শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
ভূমধ্যসাগরের দেশ গ্রিস এবং সাইপ্রাসের পার্লামেন্টে ইসরায়েল একটি সহযোগিতামূলক কমিটি গঠন করেছে। চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, ভূমধ্যসাগরে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে তেল আবিব দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করছে। তবে, এ বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশের পর তুরস্ককে দুই দেশের ‘সাধারণ শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রিক-শাসিত সাইপ্রাসের পার্লামেন্টে গঠিত ইসরায়েলপন্থী সংগঠন ইসরায়েল অ্যালাইস ফাউন্ডেশনের (আইএএফ) স্থানীয় শাখা প্রতিষ্ঠা করেছে দেশটির ডানপন্থী ডিআইএসওয়াই, মধ্যপন্থী ডিআইকেও এবং জাতীয়তাবাদী ইএলএএম দলের ছয়জন আইনপ্রণেতা।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি জানাচ্ছে, গত ১৪ অক্টোবর সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোদুলিদেসের সঙ্গে বৈঠকের পর আইএএফ প্রেসিডেন্ট জশ রেইনস্টাইন দেশটির পার্লামেন্টে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দেন।
এর কিছুদিন পর, গত বুধবার সাইপ্রাস (সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র) সফর করেন মার্কিন-ইসরায়েলপন্থী লবিং সংগঠন আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির (আইপ্যাক) একটি প্রতিনিধিদল। এই প্রতিনিধিদলটি ক্রিস্টোদুলিদেসের সঙ্গে বৈঠক করে, যার নেতৃত্বে ছিলেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বার্নার্ড কামিনেৎস্কি ও পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত ইয়েহুদা নিউবার্গার।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ইসরায়েল, সাইপ্রাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘নিরাপত্তা অংশীদারত্ব’ জোরদার করাই ছিল ওই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য।
আইএএফ-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাইপ্রাসে নিযুক্ত ইসরায়েলের নতুন রাষ্ট্রদূত সুলি দাভিদোভিৎস বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই গভীর হচ্ছে। কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি অভিন্ন মূল্যবোধ, পারস্পরিক নিরাপত্তাস্বার্থ এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়ে তোলার অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এ সম্পর্কের ভিত্তি।
তুর্কি রাষ্ট্রীয় টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানাচ্ছে, পার্লামেন্ট ভবনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিআইএসওয়াই দলের জর্জ কারুল্লাস ও হারালাম্বোস পেত্রিদেস, ইএলএএম দলের সোতেরিস ইয়োনু ও মারিওস পেলেকানোস এবং ডিআইকেও দলের আন্দ্রেয়াস আপোস্তোলু ও ক্রিসিস পান্তেলিদেস। পান্তেলিদেস শাখাটির নেতৃত্ব দেবেন।
অনুষ্ঠানে সাবেক সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস আনাস্তাসিয়াদেস, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভাসিলিস পালমাস, ডিআইকেও সভাপতি নিকোলাস পাপাদোপোলুস এবং সাইপ্রাসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন ব্রেসলোও উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সমর্থন দেওয়ার কারণে সংগঠনটির সমালোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে, আইএফ-এর সঙ্গে উগ্র ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সম্পর্ক রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসরায়েল, গ্রিস এবং গ্রিক সাইপ্রাস প্রশাসনের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মধ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হলো। এর আগে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে গ্রিসের সামরিক কর্মকর্তারা জানান, ২০২৬ সালে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তিন পক্ষের যৌথ বিমান ও নৌমহড়া বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে, গ্রিক সাইপ্রাস প্রশাসনের ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনার খবর তুরস্কের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো জানিয়েছে, দ্বীপটির ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করার যেকোনো প্রচেষ্টা তারা পর্যবেক্ষণ করছে এবং একই সঙ্গে তুর্কি সাইপ্রাসিদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এ বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ জানানোর পর আইএএফ প্রেসিডেন্ট জশ রেইনস্টাইন তুরস্ককে দুই দেশের ‘সাধারণ শত্রু’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রশ্নের মুখে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা
মুসকান ও সীতাকুণ্ড থানার নিরপক্ষতা নিয়ে ২য় পূর্ব আসছে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মুসকান ড্রিংকিং ওয়াটার কারখানার বোতলজাতকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর দৈনিক জনবাণী পত্রিকার সংবাদকর্মী ও বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থা চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ এবং পরবর্তীতে মামলায় সাইবার সুরাক্ষা আইনে মামালা দিয়ে চট্টগ্রাম জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে সীতাকুণ্ড থানার মামলা নং ৫৬
স্বাধীন দেশের মুক্ত চেতনা কে পুলিশ বাধা দিয়েছে এবং
ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গত ২ অক্টোবর সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন তথ্য ও প্রমানাধি সংগ্রহের জন্য ছদ্মবেশে মুসকান ড্রিংকিং ওয়াটার কারখানায় কাজ শুরু করেন। সেখানে মুসকান এর পানির বোতল জাত প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, ভেজাল এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করেন তিনি। পরে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। পরবর্তিতে এ প্রতিবেদন একাধিক গনমাধ্যমে প্রকাশিত হয়
প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর মুসকান কর্তৃপক্ষ তাকে ডেকে নিয়ে লিখিত অভিযোগ ছাড়া পুলিশকে খবর দেয় বলে জানা গেছে সীতাকুণ্ড থানার এস আই নুর উল্লাহ কোনো রকম লিখিত অভিযোগ ছাড়ায় ঘটনা তদন্ত ছাড়ায় সাংবাদিক জয়নাল কে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় । এরপর তাকে থানায় বসিয়ে রাখা হয় ওবং এবং পরবর্তীতে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় তথ্য সংগ্রহের জন্য ছদ্মবেশ ধারণের পদ্ধতি নেন একইভাবে, কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনগত পদক্ষেপও যথাযথ প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, মুসকান ড্রিংকিং ওয়াটার ও এর মূল প্রতিষ্ঠান এস এ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা শাহাবুদ্দিন আলম অতীতে ঋণ জালিয়াতি ও ব্যাংকিং কেলেঙ্কারির অভিযোগে একাধিকবার আলোচনায় এসেছেন। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বিভিন্ন ব্যাংকের করা শতাধিক মামলা তার বিরুদ্ধে চলমান বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে ঋণসংক্রান্ত অভিযোগে তিনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কর্তৃক গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সর্বশেষ ২০২৩ সালে ঋণখেলাপি এস এ গ্রুপের শাহাবুদ্দিন আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে মামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, তাকে আটক বা থানায় রাখার আইনি ভিত্তি এবং কারখানার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা—সবকিছুই নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি।
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশের অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব হচ্ছে অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের(বিআরটিসি)কর্মকর্তা মো.জামিল হোসেনের সততার কারণে এক বছরে দুই বার বদলি।বিআরটিসির সৎ কর্মকর্তাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে একটি চক্র দাবি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারিদের।
বিআরটিসির একাধিক সূত্র,ভুক্তভোগী পক্ষ এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই কর্মকর্তাকে দুটি স্থানে বদলির ঘটনা ঘটেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া বাস ডিপোতে বদলি হন। সেখানে সততার সাথেই দায়িত্ব পালল করে আসছেন। চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো দুর্নীতির চরমপন্থায় পৌঁছে গেলে সেই সততা দিয়ে বিআরটিসির মুখ উজ্জ্বল কারি সৎ কর্মকর্তার ডাক পরে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে। সেখানে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন ওতপ্রোতভাবে জড়িত দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের রোষানলে পরতে হয়েছে এই সৎ কর্মকর্তাকে।দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে মনগড়া কাল্পনিক তথ্য দিয়ে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ পরিবেশন করেছেন দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে জামিল হোসেনের যোগদানের সাথে সাথেই পাল্টে যায় চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো। সততা দিয়ে নতুন করে সাজাতে ব্যস্ত তার কর্মস্থল। তার কাজের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো দুর্নীতির খোলস থেকে মুক্তি পাচ্ছে বলে মত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, চালক, কর্মচারিদের।
বিআরটিসির অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্রের ভাষ্য,বিআরটিসির ভিতরে যে কয় জন সৎ অফিসার রয়েছে তার মধ্যে জামিল হোসেন এক জন। বিআরটিসিকে যে ব্যক্তি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান থেকে লাভ জনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম।তাকেই সততা দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন এই জামিল । তাই সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম সবার কাছে সৎ অফিসার হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিতেন। এটা দেখে অনেকের মধ্যে হিংসা হয়। পতিত আওয়ামী লীগের শাসন আমলে সব স্থানে কম বেশি দুর্নীতির আচর পরলেও বিআরটিসি সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের সময় ছিলো ব্যতিক্রম। বিভিন্ন ডিপোর ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময় কখনো বদলি-বাণিজ্য করার অভিযোগ নেই জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) মোট ৩০টি দপ্তর বা অফিস রয়েছে। এর মধ্যে ২২টি বাস ডিপো, ২টি ট্রাক ডিপো, ৪টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং ২টি কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা রয়েছে।
বিআরটিসির বাস ডিপোসমূহ (২২টি)
* ঢাকা ও আশপাশের এলাকা: মতিঝিল, জোয়ারসাহারা, কল্যাণপুর, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, গাবতলী, যাত্রাবাড়ী, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী।
* অন্যান্য বিভাগ ও জেলা: কুমিল্লা, সোনাপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়া, পাবনা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, টুঙ্গিপাড়া।
অন্যান্য অফিসসমূহ
* ট্রাক ডিপো (২টি): ঢাকা ও চট্টগ্রাম।
* ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (৪টি): গাজীপুর, তেজগাঁও, টুঙ্গিপাড়া ও ঝিনাইদহ।
* কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা (২টি): তেজগাঁও ও গাজীপুর।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোর ম্যানেজার মো. জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনাটির সারসংক্ষেপ:
* অভিযোগের নেপথ্য: বিআরটিসির চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোর ম্যানেজার মো. জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে ভুয়া সনদে চাকরি গ্রহণ, বদলি বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মতো কিছু অভিযোগ ছড়ানো হয়।
* জামিল হোসেনের দাবি: জামিল হোসেন এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, চাকরি নেওয়ার সময়কার সব শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাগজপত্র বৈধ রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তিনি তা তদন্তকারী সংস্থার কাছে দেখাতে প্রস্তুত (তিনি তাঁর এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর ৩৫৭২৮৩ ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৪২৯৩৩১ উল্লেখ করেছেন)।
* চাঁদাবাজির অভিযোগ: তাঁর দাবি অনুযায়ী, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী কিছু ব্যক্তি যাচাই-বাছাই ছাড়া অপপ্রচার চালিয়ে তাঁর মুটোফোনে সংবাদ পাঠিয়ে অর্থ দাবি করছেন।
* আইনগত পদক্ষেপ: তাঁর সম্মানহানি ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
বিআরটিসির সদ্য বিদায়ী আব্দুল লতিফ মোল্লার সময় বিআরটিসির অভ্যন্তরে নতুন করে তীব্র ক্ষোভ ও নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল। সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরে ছিলো বলে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে প্রকাশ হয়। আর সেই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সৎ অফিসার জামিল হোসেন কথা বলেই বরিশাল ডিপো থেকে টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে শাস্তিমূলক বদলির ব্যবস্থার করেন তখন কার সংস্থাটির কতৃপক্ষ। পরে বতর্মান সরকার বিভিন্ন সুত্রে জানতে পারে যে এক জন সৎ অফিসারের বিরুদ্ধে অন্যায় করা হয়েছে শুনে বতর্মান সরকারের হস্তক্ষেপে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে তাকে বদলি করা হয়।
বিআরটিসির এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে বলেন জামিল হোসেন এক জন সৎ অফিসার সততার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিক্ষায় পরতে হয়ে আর সঠিক সিদ্ধান্তের কারনেই সফলতা পেয়ে ভালো মানুষের দুষ্ট লোক শত্রু থাকবে এটাই সাভাবিক।
বিআরটিসির চালক নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে বলেন, যে কয় জন ডিপোর ম্যানেজারে সাথে কাজ করেছি তার মধ্যে জামিল হোসেন স্যার অন্যতম। তিনি সত্যি কারেরই এক জন ভালো মানুষ সৎ অফিসার। সততার জন্য দোয়া করি মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত এমন জানি থাকতে পারে। এমন ম্যানেজার আমাদের গর্বের।
তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কর্মকর্তা মো.জামিল হোসেনেন বলেন আমার দায়িত্ব বা কাজ হল একটি এবাদত। তাই যখনই আমাকে যেখানেই দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করেছি।অনেক সময় বিভিন্ন মিথ্যা মনগড়া তথ্য পরিবেশন করেছেন।তা নিয়ে আমি কখনো ভাবিনি আমার কাজ আমি করে যাচ্ছি তাই মহান মালিক আমার সহয় হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- আল্লাহর জিকির মুমিনের আত্মিক উন্নতি, অন্তরের প্রশান্তি ও আত্মশুদ্ধি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। জিকিরের মাধ্যমে মানুষ মহান আল্লাহর স্মরণে নিজেকে নিবিষ্ট রাখার পাশাপাশি তাকওয়া, নৈতিকতা ও উত্তম চরিত্র গঠনের অনুপ্রেরণা লাভ করে। তাই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর স্মরণ জাগ্রত রাখা এবং তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আমল করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।
ছারছীনা শরীফের মরহুম পীর ছাহেব বাহরে শরীয়ত, মুজাদ্দিদে জামান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ সুফী মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহ.)-এর স্মরণে এবং মাদরাসার ১০ম বার্ষিক ঈছালে ছাওয়াব দোয়ার মাহফিল ও হাফেজ ছাত্রদের দস্তারবন্দী উপলক্ষে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বাদ আসর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাাঁও উপজেলাধীন ঐতিহাসিক তাহেরপুর ঈদগাহ ময়দানে হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।
পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন, জিকির কেবল মুখে আল্লাহর নাম উচ্চারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং অন্তরে তাঁর স্মরণ ধারণ করা, তাঁর নির্দেশনা মেনে চলা এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তা বাস্তবায়ন করা। এ শিক্ষা অনুসরণ করে নিয়মিত জিকির, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও উত্তম আমলের চর্চা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
সোনারগাঁও উপজেলা জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সভাপতি আলহাজ্ব মো. সিরাজুল হক সরকারের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ, আইম্মায়ে হিযবুল্লাহ, যুব হিযবুল্লাহ ও ছাত্র হিযবুল্লাহর সোনারগাঁ উপজেলা শাখা ও এলাকাবাসীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক শান্তি-কল্যাণ কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আগুনে পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৪টার দিকে উপজেলার পঞ্চকরণ ইউনিয়নের পাঁচগাঁও বাজারের সেতুসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দোকানমালিক ও ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে তাঁদের ২৫ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সাবেক সেনাসদস্য খান মজিবুর রহমানের মালিকানাধীন পাঁচটি দোকানে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। ফজরের নামাজে যাওয়ার পথে কয়েকজন মুসল্লি আগুন দেখতে পান। তাঁরা পানি ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে একটি ছিল মুদি দোকান। বাকি তিনটি দোকান ভাড়া দেওয়া ছিল এবং একটি ছিল খালি। ভাড়াটিয়া নূরুল আমিন শিকদার সেখানে রিকশার গ্যারেজ ও পুরোনো মালামালের ব্যবসা করতেন। আগুনে তাঁর প্রায় এক লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে তিনি জানান।
আরেক ভাড়াটিয়া মো. মজুমদার ‘রোহান ফার্মেসি’ নামে ওষুধের দোকান পরিচালনা করতেন। তাঁর দাবি, দোকানে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ওষুধ ছিল। আগুনে সেসব ওষুধ পুড়ে গেছে।
ভাড়াটিয়া মো. শাহিনের চা, পান, সিগারেট ও আইসক্রিমের দোকানও আগুনে পুড়ে যায়। তাঁর দাবি, দোকানে থাকা প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে।
শাহিন বলেন, রাত ২টার দিকে মাছ ধরে তিনি দোকানের সামনে থেকে বাড়িতে চলে যান। বাড়ি যাওয়ার সময় তিনি আগুনের কোনো আলামত দেখতে পাননি। পরে ভোরে দোকানে আগুন লাগার খবর পান।
শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পঞ্চকরণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন তালুকদার। তিনি বলেন, রাতের আঁধারে কারা আগুন দিয়ে পাঁচটি পরিবারকে পথে বসিয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান তিনি।
তবে আগুনের ঘটনাটি নাশকতা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফায়ার সার্ভিসও তদন্ত ছাড়া আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
দোকানমালিক খান মজিবুর রহমানের মেয়ে মেহেবুবা মুনমুন অভিযোগ করেন, তাঁর বাবার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপর তাঁদের দোকানঘরগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।
মেহেবুবা মুনমুন আরও বলেন, বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁদের প্রায় ২৫ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে। দোকান ও ব্যবসার মালামাল পুড়ে যাওয়ায় এখন সেই ঋণ পরিশোধ নিয়ে তাঁরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং আগুনের সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো. জাফর মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন দেখতে পান এবং পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
ভোরের আগুনে পাঁচটি দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচগাঁও বাজারে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দোকানমালিক ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আগুনের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
এখন তদন্তেই বেরিয়ে আসার অপেক্ষা—আগুনটি দুর্ঘটনাজনিত, নাকি পরিকল্পিতভাবে কেউ আগুন দিয়েছে।এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ