সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫২ পি.এম
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ঘটে যাওয়া একটি ডাকাতির ঘটনায় তিনটি পরিবারের সদস্যদের হাত ও চোখ বেঁধে রাখা হয়েছে। একই বিল্ডিংয়ে বসবাসকারী এই তিন পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্বাচন করা হয়।
ঘটনাটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার কড়লডেঙ্গায় সংঘটিত হয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ৬-৭ জনের একটি ডাকাতদল ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় আমুচিয়া শাহ মজিদিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষিকা সাদিয়া আফরোজ, রাবার বাগানের শ্রমিক জিয়াউর রহমান এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক নুরুল আবছার রুবেলের পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করা হয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ডাকাতেরা সোনার দুটি চেইন, দুই জোড়া সোনার কানের দুল, একটি সোনার নাকফুল, এক জোড়া ডায়মন্ডের কানের দুল, দুই জোড়া রূপার নুপুর, পাঁচটি অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৪১ হাজার টাকা এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে যায়।
শিক্ষিকা সাদিয়া আফরোজ বলেন, রাত ৩টার দিকে ৬-৭ জনের একটি দল ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের জিম্মি করে। পরে আমার স্বামী শরিফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে হাত ও চোখ বেঁধে মারধর করা হয়। ডাকাতেরা আমাদের কাছে থাকা সোনা, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।
অটোরিকশাচালক নুরুল আবছার রুবেল জানান, ডাকাতরা প্রথমে রান্নাঘরের জানালার গ্রিল কাটে। এরপর ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে দিয়ে পেছনের দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে। পরে গলায় ধারালো ছুরি ধরে তাকে বেঁধে ফেলে। ডাকাতেরা আমাদের তিন পরিবারের সদস্যদের হাত বেঁধে রাখে এবং ঘরে থাকা ২৫ হাজার টাকা ও তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে যায়।
জিয়াউর রহমানের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার বলেন, ডাকাতরা তার এক বছরের শিশুকে কেড়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। পরে কান্নাকাটি করে শিশুটিকে উদ্ধার করেন তিনি।
বোয়ালখালী থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, রাতে উত্তর কড়লডেঙ্গায় একটি ঘটনা ঘটেছে। এটি চুরি নাকি ডাকাতির ঘটনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা র্যাংকিংয়ের পার্থক্যটি বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের জন্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে মেয়েরা। উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন মারিয়া মান্দা ও আফঈদা খন্দকারসহ অন্যান্য খেলোয়াড়রা।
বাংলাদেশের জন্য এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এর আগে ২০১৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে থাইল্যান্ডের কাছে ৯-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা।
ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামের প্রথমার্ধেই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারিত হয়ে যায়। বিশেষ করে ১৮ মিনিটের মধ্যে ৪ গোল হজম করে বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরুতেই ৫ম মিনিটে রিয়ং জংয়ের শট থেকে প্রথম গোলটি আসে। ১০ম মিনিটে তিনি ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর ইউ ইয়ং তৃতীয় গোলটি করেন। বিরতির আগে চ্যা আন ইয়ং ও কিম কিয়ং ইয়ং জোড়া গোল করেন।
চ্যা আনের ১৮ ও ৩৫ মিনিটের বিপরীতে ৪০ ও ৪৩ মিনিটে গোল করেন কিম কিয়ং। প্রথমার্ধ শেষে উত্তর কোরিয়া ৭-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আরো তিন গোল হজম করে। ৫১ মিনিটে রিং সং দলের অষ্টম গোলটি করেন। ৬০ মিনিটে জং কুমের বিপরীতে ৯০ মিনিটে জিন হং বাংলাদেশের জালে শেষ গোলটি করেন।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে উত্তর কোরিয়া ১১ নম্বরে অবস্থান করছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ১০৭ নম্বরে রয়েছে। দুই দলের মধ্যে পার্থক্য ৯৬। শক্তি ও সামর্থ্যে অবশ্যই এশিয়ান গেমসের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া এগিয়ে।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ হবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে। ম্যাচটি আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ৮৫৫টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। রোববার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং এর ফলে এসব মামলা করা হয়।
আজ সোমবার, ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৮টি বাস, একটি ট্রাক, চারটি কাভার্ড ভ্যান, ১৪টি সিএনজি এবং ৪৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৩টি বাস, ১১টি ট্রাক, তিনটি কাভার্ড ভ্যান, ১০টি সিএনজি এবং ৮৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬০টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৭০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৮৫টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২৬টি বাস, ২৫টি ট্রাক, ৩৪টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৪টি সিএনজিসহ এবং ১৫৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৮৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১০টি বাস, ২টি ট্রাক, ১০টি কাভার্ড ভ্যান, ২৫টি সিএনজি এবং ৯৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৫০টি বাস, ১৪টি ট্রাক, ৫৩টি কাভার্ড ভ্যান, ৫৫টি সিএনজি এবং ২৯৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬২১টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪৯টি বাস, ১৩টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ড ভ্যান, ৫১টি সিএনজি এবং ২৫৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৬১৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৫৫টি বাস, ৫টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৬টি সিএনজি এবং ১২২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া, অভিযানের সময় মোট ৬১৩টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩৬৮টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন মুকুল জামিল, যিনি অভিনয় ও সংগীত—দুই ক্ষেত্রেই পরিচিতি অর্জন করেছিলেন। রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু ঘটে। সংগীত ও অভিনয় জগতের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁর আকস্মিক প্রয়াণের কারণে।
মুকুল জামিলের মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনয় ও সংগীতাঙ্গনের অনেকেই শোক প্রকাশ করছেন।
অভিনয়শিল্পী সংঘ মুকুল জামিলের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি জানায়, ‘অভিনয়শিল্পী সংঘের সম্মানিত সদস্য মুকুল জামিল ইন্তেকাল করেছেন। তার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। উনার প্রয়াণে আমরা গভীর শোকাহত।’
মুকুল জামিলকে স্মরণ করে সংগীতশিল্পী মিলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমার প্রাণপ্রিয় ভাই মুকুল জামিল ভাই এভাবে হঠাৎ চলে যাবেন, এটা আমার জন্য প্রচণ্ড কষ্টের। দেখা হলেই আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরতেন, কপালে চুমু দিতেন।’
মিলন আরও উল্লেখ করেছেন, ‘মুকুল ভাই ছিলেন একজন সংগীতশিল্পী। কিন্তু জীবনে প্রথমবার অভিনেতা হিসেবে আমার ‘সেলফি’ গানটিতে মজার ছলে তাকে মডেল হিসেবে নিয়েছিলাম। এরপর একে একে আমার অনেকগুলো গানে মুকুল ভাইকে অভিনেতা হিসেবে পেয়েছি।’
ছোটবেলা থেকেই রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি মুকুল জামিলের ঝোঁক ছিল। তাঁর সংগীতজীবন শুরু হয় বোনের হাত ধরে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৩০টির বেশি মিক্স অ্যালবামে কাজ করেছেন। পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর একক অ্যালবাম ‘আমি তো এমনই’।
মুকুল জামিলের বেশ কিছু গান শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘মন’, ‘আচ্ছা’, ‘বিলবোর্ড’, ‘ভালবাসার মানে’ ও ‘ফাগুনের হাওয়া’। এ ছাড়া তাঁর ‘চায়ের চুমুকে’ গানটি প্রচারিত হয়েছে এটিএন বাংলায়।
সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও তিনি নিজের প্রতিভা প্রদর্শন করেছেন। ‘ওয়েডিং বেলস’ (২০১৯), ‘আমানুষ’ (২০২২) ও ‘ছাত্রী বউ’ (২০২৪)-এর মতো চলচ্চিত্রে তিনি যুক্ত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে কলকাতায় মুক্তি পেতে চলেছে দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলি অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দেশু ৭’। ইতোমধ্যে সিনেমাটির টিজার এবং প্রথম গান প্রকাশিত হয়েছে। উভয়টি দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। তবে সিনেমার প্রচারের তুলনায় দেব ও শুভশ্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বেশি হওয়ায় দেব কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি কলকাতায় একটি স্যালুন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে দেব এই বিষয়ে কথা বলেছেন।
দেব জানিয়েছেন, একসময় শুভশ্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল, কিন্তু বর্তমানে তাঁরা ভালো বন্ধু। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে অতিরিক্ত আগ্রহের কারণে তাঁদের স্বাভাবিকভাবে কথা বলা কিংবা একসঙ্গে দেখা দিতে অস্বস্তি হচ্ছে।
দেব বলেন, “একসময় আমাদের সম্পর্ক ছিল, এখন আমরা বন্ধু। তোমাদের সঙ্গে যেমন কথা বলি, ওর সঙ্গেও প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় লাগে। কে কীভাবে রিল বানাবে, সেটাই ভাবতে হয়। আমি কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে ওকে আলিঙ্গন করলেও সেটি নিয়ে রিল তৈরি হচ্ছে। আমরা চাইলেও স্বাভাবিক হতে পারছি না।”
অভিনেতার দাবি, এই কারণেই ‘দেশু ৭’-এর প্রচারে তাঁরা খুব বেশি একসঙ্গে বের হচ্ছেন না। কারণ সিনেমা নিয়ে আলোচনা হওয়ার পরিবর্তে প্রতিবারই সামনে চলে আসছে তাঁদের সম্পর্ক, বিচ্ছেদ কিংবা ডিভোর্স প্রসঙ্গ।
দেব বলেন, “আমরা প্রোমোশনেই বের হচ্ছি না। বের হলেই প্রশ্ন আসে ডিভোর্স, বিচ্ছেদ এসব নিয়ে। কেউ “দেশু ৭” নিয়ে আলোচনা করছে না। আমি প্রথমবার পরিচালনা করে যে ক্যানভাস তৈরি করেছি, সেটা নিয়েও কেউ কথা বলছে না। কবে শেষ কোনো বাংলা সিনেমার শুটিং লাদাখে হয়েছে, সেটাও কেউ বলছে না।”
বড় বাজেটের এই সিনেমায় দেবের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শুভশ্রী। টিজার প্রকাশের পর সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্য দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি দেব ও শুভশ্রীর রোমান্টিক দৃশ্যও দর্শকদের নজর কেড়েছে।
দেব জানিয়েছেন, দর্শকের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাকে মাথায় রেখেই ‘দেশু ৭’ তৈরি করা হয়েছে। যদিও শুভশ্রীকে নিয়ে স্বল্প সময়ের শুটিং করে একাধিক সিনেমা বানানোর সুযোগ ছিল, তিনি সেই পথে হাঁটেননি। বরং দেব ও শুভশ্রী জুটিকে দর্শক যেভাবে দেখতে চেয়েছেন, সেই প্রত্যাশার কথা মাথায় রেখেই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দেব বলেন, “আমি যদি দেশু ৭-এর জায়গায় শুভশ্রীকে নিয়ে ১২-১৫ দিনের শুটিং করতাম, চারটা ছবি নামিয়ে দিতে পারতাম। প্রচুর টাকা কামিয়েও নিতে পারতাম। কারণ মানুষ মুখিয়ে আছে। প্রথম সপ্তাহে এমনিতেই হলে যাবে। কিন্তু সেটা না করে ধূমকেতু-র পর মানুষ দেব-শুভশ্রীকে যেভাবে দেখতে চেয়েছিল, সেটা নিয়ে গবেষণা করে, সেভাবেই লিখে দেশু ৭ তৈরি করা হয়েছে।”
দেবের প্রথম পরিচালিত এই সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, রজতাভ দত্ত, অপরাজিতা আঢ্য, কাঞ্চন মল্লিক ও লোকনাথ দে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ