প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুষ্টিয়ার খোকসায় আন্তঃনগর বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিলের প্রতিবাদে (স্টপেজ স্থগিত) মানববন্ধন কর্মসূচি ও রেল লাইন অবরোধ পালিত হয়। সাড়ে তিন ঘণ্টা পরে জেলা প্রশাসন ও রেল কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পর অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোকসা ষ্টেশন ঘিরে এই কর্মসূচি পালিত হয়। যেখানে হাজার হাজার জনতা ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।
কর্মসূচি চলাকালে রাজবাড়ীর পাংশায় রাজধানী থেকে রাজশাহী গামী আন্তঃনগর মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কুমারখালী স্টেশনে রাজধানীর কমলাপুর গামী বেলাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনসহ মোট তিনটি ট্রেন আটকা পড়ে। ফলে কয়েকশ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ে। এ সময় আন্দোলনকারীরা অভিযোগ জানান যে, জামায়াতের এমপি আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া ৪ আসনের বেনাপোল ট্রেনের যাত্রা বিরতি বাতিলের জন্য ডিও লেটার দিয়েছেন এবং স্লোগান দিতে থাকেন।
বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়া ৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন ও খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ আলাউদ্দিন আন্দোলনকারীদের শান্ত করা চেষ্টা করেন। সংসদ সদস্য দুই দফায় প্রায় ২০ মিনিট বক্তব্য দেন এবং নিজেকে নির্দোষ প্রমানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। এসময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আন্দোলনকারীরা 'ভুয়া ভুয়া' বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন এবং রাজবাড়ীর সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন। রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আশ্বাস দেন যে, আগামী সোমবারের মধ্যে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির চিঠি (আদেশ) বাতিল করে নতুন চিঠি জারি করা হবে। পরে আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
রেল লাইন অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন খোকসা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিস উজ জামান স্বপন, উপজেলা জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, মনিরুজ জামান কাজল, আরিফুল আলম তসর, সেলিম রেজা, সুনাম মোরশেদ, শরিফুল ইসলাম শরিফ এবং খোকন হোসেন প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন