সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০২ পি.এম
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে কলকাতায় মুক্তি পেতে চলেছে দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলি অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দেশু ৭’। ইতোমধ্যে সিনেমাটির টিজার এবং প্রথম গান প্রকাশিত হয়েছে। উভয়টি দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। তবে সিনেমার প্রচারের তুলনায় দেব ও শুভশ্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বেশি হওয়ায় দেব কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি কলকাতায় একটি স্যালুন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে দেব এই বিষয়ে কথা বলেছেন।
দেব জানিয়েছেন, একসময় শুভশ্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল, কিন্তু বর্তমানে তাঁরা ভালো বন্ধু। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে অতিরিক্ত আগ্রহের কারণে তাঁদের স্বাভাবিকভাবে কথা বলা কিংবা একসঙ্গে দেখা দিতে অস্বস্তি হচ্ছে।
দেব বলেন, “একসময় আমাদের সম্পর্ক ছিল, এখন আমরা বন্ধু। তোমাদের সঙ্গে যেমন কথা বলি, ওর সঙ্গেও প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় লাগে। কে কীভাবে রিল বানাবে, সেটাই ভাবতে হয়। আমি কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে ওকে আলিঙ্গন করলেও সেটি নিয়ে রিল তৈরি হচ্ছে। আমরা চাইলেও স্বাভাবিক হতে পারছি না।”
অভিনেতার দাবি, এই কারণেই ‘দেশু ৭’-এর প্রচারে তাঁরা খুব বেশি একসঙ্গে বের হচ্ছেন না। কারণ সিনেমা নিয়ে আলোচনা হওয়ার পরিবর্তে প্রতিবারই সামনে চলে আসছে তাঁদের সম্পর্ক, বিচ্ছেদ কিংবা ডিভোর্স প্রসঙ্গ।
দেব বলেন, “আমরা প্রোমোশনেই বের হচ্ছি না। বের হলেই প্রশ্ন আসে ডিভোর্স, বিচ্ছেদ এসব নিয়ে। কেউ “দেশু ৭” নিয়ে আলোচনা করছে না। আমি প্রথমবার পরিচালনা করে যে ক্যানভাস তৈরি করেছি, সেটা নিয়েও কেউ কথা বলছে না। কবে শেষ কোনো বাংলা সিনেমার শুটিং লাদাখে হয়েছে, সেটাও কেউ বলছে না।”
বড় বাজেটের এই সিনেমায় দেবের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শুভশ্রী। টিজার প্রকাশের পর সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্য দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি দেব ও শুভশ্রীর রোমান্টিক দৃশ্যও দর্শকদের নজর কেড়েছে।
দেব জানিয়েছেন, দর্শকের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাকে মাথায় রেখেই ‘দেশু ৭’ তৈরি করা হয়েছে। যদিও শুভশ্রীকে নিয়ে স্বল্প সময়ের শুটিং করে একাধিক সিনেমা বানানোর সুযোগ ছিল, তিনি সেই পথে হাঁটেননি। বরং দেব ও শুভশ্রী জুটিকে দর্শক যেভাবে দেখতে চেয়েছেন, সেই প্রত্যাশার কথা মাথায় রেখেই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দেব বলেন, “আমি যদি দেশু ৭-এর জায়গায় শুভশ্রীকে নিয়ে ১২-১৫ দিনের শুটিং করতাম, চারটা ছবি নামিয়ে দিতে পারতাম। প্রচুর টাকা কামিয়েও নিতে পারতাম। কারণ মানুষ মুখিয়ে আছে। প্রথম সপ্তাহে এমনিতেই হলে যাবে। কিন্তু সেটা না করে ধূমকেতু-র পর মানুষ দেব-শুভশ্রীকে যেভাবে দেখতে চেয়েছিল, সেটা নিয়ে গবেষণা করে, সেভাবেই লিখে দেশু ৭ তৈরি করা হয়েছে।”
দেবের প্রথম পরিচালিত এই সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, রজতাভ দত্ত, অপরাজিতা আঢ্য, কাঞ্চন মল্লিক ও লোকনাথ দে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব জাহিদ মুন্সির বিরুদ্ধে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে জাহিদ মুন্সির দোকানে ঘড়ি কেনার সময় সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় ঘটে। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাহিদ মুন্সি একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করার হুমকি দিয়ে তাকে মিরের বাজারের একটি গেস্ট হাউস, বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট এবং সরকারি শ্রমিক কলেজের পেছনে রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টারসহ অন্যান্য স্থানে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।
কলেজছাত্রী জাহিদ মুন্সিকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে তাকে মারধর করা হয়। গত মঙ্গলবার, ভুক্তভোগীর বড় বোন জাহিদ মুন্সির বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন যে জাহিদ একাধিক বিয়ে করেছে এবং তার একটি সন্তানও রয়েছে। এরপর ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
এ বিষয়ে জানতে জাহিদ মুন্সির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাতে পেলেই কোনো নাগরিককে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যাবে না, এমন নির্দেশনা এসেছে। বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম এবং বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তারা এই রায় দেন, যা ভুয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মাধ্যমে নাগরিকদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার পূর্বে পুলিশের কেন্দ্রীয় ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে এর সত্যতা যাচাই করা আবশ্যক। একই সঙ্গে, নালিশি মামলা দায়েরের সময় বাদী ও আইনজীবীর পরিচয় নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বিষয়টি পরিপত্র আকারে জারি করে তা সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠাতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, যেকোনো নালিশি মামলা দায়েরের সময় বাদী ও আইনজীবীর পরিচয় নিশ্চিত করতে বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) অনুলিপি এবং আইনজীবীর পরিচয়পত্র মামলার সঙ্গে সংযুক্ত রাখা নিশ্চিত করতে জেলা জজ, মহানগর জজ, সিজিএম ও সিএমএমসহ সব নিম্ন আদালতের বিচারকদের কাছে নির্দেশনা পাঠাতে হবে।
আদালত উল্লেখ করেছে, যেকোনো নাগরিককে গ্রেপ্তার করতে হলে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করা আবশ্যক, অন্যথায় আইনের ব্যত্যয় ঘটবে। রায়ে বলা হয়েছে, মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত প্রয়োজন, যাতে আদালতের মাধ্যমে মানুষ হয়রানির শিকার না হয়। কারণ, এতে নাগরিকের যে ক্ষতি হয়, তা পূরণ করা সম্ভব নয়।
ভুয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে গ্রেপ্তার ও হয়রানির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জে আর খান রবিন।
রায়ের পর মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার আগে কেন্দ্রীয় ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে এর সত্যতা যাচাই করবেন। যাচাইয়ের পরেই গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এ নির্দেশনা উল্লেখ করে সার্কুলার জারি করে সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠাতে আইজিপিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে দেশের সব নিম্ন আদালতের বিচারকের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠাতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরের সোনাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এর ফলে কৃষিজমিতে সেচের জন্য আট কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাবার বাঁধের ক্ষতি হতে পারে।
এলাকাবাসীরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘকাল ধরে সিলিকা বালু অবৈধভাবে তুলে বিক্রি করা হচ্ছে, কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তাদের অভিযোগ, ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের, রাবার বাঁধ পরিচালনা কমিটির কিছু সদস্য এবং স্থানীয় প্রশাসনের অসৎ কর্মচারীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সিন্ডিকেট সোনাই নদীর মূল্যবান সিলিকা বালু লুটের কাজে লিপ্ত রয়েছে।
সরকারি কোষাগারের রাজস্বের পরিবর্তে এই সিন্ডিকেট নিজেদের পকেট ভারি করছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সোনাই নদীর দুই পাশে বোরহানপুর, ভবানীপুর, দুর্লভপুর, আফজলপুর ও বহরা; চৌমুহনী কোয়ারির কাশিমপুর, অলিপুর, আলাবক্সপুর, মনোহরপুর, মঙ্গলপুর, গাজীপুর ও আশ্রবপুর থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। এসব বালু ট্রাক ও ট্রাক্টরে করে বিক্রি করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অবৈধ বালু তোলার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গেলে সেই খবর আগেভাগে সিন্ডিকেটের কাছে পৌঁছে যায়। খবর পেয়ে অভিযুক্তরা বড় বড় স্তূপ ও নষ্ট মেশিনগুলো রেখে ভালো ড্রেজার মেশিন ও বালু পরিবহনের গাড়ি নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে সোনাই নদী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় বেশ কয়েকটি মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করা হয়। তবে অভিযানের পর রাত থেকেই নদীর দুইপারে রাখা লাখ লাখ ঘনফুট বালু পুনরায় বিক্রি শুরু হয়।
মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, ‘সুযোগ পেলেই অবৈধভাবে বালু তোলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করি। এসিল্যান্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদসহ লোকবল কম থাকায় পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।’
হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেছেন, সিলিকা বালুর বিষয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। বিষয়টি খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক কাজী জিয়াউল বাসেত জানিয়েছেন, আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট যাবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতায় অবৈধভাবে বালু তোলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফ্রান্স সরকার ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য নতুন একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ সোমবার এ তথ্য জানান, যখন দেশটির সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ পূর্ববর্তী প্রস্তাবটি বাতিল করে।
আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রান্সের সাংবিধানিক পরিষদ পূর্বের আইনটি বাতিল করেছে। পরিষদ জানায়, আইনটির একটি অংশ ব্যক্তিদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি প্যারিস থেকে এ খবরটি প্রকাশ করেছে।
মাখোঁ সোমবার এক্স-এ লিখেছেন, ‘কঠোর কৌশলগত কাজের পর সরকার আজ নতুন খসড়াটি ইউরোপীয় কমিশনকে অবহিত করছে।’
এই অবহিতকরণটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে যে, প্রস্তাবিত আইনটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইন অনুযায়ী কি না।
শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা মাখোঁর অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি চান, আগামী বছর তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হোক।
তিনি একই ধরনের আইন পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে চালুর জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।
ইইউর প্রধান উরসুলা ফন ডার লিয়েন চলতি সপ্তাহে ব্রাসেলসে শিশুদের জন্য পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেবেন।
বিশ্বের আরও অনেক দেশ শিশুদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সতর্কতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে শিশুদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ