ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেনি ৩ শিক্ষার্থীকে


১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেনি ৩ শিক্ষার্থীকে

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ১১ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী থাকার পরও এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ৩ জন শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার শূন্য শতাংশ রেকর্ড হয়েছে। অথচ প্রধান শিক্ষকসহ ওই বিদ্যালয়ের ১৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়মিত সরকারি নিয়মে বেতন-ভাতা ভোগ করছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ২০০৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়েছিল। এরপর ২০২৫ সালে এটি নিম্ন মাধ্যমিক থেকে মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নীত হওয়ার অনুমতি পায়। ঐ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬ জন শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছিল। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩ জন শিক্ষার্থী ছিলেন মানবিক বিভাগের।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় যে, উক্ত ৩ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ৩ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, গ্রেপ্তার ২

ফলাফলের এই চরম বিপর্যয় নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাদাত হোসেন মুঠোফোনে বলেন, 'এর আগে আমাদের বিদ্যালয়ের ফলাফল কখনো এতটা খারাপ হয়নি। এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থীই গণিতের বিষয়ে ফেল করেছে। এর অন্যতম কারণ হলো, আমাদের গণিত শিক্ষক ফারুক খালেক দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন এবং বর্তমানে একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন।'

এদিকে একই জেলায় সাদুল্যাপুর উপজেলার 'উত্তর দামোদরপুর কাজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়' থেকেও এ বছর ৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তবে তাদের মধ্য থেকেও কেউ পাস করতে পারেনি।

সংকটজনক এই ফলাফলের বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জানান, 'কেন এমন শতভাগ ফেলের ঘটনা ঘটল, সে ব্যাপারে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষককে জানানো হয়েছে। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনোভাবেই এমন হতাশাজনক ফলাফল আশা করা যায় না।'

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, দুইজন গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাইভ চলাকালেই কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিনা চানের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


লাইভ চলাকালেই কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিনা চানের মৃত্যু

জাপানি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার মিনা চানের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রমাগত কটূক্তি ও অনলাইন হয়রানির মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। ৫ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে তাঁর নিজ বাসভবনে টিকটক লাইভ চলাকালে ২৫ বছর বয়সী এই তরুণীর মৃত্যুর খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৩৩ মিনিটে মিনা চানের বাসায় পুলিশের উপস্থিতি ঘটে এবং সেখান থেকে তাঁকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সিউলের ইয়ংসান পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

মিনা চানের মৃত্যুর খবর প্রথমবার প্রকাশ পায় তাঁর বোনের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পরে ১১ আগস্ট পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মিনা চানের মৃত্যুর বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। পরিবার জানিয়েছে, মিনা চানের ২৬তম জন্মদিনের দুদিন আগে তাঁকে ‘বাড়ি’ ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব ছিল।

পরিবারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য, কটূক্তি ও তীব্র সমালোচনা মিনা চানের ওপর গভীর মানসিক চাপ তৈরি করেছিল। মিনা চানের মৃত্যুর পর অনলাইন হয়রানি ও সাইবারবুলিংয়ের ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মিনা চান কে-পপ ব্যান্ড ENHYPEN-এর একজন ভক্ত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ফ্যাশন, লাইফস্টাইল ও কসমেটিক্স বিষয়ক বিভিন্ন কনটেন্ট নিয়মিতভাবে তৈরি করতেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাঁর টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে কয়েক লাখ অনুসারী ছিল।

মিনা চানের মৃত্যুর আগে অনলাইনে তাঁর বিরুদ্ধে সমালোচনা ও হয়রানির ঘটনার বিষয়ে নানা ধরনের দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে এসব ঘটনার সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। স্থানীয় পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নিযুক্ত হয়েছে।

মিনা চানের মৃত্যুর পর তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনাটি অনলাইন হয়রানি, সাইবারবুলিং এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গন্ধ ও প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আবারও অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোহাম্মদ নূর ‎​ স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


দুর্গন্ধ ও প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আবারও অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন শেখ

‎তীব্র দুর্গন্ধ ও প্রতিকূল পরিবেশকে উপেক্ষা করে আবারও মানবিক ও পেশাদারিত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম। কোনো ধরনের অনীহা বা রাখঢাক না রেখে নিজে সরাসরি উপস্থিত থেকে হাওরের পানিতে ভেসে থাকা একটি অজ্ঞাত শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছেন তিনি।
‎
‎বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর সংলগ্ন দেখার হাওর এলাকা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে গোবিন্দপুর এলাকার দেখার হাওরের পানিতে আনুমানিক ৯ থেকে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর মৃতদেহ ভাসতে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মরহদেহটি থেকে ততক্ষণে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করায় সাধারণ মানুষের পক্ষে সেখানে যাওয়া বা এগিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।
‎পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে স্থানীয় লোকজন দ্রুত বিষয়টি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখকে জানান। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিন্দুমাত্র বিলম্ব না করে নিজের সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এই পুলিশ কর্মকর্তা। পরে প্রতিকূল পরিবেশ ও পচাগলা দুর্গন্ধের মাঝেই নিজ তদারকিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
‎
‎
‎এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ পিপিএম বলেন, "দেখার হাওরে একটি শিশুর মরদেহ ভেসে উঠেছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে আমি নিজে টিম নিয়ে সেখানে ছুটে যাই। সেখান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
‎
‎পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তার এমন সাহসী ও মানবিক ভূমিকা স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অজ্ঞাত এই শিশুর পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় নাতনিকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ প্রতিবেশী দাদা কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


নকলায় নাতনিকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ প্রতিবেশী দাদা কারাগারে

শেরপুরের নকলায় ৮ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে ‘রাজ্জাক পাগলা’ (৫০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করার পরে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। সোমবার ভোরে উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের বারারচর গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। নিজ বাড়ি থেকে রাজ্জাক পাগলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে। প্রতিবেশি সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু ও রাজ্জাক পাগলা সম্পর্কে প্রতিবেশী দাদা-নাতনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজ্জাক পাগলা ওই শিশুকে একা পেয়ে কোলে নিয়ে নিজের বসতঘরে যান। এ সময় ঘরে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটির সঙ্গে পাশবিক আচরণ করেন। এতে শিশুটি হাঁটতে অসুবিধার সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি তার পরিবারের কাছে জানায়। পরে বৃদ্ধকে পাগল ভেবে পরিবারের পক্ষথেকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও শিশুটির নানী রোববার দিবাগত রাতে নকলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজ্জাক পাগলাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র ঘোষ মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা গ্রহণ করার পরে সোমবার ভোরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর ধর্ষণ করা হয়েছে নাকি ধর্ষনের চেষ্টা করা হয়েছে সেবিষয়ে সুস্পষ্টভাবে মতামত দেওয়া সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক সাইদুরকে দেখতে গেলেন আরইউজে সভাপতি আব্দুল আউয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রাজশাহী ব্যুরো

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক সাইদুরকে দেখতে গেলেন আরইউজে সভাপতি আব্দুল আউয়াল
রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমান গুরুতর অসুস্থ হয়ে বর্তমানে বাসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার দুপুরে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও তাকে দেখতে বাসায় যান রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) সভাপতি মুহা: আব্দুল আউয়াল।
এসময় আরইউজের সভাপতি আব্দুল আউয়াল সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসার বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সাইদুর রহমানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আরইউজের সদস্য এবং দৈনিক খোলা কাগজ ও দৈনিক বার্তার স্টাফ রিপোর্টার মাসুদ রানা রাব্বানী এবং আরইউজের সদস্য ও দৈনিক রাজ বার্তার চিফ রিপোর্টার ইফতেখার আলম।
উল্লেখ্য, সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কিডনিসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় চিকিৎসা ও বিশ্রামে রয়েছেন।#

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%