ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘আমেরিকার মৃত্যু’ ও ‘প্রতিশোধের’ স্লোগানে উত্তাল তেহরান


‘আমেরিকার মৃত্যু’ ও ‘প্রতিশোধের’ স্লোগানে উত্তাল তেহরান

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে জড়ো হওয়া হাজারো শোকাহত মানুষের কণ্ঠে ‘আমেরিকার মৃত্যু’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান ধ্বনিত হচ্ছে।

খামেনির জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স ও এর আশপাশের এলাকায় জনসমুদ্র তৈরি হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সমবেত হওয়া শোকাহত ইরানিরা লাল পতাকা বহন করছেন। উল্লেখ্য, ইরানে লাল পতাকাকে সাধারণত প্রতিশোধের আহ্বানের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

আরও পড়ুন: ‘আ.লীগ একটি অপপ্রচারকারী দল, তাদের সঙ্গে আরেকটি গুপ্ত দল যুক্ত হয়েছে’: রিজভী

অনুষ্ঠান শুরুর আগে আজ শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই কমপ্লেক্সের প্রধান প্রাঙ্গণ মানুষের ঢলে ভরে যায়। এ সময় শোকাহত ইরানিরা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এবং প্রতিশোধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে তেহরানের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের বাইরে হাজারো মানুষকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এরপর, মেট্রো চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা গ্র্যান্ড মোসাল্লার উদ্দেশে রওনা হন, যাতে খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন।

৮৬ বছর বয়সি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের প্রথম দিন নিহত হন। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। ওই সময় তিনি তেহরানে তার আবাসিক ভবনে ছিলেন।

গত মার্চে খামেনির দাফন হওয়ার কথা ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে তীব্র সংঘাতের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। যুদ্ধবিরতির অবসরে চার মাস পর রাষ্ট্রীয়ভাবে তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খামেনির দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সাত দিন ধরে চলবে যা গত শুক্রবার (৩ জুলাই) শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: অপহরণের পর অজয়কে দিয়ে ঋণ আবেদন, এরপর ছিনতাই

খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে যারা অংশ নিচ্ছেন তাদের মধ্যে যথেষ্ট বিশাল সংখ্যক শোকাহত মানুষের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে ইরাকের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টের স্পিকার, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, সিনেট চেয়ারম্যান ও সেনাপ্রধান, আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এবং তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট তেহরানে উপস্থিত হয়েছেন।

আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী, কাতারের শুরা কাউন্সিলের স্পিকার, ওমানের স্টেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, ইয়েমেনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মিসরের সিনেট স্পিকার শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

এছাড়া আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের মধ্যে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান (বিশেষ দূত হিসেবে), চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, বেলারুশের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার, জর্জিয়ার প্রেসিডেন্ট, সার্বিয়ার তথ্য ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী, তুর্কমেনিস্তানের জাতীয় নেতা, উজবেকিস্তানের পার্লামেন্ট স্পিকার, কাজাখস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কিরগিজস্তানের পার্লামেন্ট স্পিকার, ভারতের একটি অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের বিশেষ দূত, থাইল্যান্ডের শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, বুরকিনা ফাসো, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, নামিবিয়া এবং নিকারাগুয়ার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: সিরিয়ার বিজয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে স্মরণীয় হবে

আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর মধ্যে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও), ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং ডেভেলপিং-৮ (ডি-৮)-এর প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন।

এছাড়া ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ, হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের বিভিন্ন গোষ্ঠী, লেবাননের রাজনৈতিক দল, ফিলিস্তিনি ধর্মীয় আলেমদের সংগঠন এবং বুলগেরিয়ার রাজনৈতিক প্রতিনিধিদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতারাও খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে উপস্থিত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রীসেবা বাড়াতে রেলে কোচের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


যাত্রীসেবা বাড়াতে রেলে কোচের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে

বাংলাদেশ রেলওয়ের লোকোমোটিভ ও কোচ (ক্যারেজ) সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে নতুন রেলপথ নির্মাণের পাশাপাশি পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ সংগ্রহের মাধ্যমে যাত্রীসেবা সম্প্রসারণে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে রেলওয়েকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও জনবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে রেলওয়ের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো লোকোমোটিভ ও ক্যারেজের ঘাটতি। এ কারণে যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। নতুন রেললাইন নির্মাণ হলেও পর্যাপ্ত ইঞ্জিন ও কোচের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে নতুন লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ সংগ্রহের বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ক্রয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান। তিনি জানান, ভারত থেকে প্রায় ২০০টি ব্রডগেজ কোচ ও লোকোমোটিভ আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো হাতে আসলে ব্রডগেজ লাইনে বিদ্যমান সংকট অনেকটাই দূর হবে। তবে মিটারগেজ অঞ্চলে এখনও বড় ধরনের চাপ রয়েছে। মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ না হওয়া পর্যন্ত ওই অঞ্চলে যাত্রীসেবায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব হবে না। আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে নতুন লোকোমোটিভ সংগ্রহের উদ্যোগ বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন। হাবিবুর রশিদ বলেন, ভবিষ্যতে নতুন রেললাইন নির্মাণের সঙ্গে সমন্বয় করেই লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ করা হবে, যাতে রেলপথ চালুর সঙ্গে সঙ্গেই পূর্ণাঙ্গ যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা যায়। নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) চলছে। একইসঙ্গে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া নতুন রেললাইন প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার কাজও চলমান রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। তিনি আরও জানান, রাজধানী ঢাকার সঙ্গে আশপাশের জেলার রেল যোগাযোগ জোরদারে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও ভাঙ্গাসহ আশপাশের এলাকায় কমিউটার ট্রেন সার্ভিস সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে মানুষ সকালে ঢাকায় এসে কাজ শেষে আবার বিকেলে নিজ গন্তব্যে ফিরতে পারেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূর্বে আমদানিকৃত ডেমু ট্রেনগুলোর ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়েও সরকার নতুনভাবে চিন্তা করছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় মেরামতের পরিকল্পনা থেকে সরে এসে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এগুলো সচল করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। রেলওয়ের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্টেশনকে বাণিজ্যিকভাবে আরও উন্নত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ বিভাগীয় ও গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশনগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে আধুনিক যাত্রীসেবা, উন্নত অপেক্ষাকক্ষ, বাণিজ্যিক সুবিধা এবং স্টেশন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হবে। ভবিষ্যতে নতুন লোকোমোটিভ ও কোচে যাত্রীদের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা চালুর বিষয়েও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রেলওয়ের অব্যবহৃত জমি ও অবকাঠামো ব্যবহার করে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রথমে রেলের নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করা হবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে আয় ভাগাভাগির ব্যবস্থা করা হবে। সারাদেশের রেল লেভেল ক্রসিং আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এ ছাড়া যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ রেলক্রসিংগুলোতে আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণের জন্যও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হচ্ছে ধীরে ধীরে পুরো রেল নেটওয়ার্ককে ব্রডগেজে রূপান্তর করা। যেখানে প্রয়োজন সেখানে ডুয়েল গেজ রাখা হবে। এতে পরিচালন ব্যয় কমবে এবং রেল পরিচালনা আরও সহজ ও কার্যকর হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দাঁড়িয়ে যাতায়াতের (স্ট্যান্ডিং টিকিট) এ ব্যবস্থাকে সমর্থন করে না। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে বাধ্য হয়ে অনেক সময় স্ট্যান্ডিং টিকিট দিতে হয়। একজন যাত্রী এসি চেয়ারে বসে যাবেন, আর তার মাথার ওপর আরেকজন দাঁড়িয়ে থাকবেন, এটি কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। কিন্তু বর্তমানে চাহিদা এত বেশি যে অনেক সময় এ ব্যবস্থা রাখতে হচ্ছে। নতুন লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হলে যাত্রীসেবা আরও বিস্তৃত হবে, অতিরিক্ত চাপ কমবে এবং স্ট্যান্ডিং টিকিটের প্রয়োজনও ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে। একইসঙ্গে রেলসেবা নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু নতুন রেললাইন নির্মাণ নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তি, পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ, উন্নত স্টেশন, নিরাপদ অবকাঠামো এবং মানসম্মত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ রেলওয়েকে একটি সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন ব্যবস্থায় পরিণত করা। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই জাতীয় সম্মেলনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


জুলাই জাতীয় সম্মেলনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণসভা জুলাই জাতীয় সম্মেলনে যোগদান করেছেন।

অনুষ্ঠানটি শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয়।

‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ এবং ‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’ কেন্দ্রীয় কমিটির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন আহত জুলাইযোদ্ধা এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। এছাড়া আরও উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোশ্যাল মিডিয়ার ফাঁদে পড়ে মাদক পাচারে জড়াচ্ছেন বিমানকর্মীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৬ এম


সোশ্যাল মিডিয়ার ফাঁদে পড়ে মাদক পাচারে জড়াচ্ছেন বিমানকর্মীরা

বিমানকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ার ফাঁদে যেভাবে মাদক পাচারে জড়াচ্ছেন, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় হেরোইন পাচারের অভিযোগে থাই এয়ারওয়েজের একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে (কেবিন ক্রু) আটক করা হয়েছে। এতে প্রায় ৫ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার মূল্যমানের এই মাদক জব্দ হওয়ায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে থাইল্যান্ডে।

এটি বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, পাচারকারীরা ফেসবুকে ‘রোজ রোজ’ এবং টিকটকে ‘পাউডার ইজ পাউডার’ নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিমানকর্মীদের টাকার বিনিময়ে বিদেশে মালামাল বহন করার প্রস্তাব দেয়।

তদন্তে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রগুলো এখন বিমানসংস্থার কর্মীদের লক্ষ্যবস্তু করছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার লাভজনক বাজারগুলোতে মাদক পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

আটক হওয়া থাই এয়ারওয়েজ কর্মী মাত্র ৮,৮০০ বাথ (প্রায় ২৬৫ ডলার) ফির বিনিময়ে ব্যাগগুলো বহন করতে রাজি হয়েছিলেন। থাইল্যান্ডের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (ওএনসিবি) মুখপাত্র আরিপাক এনগের্নবামরুং জানান, এই ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো বর্তমানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে থাকা নেটওয়ার্কটি খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।

ওএনসিবি-র (থাইল্যান্ডের নারকোটিকস কন্ট্রোল বোর্ড অফিস) মহাসচিব পুলিশ মেজর সুরিয়া সিংগাকামল জানান, এই চক্রগুলো পোশাক, কফির প্যাকেট ও ফুলদানির ভেতর মাদক লুকিয়ে থাইল্যান্ডের মধ্য দিয়ে পাচার করে। গত ৩০ জুন থেকে ১ জুলাইয়ের মধ্যে রেশমি পোশাক ও শীতের জ্যাকেটের ভেতর লুকিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও তাইওয়ানে আরো ২৪.৩৮ কেজি হেরোইন পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, যা কর্তৃপক্ষ জব্দ করেছে এবং তাইওয়ানে পৌঁছানোর আগেই আটক করা হয়েছে।

এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে এক থাই নাগরিক ও তাঁর লাওসীয় স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে, ব্যাংককের আরেকজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রয়টার্সকে জানান, গত ১৮ জুন তার টিকটক ইনবক্সেও অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার রেট জানতে চেয়ে এমন বার্তা এসেছিল। তবে নিয়ম অনুযায়ী অপরিচিতের পাঠানো সেই বার্তা তিনি উপেক্ষা করেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) শীর্ষ জাতীয় মাদকবিরোধী কমিটির বৈঠকে থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, চলতি বছরের প্রথমার্ধেই থাইল্যান্ড থেকে আসা অন্তত ছয়জনের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক মাদক পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এই সংখ্যা অনেক বেশি এবং এটি দেশের ভাবমূর্তির ক্ষতি করছে।

সরকারের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এখন থেকে বিমানবন্দরে ক্রু সদস্যদের লাগেজ স্ক্রিনিং ও পরিদর্শন আরো শক্তিশালী করা হবে। অন্য কারোর মালামাল বহন করার প্রমাণ মিললে বিমানসংস্থাগুলো কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। এক বিবৃতিতে থাই এয়ারওয়েজও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

জাতিসংঘের (ইউএনওডিসি) তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত প্রতিবেশী মিয়ানমারে সংঘাত ও অর্থনৈতিক দুর্দশার কারণে আফিম চাষ ২০২৫ সালে এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে মিয়ানমার এখন বিশ্বে অবৈধ আফিমের প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মমতার তৃণমূল কার্যালয় দখলে নিল বিদ্রোহীরা, নতুন সভাপতি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৮ এম


মমতার তৃণমূল কার্যালয় দখলে নিল বিদ্রোহীরা, নতুন সভাপতি ঘোষণা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আবারও একটি নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে উঠেছে। কলকাতার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান কার্যালয় ‘তৃণমূল ভবন’ বিদ্রোহী অংশের নেতারা দখল করে নিয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেল বেলায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দাবি করে তারা নিজেদেরকে ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ বলে, প্রধান কার্যালয়টি দখলে নেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এটি জানা যায়।

জানা যায়, কার্যালয়টি দখল করার পর কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত ভবনের পুরোনো ব্যানার তুলে ফেলা হয়। নতুন ব্যানারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবর্তে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে দলের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

বিদ্রোহী গোষ্ঠী দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি বিধায়ক ও সংসদ সদস্য তাদের সঙ্গে রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চের সামনে তারা উপস্থিত হয়ে দাবি জানিয়ে বলেন, তারা মূল দল এবং নির্বাচনি প্রতীক ‘জোড়া ফুল’ তাদের প্রাপ্য। এর পর, দিল্লি থেকে ফিরে আসার পর শুক্রবার বিকেলে তারা সরাসরি দলীয় দপ্তরের দখল নেন।

এদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আখতারুজ্জামান, ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান, গোলাম রব্বানী, প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা। এ সময় ভবনে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারী সাবেক মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তবে ঋতব্রতরা ভিতরে প্রবেশ করার পর তিনি ভবন ছেড়ে চলে যান।

কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের এই নতুন দলে পরামর্শদাতা হিসেবে থাকবেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন কিনা, তা দলের নতুন কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%