প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি অবৈধ স্বর্ণখনির ধসের ঘটনায় অন্তত ১৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো সাতজন। ঘটনার পর ১২ থেকে ১৫ জন খনি শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। খবরটি প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সোমবার (১৯ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দুর্ঘটনাটি নারিনো বিভাগের সান্তা বারবারা দে ইসকুয়ান্দে পৌরসভার প্রত্যন্ত চামবেরো এলাকায় ঘটেছে।
নারিনো বিভাগের গভর্নর লুইস আলফোনসো এসকোবার দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শেষ হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এদিকে, নারিনোতে দুর্যোগ মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা হোর্হে তোভার কাস্তিলো জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর আরও ১২ থেকে ১৫ জন খনি শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পৌর কর্তৃপক্ষ উদ্ধার তৎপরতা ও দুর্ঘটনা মোকাবিলার দায়িত্বে রয়েছে, তবে দুর্গম এলাকার কারণে যোগাযোগে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
সান্তা বারবারা দে ইসকুয়ান্দে একটি ঘন বৃষ্টিবনবেষ্টিত প্রত্যন্ত অঞ্চল। সেখানে যাতায়াতের জন্য নৌকা কিংবা ছোট উড়োজাহাজের ওপর নির্ভর করতে হয়, ফলে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
গভর্নর এসকোবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে খনিটিকে ‘অনানুষ্ঠানিক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কলম্বিয়ার গ্রামীণ অঞ্চলে অনানুষ্ঠানিক ও অনিয়ন্ত্রিত খননকাজের প্রচলন রয়েছে। এসব খনিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব দেখা যায়, যার ফলে সেখানে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের প্রতি গভর্নর এসকোবার সহমর্মিতা জানিয়ে লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার হলো মানুষের জীবন বাঁচানো, পরিবারগুলোর পাশে থাকা এবং এই মর্মান্তিক ঘটনায় দ্রুত ও কার্যকর সহায়তা নিশ্চিত করা।’
এর আগে গত আগস্টে নারিনো বিভাগের পলিকারপা পৌরসভায় একই ধরনের একটি খনিদুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন