ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সউদীতে ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, কারাদণ্ড ২৫ বছর বাড়ানো হয়েছে


সউদীতে ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, কারাদণ্ড ২৫ বছর বাড়ানো হয়েছে

সউদী আরবে একটি মাদক মামলায় ২৫ বছরের কারাদণ্ড বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় ভারতীয় প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে দিল্লি এই বিষয়ে কূটনৈতিকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করেছে। মোদি সরকারের প্রতিবেশীদের নিয়ে দাদাগিরির কারণে আইনি প্রক্রিয়ায় সাজা বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে তা বাস্তবায়নের ঘটনাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্য হিন্দুর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সউদী আরবের দাম্মাম কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় কেরালার মাহের পেরিংগাদির বাসিন্দা আবৃত্তি ভাল্লিয়িরের (৪১)। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে গ্রেপ্তারের পর তাকে প্রথমে ২৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সউদী রিয়াল জরিমানা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সউদী রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পর বিচারিক আদালত তার সাজা পরিবর্তন করে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন যে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ভারতীয় প্রবাসীর পরিবারের অভিযোগ সত্ত্বেও, সউদী আরবের কঠোর সার্বভৌম আইন, মাদকসংক্রান্ত অপরাধে তাদের জিরো-টলারেন্স নীতি এবং ভারতের কৌশলগত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে দিল্লির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ করা হয়নি। রাষ্ট্রদূতকে তলব করা বা কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর জন্মদিনে জেরুজালেমে বিক্ষোভ, গাড়িবহরে বোতল নিক্ষেপ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানে একটি মোবাইল ফোনের দোকানে কর্মরত আবৃত্তি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সউদী আরবে নতুন কাজের সন্ধানে ছিলেন। ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর, যেদিন তার দেশে ফেরার কথা ছিল, কান্নুরের ওই ব্যক্তি তাকে তার গাড়িটি সউদী আরবে নিয়ে গিয়ে সেখানে একজনের কাছে পৌঁছে দিতে বলেন। তাকে রিটার্ন টিকিটের ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়। কিন্তু তার মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত ও বন্ধ করে রাখা হয়, ফলে পরিবারের কাছে তার খবর পৌঁছায়নি। কয়েকদিন পর পরিবার তার গ্রেপ্তারের খবর জানতে পারে।

পরিবারের ভাষ্যমতে, কান্নুরের এক পরিচিত ব্যক্তি তাকে সউদী-ওমান সীমান্ত দিয়ে একটি গাড়ি সউদী আরবে পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে ভিসা ও যাতায়াতের টিকিটের লোভ দেখায়। ওই ব্যক্তি আবৃত্তিকে জানান যে গাড়ির দুটি ট্যাংকের মধ্যে একটি লিক আছে, তাই যেন সেখানে পেট্রোল না ভরা হয়। কিন্তু আসলে সেই ফুয়েল ট্যাংকের ভেতরেই ৪৩ কেজি মেথঅ্যামফিটামিন লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। সীমান্ত পার হওয়ার সময় গাড়ি তল্লাশি করে মাদক উদ্ধার করা হয় এবং আবৃত্তি সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকা সত্ত্বেও গ্রেপ্তার হন।

আবৃত্তি ছিলেন পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী। মৃত্যুকালে তিনি মা, স্ত্রী, দুই সন্তান ও তিন বোনকে রেখে গেছেন। তার বাবা আগেই মারা যান। অর্থসংকটের কারণে তার পরিবার সউদী আরবে উপযুক্ত আইনি সহায়তা নিতে পারেনি বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবৃত্তির বৃদ্ধা মা, স্ত্রী, দুই সন্তান এবং তিন বোন তাকে বাঁচানোর জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। পরিবার সরকারের কাছে বারবার আবেদন জানিয়ে এসেছে যে তিনি সম্পূর্ণ নিরপরাধ এবং তাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।

আরও পড়ুন: কাতালোনিয়ায় ইসলামফোবিয়ার উত্থানে রাজনীতির সমীকরণ বদলে যাচ্ছে

পরিবারের অভিযোগ, যে ব্যক্তি আবৃত্তিকে গাড়িটি দিয়ে পাঠিয়েছিলেন তিনি তাকে প্রতারিত করার কথা স্বীকার করেন এবং বিষয়টি মিটমাট করার জন্য টাকার প্রস্তাবও দেন। তবুও, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার মুক্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়। দিল্লির কূটনৈতিক ব্যর্থতাকে দায়ী করে এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় ভারতীয়দের।

পরিবার আরও অভিযোগ করে যে, আবৃত্তির মুক্তির ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অন্য এক ব্যক্তি তাদের কাছ থেকে আড়াই লাখ (২.৫ লাখ) রুপি হাতিয়ে নিয়েছে।

এদিকে, আবৃত্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর এবং এর আগে বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো কূটনৈতিক প্রতিবাদ বা হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরেও রিয়াদের বিরুদ্ধে দিল্লি কোনো আনুষ্ঠানিক আপত্তি বা কঠোর মন্তব্য করেনি। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উদ্বেগকে আমলে নিয়ে ভারতের মানবাধিকার সংগঠনগুলোকেও সোচ্চার হতে দেখা যায়নি।

বিশ্লেষকরা দিল্লির নীরবতার পেছনে কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন। প্রথমত, সউদী আরবে তাজির আইনে মাদক পাচার বা চোরাচালানের মতো অপরাধের শাস্তি অত্যন্ত কঠোর। এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সউদী সরকার সাধারণত অন্য কোনো দেশের কূটনৈতিক চাপে রায় শিথিল করে না। দ্বিতীয়ত, ভারত ও সউদী আরবের মধ্যে বর্তমানে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কৌশলগত, বাণিজ্যিক এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বিদ্যমান।

আরও পড়ুন: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর সোলায়মানের জন্য ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা

উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে তেল বাণিজ্য ও কোটি কোটি ভারতীয় প্রবাসী শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় দিল্লি সাধারণত এমন সংবেদনশীল বিচারিক বিষয়গুলোতে বড় ধরনের কূটনৈতিক সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত থাকে। ফলে ভারত সরকার এ ধরনের মামলায় সাধারণত অভিযুক্তকে আইনি সহায়তা প্রদান ও কনস্যুলার অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার মধ্যেই নিজেদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ রেখেছে, একে রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় প্রতিবাদে রূপ দেয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এরদোয়ান লিবিয়ার পার্লামেন্টের অনুমোদনকে স্বাগত জানালেন, ইতিবাচক ফলের আশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


এরদোয়ান লিবিয়ার পার্লামেন্টের অনুমোদনকে স্বাগত জানালেন, ইতিবাচক ফলের আশা

ভূমধ্যসাগরে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের লক্ষ্যে ২০১৯ সালে তুরস্কের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির অনুমোদনকে স্বাগত জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান। তিনি এ সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, এটি দুই দেশের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

এরদোয়ান বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) সংসদীয় দলের বৈঠকে এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, "লিবিয়ার প্রতিনিধি পরিষদ তুরস্ক ও লিবিয়ার মধ্যে সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক অনুমোদন করেছে।" তিনি এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "এটি দুই দেশের জন্য কল্যাণকর হবে।"

মঙ্গলবার, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধি পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে ২০১৯ সালের সমঝোতা স্মারকটি অনুমোদন করে। উল্লেখ্য, তুরস্ক ও লিবিয়ার তৎকালীন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের মধ্যে ওই বছরের নভেম্বরে চুক্তিটি সই হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ভূমধ্যসাগরে দুই দেশের সামুদ্রিক এখতিয়ারভুক্ত এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা।

চুক্তিটি অনুমোদনের পাশাপাশি, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলভিত্তিক পার্লামেন্ট ২০২০ সালে নেওয়া একটি সিদ্ধান্তও বাতিল করেছে, যা তুরস্কের সঙ্গে করা চুক্তিগুলোর অনুমোদন প্রত্যাখ্যান করেছিল। এর ফলে, চুক্তিটি নিয়ে তাদের আগের বিরোধিতার অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

ভূমধ্যসাগরে সামুদ্রিক অধিকার ও জ্বালানি অনুসন্ধানের সুযোগ নিয়ে তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলমান রয়েছে। তুরস্কের সঙ্গে লিবিয়ার এ চুক্তি গ্রিস ও সাইপ্রাসের আপত্তির মুখে পড়েছে। গ্রিসের দাবি, চুক্তিটি আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং গ্রিক দ্বীপগুলোর সামুদ্রিক অধিকার উপেক্ষা করে। ফলে, চুক্তিটির অনুমোদন পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরো বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, এরদোয়ান তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা করেছেন। তিনি জানান, তিন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য তুরস্কের পার্লামেন্টে পাঠানো হয়েছে।

তুরস্ক ও লিবিয়ার সমুদ্রসীমা চুক্তি একদিকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে, অন্যদিকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে সামুদ্রিক অধিকার ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে চলমান বিরোধে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণের কবলে, বাড়ছে সুদের বোঝা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


বিশ্বে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণের কবলে, বাড়ছে সুদের বোঝা

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কম মজুরি, আবাসনসংকট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্থায়নের ঘাটতির প্রতিবাদে সম্প্রতি লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমেছেন। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তবে অনেক বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল।

ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখা গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার দেশজুড়ে পাঁচ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। শিক্ষা ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

এ পরিস্থিতিতে ইউরোপের দেশগুলোর ঋণসংকট ও সরকারের আর্থিক চাপ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে বিপুল ঋণ নেওয়ার ফলে অনেক দেশের সরকার এখন গভীর ঋণের জালে আটকা পড়েছে। একই সঙ্গে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয়ও বাড়ছে।

সরকার কীভাবে ঋণ নেয়

যেভাবে সাধারণ মানুষ ঋণ নেয়, সরকারও অনেকটা একইভাবে ঋণ নেয়। তবে ব্যাংক থেকে সরাসরি ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে সরকার সাধারণত বন্ড বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে।

বন্ড কেনার বিনিময়ে বিনিয়োগকারীদের সুদ দেয় সরকার। পাশাপাশি নির্ধারিত মেয়াদ শেষে মূল অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

১০ বছর মেয়াদি বন্ড হলো এমন এক ঋণ, যা সরকার এক দশক পর পরিশোধ করে। এই বন্ডের ‘ইল্ড’ বা বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্ত মুনাফা হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা থেকে বোঝা যায়—কোনো দেশ তার ঋণ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাজারের কতটা আস্থা অর্জন করতে পেরেছে।

যেভাবে কাজ করে সরকারি বন্ড

১. সরকার ঋণ নেয়—একজন বিনিয়োগকারী ১০ বছর মেয়াদি একটি বন্ড কেনার জন্য ১০০ ইউরো প্রদান করেন।

২. সরকার সুদ প্রদান করে—১০ বছর ধরে প্রতি বছর বিনিয়োগকারী একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পেয়ে থাকেন। সুদের হার ২ দশমিক ৫ শতাংশ হলে, তিনি প্রতি বছর ২ দশমিক ৫০ ইউরো (মোট ২৫ ইউরো) পাবেন। আর সুদের হার ৫ শতাংশ হলে, তিনি প্রতি বছর ৫ ইউরো (মোট ৫০ ইউরো) পাবেন।

৩. সরকার ঋণ পরিশোধ করে – ১০ বছর পর, বিনিয়োগকারী তার মূল বিনিয়োগ করা ১০০ ইউরো ফেরত পান।

ঋণ নেওয়ার খরচ বাড়লে কী হয়

বন্ডের দাম কমে গেলে সাধারণত এর ইল্ড বা সুদের হার বেড়ে যায়। ফলে সরকারের জন্য নতুন ঋণ নেওয়া আরো ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।

যেমন একটি পরিবার উচ্চ সুদের হারের কারণে বন্ধকী ঋণের চাপে পড়ে, তেমনি কোনো সরকারকেও তখন ঋণের সুদ পরিশোধে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। এতে স্কুল, হাসপাতাল ও সড়কের মতো জরুরি খাতে ব্যয়ের জন্য অর্থ কমে যায়।

ইউরো অঞ্চল চালুর ঠিক পরপর, ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে ইউরোপের বড় অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য ১০ বছর মেয়াদী ঋণের ব্যয় কখনোই ৫ শতাংশের মতো উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

২০১০ থেকে ২০১২ সালের ইউরোজোন ঋণ সংকটের সময় গ্রিস, ইতালি ও স্পেনের মতো সংকটাপন্ন দেশগুলোকে ৫ শতাংশ বা তার বেশি সুদ দিতে হয়েছিল। সুদের হার ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় আয়ারল্যান্ড ও পর্তুগালকে আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা নিতে হয়েছিল।

বর্তমানে ফ্রান্সকে ১০ বছর মেয়াদি সরকারি ঋণের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ সুদ দিতে হচ্ছে। বিপরীতে, জার্মানির ক্ষেত্রে এই হার ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ।

দুই দেশের সুদের হারের এই ব্যবধান বাড়ার অর্থ হলো, ফ্রান্সকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা জার্মানির তুলনায় বেশি মুনাফা দাবি করছেন। এর মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের সরকারি অর্থব্যবস্থা নিয়ে বাজারের উদ্বেগও প্রতিফলিত হচ্ছে।

ইউরোজোন ও যুক্তরাজ্যের সরকারি ঋণের সুদের হারের তুলনায় দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে ইতালি ও গ্রিসের চেয়েও বেশি সুদ দিতে হচ্ছে ফ্রান্সকে। ইউরোর বাইরে থাকা যুক্তরাজ্যের ঋণের সুদের হারই কেবল ফ্রান্সের চেয়ে বেশি।

কোন দেশ সবচেয়ে বেশি ঋণী

বিশ্বের সরকারি ঋণের পরিমাণে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ঋণ ৪১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১২৭ শতাংশ। এরপর চীনের ঋণ ২২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার এবং জাপানের ৮ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার। জিডিপির অনুপাতে জাপানের ঋণ ১৯৯ শতাংশ।

ফ্রান্সের সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির জিডিপির ১১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। এ হিসাবে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ঋণগ্রস্ত দেশ ফ্রান্স। ইতালির ঋণ ৩ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার হলেও জিডিপির অনুপাতে তা ১৩৮ শতাংশ। অন্যদিকে জার্মানির ঋণ ৩ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ৬৫ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্রান্সের সরকারি ঋণ জিডিপির ১২১ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

সুদ পরিশোধেই বছরে ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলার

ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সের (আইআইএফ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে বিশ্বজুড়ে সরকার, পরিবার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত ঋণ ১০ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

এটি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের মাথাপিছু প্রায় ৪৪ হাজার ডলার ঋণের সমান। ঋণ বৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে উদীয়মান বাজারের দেশগুলো থেকে।

বিপুল এই ঋণের সুদ পরিশোধ করতেও ব্যয় হচ্ছে বিপুল অর্থ। গত এক বছরে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো সরকারি বন্ডের সুদ পরিশোধে ৩ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।

ব্যয়ের এই পরিমাণ বিশ্বজুড়ে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা ৩ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে ব্যয় করা ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলার এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে ব্যয় করা ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি।

সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব

সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় বাড়লে জনসেবামূলক খাতে অর্থ বরাদ্দের সুযোগ সংকুচিত হয়। স্কুল, হাসপাতাল ও পেনশনের মতো খাতে ব্যয় কমানোর চাপ তৈরি হতে পারে। ঘাটতি সামাল দিতে সরকারকে কর বাড়ানোর পথেও হাঁটতে হতে পারে।

এর প্রভাব শুধুমাত্র সরকারি বাজেটেই সীমাবদ্ধ থাকে না। সরকারি ঋণের সুদের হার বেড়ে গেলে আবাসনঋণ, গাড়ি কেনার ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের সুদের হারও বাড়তে পারে।

ফলে একদিকে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, অন্যদিকে সরকারি সেবায় অর্থসংকট—দুই চাপই সাধারণ মানুষের ওপর এসে পড়ে। ইউরোপজুড়ে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পেছনে এই অর্থনৈতিক চাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সরকারগুলোর জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো, ক্রমবর্ধমান ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় সামাল দেওয়ার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক খাতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন বজায় রাখা।

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোমোর কাছে হতাশাজনক হারের পরও চাকরি নিয়ে চিন্তিত নন ক্যারিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


কোমোর কাছে হতাশাজনক হারের পরও চাকরি নিয়ে চিন্তিত নন ক্যারিক

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোমোর কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সকল সদস্য হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কোচ মাইকেল ক্যারিক। তবে তিনি কোচের দায়িত্ব হারানোর বিষয়ে উদ্বিগ্ন নন বলে জানিয়েছেন।

ইতালির ক্লাব কোমোর কাছে স্তাদিও জিউসেপ্পে সিনিগালিয়ায় তিনবারের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পাত্তাই পায়নি। এই লজ্জাজনক হারের ফলে, সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়হীন হয়ে পড়েছে দলটি।

ইউনাইটেডের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের মধ্যে ক্যারিকের দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চলতি মৌসুমে লিগে ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বাজে শুরুর রেকর্ড গড়েছে দলটি। তবে সংবাদ সম্মেলনে ক্যারিক বলেন, চাকরি হারানোর ভয় তিনি করছেন না।

ক্যারিক বলেন, “নিজের অবস্থান নিয়ে আমি একবারও ভাবিনি।”

ম্যাচ শেষে সফরকারী সমর্থকদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি তার ওপর বাড়তে থাকা চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত, এমন ধারণাও নাকচ করেছেন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের কোচ।

ক্যারিক বলেন, “আমি সব সময়ই সমর্থকদের কাছে যাই। কেন গিয়েছি, তার পেছনে বিশেষ কোনো ভিন্ন কারণ ছিল না। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, বিশেষ করে আজ রাতে, তাদের যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, সেটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও স্বীকৃতি জানাতেই গিয়েছিলাম।”

ম্যাচের দুই মিনিট পূর্ণ হওয়ার আগেই নিকো পাজের গোলে পিছিয়ে পড়ে ইউনাইটেড। এর মধ্য দিয়ে বড় ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় টানা দুই ম্যাচের প্রথম দুই মিনিটের মধ্যেই গোল হজম করা প্রথম ইংলিশ দল হয়ে তারা পরিচিতি লাভ করেছে। গত সপ্তাহে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে হারের ম্যাচেও এক মিনিটের মাথায় গোল হজম করেছিল ইউনাইটেড।

সেস ফাব্রেগাসের দল উত্তর ইতালিতে দুর্দান্ত খেলতে খেলতে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরে বদলি হিসেবে নামা জশুয়া জির্কজির যোগ করা সময়ে করা গোলে ব্যবধান কিছুটা কমে। তবে ইউনাইটেড যেভাবে প্রতিপক্ষের কাছে সম্পূর্ণভাবে পরাস্ত হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ক্যারিক।

তিনি বলেন, “আমাদের এভাবে খেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পারফরম্যান্স মোটেও ভালো ছিল না। লিডসের বিপক্ষে (১-১ গোলে ড্র) আমরা যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলাম, সেটির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চেয়েছিলাম।”

“সেখানে আমাদের মধ্যে যে তীব্রতা, মানসিকতা, আগ্রাসন এবং সবকিছু উজাড় করে দেওয়ার প্রকৃত মানসিকতা ছিল, আজকের পারফরম্যান্স ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত। সত্যি বলতে, খেলাটি দেখা ছিল কষ্টকর।”

ক্যারিক আরও বলেন, “খেলা দেখার সময় আমার মাথায় অনেক কিছু ঘুরছিল। লিডসের বিপক্ষে পারফরম্যান্সের সঙ্গে আজকের পারফরম্যান্স এতটা আলাদা কীভাবে হতে পারে, তা সত্যিই বোঝা কঠিন।”

“এমনটা হওয়া উচিত নয়। আমরা সবাই ভালো খেলতে পারি, আবার খারাপও খেলতে পারি। কিন্তু এভাবে খেলা একেবারেই ঠিক নয়।”

ক্যারিকের দলের পরবর্তী ম্যাচ রোববার, নিজেদের মাঠে প্রিমিয়ার লিগে বোর্নমাউথের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

ক্যারিক বলেন, “আমি হতাশ, শুধু হতাশই নই, সত্যি বলতে ভীষণ রাগান্বিত।”

“এখন সামনে এগোতে হবে, পরবর্তী পরিস্থিতি সামলাতে হবে এবং সামনে কী অপেক্ষা করছে, তা দেখতে হবে। পরবর্তী ম্যাচের আগে দলকে প্রস্তুত করতে অনেক কিছু করতে হবে।

আজকের রাতটি সবার জন্যই কঠিন ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেম ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন রাশমিকা ও বিজয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


প্রেম ও বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন রাশমিকা ও বিজয়

দক্ষিণি সিনেমার জনপ্রিয় তারকা বিজয় দেবরাকোন্ডা এবং অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজয় সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে রাশমিকার প্রতি তার গভীর নির্ভরশীলতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন, যা ভালোবাসা নিয়ে তার সংশয়ের পরিবর্তনকে নির্দেশ করে।

‘কফি উইথ করণ’-এর নবম মৌসুমে বিজয় ও রাশমিকা একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে ভালোবাসা এবং বিয়ে সম্পর্কে তাদের মতামত শেয়ার করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক করণ জোহরের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিজয় জানান, একসময় তার জীবনের মূল লক্ষ্য ছিল ক্যারিয়ার, অর্থ এবং সাফল্য অর্জন। তিনি তখন মনে করতেন, কাজের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিষয়গুলো তার লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথে বাধা।

বিজয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, সুন্দর ভালোবাসা পাওয়ার পরেও তিনি একসময় ভালোবাসার ধারণাকে গুরুত্ব দেননি। কিন্তু রাশমিকার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর তার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়।

অভিনেতা জানান, প্রথমদিকে রাশমিকার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হলেও তা ধীরে ধীরে গভীর নির্ভরতায় রূপ নেয়। রাশমিকা পাশে থাকলে তার দিনগুলো ভালো কাটত, একসঙ্গে খাবার খেলে খাবার আরও সুস্বাদু মনে হতো এবং ঘুমও ভালো হতো। এসব অনুভূতি থেকে বিজয় উপলব্ধি করেন, তিনি রাশমিকাকে শুধু ভালোবাসেন না, বরং জীবনসঙ্গী হিসেবেও পেতে চান।

তবে বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তিনি তাড়াহুড়ো করতে চাননি। বিজয়ের মতে, আবেগের বশে বিয়ে করা উচিত নয়। সুখ-দুঃখ, ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন কিংবা কঠিন পরিস্থিতিতে দুজনের সম্পর্কের দৃঢ়তা বোঝা জরুরি।

বিজয় জানান, রাশমিকা প্রায় এক বছর ধরে তাকে বিয়ের বিষয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। অন্যদিকে, তিনিও বিভিন্ন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সম্পর্কটি বুঝতে চেয়েছেন। সব পরিস্থিতিতে একসঙ্গে থাকার ইচ্ছা অটুট থাকলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

২০১৮ সালে ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমায় প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেন বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। পরবর্তী সময়ে ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায়ও তারা জুটি বাঁধেন। পর্দার এই জুটির সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ বিদ্যমান।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে তেলুগু ও কোডাভা ঐতিহ্য মেনে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন বিজয় ও রাশমিকা। প্রেম থেকে জীবনসঙ্গী হয়ে ওঠার এই গল্পে তাদের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় নিয়ে এখন ভক্তদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%