মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫১ পি.এম
ঢাকা, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন (বিএমটিএ) এবং জাপানের ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কো-অর্ডিনেটর কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (জিমকা) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতার লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের জন্য জাপানে চিকিৎসা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজতর করা এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার সুযোগ বৃদ্ধি করা।
আজ মঙ্গলবার, রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চিকিৎসা পর্যটন এবং আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সমঝোতার মাধ্যমে জাপানে চিকিৎসা নিতে আগ্রহী বাংলাদেশি রোগীদের যাতায়াত ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সমন্বয়কে সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেইসাথে, জাপানের উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা, রোবোটিক চিকিৎসাপ্রযুক্তি এবং বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে বাংলাদেশি রোগীদের জানার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে ‘জাপানে হৃদরোগের চিকিৎসার অগ্রগতি’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন কোবে বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কার্ডিওভাসকুলার মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান হিরোমাসা ওতাকে। তিনি হৃদরোগের আধুনিক চিকিৎসা, অপটিক্যাল কোহেরেন্স টমোগ্রাফি (ওসিটি) এবং জটিল করোনারি ইন্টারভেনশনে তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
আন্তর্জাতিক চিকিৎসা যোগাযোগবিষয়ক অধিবেশনে বক্তব্য দেন কোবে বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কমিউনিকেশন সেন্টারের প্রধান অধ্যাপক তোমো ইতো। তিনি আন্তর্জাতিক রোগীদের চিকিৎসাসেবা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে জিমকার সেক্রেটারি জেনারেল কাতসুয়া সাকাগামি, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ কিয়োশি আমাদা ও সিনিয়র রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউকো মোরিকাওয়া এবং শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের বোর্ড পরিচালক ফুতোশি কোনো উপস্থিত ছিলেন।
বিএমটিএর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন, সহসভাপতি এ এম আর মজুমদার লিটন, শাব্বির আহমদ তামিম ও আবদুর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মুফাসসেরুল হকসহ অন্যান্য সদস্যরা।
বিএমটিএ ২০২১ সাল থেকে বাংলাদেশে চিকিৎসা পর্যটন ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব নিয়ে কাজ করে আসছে। অপরদিকে, জিমকা জাপানে চিকিৎসা নিতে আগ্রহী আন্তর্জাতিক রোগীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণে সহায়তা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদকের আসর বসানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড সংঘটিত হওয়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র স্পষ্ট করে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
স্ট্যাটাসে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন অতিরিক্ত ডিআইজির মালিকানাধীন একটি বাড়ি থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। একই সঙ্গে বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পণ্য (মাদক) উদ্ধার করা হয়েছে। এখান থেকেই বোঝা যায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি হয়েছে।’
জামায়াতের আমির দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে আরও লেখেন, ‘দেশের সর্বত্র আইনশৃঙ্খলাবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চাঁদাবাজির মহোৎসব, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, সঙ্গে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যাও তো রয়েছেই।’
বর্তমান সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘এসব জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত।’
স্ট্যাটাসের শেষাংশে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের আমির লেখেন, ‘হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদেরকে আরেকবার জাগতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এম মঞ্জুল করিম রনি মন্তব্য করেছেন, ‘পলাতক স্বৈরাচার বিদেশে বসে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।’
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে টঙ্গী বাজার সার্বজনীন শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দিরে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
পূজা উৎসব পালনে সরকারের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পূজার ছুটি বাড়িয়েছেন। তিনি জানান, আগামীতে ধুতি-পাঞ্জাবিও দেওয়া হবে। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, অবিভক্ত গাজীপুর মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জসিম উদ্দিন ভাট, টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের আহ্বায়ক আকবর হোসেন ফারক, গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সাথীসহ দলীয় নেতাকর্মী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাজ চলাচল ও পণ্য সরবরাহ পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার-এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে সউদী আরবের জ্বালানি তেল রপ্তানি ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেকর্ডের দিকে এগোচ্ছে। এই যুদ্ধ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষভাগে শুরু হয়।
কেপলারের দেওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ১ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে সউদী আরবের গড় তেল রপ্তানি দৈনিক ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে এই রপ্তানির পরিমাণ ছিল দৈনিক ৭১ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল, যা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ মাসিক রপ্তানির রেকর্ড।
উল্লেখযোগ্য যে, চলতি বছরের শুরু থেকে হিসাব করলে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বোচ্চ তেল রপ্তানি রেকর্ড করা হয়েছিল, যার পরিমাণ ছিল দৈনিক ৭৩ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল। কেপলারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবর মাসের প্রথমার্ধে আরব সাগরের 'রাস তানুরা' বন্দরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ২৯ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি হয়েছে, যা সেপ্টেম্বর মাসে ছিল ৪১ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল।
অন্যদিকে, লোহিত সাগরের 'ইয়ানবু' বন্দরের মাধ্যমে এই সময়ে দৈনিক গড়ে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করা হয়েছিল, যেখানে সেপ্টেম্বর মাসে তা ছিল ২৫ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল। এ ছাড়া অন্যান্য নির্দিষ্ট না করা লোডিং বন্দরগুলোর মাধ্যমে অতিরিক্ত ২ লাখ ২৯ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করা হয়েছে।
এই তথ্যগুলো থেকে বোঝা যায়, পূর্বাঞ্চলকে ইয়ানবু বন্দরের সাথে সংযুক্তকারী 'ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন' ব্যবহারের মাধ্যমে আরব সাগর এবং লোহিত সাগরের মধ্যে তেল সরবরাহ ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সউদী আরামকোর দারুণ নমনীয়তা ও সক্ষমতা রয়েছে।
চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে রাস তানুরা বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তখন বাধ্য হয়ে ইয়ানবু বন্দরকেই সউদী তেলের সব চালান সামলাতে হয়েছিল। জুন মাসে ইয়ানবু বন্দর দিয়ে রপ্তানি সর্বোচ্চ ৪২ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেলে পৌঁছায়, যা ছিল মোট তেলের প্রায় ৯৩ শতাংশ (ফেব্রুয়ারিতে যা ছিল দৈনিক মাত্র ৮ লাখ ১৫ হাজার ব্যারেল)।
তবে গত সেপ্টেম্বরে ইরাক থেকে চালানো ড্রোন হামলায় ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সউদী আরামকো আবারও রাস তানুরা বন্দর দিয়ে রপ্তানি বাড়াতে শুরু করে। তথ্যে দেখা যায়, সেপ্টেম্বর মাসে রাস তানুরা দিয়ে তেলের রপ্তানি ইয়ানবু বন্দরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বর্তমানে ভারতে দুই দিনের সফরে রয়েছেন। এই সফরের অন্যতম প্রধান গন্তব্য গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের তেল শোধনাগার, যা বিশ্বের বৃহত্তম একক তেল শোধনাগার কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রুবিওর সফরটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
কেন এই সফর?
গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত এই শোধনাগার প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করে। এটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু। মার্কিন প্রশাসন রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে, সেইসাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জ্বালানি ও ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হোয়াইট হাউস প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রিলায়েন্সের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রাশিয়ার তেল ও মার্কিন কূটনৈতিক চাপ:
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে চীনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই আমদানির একটি বড় অংশ রিলায়েন্সের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ওয়াশিংটন যখন রুশ তেল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপ করেছে, তখন রুবিও ভারতের বিকল্প জ্বালানি পোর্টফোলিও এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে, একদিনে হঠাৎ করে রাশিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন, তবে ভারত তাদের আমদানির ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রে রিলায়েন্সের বড় বিনিয়োগ:
এই কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ভারতের শীর্ষ ধনী এবং রিলায়েন্সের প্রধান মুকেশ আম্বানি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের বিনিয়োগ শুরু করেছেন। টেক্সাসের ব্রাউনসভিল বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নতুন শোধনাগার প্রকল্পে রিলায়েন্স যুক্ত রয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া মাস্কের স্টার্লিং কোম্পানির সাথে ভারতীয় টেলিকম বাজারে রিলায়েন্স জিও-র প্রতিযোগিতা এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আরেকটি আলোচিত অধ্যায়।
সবমিলিয়ে, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে কিছু মতপার্থক্য ও বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত টানাপোড়েন থাকা সত্ত্বেও, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় জামনগরের এই শোধনাগারটি এখন মার্কিন কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ