ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদান করেন প্রধানমন্ত্রী


আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদান করেন প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত হয়েছেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের বিশেষ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য অংশগ্রহণ করছেন।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান, বিমানবাহিনী প্রধান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সার্বভৌমত্ব র‍্যালিতে হেঁটে প্রধানমন্ত্রী

এর আগে সকালে ৮টার দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি তার বাবা ও মায়ের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা জানানো শেষে দলীয় প্রধান হিসেবে অন্য নেতাদের নিয়ে তিনি আবারও শ্রদ্ধা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুলতানি আমলের প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩২ এম


সুলতানি আমলের প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে

সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিম আমলের সাক্ষী হিসেবে বেশ কিছু রাজকীয় স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। অনেক ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেছে যে, স্থানীয় জনশূন্যতার কাল শেষ হওয়ার পর মানুষ জঙ্গল কেটে কিংবা মাটি খুঁড়ে এসব রাজকীয় স্থাপনা উদ্ধার করেছে। নির্মাতা, নির্মাণকাল এবং নির্মাণের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা না থাকায় মানুষ এসব স্থাপনাকে ‘গায়েবি’ আখ্যা দিয়ে নিজেদের কৌতূহল নিবৃত্ত করেছে। পুকুর বা দিঘির ক্ষেত্রেও মানুষ এই ‘গায়েবি’ শব্দ ব্যবহার করেছে। সিলেট অঞ্চলে আজও এসব স্থাপনা বা জলাশয় ‘গায়েবি’ নামেই পরিচিত।

এ কথাটি অমূলক নয়। জনশূন্যতার কারণে গায়েবি স্থাপনা বা জলাশয়গুলো দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল এবং ক্রমশ জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে উঠেছিল। স্থাপনাগুলোতে আবর্জনা ও মাটির স্তরও জমেছিল। আক্ষরিক অর্থেই মানুষ জঙ্গল কেটে কিংবা মাটি সরিয়ে এগুলোকে বের করে এনেছিল। প্রকাশ্যে আসার পর এগুলোর উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু গায়েবি পরিচয়টি আর কখনোই মুছে যায়নি।

সিলেটের এমন গায়েবি স্থাপনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হচ্ছে ওসমানীনগর উপজেলার উছমানপুর গ্রামে অবস্থিত গায়েবি মসজিদ। এই মসজিদটি দেখতে এতটাই রাজকীয় যে, কোনো নবাব-সুলতান বা দেওয়ান-ফৌজদার ছাড়া অন্য কারো পক্ষে এটি নির্মাণের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। মসজিদটি এক গম্বুজের। গম্বুজটির আকৃতি বিশাল। এটি মসজিদের ছাদজুড়ে বিস্তৃত। গম্বুজের চূড়া ভূমি থেকে বেশ উঁচুতে। এত বড় ও উঁচু গম্বুজ নির্মাণের মূল কারণ বোধ হয় এটাই যে, মসজিদের নির্মাতা ভেতরে কোনো আর্চ বা খিলান নির্মাণে ইচ্ছুক ছিলেন না। ভেতরে একটি খিলান থাকলে ছাদের উপর দুটি এবং দুটি খিলান থাকলে ছাদে তিনটি গম্বুজ বসানো যেত। খিলান বাদ দেওয়ায় একটি বড় গম্বুজ নির্মাণ করেই মসজিদটির ছাদ পূর্ণ করতে হয়েছে। মসজিদের চার কোনায় নির্মিত চারটি মিনার এর সৌন্দর্য অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

মসজিদের ভেতরের কারুকাজ অসাধারণ। যদিও সাম্প্রতিক সংস্কারকাজের ফলে আগের আমলের কারুকাজের অনেকটাই হারিয়ে গেছে, তবু যতটুকু অবশিষ্ট আছে, তা থেকে নির্মাতার উন্নত রুচি ও শৈল্পিক মনের পরিচয় স্পষ্টভাবেই ফুটে ওঠে। ভেতরের দেয়ালের পাশাপাশি বাইরের দেয়ালেও কিছু কারুকাজ রয়েছে, যা মসজিদটির বাইরের চেহারাকে অনেক আকর্ষণীয় করে তুলেছে। দেয়ালটির পুরুত্ব রীতিমতো বিস্ময়কর। প্রবেশদ্বার ও আলোকদ্বারগুলো থেকে এর পুরুত্বের ধারণা পাওয়া যায়। পূর্ব পাশের প্রবেশদ্বার বা দেয়ালের ভেতরে দাঁড়িয়ে একজন লোকের পক্ষে অনায়াসে নামাজ আদায় করা সম্ভব। উত্তর ও দক্ষিণ পাশের দেয়ালও একই রকম পুরু।

মসজিদটির কোনো শিলালিপি উদ্ধার না হওয়ায় এটি কবে নির্মিত হয়েছে, তা কারো পক্ষেই বলা সম্ভব নয়। তবে কাছাকাছি কিছু সূত্র থেকে এর নির্মাণকাল সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে। এই মসজিদ থেকে সাত-আট কিলোমিটার দূরে পশ্চিম তিলাপাড়া মসজিদে একটি শিলালিপি পাওয়া গেছে। পশ্চিম তিলাপাড়ায় সুলতানি আমলের শেষ দিকে একটি রাজকীয় মসজিদ নির্মিত হয়েছিল এবং শিলালিপিটি সেই মসজিদেরই প্রতিষ্ঠাফলক। মসজিদটি এখন আর নেই। এর স্থলে নতুন মসজিদ নির্মিত হয়েছে। শিলালিপিটি এই নতুন মসজিদেই সংরক্ষিত আছে। এতে উল্লিখিত সাল ১৪৭৯। তখন বাংলার সুলতান ছিলেন শামসুদ্দিন ইউসুফ শাহ। তার আমলে পশ্চিম তিলাপাড়ায় রাজকীয় মসজিদ নির্মাণের ঘটনা থেকে ধারণা করা যায়, নিকটবর্তী উছমানপুর গ্রামের গায়েবি মসজিদটিও সুলতানি আমলেই নির্মিত হয়েছিল।

যেহেতু সিলেটের মুসলিম আমলের ইতিহাস প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে, সেহেতু সেই ইতিহাস থেকে এই মসজিদের বৃত্তান্ত জানার কোনো সুযোগ নেই। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা, পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন নিদর্শন থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং সার্বিক বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই মসজিদ সম্পর্কে অনেক মূল্যবান তথ্য উদ্ধারের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভূক্ত না হওয়ায় মসজিদটি নিয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণা ও পর্যালোচনা হচ্ছে না।

কিন্তু এর আগেই মসজিদটির বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। স্থানীয় গ্রামবাসীর একটি বড় মসজিদ প্রয়োজন। তারা আধুনিক ও বড় মসজিদ নির্মাণ করতে চান। প্রাচীন মসজিদটিকে মাঝখানে রেখে তিন পাশ দিয়ে এই নতুন মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে প্রাচীন মসজিদটি তিন দিক থেকে—পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ—নতুন মসজিদের আড়ালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এভাবে নতুন মসজিদের সঙ্গে প্রাচীন মসজিদকে যুক্ত করতে গেলে কিছু প্রাচীন নমুনা বিনষ্ট হতে পারে। এমনকি নির্মাণকাজের কারণে প্রাচীন মসজিদের মূল কাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের একটি অংশ চান, প্রাচীন মসজিদ থেকে দূরে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে একটি নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হোক। তাদের মতে, প্রাচীন মসজিদকে মাঝখানে রেখে নতুন মসজিদ নির্মিত হলে প্রাচীন মসজিদের স্বকীয়তা ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি এর ভেতরের ও বাইরের কাঠামোরও অনেক ক্ষতি হতে পারে। এ প্রসঙ্গে অপর পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মসজিদের পূর্বপাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকলেও এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মক্তবের জন্য নির্ধারিত। তাই তারা সেখানে মসজিদ নির্মাণে অনিচ্ছুক। মসজিদ পরিচালনা কমিটির দাবি, মক্তবের জায়গা ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় পুরোনো মসজিদের পূর্বপাশের কিছু জায়গা এবং উত্তর ও দক্ষিণ পাশের খালি জায়গা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মসজিদের দুই পাশে (উত্তর ও দক্ষিণ) নতুন কমপ্লেক্স নির্মিত হলে প্রাচীন মসজিদটি যাতে পুরোপুরি আড়ালে পড়ে না যায়, সে জন্য উত্তর পাশের কমপ্লেক্সে কাচের দেয়াল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এতেও শঙ্কা কাটছে না। মসজিদ কমিটির দাবি, কাচের দেয়াল নির্মিত হলে এর ভেতর দিয়ে রাস্তা (তাজপুর-বালাগঞ্জ সড়ক) থেকে প্রাচীন মসজিদটি দেখা যাবে। কিন্তু এতেও প্রাচীন মসজিদটি আড়ালে পড়ে যাওয়ার এবং এর সৌন্দর্যহানি ঘটার আশঙ্কা কাটছে না। এ নিয়ে স্থানীয়রা অনেকটাই দ্বিধাবিভক্ত।

সম্প্রতি সিলেট শহরের একটি নাগরিক প্রতিনিধিদল উছমানপুর গ্রাম সফর করেছে এবং গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেছে, নতুন মসজিদ নির্মাণের সময় এই মূল্যবান প্রত্নসম্পদটির যেন কোনো ক্ষতি না হয়। নাগরিক প্রতিনিধিদলের এই সফরে ছিলেন সিলেট প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরী, ভাষাসৈনিক মতিন উদদীন আহমদ জাদুঘরের পরিচালক মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী বাহার, ঐতিহ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ ট্রাস্টের সেক্রেটারি আব্দুল করিম চৌধুরী কিম, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গোলাম সোবহান চৌধুরী দীপন, ইতিহাস গবেষক আসিফ আযহার, দৈনিক যুগভেরীর সাংবাদিক আব্দুর রহমান হীরা এবং আরো কয়েকজন সাংবাদিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রায় ১০০ মুসলিম প্রার্থীর জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রায় ১০০ মুসলিম প্রার্থীর জয়

যুক্তরাষ্ট্রের এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জাতীয়, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ে অন্তত ৯৭ জন মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এই তথ্যটি দেশটির মুসলিম অধিকারবিষয়ক সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (কেয়ার) প্রকাশ করেছে।

নির্বাচনে মূল নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ১৬৮ জন মুসলিম-আমেরিকান প্রার্থীর মধ্যে সাতজন ওয়াশিংটন ডিসিতে যাচ্ছেন। প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হয়েছেন—ইলহান ওমর, রাশিদা তালিব, আন্দ্রে কারসন ও লতিফা সাইমনের মতো বর্তমান সদস্যদের পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচিত হয়েছেন আদম হামাউই, আয়েশা ওয়াহাব ও দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের।

অন্যদিকে, সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল আল-সাইয়েদ। তিনি ছয় বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে পরিচিত।

এছাড়া, অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনসভা ও সিনেটসহ বিভিন্ন পদে ৩৯ জন, কাউন্টি ও পৌর পর্যায়ে ১৬ জন, শিক্ষা ও স্কুল বোর্ডে ২৭ জন এবং বিচারক হিসেবে আটজন মুসলিম নির্বাচিত হয়েছেন। মুসলিম প্রার্থীদের জন্য এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ নির্বাচনী সাফল্য।

দল নয়, নীতিই মুখ্য

যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ মুসলিম। দেশে মুসলিমের সংখ্যা প্রায় ৫৫ লাখ। যদিও জনসংখ্যায় তারা কম, রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় তাদের উপস্থিতি এবং পরিচয় নিয়ে বিতর্ক তুলনামূলকভাবে বেশি।

এবারের নির্বাচনে মুসলিম ভোটার নিবন্ধন গত বছরের তুলনায় অন্তত ২৫ শতাংশ বেড়েছে। একটি জরিপে ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কেয়ারের তথ্য অনুযায়ী, মুসলিম ভোটারদের ৮০ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের এবং ৬ শতাংশ রিপাবলিকানদের ভোট দিয়েছেন। এনবিসির বুথফেরত জরিপেও দেখা গেছে, ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে অন্য যেকোনো গোষ্ঠীর তুলনায় মুসলিম ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থন বেশি ছিল।

তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ২০ শতাংশের বেশি মুসলিম ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন বলে ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল পলিসি অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের (আইএসপিইউ) এক গবেষণায় উঠে এসেছে।

জর্জিয়া ভোটার প্রজেক্টের যোগাযোগ পরিচালক উরুজ আলির মতে, মুসলিম ভোটাররা সাধারণত দলীয় পরিচয়ের চেয়ে নীতিগত অবস্থানকে বেশি গুরুত্ব দেন। অনেকে নিজেদের ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকান না ভেবে স্বতন্ত্র ভোটার হিসেবে পরিচয় দেন।

এবার জর্জিয়ায় আগাম ভোটের ক্ষেত্রেও রেকর্ড হয়েছে। আলির তথ্যমতে, প্রায় ৩০ হাজার মুসলিম ভোটার আগাম ভোট দিয়েছেন। অথচ ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সব মিলিয়ে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৬ হাজার। জর্জিয়ায় হিজাব পরিহিত চার মুসলিম নারীও রাজ্য সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের একজন রুওয়া রোমান।

ইসলামবিদ্বেষের মধ্যেও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য, হুমকি ও সহিংসতার ঘটনা বেড়েছিল। ক্যালিফোর্নিয়ায় বিভিন্ন ভবনে ইসলামবিদ্বেষী গ্রাফিতি, ইলিনয়ে হিজাব পরা নারীদের গুলি করার হুমকি এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় মসজিদে হামলায় এক নিরাপত্তাকর্মী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেটের (সিএসও) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে রিপাবলিকান জনপ্রতিনিধিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক হাজার ১১১টি পোস্ট, আটটি বিল এবং ৬২ সদস্যের কংগ্রেসনাল ককাসের মাধ্যমে সমন্বিত ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণা চালিয়েছেন। সংস্থাটির মতে, এসব বক্তব্য সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

কেয়ারের জরিপে ৭০ শতাংশ মুসলিম ভোটার জানিয়েছেন, ইসলামবিদ্বেষ ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে। আইএসপিইউর জাতীয় ইসলামোফোবিয়া সূচকও ২০২২ সালের ২৫ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৩৩-এ দাঁড়িয়েছে।

তবে এসব ঘটনা মুসলিমদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ কমাতে পারেনি। বরং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্রাম্পের ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের সাবেক সদস্য সামিরাহ মুনশি বলেন, ৯/১১-পরবর্তী সময়ে মুসলিমদের যে হতাশা ও ভীতির অভিজ্ঞতা হয়েছিল, বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই তা সরাসরি অনুভব করেনি। ফলে তারা রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।

গত তিন বছরে ফিলিস্তিনের পক্ষে জনমত এবং ইসরাইলের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা মূলধারার সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে জায়গা করে নেওয়াও মুসলিমদের রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হতে উৎসাহিত করেছে বলে মনে করেন তিনি।

কেয়ারের জরিপ অনুযায়ী, ৭৬ শতাংশ মুসলিম ভোটার ফিলিস্তিন ও গাজার মানবাধিকার পরিস্থিতিকে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করেছেন। ৮০ শতাংশ বলেছেন, গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান তাদের ভোটের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেছে।

ধর্মীয় পরিচয়কে আড়াল না করে নির্বাচনি প্রচার

এবারের নির্বাচনে মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মীয় পরিচয়ের প্রার্থীদের সাফল্যের পেছনে ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রকাশও ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বেলিভার্স কনসালটিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা জামিয়াহ অ্যাডামস বলেন, ধর্মপ্রাণ ভোটাররা তাদের মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নেতৃত্ব চান। যেসব প্রার্থী নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও জনসেবার অঙ্গীকারের মধ্যে সম্পর্ক তুলে ধরেছেন, তারা ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পেরেছেন।

মুসলিম পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের (এমপ্যাক) ভাইস প্রেসিডেন্ট হারিস তারিনের মতে, ডেমোক্র্যাটরা ঐতিহাসিকভাবে নির্বাচনি প্রচারে ধর্মীয় পরিচয় তুলে ধরতে সংকোচ বোধ করতেন। কিন্তু এবার দেখা গেছে, নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা খোলাখুলিভাবে বলা প্রার্থীরাও ভোটারদের সমর্থন পেয়েছেন।

সিনেটর নির্বাচিত আবদুল আল-সাইয়েদের প্রচারেও ধর্মীয় পরিচয় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসকে জনসেবার যোগ্যতার অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার বিজয় ভাষণের শুরুতে ছিল ‘ইনশাআল্লাহ’ ও ‘আলহামদুলিল্লাহ’।

অন্যদিকে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি নির্বাচনি প্রচারে ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে নাগরিক ও সামাজিক ইস্যুকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তবে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আরও খোলামেলা হয়েছেন।

ফিলিস্তিন ইস্যুতে আন্তধর্মীয় সংহতি

ফিলিস্তিনের অধিকার ও গাজা পরিস্থিতি নিয়ে মুসলিমদের পাশাপাশি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কয়েকজন ডেমোক্র্যাট নেতাও সরব হয়েছেন। টেক্সাসের নতুন সিনেটর জেমস তালারিকো বলেছেন, ইসলামও খ্রিষ্টধর্মের মতো সত্যের একটি পথ। গাজার পরিস্থিতি তাকে একজন শিক্ষক, খ্রিষ্টান ও মানুষ হিসেবে ব্যথিত করে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

কানসাসের নবনির্বাচিত ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম হ্যামিলটন বলেছেন, খ্রিষ্টানরা পরকালে মুসলিমদের সঙ্গে মিলিত হবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। ফিলিস্তিনি খ্রিষ্টানদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে টেক্সাসের রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ এসব বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। মুসলিম ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করায় তিনি দুই ডেমোক্র্যাট নেতার সমালোচনা করেন।

এদিকে ট্রাম্পের ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন থেকে সামিরাহ মুনশি পদত্যাগ করেছিলেন ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এক ক্যাথলিক সহকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিবাদে। কমিশনের চেয়ারম্যান ও টেক্সাসের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ড্যান প্যাট্রিক এবারের নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।

পরিচয়ের বাইরেও বহুমাত্রিক প্রতিনিধিত্ব

মুসলিম প্রার্থীদের জয় মানেই তারা সবাই প্রগতিশীল বা ডেমোক্র্যাট—এমন নয়। অ্যারিজোনার রিপাবলিকান প্রতিনিধি আবে হামাদেহও পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েছিলেন।

মুসলিম আমেরিকানস ইন পাবলিক সার্ভিসের চেয়ারম্যান আহমাদ মাতি বলেন, সরকারি দায়িত্ব ও নেতৃত্বে মুসলিমদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ বহু বছরের সামাজিক সম্পৃক্ততা, পরিশ্রম ও নাগরিক উদ্যোগের ফল। এসব জয় প্রমাণ করে, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে মুসলিমদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

ইলিনয়ের অষ্টম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে ডেমোক্র্যাট প্রাইমারিতে পরাজিত মুসলিম প্রগতিশীল নেতা জুনায়েদ আহমেদের মতে, এবারের সাফল্য মূলত বৈচিত্র্য ও প্রতিনিধিত্বের জয়। মুসলিম আমেরিকানরা বিভিন্ন জাতি, বর্ণ ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ। তাদের নির্বাচিত হওয়া সেই বৈচিত্র্যেরই প্রতিফলন।

জর্জিয়া মুসলিম ভোটার প্রজেক্টের উরুজ আলি বলেন, মুসলিম আমেরিকানদের কোনো অভিন্ন রাজনৈতিক এজেন্ডা নেই। তবে সমাজের কল্যাণ, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত পৃথিবী গড়ে তোলার মূল্যবোধ তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এবারের নির্বাচনে মুসলিম আমেরিকানদের সাফল্য শুধু ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়; বরং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, নাগরিক অধিকার, ফিলিস্তিন ইস্যু, অর্থনীতি এবং বহুমাত্রিক সামাজিক প্রতিনিধিত্বের সম্মিলিত প্রতিফলন।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘যুদ্ধের আগের চেয়ে ইরানি বাহিনী অনেক বেশি শক্তিশালী’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


‘যুদ্ধের আগের চেয়ে ইরানি বাহিনী অনেক বেশি শক্তিশালী’

ফেব্রুয়ারি মাসে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধের সূচনা করেছিল, তখনকার তুলনায় ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তাদের মনোবলও আগের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এই তথ্য প্রদান করেন।

আকরামিনিয়া উল্লেখ করেন, ‘আজ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি শাসনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর—যুদ্ধের শুরুর সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সতর্ক এবং শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের মধ্যে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উদ্দীপনা, অঙ্গীকার ও আত্মবিশ্বাস রয়েছে।’

এই মুখপাত্র আরো জানান, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রয়েছে এবং যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের দাবিগুলো মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ এই প্রণালি বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া আসবে তা হবে তাৎক্ষণিক, কার্যকর এবং কোনো ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে।’

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বরের চেতনায় ভারতীয় আধিপত্যবাদ রুখে দিতে হবে: রাশেদ প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


৭ নভেম্বরের চেতনায় ভারতীয় আধিপত্যবাদ রুখে দিতে হবে: রাশেদ প্রধান

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের চেতনায় ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদের সামনে মাথা নত করা আর সম্ভব নয়।

শনিবার, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তিনি একটি বিবৃতি দেন। এই বিবৃতিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তৎকালীন সেনাসদস্য ও দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

রাশেদ প্রধান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সৈনিক ও মুক্তিকামী জনতা একত্রিত হয়ে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছিলেন। সেদিনের জনগণের স্লোগান ছিল, ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ এবং ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদ, নিপাত যাক’। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সেই চেতনায় আজও বলীয়ান থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ৩ নভেম্বর তৎকালীন সেনাপ্রধান শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দি করে আওয়ামী লীগ ও ভারতের সমর্থনে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ যে প্রতিবিপ্লব ঘটিয়েছিলেন, ৭ নভেম্বর বাংলার দামাল ছেলেরা তা প্রতিহত করেছিলেন। তবে পরবর্তী ইতিহাস ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন পতিত আওয়ামী লীগ ক্ষমতা কুক্ষিগত করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ভারতকে বিক্রি করেছে।

জাগপা মুখপাত্র দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান মানুষকে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে। কিন্তু বহুমুখী ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। আধিপত্যবাদী অপশক্তি ও তাদের দোসররা নতুনভাবে দেশের ওপর প্রভাব বিস্তারের ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরো বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক শিক্ষা ধারণ করে সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশের লাল-সবুজ পতাকা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আবারও আঘাত এলে ৭ নভেম্বরের মতো আপামর জনতাকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%