প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন মুকুল জামিল, যিনি অভিনয় ও সংগীত—দুই ক্ষেত্রেই পরিচিতি অর্জন করেছিলেন। রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু ঘটে। সংগীত ও অভিনয় জগতের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁর আকস্মিক প্রয়াণের কারণে।
মুকুল জামিলের মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনয় ও সংগীতাঙ্গনের অনেকেই শোক প্রকাশ করছেন।
অভিনয়শিল্পী সংঘ মুকুল জামিলের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি জানায়, ‘অভিনয়শিল্পী সংঘের সম্মানিত সদস্য মুকুল জামিল ইন্তেকাল করেছেন। তার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। উনার প্রয়াণে আমরা গভীর শোকাহত।’
মুকুল জামিলকে স্মরণ করে সংগীতশিল্পী মিলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমার প্রাণপ্রিয় ভাই মুকুল জামিল ভাই এভাবে হঠাৎ চলে যাবেন, এটা আমার জন্য প্রচণ্ড কষ্টের। দেখা হলেই আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরতেন, কপালে চুমু দিতেন।’
মিলন আরও উল্লেখ করেছেন, ‘মুকুল ভাই ছিলেন একজন সংগীতশিল্পী। কিন্তু জীবনে প্রথমবার অভিনেতা হিসেবে আমার ‘সেলফি’ গানটিতে মজার ছলে তাকে মডেল হিসেবে নিয়েছিলাম। এরপর একে একে আমার অনেকগুলো গানে মুকুল ভাইকে অভিনেতা হিসেবে পেয়েছি।’
ছোটবেলা থেকেই রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি মুকুল জামিলের ঝোঁক ছিল। তাঁর সংগীতজীবন শুরু হয় বোনের হাত ধরে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৩০টির বেশি মিক্স অ্যালবামে কাজ করেছেন। পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর একক অ্যালবাম ‘আমি তো এমনই’।
মুকুল জামিলের বেশ কিছু গান শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘মন’, ‘আচ্ছা’, ‘বিলবোর্ড’, ‘ভালবাসার মানে’ ও ‘ফাগুনের হাওয়া’। এ ছাড়া তাঁর ‘চায়ের চুমুকে’ গানটি প্রচারিত হয়েছে এটিএন বাংলায়।
সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও তিনি নিজের প্রতিভা প্রদর্শন করেছেন। ‘ওয়েডিং বেলস’ (২০১৯), ‘আমানুষ’ (২০২২) ও ‘ছাত্রী বউ’ (২০২৪)-এর মতো চলচ্চিত্রে তিনি যুক্ত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন