বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪৫ পি.এম
দক্ষিণি সিনেমার জনপ্রিয় তারকা বিজয় দেবরাকোন্ডা এবং অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজয় সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে রাশমিকার প্রতি তার গভীর নির্ভরশীলতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন, যা ভালোবাসা নিয়ে তার সংশয়ের পরিবর্তনকে নির্দেশ করে।
‘কফি উইথ করণ’-এর নবম মৌসুমে বিজয় ও রাশমিকা একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে ভালোবাসা এবং বিয়ে সম্পর্কে তাদের মতামত শেয়ার করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক করণ জোহরের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিজয় জানান, একসময় তার জীবনের মূল লক্ষ্য ছিল ক্যারিয়ার, অর্থ এবং সাফল্য অর্জন। তিনি তখন মনে করতেন, কাজের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিষয়গুলো তার লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথে বাধা।
বিজয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, সুন্দর ভালোবাসা পাওয়ার পরেও তিনি একসময় ভালোবাসার ধারণাকে গুরুত্ব দেননি। কিন্তু রাশমিকার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর তার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়।
অভিনেতা জানান, প্রথমদিকে রাশমিকার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হলেও তা ধীরে ধীরে গভীর নির্ভরতায় রূপ নেয়। রাশমিকা পাশে থাকলে তার দিনগুলো ভালো কাটত, একসঙ্গে খাবার খেলে খাবার আরও সুস্বাদু মনে হতো এবং ঘুমও ভালো হতো। এসব অনুভূতি থেকে বিজয় উপলব্ধি করেন, তিনি রাশমিকাকে শুধু ভালোবাসেন না, বরং জীবনসঙ্গী হিসেবেও পেতে চান।
তবে বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তিনি তাড়াহুড়ো করতে চাননি। বিজয়ের মতে, আবেগের বশে বিয়ে করা উচিত নয়। সুখ-দুঃখ, ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন কিংবা কঠিন পরিস্থিতিতে দুজনের সম্পর্কের দৃঢ়তা বোঝা জরুরি।
বিজয় জানান, রাশমিকা প্রায় এক বছর ধরে তাকে বিয়ের বিষয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। অন্যদিকে, তিনিও বিভিন্ন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সম্পর্কটি বুঝতে চেয়েছেন। সব পরিস্থিতিতে একসঙ্গে থাকার ইচ্ছা অটুট থাকলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
২০১৮ সালে ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমায় প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেন বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। পরবর্তী সময়ে ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায়ও তারা জুটি বাঁধেন। পর্দার এই জুটির সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ বিদ্যমান।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে তেলুগু ও কোডাভা ঐতিহ্য মেনে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন বিজয় ও রাশমিকা। প্রেম থেকে জীবনসঙ্গী হয়ে ওঠার এই গল্পে তাদের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় নিয়ে এখন ভক্তদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের জনপ্রিয় সুপারহিরো চরিত্র ‘স্টার-লর্ড’ সম্পর্কে ভক্তদের জন্য একটি সুখবর প্রদান করেছেন অভিনেতা ক্রিস প্র্যাট। এই তারকা নিশ্চিত করেছেন যে, মার্ভেল চলচ্চিত্রে স্টার-লর্ড চরিত্রটি আবারও পর্দায় ফিরে আসবে এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য মার্ভেল স্টুডিওস ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
সম্প্রতি দ্য প্লেলিস্টের ‘বিংওয়ার্দি’ পডকাস্টে অংশগ্রহণের সময় ক্রিস প্র্যাট তার এই জনপ্রিয় চরিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মার্ভেল স্টুডিওসের প্রধান কেভিন ফাইজ এবং প্রযোজক লু ডি’এসপোসিতোর সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। চরিত্রটির প্রত্যাবর্তন নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে স্টুডিও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন, “আপনারা স্টার-লর্ডকে আবারও দেখতে পাবেন, যা অত্যন্ত আনন্দের। তবে ঠিক কখন বা কোন প্রজেক্টের মাধ্যমে সে ফিরছে, তা এখনই জানানোর অনুমতি আমার নেই।”
এর আগে ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টে প্র্যাট উল্লেখ করেছিলেন যে, স্টার-লর্ড চরিত্রটির ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে তার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা তিনি কেভিন ফাইজের কাছে জানিয়েছেন।
ক্রিস প্র্যাট এ পর্যন্ত মার্ভেলের মোট ছয়টি চলচ্চিত্রে স্টার-লর্ড চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘গার্ডিয়ানস অফ দ্য গ্যালাক্সি’র তিনটি কিস্তি, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ এবং ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গার্ডিয়ানস অফ দ্য গ্যালাক্সি ভলিউম ৩’-এর শেষ অংশেও চরিত্রটির ফেরার স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ার জনগণ ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করেছে, যা আগামী বহু বছর ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান। বুধবার, তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) সংসদীয় দলের বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এরদোয়ান উল্লেখ করেন, সিরিয়ায় প্রায় ১৪ বছরের দমন-পীড়নের পর শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসতে শুরু করেছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরাইলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিস্থিতির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার নেতৃত্বে দেশটির জনগণ ঐক্য ও সংহতির ভিত্তিতে নিজেদের অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উত্তর সিরিয়ায় একীভূতকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশটিতে সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এ সময় তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সিরিয়ার প্রতি তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
এরদোয়ান সিরিয়ায় সাবেক শাসনামলে রক্তপাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি আলি কায়ালি নামে পরিচিত মিহরাজ উরালকে উল্লেখ করেন। এরদোয়ান বলেন, সিরিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটছে, যা বিশেষ করে স্বৈরশাসক ও হত্যাকারীদের জন্য শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, “নিপীড়িত মানুষের আর্তনাদ কখনোই উপেক্ষিত থাকে না।”
গত সপ্তাহে সিরিয়ার সাধারণ গোয়েন্দা সংস্থা মিহরাজ উরালকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ২০১৩ সালে বেনিয়াসে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে পরিচিত। সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় তাকে আটক করা হয়।
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনের অবসানের পর দেশটির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে সিরিয়ার বিরোধী শক্তিগুলোর প্রতি সমর্থন দিয়ে এসেছে। বর্তমানে আঙ্কারা সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং দেশটির স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তথ্যসূত্র: সানা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনের হালকা গরম এবং রাতের ঠান্ডা, ভোরের কুয়াশা শীতের আগমনের বার্তা দিচ্ছে। এই শীতের আগমনের প্রেক্ষাপটে চুয়াডাঙ্গার গ্রামে এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। শীত মৌসুমে ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস আহরণ এবং সুস্বাদু গুড় তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছে গাছিরা।
এ কারণে খেজুর গাছ কাটায় জড়িত গাছিরা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ধারালো দা নিয়ে তারা গাছে উঠে শুকনো অংশ ছাঁটাই করে রস সংগ্রহের উপযোগী করে তুলছেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করা হবে। সারারাত গাছে বাঁধা মাটির হাঁড়িতে ফোঁটা ফোঁটা মিষ্টি রস জমা হবে। সেই রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হবে ঐতিহ্যবাহী নলেন গুড় ও খাঁটি পাটালি। এই পেশার সঙ্গে ১৪ থেকে ১৫ হাজার গাছি জড়িত রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার চার উপজেলায় মাঠ ও রাস্তার দুই ধারে ২ লাখ ৭২ হাজার খেজুর গাছ রয়েছে। এর মধ্যে জীবননগর, দামুড়হুদা, দর্শনা ও আলমডাঙ্গা এলাকায় খেজুর গাছের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ইতোমধ্যে ২০ ভাগ খেজুর গাছ কাটা সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে ১০ থেকে ১১ কেজি গুড় উৎপাদন করা সম্ভব। শীতের আমেজ শুরু হওয়ার আগেই মাঠজুড়ে গাছ পরিচর্যার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে গাছ ঝোড়া ও পরিষ্কার করার কাজ চলছে। খেজুর গাছ বেশি থাকা স্থানে গাছিরা অস্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করেছেন। রস থেকে গুড় তৈরি করার জন্য খেজুর গাছের শুকনো ডাল পালা জ্বালানি হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
চলতি শীত মৌসুমে জেলায় ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খেজুরের গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মৌসুমে কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। একই সময়ে খেজুরের রস ও গুড় বিক্রি করে আয় হয়েছিল ৭৫ কোটি টাকা।
একজন শ্রমিক প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০টি গাছ কাটছেন। এই কাজে দৈনিক ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা মজুরি প্রদান করা হচ্ছে। শীতের মৌসুমে গাছ কাটা, রস সংগ্রহ এবং গুড় তৈরির জন্য বহু শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
দামুড়হুদার দর্শনা এলাকার গাছি রহিম খাঁ বাসসকে জানান, এবারও তিনি আগেভাগেই খেজুর গাছ প্রস্তুত শুরু করেছেন। শীত বাড়লে রস সংগ্রহ শুরু হবে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ধুতুরহাট গ্রামের গাছি শীলন হোসেন জানান, শীতের আমেজ শুরু হতেই শ্রমিক সংকট এড়াতে তারা আগেভাগেই গাছ প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছেন। কার্তিক মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে গাছে গাছে হাঁড়ি পাতা শুরু হবে।
চুয়াডাঙ্গা সদরের গোপীনাথপুর গ্রামের কৃষক আকরামুল বাসসকে বলেন, তিনি এবার ৩০টি গাছ কাটবেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে গাছ কাটা শুরু করার আশা প্রকাশ করেছেন। তাদের মাঠে অনেকে গাছ ঝোড়া বা ক্যালানো শুরু করেছেন। ১৫ দিন পর গাছে নলি পোতার কাজ শুরু হবে। নলি পোতার আগে আরো একবার গাছ চাষতে হবে বা ক্যালাতে হবে। এর এক সপ্তাহ পর রস সংগ্রহের জন্য হাঁড়ি পাতা হবে। একটি গাছ থেকে ৩ দিন রস সংগ্রহের পর ৪ থেকে ৫ দিন গাছ শুকাতে হয়। এরপর হালকা রেক দিয়ে চেষে ফের রস সংগ্রহ করতে হবে।
খেজুরের রস থেকে মানসম্মত ও সুস্বাদু গুড় তৈরি একটি বিশেষ শিল্প। সারারাত ধরে ফোঁটা ফোঁটা করে সংগৃহীত হয় খেজুরের রস। সকালে সেই রস চুলায় নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী জ্বাল দেয়া হয়। রস ঘন হয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু তরল গুড় (ঝোল গুড়), দানা গুড় এবং পাটালি।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নূরুল ইসলাম বাসসকে জানান, চুয়াডাঙ্গার খেজুরের গুড়ের সুনাম দেশজুড়ে রয়েছে। গুণগতমান ভালো হওয়ায় সারা দেশেই এই গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে গুড় দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে শীতের শুরুতেই গাছিরা গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত রয়েছেন। জেলার প্রায় ২০ ভাগ গাছ ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং পর্যাপ্ত শীত পড়লে এবারও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। প্রকৃতিতে শীতের তীব্রতা যত বাড়বে, খেজুর গাছ থেকে রসের প্রবাহও তত বৃদ্ধি পাবে।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২১ বছর বয়সী অজয় জানিয়েছেন, তার কাছে কোনো টাকা নেই। এই কথা শুনে চার অপহরণকারী তাকে মারধর করতে শুরু করেন। এরপর তারা নতুন একটি কৌশল বের করেন। অজয়কে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঋণের আবেদন করতে বাধ্য করা হয়। ঋণ অনুমোদন হওয়ার পর অভিযুক্তরা এটিএম বুথে গিয়ে সেই টাকা তুলে নেন।
ভারতের চেন্নাইয়ে এই ভিন্ন কৌশলের ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) পুলিশ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী অজয়কে চেন্নাইয়ের পাল্লিকারানাই এলাকায় অপহরণ করা হয়। এরপর তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নেয় চার ব্যক্তি।
অজয় তাদের জানায়, তার কাছে টাকা নেই। এই কথা বলার পর অপহরণকারীরা তাকে মারধর করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা তাকে একটি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ঋণের আবেদন করতে বাধ্য করেন। ঋণের আবেদন অনুমোদন হওয়ার পর অভিযুক্তরা অজয়কে নিয়ে একটি এটিএম বুথে যান। সেখান থেকে ৯ হাজার ৫০০ রুপি তুলে নিয়ে তারা তার মোবাইল ফোনটিও ছিনিয়ে নেন। এরপর অজয়কে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্থানীয় থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্তে চার অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। তারা হলেন সাই আবুথাকির ওরফে আবু (১৮), প্রকাশ রাজ (২২), পুবালান (২৩) এবং সঞ্জয় (২১)। চারজনই চেন্নাইয়ের বাসিন্দা।
পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপহরণে ব্যবহৃত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে। পরে তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ