বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৪৬ পি.এম
রাজধানীর ফার্মগেটে ২০২২ সালে বহুল আলোচিত ‘টিপকাণ্ডে’ চাকরিচ্যুত পুলিশ কনস্টেবল নাজমুল তারেককে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আমিরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
কনস্টেবল নাজমুলের আইনজীবী আব্দুর রহিম কাজল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নাজমুল তারেককে পুনরায় চাকরিতে বহাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০২২ সালের ২ এপ্রিল ফার্মগেট এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রটেকশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল নাজমুল উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় তেজগাঁও কলেজের প্রভাষক লতা সমাদ্দারের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান।
লতা সমাদ্দার অভিযোগ করেছিলেন, কপালে টিপ পরা নিয়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত ব্যক্তি তাকে কটূক্তি ও হয়রানি করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে নাজমুল তারেককে প্রথমে সাময়িক বরখাস্ত এবং পরে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
কিন্তু শুরু থেকেই নাজমুল তারেক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন। তার দাবি ছিল, কপালে টিপ পরা নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি এবং ঘটনাটি সাজানো। পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক প্রতিকার চেয়ে ২০২২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ তার বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে চাকরিতে ফিরিয়ে নেয়ার রায় দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে লক্ষ্য করে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বড় সামরিক হামলার পরিকল্পনা গভীরভাবে ভাবছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) যদি মার্কিন বাহিনী তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের সাথে কথোপকথনে ট্রাম্প বলেছেন, এখনও পর্যন্ত তেহরান যথেষ্ট মূল্য চোকাতে পারেনি। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ হামলার পরিকল্পনার কথা ভাবছি। তিনি আরও জানান, সিদ্ধান্তের খুব কাছাকাছি রয়েছি এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের বড় পরিণতি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে, তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি এবং সময়সীমা নির্ধারণ করেও নেই।
ইসরায়েল সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেছেন, যদি আমি বলি তাহলে ইসরায়েল দুই মিনিটের মধ্যে সম্পৃক্ত হয়ে যাবে, যদিও আমাদের কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই। কিন্তু তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে, ইসরায়েল এ হামলায় জড়ালে তাদেরও (ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা) পরিণতির শিকার হতে হবে। ট্রাম্পের দাবি, ইরানি কর্মকর্তারা আলোচনা করতে চাইলেও তারা এখনও কোনো চুক্তিতে আসার জন্য প্রস্তুত নয়।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, আইআরজিসি যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিগুলোতে হামলার হুমকি দিয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে জানায়, ইরানের মাটিতে হামলার জন্য ব্যবহৃত যেকোনো ঘাঁটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ধরা হবে।
আইআরজিসির দাবি, ভারত মহাসাগরে মার্কিন জাহাজগুলোর থেকে ক্রুজ মিসাইলের মজুত কমে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এখন যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে ‘বি-১ ল্যান্সার’ যুদ্ধবিমান উড়াচ্ছে। আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক এবং সর্বোচ্চ সম্পৃক্ততা সম্পর্কে অভিযোগ তুলেছে এবং সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাজ্য যেন তাদের 'অপরাধের খাতা' আরো ভারী না করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুর সদর উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা পাঁচ দফা দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ সহ আরও বেশ কয়েকটি দাবির সাথে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানে আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম। দেশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। মাদক কারবারি, চাঁদাবাজি, দলীয়করণ এবং জমি দখল অব্যাহত রয়েছে।”
নাহিদ ইসলাম এরপর বলেন, “যদি আপনার জমি দখল হয়ে যায়, তাহলে আপনি কোথায় যাবেন? মিডিয়া, পুলিশ, আদালত — সব জায়গায় দলীয়করণ ঘটে গেলে কোথাও ন্যায়বিচার পাবেন না। এই সরকার কোনো পরিবর্তনের সরকার নয়। রাজনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হলে এনসিপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আমাদের পার্লামেন্টে মাত্র আটজন সদস্য রয়েছেন। এই আটজন জনগণের জন্য একশো জনের ভূমিকা পালন করছে। এনসিপি প্রধান বিরোধী দল হলে, জনগণের পক্ষে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারত। আগামীতে আমাদের সমর্থন দিন, এনসিপি চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূল করবে।”
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, “এতদিন পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। বিএনপি পাঁচ মাসে আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারেনি। যদি তারা রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তারা কীভাবে রাষ্ট্র পরিবর্তন করবে? পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করাও প্রয়োজন। যোগ্য ও নিরপেক্ষ একজনকে রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য নির্বাচন করতে হবে, কিন্তু বিএনপি তা করতে চায় না।”
নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্ররা অগ্রসর ছিল। পেছন থেকে সর্বস্তরের জনতা সহযোগিতা করেছিল। জামালপুরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে সম্প্রতি অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি আমরা নিন্দা জানাই। এই ঘটনায় কতজন গ্রেপ্তার হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমরা জানতে চাই। ফ্যাসিস্টরা তাণ্ডব চালালে তার দায় পুলিশ প্রশাসন এবং সরকারকেই নিতে হবে।”
পথসভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক পারছিস আলম, যুগ্ম সদস্যসচিব লুতফুর রহমান, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান সহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার খোকসায় আন্তঃনগর বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিলের প্রতিবাদে (স্টপেজ স্থগিত) মানববন্ধন কর্মসূচি ও রেল লাইন অবরোধ পালিত হয়। সাড়ে তিন ঘণ্টা পরে জেলা প্রশাসন ও রেল কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পর অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোকসা ষ্টেশন ঘিরে এই কর্মসূচি পালিত হয়। যেখানে হাজার হাজার জনতা ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।
কর্মসূচি চলাকালে রাজবাড়ীর পাংশায় রাজধানী থেকে রাজশাহী গামী আন্তঃনগর মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কুমারখালী স্টেশনে রাজধানীর কমলাপুর গামী বেলাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনসহ মোট তিনটি ট্রেন আটকা পড়ে। ফলে কয়েকশ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ে। এ সময় আন্দোলনকারীরা অভিযোগ জানান যে, জামায়াতের এমপি আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া ৪ আসনের বেনাপোল ট্রেনের যাত্রা বিরতি বাতিলের জন্য ডিও লেটার দিয়েছেন এবং স্লোগান দিতে থাকেন।
বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়া ৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন ও খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ আলাউদ্দিন আন্দোলনকারীদের শান্ত করা চেষ্টা করেন। সংসদ সদস্য দুই দফায় প্রায় ২০ মিনিট বক্তব্য দেন এবং নিজেকে নির্দোষ প্রমানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। এসময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আন্দোলনকারীরা 'ভুয়া ভুয়া' বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন এবং রাজবাড়ীর সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন। রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আশ্বাস দেন যে, আগামী সোমবারের মধ্যে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির চিঠি (আদেশ) বাতিল করে নতুন চিঠি জারি করা হবে। পরে আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
রেল লাইন অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন খোকসা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিস উজ জামান স্বপন, উপজেলা জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, মনিরুজ জামান কাজল, আরিফুল আলম তসর, সেলিম রেজা, সুনাম মোরশেদ, শরিফুল ইসলাম শরিফ এবং খোকন হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই এসেছে বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠা, খুন, গুম, হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও আয়নাঘর থেকে মুক্তির জন্য।
তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর মিরপুর জোন আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন। সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দাবির বিষয়েও তিনি কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ রাষ্ট্র ও জাতির ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর অনেকের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ তা’য়ালা হতাশ হতে নিষেধ করেছেন, এরপরই জুলাই দেশে এবং জাতির মুক্তির পয়গাম নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, জুলাই এসেছে ঘূর্ণিঝড় হয়ে, যা ফ্যাসিবাদকে তাসের ঘরের মতো উড়িয়ে দিয়েছে।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর তিনি চিন্তায় ছিলেন ‘এই আসলাম’ বলেই ফিরেছেন। এভাবে ১৩ বার ফেল করেছন। শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যুব সমাজ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এবং তারা ফাঁসির রশি নিয়ে প্রস্তুত আছে। তিনি প্রশাসনকে আহ্বান জানান যে, জুলাই গণহত্যার বিচারের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
বর্তমান সরকার ও সংসদ নিজেদেরকে জুলাই বিপ্লবের ফসল হিসেবে উল্লেখ করে, ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারের প্রতি জুলাই বিপ্লবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে হবে। তবে তিনি শুধুমাত্র বিচার নয় বরং জুলাই যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করতে হবে। আহত এবং পঙ্গুত্ববরণকারী যোদ্ধাদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের জাতীয় বীরের মর্যাদা দিতে হবে। তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্যও যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। তিনি দাবি করেন, সরকারের কাছে যে, জুলাই যোদ্ধাদের নামে মিরপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থান ও সড়কের নামকরণ করতে হবে, যাতে তাদের পরিবার গর্ববোধ করতে পারে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমানের পরিচালনায় ছিল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান এমপি, কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন এমপি, শহীদ মাহফুজুর রহমানের পিতা আব্দুল মান্নান, শহীদ সাংবাদিক হাসান মেহেদীর পিতা মোশাররফ হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক হারুন অর রশীদ খান এবং উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ