বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪৫ পি.এম
মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের জনপ্রিয় সুপারহিরো চরিত্র ‘স্টার-লর্ড’ সম্পর্কে ভক্তদের জন্য একটি সুখবর প্রদান করেছেন অভিনেতা ক্রিস প্র্যাট। এই তারকা নিশ্চিত করেছেন যে, মার্ভেল চলচ্চিত্রে স্টার-লর্ড চরিত্রটি আবারও পর্দায় ফিরে আসবে এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য মার্ভেল স্টুডিওস ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
সম্প্রতি দ্য প্লেলিস্টের ‘বিংওয়ার্দি’ পডকাস্টে অংশগ্রহণের সময় ক্রিস প্র্যাট তার এই জনপ্রিয় চরিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মার্ভেল স্টুডিওসের প্রধান কেভিন ফাইজ এবং প্রযোজক লু ডি’এসপোসিতোর সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। চরিত্রটির প্রত্যাবর্তন নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে স্টুডিও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন, “আপনারা স্টার-লর্ডকে আবারও দেখতে পাবেন, যা অত্যন্ত আনন্দের। তবে ঠিক কখন বা কোন প্রজেক্টের মাধ্যমে সে ফিরছে, তা এখনই জানানোর অনুমতি আমার নেই।”
এর আগে ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টে প্র্যাট উল্লেখ করেছিলেন যে, স্টার-লর্ড চরিত্রটির ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে তার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা তিনি কেভিন ফাইজের কাছে জানিয়েছেন।
ক্রিস প্র্যাট এ পর্যন্ত মার্ভেলের মোট ছয়টি চলচ্চিত্রে স্টার-লর্ড চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘গার্ডিয়ানস অফ দ্য গ্যালাক্সি’র তিনটি কিস্তি, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ এবং ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গার্ডিয়ানস অফ দ্য গ্যালাক্সি ভলিউম ৩’-এর শেষ অংশেও চরিত্রটির ফেরার স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরিয়ার জনগণ ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করেছে, যা আগামী বহু বছর ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান। বুধবার, তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) সংসদীয় দলের বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এরদোয়ান উল্লেখ করেন, সিরিয়ায় প্রায় ১৪ বছরের দমন-পীড়নের পর শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসতে শুরু করেছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরাইলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিস্থিতির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার নেতৃত্বে দেশটির জনগণ ঐক্য ও সংহতির ভিত্তিতে নিজেদের অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উত্তর সিরিয়ায় একীভূতকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশটিতে সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এ সময় তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সিরিয়ার প্রতি তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
এরদোয়ান সিরিয়ায় সাবেক শাসনামলে রক্তপাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি আলি কায়ালি নামে পরিচিত মিহরাজ উরালকে উল্লেখ করেন। এরদোয়ান বলেন, সিরিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটছে, যা বিশেষ করে স্বৈরশাসক ও হত্যাকারীদের জন্য শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, “নিপীড়িত মানুষের আর্তনাদ কখনোই উপেক্ষিত থাকে না।”
গত সপ্তাহে সিরিয়ার সাধারণ গোয়েন্দা সংস্থা মিহরাজ উরালকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ২০১৩ সালে বেনিয়াসে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে পরিচিত। সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় তাকে আটক করা হয়।
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনের অবসানের পর দেশটির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে সিরিয়ার বিরোধী শক্তিগুলোর প্রতি সমর্থন দিয়ে এসেছে। বর্তমানে আঙ্কারা সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং দেশটির স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তথ্যসূত্র: সানা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনের হালকা গরম এবং রাতের ঠান্ডা, ভোরের কুয়াশা শীতের আগমনের বার্তা দিচ্ছে। এই শীতের আগমনের প্রেক্ষাপটে চুয়াডাঙ্গার গ্রামে এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। শীত মৌসুমে ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস আহরণ এবং সুস্বাদু গুড় তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছে গাছিরা।
এ কারণে খেজুর গাছ কাটায় জড়িত গাছিরা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ধারালো দা নিয়ে তারা গাছে উঠে শুকনো অংশ ছাঁটাই করে রস সংগ্রহের উপযোগী করে তুলছেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করা হবে। সারারাত গাছে বাঁধা মাটির হাঁড়িতে ফোঁটা ফোঁটা মিষ্টি রস জমা হবে। সেই রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হবে ঐতিহ্যবাহী নলেন গুড় ও খাঁটি পাটালি। এই পেশার সঙ্গে ১৪ থেকে ১৫ হাজার গাছি জড়িত রয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার চার উপজেলায় মাঠ ও রাস্তার দুই ধারে ২ লাখ ৭২ হাজার খেজুর গাছ রয়েছে। এর মধ্যে জীবননগর, দামুড়হুদা, দর্শনা ও আলমডাঙ্গা এলাকায় খেজুর গাছের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ইতোমধ্যে ২০ ভাগ খেজুর গাছ কাটা সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে ১০ থেকে ১১ কেজি গুড় উৎপাদন করা সম্ভব। শীতের আমেজ শুরু হওয়ার আগেই মাঠজুড়ে গাছ পরিচর্যার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে গাছ ঝোড়া ও পরিষ্কার করার কাজ চলছে। খেজুর গাছ বেশি থাকা স্থানে গাছিরা অস্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করেছেন। রস থেকে গুড় তৈরি করার জন্য খেজুর গাছের শুকনো ডাল পালা জ্বালানি হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
চলতি শীত মৌসুমে জেলায় ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খেজুরের গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মৌসুমে কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। একই সময়ে খেজুরের রস ও গুড় বিক্রি করে আয় হয়েছিল ৭৫ কোটি টাকা।
একজন শ্রমিক প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০টি গাছ কাটছেন। এই কাজে দৈনিক ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা মজুরি প্রদান করা হচ্ছে। শীতের মৌসুমে গাছ কাটা, রস সংগ্রহ এবং গুড় তৈরির জন্য বহু শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
দামুড়হুদার দর্শনা এলাকার গাছি রহিম খাঁ বাসসকে জানান, এবারও তিনি আগেভাগেই খেজুর গাছ প্রস্তুত শুরু করেছেন। শীত বাড়লে রস সংগ্রহ শুরু হবে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ধুতুরহাট গ্রামের গাছি শীলন হোসেন জানান, শীতের আমেজ শুরু হতেই শ্রমিক সংকট এড়াতে তারা আগেভাগেই গাছ প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছেন। কার্তিক মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে গাছে গাছে হাঁড়ি পাতা শুরু হবে।
চুয়াডাঙ্গা সদরের গোপীনাথপুর গ্রামের কৃষক আকরামুল বাসসকে বলেন, তিনি এবার ৩০টি গাছ কাটবেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে গাছ কাটা শুরু করার আশা প্রকাশ করেছেন। তাদের মাঠে অনেকে গাছ ঝোড়া বা ক্যালানো শুরু করেছেন। ১৫ দিন পর গাছে নলি পোতার কাজ শুরু হবে। নলি পোতার আগে আরো একবার গাছ চাষতে হবে বা ক্যালাতে হবে। এর এক সপ্তাহ পর রস সংগ্রহের জন্য হাঁড়ি পাতা হবে। একটি গাছ থেকে ৩ দিন রস সংগ্রহের পর ৪ থেকে ৫ দিন গাছ শুকাতে হয়। এরপর হালকা রেক দিয়ে চেষে ফের রস সংগ্রহ করতে হবে।
খেজুরের রস থেকে মানসম্মত ও সুস্বাদু গুড় তৈরি একটি বিশেষ শিল্প। সারারাত ধরে ফোঁটা ফোঁটা করে সংগৃহীত হয় খেজুরের রস। সকালে সেই রস চুলায় নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী জ্বাল দেয়া হয়। রস ঘন হয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু তরল গুড় (ঝোল গুড়), দানা গুড় এবং পাটালি।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নূরুল ইসলাম বাসসকে জানান, চুয়াডাঙ্গার খেজুরের গুড়ের সুনাম দেশজুড়ে রয়েছে। গুণগতমান ভালো হওয়ায় সারা দেশেই এই গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে গুড় দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে শীতের শুরুতেই গাছিরা গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত রয়েছেন। জেলার প্রায় ২০ ভাগ গাছ ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং পর্যাপ্ত শীত পড়লে এবারও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। প্রকৃতিতে শীতের তীব্রতা যত বাড়বে, খেজুর গাছ থেকে রসের প্রবাহও তত বৃদ্ধি পাবে।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২১ বছর বয়সী অজয় জানিয়েছেন, তার কাছে কোনো টাকা নেই। এই কথা শুনে চার অপহরণকারী তাকে মারধর করতে শুরু করেন। এরপর তারা নতুন একটি কৌশল বের করেন। অজয়কে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঋণের আবেদন করতে বাধ্য করা হয়। ঋণ অনুমোদন হওয়ার পর অভিযুক্তরা এটিএম বুথে গিয়ে সেই টাকা তুলে নেন।
ভারতের চেন্নাইয়ে এই ভিন্ন কৌশলের ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) পুলিশ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী অজয়কে চেন্নাইয়ের পাল্লিকারানাই এলাকায় অপহরণ করা হয়। এরপর তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নেয় চার ব্যক্তি।
অজয় তাদের জানায়, তার কাছে টাকা নেই। এই কথা বলার পর অপহরণকারীরা তাকে মারধর করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা তাকে একটি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ঋণের আবেদন করতে বাধ্য করেন। ঋণের আবেদন অনুমোদন হওয়ার পর অভিযুক্তরা অজয়কে নিয়ে একটি এটিএম বুথে যান। সেখান থেকে ৯ হাজার ৫০০ রুপি তুলে নিয়ে তারা তার মোবাইল ফোনটিও ছিনিয়ে নেন। এরপর অজয়কে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্থানীয় থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্তে চার অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। তারা হলেন সাই আবুথাকির ওরফে আবু (১৮), প্রকাশ রাজ (২২), পুবালান (২৩) এবং সঞ্জয় (২১)। চারজনই চেন্নাইয়ের বাসিন্দা।
পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপহরণে ব্যবহৃত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে। পরে তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরামপুরে চাকরি মেলা (জব ফেয়ার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২৭ অক্টোবর বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এতে দেশের প্রায় ৭০টি নামিদামি ও শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। মেলায় চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার সুযোগ পাবেন এবং চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এ আয়োজনের ফলে স্থানীয় তরুণ-তরুণীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. তানজিনা খাতুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মফস্বল এলাকার শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং স্থানীয় মেধাবীদের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। চাকরিপ্রার্থীরা মেলায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা, নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য জানা এবং চাকরির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
এ চাকরি মেলার আয়োজন সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে করা হচ্ছে। মফস্বল এলাকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং চাকরির বাজারের সঙ্গে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ আয়োজনের অংশ হিসেবে বুধবার বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। পরিদর্শনের সময় তিনি মেলার স্টল স্থাপন, সার্বিক নিরাপত্তা এবং চাকরিপ্রার্থী ও দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধাসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন। মেলার আয়োজন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
মন্ত্রী পরিদর্শনকালে বলেন, "মফস্বল এলাকার তরুণ-তরুণীদের মেধা ও যোগ্যতাকে জাতীয় পর্যায়ের কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।" তিনি আরও বলেন, "ঢাকাকেন্দ্রিক কর্মসংস্থানের সুযোগের বাইরে স্থানীয় পর্যায়েও চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে হবে।" এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণেরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।
মন্ত্রী আরও জানান, চাকরি মেলাটি সফলভাবে আয়োজন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চাকরিপ্রার্থীরা যাতে সহজে মেলায় অংশ নিতে পারেন এবং নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, সে বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
মেলা আয়োজনের প্রস্তুতিতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, বিরামপুরে এ ধরনের চাকরি মেলার আয়োজন শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। তারা নিজ এলাকায় থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাবেন। এতে চাকরি খোঁজার জন্য দূর-দূরান্তে যাতায়াতের খরচ ও ভোগান্তি কমার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আগামী ২৭ অক্টোবর বিরামপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠেয় এ চাকরি মেলায় প্রায় ৭০টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ স্থানীয় চাকরিপ্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীরা এখন মেলার দিনটির অপেক্ষায় রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ