বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪৭ পি.এম
২১ বছর বয়সী অজয় জানিয়েছেন, তার কাছে কোনো টাকা নেই। এই কথা শুনে চার অপহরণকারী তাকে মারধর করতে শুরু করেন। এরপর তারা নতুন একটি কৌশল বের করেন। অজয়কে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঋণের আবেদন করতে বাধ্য করা হয়। ঋণ অনুমোদন হওয়ার পর অভিযুক্তরা এটিএম বুথে গিয়ে সেই টাকা তুলে নেন।
ভারতের চেন্নাইয়ে এই ভিন্ন কৌশলের ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) পুলিশ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী অজয়কে চেন্নাইয়ের পাল্লিকারানাই এলাকায় অপহরণ করা হয়। এরপর তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নেয় চার ব্যক্তি।
অজয় তাদের জানায়, তার কাছে টাকা নেই। এই কথা বলার পর অপহরণকারীরা তাকে মারধর করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা তাকে একটি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ঋণের আবেদন করতে বাধ্য করেন। ঋণের আবেদন অনুমোদন হওয়ার পর অভিযুক্তরা অজয়কে নিয়ে একটি এটিএম বুথে যান। সেখান থেকে ৯ হাজার ৫০০ রুপি তুলে নিয়ে তারা তার মোবাইল ফোনটিও ছিনিয়ে নেন। এরপর অজয়কে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্থানীয় থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্তে চার অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। তারা হলেন সাই আবুথাকির ওরফে আবু (১৮), প্রকাশ রাজ (২২), পুবালান (২৩) এবং সঞ্জয় (২১)। চারজনই চেন্নাইয়ের বাসিন্দা।
পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপহরণে ব্যবহৃত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে। পরে তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরামপুরে চাকরি মেলা (জব ফেয়ার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২৭ অক্টোবর বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এতে দেশের প্রায় ৭০টি নামিদামি ও শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। মেলায় চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার সুযোগ পাবেন এবং চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এ আয়োজনের ফলে স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. তানজিনা খাতুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মফস্বল এলাকার শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং স্থানীয় মেধাবীদের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। চাকরিপ্রার্থীরা মেলায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা, নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য জানা এবং চাকরির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
এ চাকরি মেলার আয়োজন সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে করা হচ্ছে। মফস্বল এলাকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং চাকরির বাজারের সঙ্গে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ আয়োজনের অংশ হিসেবে বুধবার বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। পরিদর্শনের সময় তিনি মেলার স্টল স্থাপন, সার্বিক নিরাপত্তা এবং চাকরিপ্রার্থী ও দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধাসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন। মেলার আয়োজন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
মন্ত্রী পরিদর্শনকালে বলেন, "মফস্বল এলাকার তরুণ-তরুণীদের মেধা ও যোগ্যতাকে জাতীয় পর্যায়ের কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।" তিনি আরও বলেন, "ঢাকাকেন্দ্রিক কর্মসংস্থানের সুযোগের বাইরে স্থানীয় পর্যায়েও চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে হবে।" এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণেরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।
মন্ত্রী আরও জানান, চাকরি মেলাটি সফলভাবে আয়োজন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চাকরিপ্রার্থীরা যাতে সহজে মেলায় অংশ নিতে পারেন এবং নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, সে বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
মেলা আয়োজনের প্রস্তুতিতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, বিরামপুরে এ ধরনের চাকরি মেলার আয়োজন শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। তারা নিজ এলাকায় থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাবেন। এতে চাকরি খোঁজার জন্য দূর-দূরান্তে যাতায়াতের খরচ ও ভোগান্তি কমার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আগামী ২৭ অক্টোবর বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠেয় এ চাকরি মেলায় প্রায় ৭০টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ স্থানীয় চাকরিপ্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীরা এখন মেলার দিনটির অপেক্ষায় রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফাহাম আব্দুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির রাজনীতি আওয়ামী লীগ দ্বারা পরিচালিত হত। তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে হিন্দু সম্প্রদায়কে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে চিন্তা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে বিএনপিপন্থি অ্যাকটিভিস্ট ফাহাম আব্দুস সালাম এসব কথা তুলে ধরেন।
তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে আওয়ামী আমলে একটা ভয় কাজ করত যে দুর্গাপূজা এলে এই বুঝি একটা গ্যাঞ্জাম লাগবে। বাংলাদেশের সাধারণ মুসলমান কখনোই এই পর্যায়ের সাম্প্রদায়িক ছিল না যে হিন্দুরা পূজা করতে পারবে না। এই শয়তানিটা আওয়ামীরাই করতো এবং এটাই ছিল তাদের রাজনীতি।’
ফাহাম তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, ‘আমরা যারা নাইন এলেভেন পার করেছি পরিণত বয়সে - সারা দুনিয়ার সব মুসলমানের মধ্যে এই ভয়টা কাজ করে। না জানি কোথায় গ্যাঞ্জাম লাগলো?’
তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘সেই দিক থেকেই একটা নিরাপদ ও আনন্দময় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ।’
ফাহাম লেখেন, ‘প্রিয় হিন্দু ভাইয়েরা, আশা করি আপনারা অনুধাবন করবেন যে আওয়ামী লীগ আপনাদের স্বার্থ রক্ষা করে নাই। তারা আপনাদের ব্যবহার করেছে। এই দেশের মুসলমানরা এত খারাপ না যে আপনাদের আলাদা করে ভয় পেতে হবে। আপনারা নিশ্চিত থাকুন যে হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে আমরা সবাই প্রায় সমান পর্যায়ের চুতিয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ বিএনপি ও আমাদের সাইডের প্রতিটি রাজনৈতিক দল বেশি রক্ষা করবে। আমরা একটা নতুন চ্যাপ্টারে প্রবেশ করেছি। ধর্মীয় সহিষুতা বৃদ্ধি পাবে। আপনারা সত্যের পথে থাকুন-বিএনপির পক্ষে থাকার কোনো দরকার নাই। আমরাও চেষ্টা করছি। এখনও সফল বলা যাবে না। কিন্তু আমাদের নিয়ত ঠিক আছে। ৫ আগস্ট শেষ না - শুরু।’
ফাহাম আরও যোগ করেন, ‘আমরা নিজেরা নিজেদের হেল্প করলে অনেক কিছুই সম্ভব। যা আগে হয় নাই - এমন না যে কখনোই হবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন যে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের একটি সম্পর্ক বিদ্যমান এবং এটি প্রমাণিত।
তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর শান্তিনগর মোড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এই অভিযোগ করেন।
রিজভী বলেন, জামায়াত অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দাবি করেন, "আওয়ামী লীগ একটি অপপ্রচারকারী দল, তাদের সঙ্গে আরেকটি গুপ্ত দল যুক্ত হয়েছে। এই দুই দলের আচরণ একই।"
দুর্গাপূজা উদযাপন নিয়ে তিনি বলেন, সরকারের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার কারণে সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকার সফলভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই উৎসব সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে।
চিকিৎসাসেবা নিয়ে রিজভী বলেন, "কোনো মানুষ যেন বিনা চিকিৎসায় মারা না যান, সে জন্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।"
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক কর্মীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানোর পর তাকে খুব কাছ থেকে পরপর গুলি করা হয়।
বুধবার রাতে মালদহের ইংরেজবাজার থানার অন্তর্গত রামকেলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম সমীর ঘোষ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ইতোমধ্যে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজয়া দশমীর রাতে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান জেলার উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা। ঘটনার পেছনে কী কারণ রয়েছে, কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত এবং এটি পূর্বপরিকল্পিত কিনা—তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিজয়া দশমীর রাতে এলাকার মানুষ যখন প্রতিমা বিসর্জনে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক সেই সুযোগে কয়েকজন সশস্ত্র দুষ্কৃতকারী সমীর ঘোষের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সে সময় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন। দুষ্কৃতকারীরা প্রথমে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে এবং পরবর্তীতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
সমীরের ভাইয়ের দাবি, বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তার ভাইকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এমনকি তাকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। তবে হুমকি সত্ত্বেও তিনি ভিটেমাটি ছেড়ে যাননি।
পরিবারের তরফ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য স্থানীয় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতকারীদের দায়ী করা হয়েছে। নিহতের ভাই অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত এবং তারা দীর্ঘদিন ধরেই সমীরকে হত্যার ছক কষছিল। তবে পরিবারের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের পেছনে সরাসরি কোনো রাজনৈতিক শত্রুতা রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কিছু জানায়নি।
বিজয়া দশমীর রাতে এমন নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মূল পরিকল্পনাকারী ও ঘাতকদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ