মামুন বিল্লাহ (কালিগঞ্জ) সাতক্ষীরা
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১০ পি.এম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক
মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও পূজার আয়োজন ঘুরে দেখেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব মোঃ আরিফুর রহমান ছোটন, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক মুরশিদ আলী গাজী, সদস্যসচিব মোস্তাফিজ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাজান, কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শরিফুল ইসলাম এবং উপজেলা ছাত্রদলের নাসিম, আবু হুসাইন সোহাগ, তাসিন, ইদ্রিস আলী, আবুল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধের ময়দান থেকে মায়ের কাছে আকুতি, বেঁচে ফিরতে চান প্রিয়জনদের মাঝে
“মা, তোমাকে অনেক ভালোবাসি মা। তোমাকে অনেক মিস করি। যদি মারা যাই, তাহলে আমার গায়েবানা জানাজা দিও মা। আর যদি আল্লাহ আমাকে ফিরিয়ে আনেন, তাহলে তোমার কোলে ফিরে আসব মা…”
রাশিয়া থেকে ভিডিও বার্তায় মায়ের উদ্দেশে এভাবেই আবেগঘন কথাগুলো বলছিলেন এক বাংলাদেশি যুবক। তাঁর কণ্ঠে ছিল প্রিয়জনদের হারানোর ভয়, মায়ের জন্য গভীর ভালোবাসা আর নিরাপদে দেশে ফিরে আসার আকুলতা।
অভিযোগ উঠেছে, দালালের মাধ্যমে রাশিয়ায় যাওয়ার পর ওই যুবককে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পাঠানো ভিডিও বার্তায় তিনি নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে মায়ের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় ওই যুবক বলেন, “মা, এখানে মানুষের কোনো মায়া-দয়া নেই। ইন্টারনেটও নেই। সবার প্রতি খেয়াল রেখো মা। কারও কোনো দোষ নেই, নিজেই চলে এসেছি মা।”
নিজের সিদ্ধান্তের দায়ও যেন নিজের কাঁধেই নিতে চাইলেন তিনি। কিন্তু মায়ের কাছে তাঁর এই স্বীকারোক্তির আড়ালে ফুটে উঠেছে এক সন্তানের গভীর অনুশোচনা, অনিশ্চয়তা আর বেঁচে থাকার আকুতি।
তিনি আরও বলেন, “দোয়া করো মা, তোমাকে অনেক কথা বলার আছে। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে সব বলব মা।”
কথাগুলো শুধু একজন ছেলের মায়ের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ নয়; যুদ্ধের অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে পড়া একজন মানুষের ভয় ও অসহায়ত্বেরও প্রতিচ্ছবি।
যে মা হয়তো সন্তানের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন, সেই মায়ের কাছে ছেলের এমন বার্তা কতটা কষ্টের, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। অন্যদিকে, পরিবার থেকে দূরে যুদ্ধের ঝুঁকির মধ্যে থাকা ওই যুবকের প্রতিটি মুহূর্তও যেন কাটছে অনিশ্চয়তার মধ্যে।
দালালের প্রলোভনে বিদেশযাত্রা, তারপর যুদ্ধের ঝুঁকি?
ঘটনাটি আবারও বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে দালালচক্রের প্রলোভন ও প্রতারণার ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিদেশে কাজের আশায় গিয়ে কেউ যেন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে না পড়েন, সে জন্য বিদেশযাত্রার আগে কাজের ধরন, ভিসা ও চুক্তির সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।
তবে ওই যুবককে কীভাবে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছিল, কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এবং তাঁকে কী পরিস্থিতিতে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে—এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখনও প্রয়োজন।
একটি ভিডিও বার্তা, একটি মায়ের অপেক্ষা, আর দেশে ফেরার আকুতি।
যুবকটির শেষ কথাগুলো যেন বারবারই ফিরে আসে—“দোয়া করো মা, আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে তোমাকে অনেক কথা বলব।”
এখন তাঁর পরিবার ও স্বজনদের প্রত্যাশা, নিরাপদে দেশে ফিরে মায়ের সঙ্গে আবার দেখা হোক তাঁর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ১৩টি জেলায় স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক পদে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৩ জন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাটে সামছুদ্দিন মুন্না, নীলফামারীতে মো. আব্দুল হালিম, রংপুরে মিল্টন চন্দ্র রায়, নড়াইলে পলক কুমার মন্ডল, মেহেরপুরে তুষার আহমেদ, ভোলায় শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ, পঞ্চগড়ে মো. সানওয়ার হোসেন, খুলনায় মো. নবীরুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. নাজমুল হাসিব রেজা, গাইবান্ধায় মো. সোলেমান আলী, ময়মনসিংহে এ. এস. এম. মোসা, গোপালগঞ্জে মো. আরিফুল ইসলাম এবং পাবনায় মো. পুবন আখতারকে পদায়ন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পদায়নকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ২৯ অক্টোবর নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায়, ওই দিন অপরাহ্নে তারা বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হয়ে যাবেন বলে গণ্য করা হবে।
জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনে গত জুলাই মাস থেকে নতুন সংঘাতের শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর (UNHCR) জানিয়েছে, হুথি বিদ্রোহী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অনুগত বাহিনীর মধ্যে চলমান তীব্র লড়াইয়ের ফলে এই মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তাইজ (Taiz) শহরটি বাস্তুচ্যুতি সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মোট বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে ৭৬ শতাংশই তাইজ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছেন, এবং তাদের ৫২ শতাংশকে এই অঞ্চলে আশ্রয় নিতে হয়েছে। লাহিজে ২৩ শতাংশ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী আদেনে ১৩ শতাংশ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আশ্রয়, খাদ্য এবং বহুমুখী আর্থিক সহায়তা বর্তমানে সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন। অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে প্রায় ৩৩ হাজার ৭০০ পরিবার এখনও যথাযথ আশ্রয়ের বাইরে রয়েছে।
এদিকে, জাতিসংঘের শিশু তহবিল (UNICEF) সতর্ক করে জানিয়েছে যে তাইজে চলমান তীব্র লড়াই ও জ্বালানি সংকটের কারণে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের সুপেয় পানির সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১৬ লাখ শিশু রয়েছে। পানির সংকটপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত তাইজে এই নতুন সংকট লাখ লাখ মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সউদী সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথিদের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে, যা সাধারণ নাগরিকদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা ও উত্তপ্ত রাজপথের পরিস্থিতির জন্য পুনরায় অভিবাসন নীতিকে দায়ী করেছেন। তিনি ইউরোপ এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে তাদের দেশের সীমান্ত কঠোরভাবে বন্ধ করার জন্য জোর তাগিদ দিয়েছেন, যাতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো যায়।
সোমবার ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, 'ফ্রান্সে যা ঘটছে, তা মূলত অভিবাসনের ফল; অন্য কোনো কারণ বা স্কুলের শিক্ষার বিষয় নয়। আমি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে স্পষ্ট করে বলেছি, আপনার সীমান্ত বন্ধ করুন।'
সম্প্রতি ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা পরবর্তীতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার রূপ নেয়।
৮০ বছর বয়সী এই রিপাবলিকান নেতা ফরাসি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অতীতের এক কথোপকথনের কথা স্মরণ করে বলেন, 'আমি অনেক আগেই তাকে (ম্যাক্রোঁ) বলেছিলাম, ফ্রান্স একটি বড় ভুল করছে। আপনারা সারা বিশ্বের মানুষকে ঢোকার সুযোগ দিচ্ছেন। সারাবিশ্ব থেকে মানুষ সেখানে দলে দলে আসছে।'
সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করে ট্রাম্প যোগ করেন, 'খুব শিগগিরই প্যারিস একটি মুসলিম শহরে পরিণত হতে যাচ্ছে। ইউরোপ যদি এখনই তাদের সীমান্ত বন্ধ না করে এবং বিক্ষোভকারীদের মতো অপরাধীদের বের করে না দেয়, তবে ইউরোপের অস্তিত্বই ধ্বংস হয়ে যাবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ