম্প্রদায়ের প্রতি শারদীয় শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
জে এম সেন হলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। এ সময় সেখানে একটি নৃত্যদলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে নৃত্য প্রদর্শন করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী জে এম সেন হলের অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী রেডিসন ব্লুতে দলীয় নেতাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে জে এম সেন হল এলাকাকে সাজানো হয় বর্ণাঢ্য সাজে। অনুষ্ঠানস্থলে ৩০০ অতিথির জন্য আসন নির্ধারণ করা থাকলেও এর আশপাশে হাজার হাজার নেতাকর্মীর ভিড় দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে নগরীর রেডিসন ব্লু থেকে কাজির দেউড়ি, জামালখান হয়ে রহমতগঞ্জ পর্যন্ত এলাকায় মানুষের ঢল নামে।
প্রধানমন্ত্রীর আসা-যাওয়ার পথে বিএনপির নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান করেন। তাকে স্বাগত জানিয়ে সেøাগান দেন। রেডিসন ব্লুতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে হোটেল লবি থেকে শুরু করে আশপাশের সড়কে কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে রাজশাহী থেকে সামরিক উড়োজাহাজে করে তিনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখার জন্য নগরের কোতোয়ালি থানার জেএমসেন হল এলাকায় উৎসুক জনতা ভিড় করেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকে হলের আশপাশে বিভিন্ন বয়সের মানুষ জড়ো হতে থাকেন।
বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে নগরের রহমতগঞ্জের জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে তিনি গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে একটি সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণের কর্মসূচি রয়েছে। সব কর্মসূচি শেষে রাতে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বিভিন্ন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিনব্যাপী তিনি বাকেরগঞ্জ পৌরসভার বাকেরগঞ্জ বন্দর সার্বজনীন পূজামণ্ডপসহ উপজেলার কলসকাঠী, পাদ্রীশিবপুর ও নিয়ামতি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সংসদ সদস্য।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে আবুল হোসেন খান বলেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল ধরে এ দেশের সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন।
তিনি আরও বলেন, দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই বাঙালি। এমন একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রত্যেকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত থাকবে।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদেরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন তিনি। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের কমিটির নেতৃবৃন্দ সংসদ সদস্যকে স্বাগত জানান। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক
মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও পূজার আয়োজন ঘুরে দেখেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব মোঃ আরিফুর রহমান ছোটন, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক মুরশিদ আলী গাজী, সদস্যসচিব মোস্তাফিজ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাজান, কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শরিফুল ইসলাম এবং উপজেলা ছাত্রদলের নাসিম, আবু হুসাইন সোহাগ, তাসিন, ইদ্রিস আলী, আবুল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ