বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:০৭ এম
সরকারি প্রণোদনা পাওয়ার তালিকায় সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবেও পরিচিত। আখচাষিদের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি প্রণোদনার অর্থ গ্রহণের তালিকার প্রথম ১৫ জনের মধ্যে তার নাম থাকায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
আবু সাঈদ চাঁদের কৃষক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন না উঠলেও, একজন আর্থিকভাবে সচ্ছল জনপ্রতিনিধির প্রণোদনা গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে তিনি দাবি করেছেন, তার পরিবার বংশপরম্পরায় আখ চাষ ও সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত। তিনি একজন নিবন্ধিত আখচাষি হিসেবে এ সহায়তা নিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আখচাষিদের মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবে সরকারি সহায়তার অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
রাজশাহী অঞ্চলের ১৫টি সুগার মিল জোনের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য মোট ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে চেক গ্রহণকারীদের তালিকার প্রথম ১৫ জনের মধ্যে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রণোদনা গ্রহণের বিষয়ে আবু সাঈদ চাঁদ বলেছেন, সংসদ সদস্য হলেও তিনি একজন নিবন্ধিত আখচাষি। "আমি একজন কৃষক। আমার বাবাও কৃষক ছিলেন। কৃষক হিসেবে অন্য চাষিদের মতো আমিও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আখচাষির প্রণোদনার চেক নিয়েছি।"
চাঁদের দাবি, বাপ-দাদার আমল থেকেই তাদের পরিবার আখ চাষের সঙ্গে যুক্ত। তিনি নিজেও বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদন করেন এবং রাজশাহী সুগার মিলে শত শত গাড়ি আখ সরবরাহ করেছেন। তিনি ভবিষ্যতেও আখ সরবরাহ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন।
চাঁদ বলেন, "আখ চাষ, আখ সরবরাহ ও কৃষকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা পৃথক বিষয়।" সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করে প্রকৃত প্রেক্ষাপট তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, আখ সরবরাহের বিষয়ে রাজশাহী সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে।
সচ্ছল জনপ্রতিনিধির প্রণোদনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদের আখচাষি পরিচয় নিয়ে সমর্থনমূলক বক্তব্য এসেছে, তবে প্রণোদনা গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদের কৃষক পরিচয়ের পক্ষে বক্তব্য এসেছে, কিন্তু একজন সংসদ সদস্য হিসেবে তার প্রণোদনা গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
ফেসবুক ব্যবহারকারী আনিকুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, "চাঁদের কৃষিকাজ তার মূল পেশা—এটি সত্য হলেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিতর্ক এড়াতে তার প্রণোদনা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করা উচিত ছিল।"
মনিরুল ইসলাম নামের আরেক ব্যবহারকারী মনে করেন, চাঁদ কৃষক হলেও তার আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় প্রণোদনা গ্রহণের বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দেয়। তার মতে, ওই অর্থ যদি কোনো দরিদ্র কৃষক পেতেন, তাহলে বেশি উপকৃত হতে পারতেন।
অন্যদিকে, ইশতিয়াক হাসান রাসেল নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী চাঁদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে লেখেন, "চাঁদ যে আখ চাষ করেন, তা তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন।"
পলাশ নামের আরেক ব্যবহারকারীও চাঁদের কৃষক পরিচয়ের পক্ষে মত দেন। তিনি দাবি করেন, চাঁদ কৃষক পরিবারের সন্তান এবং তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত।
যোগ্যতা ও নৈতিকতার প্রশ্ন
আখচাষিদের জন্য সরকারি প্রণোদনার তালিকায় একজন সংসদ সদস্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিতর্কটি মূলত দুটি প্রশ্নকে সামনে এনেছে। প্রথমত, তিনি প্রণোদনা পাওয়ার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করেছেন কি না। দ্বিতীয়ত, যোগ্যতা পূরণ করলেও একজন জনপ্রতিনিধির আর্থিক সামর্থ্য ও জনস্বার্থ বিবেচনায় এ ধরনের সহায়তা গ্রহণ করা কতটা যুক্তিসংগত।
সরকারি প্রণোদনা বিতরণে স্বচ্ছতা ও জনআস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত উপকারভোগীদের যোগ্যতা, সহায়তা পাওয়ার শর্ত এবং তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা। এতে একজন জনপ্রতিনিধির প্রণোদনা গ্রহণের বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে, তেমনি প্রকৃত ক্ষুদ্র ও অসচ্ছল আখচাষিরা সহায়তা পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মোজতবা খামেনিকে হুমকি প্রদান করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, ইরান সরকারের উৎখাত করলেই দেশটির ‘হুমকি’ দূর করা সম্ভব হবে।
বুধবার ইসরাইলি বাহিনীর একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু এই বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইরানের শাসকগোষ্ঠী এখনো তাদের শিক্ষা নেয়নি।’ তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে ‘বর্তমান স্বৈরাচারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং মন্তব্য করেন যে, মোজতবা খামেনি ‘তার বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ করে নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘তিনি (মোজতবা খামেনি) গ্রেনেডের সেফটি পিন খুলে ফেলেছেন।’ এরপর তিনি দাবি করেন যে, ইরানের এই ‘হুমকি’ দূর করার একমাত্র উপায় হলো দেশটির সরকারকে উৎখাত করা।
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী গ্রীষ্মের আগেই এই খাত থেকে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।
আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রীর মতে, দেশের কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ে এটিই প্রথম সৌর প্যানেল স্থাপনের ঘটনা।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর নীতি অনুসরণ করে ওই কার্যালয়ে ৬ কিলোওয়াট ক্ষমতার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এই প্যানেলটি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপিত হয়েছে। নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। তার মতে, তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে স্থাপন ব্যয়ের ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আশা করেন, এ উদ্যোগ দেখে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনে আগ্রহী হবে।
মানুষের আগ্রহের প্রেক্ষাপটে সরকার এ খাতে নীতি সহায়তা প্রদান করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এর ফলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সেচ পাম্পগুলোকে পর্যায়ক্রমে সৌর বিদ্যুতে রূপান্তর করা হবে। এতে ডিজেল ও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে এবং কৃষকদের উৎপাদন ব্যয়ও হ্রাস পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পুলিশ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ করেছে এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পের সামনে আব্দুল আহাদ ট্রেডার্স নামের দোকানের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, দর্শনা থানার সদাবরী পশ্চিমপাড়ার মৃত আবুল দফাদারের ছেলে জহিরুল হক (৪০) এবং সদাবরী মাদড়াসাপাড়ার মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে আসানুর হক (৩৫)।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কার্পাসডাঙ্গা বাজারে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তাদের হেফাজত থেকে ১৭৬টি পন্ডস ব্রাইট বিউটি ফেসওয়াশ, ১ হাজার ১০৩টি নিভিয়া সফট ক্রিম, এবং ক্লোবেটাসল প্রোপিওনেট ও জেন্টামাইসিন সালফেটযুক্ত ৬৮০টি ক্রিম উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ১৩ হাজার ৯৪০ টাকা। এছাড়া, পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত দুটি পুরোনো ব্যাটারিচালিত ভ্যানও জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত পণ্য ও ভ্যানের জব্দতালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বয়স কম, এবং তিনি ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন—এমন মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সহসম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনি। গেন্ডারিয়া এলাকায় ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটি অভিজ্ঞতাহীন এবং ‘খামখেয়ালি’ পদক্ষেপ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে নিলোফার চৌধুরী মনি এই মন্তব্য করেন। গেন্ডারিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ইশরাকের নিরাপত্তার জন্য লাইসেন্স করা অস্ত্র রাখা আইনগতভাবে বৈধ হলেও, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা মোটেও সমীচীন নয়।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, সাধারণ মানুষকে ভীত-সন্ত্রস্ত করা কোনো মন্ত্রীর কাজ নয়। ইশরাক হোসেনের বয়স এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা—দুটোই কম। বাবার (সাদেক হোসেন খোকা) পরিচয়ে পোষ্য কোটায় রাজনীতিতে আসার কারণে তার অভিজ্ঞতার ঘাটতি স্পষ্ট।
নিলোফার চৌধুরী মনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ইশরাক হোসেন কোনো কুচক্রী মহল বা ‘বুদ্ধিদাতাদের’ উসকানিতে পড়ে এ ধরনের ‘ফিল্মি স্টাইলের’ পদক্ষেপ নিয়েছেন। মাদকবিরোধী কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, মাদকসেবীদের পেছনে এভাবে অস্ত্র উঁচিয়ে সময় অপচয় না করে মূল মাদক মাফিয়া বা সাপ্লাই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক এমপি-মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি হিসেবে মূল্যায়ন করে তিনি জানান, বিএনপির এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বড় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়ে মনি আরও উল্লেখ করেন, ঢাকা শহরের রাজনীতিতে সাদেক হোসেন খোকার সন্তান হিসেবে ইশরাক একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ নাম এবং তার মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল সিটি কর্পোরেশন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহানুভূতিশীল অবস্থানকে ‘মাছের মায়ের পুত্রশোক’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, বিএনপিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেওয়া এবং আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে ইশরাককে সুকৌশলে উসকে দিয়ে আজকের এই পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়ে থাকতে পারে।
মাদক সমস্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এই সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বলেন, মাদক বর্তমান বাংলাদেশের এক নম্বর প্রধান সমস্যা। তৃণমূল থেকে শুরু করে দেশের সর্বত্র মাদকের জাল গভীরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও আমলার নেপথ্য সহযোগিতার কারণে সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ