সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১২ পি.এম
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ১০ ক্লাব বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) লিগ পেছানোর জন্য একটি চিঠি প্রদান করেছিল। তবে, তাদের দাবির প্রতি কোনো সাড়া দেয়নি বাফুফে। গতকাল রাতে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক নতুন লিগ ও ফেডারেশন কাপের ফিকশ্চার চূড়ান্ত করেছে।
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে কারণ তাদের দলের অনুশীলন শুরু করার জন্য খেলোয়াড় প্রয়োজন। কিন্তু মূল দলের ৯ জন খেলোয়াড় বর্তমানে জাতীয় দলের ক্যাম্পে রয়েছেন। তাই, মোহামেডান বাফুফেকে তাদের ফেরত চেয়ে একটি চিঠি দিয়েছে। সাদা-কালোরা আগামীকালের মধ্যে খেলোয়াড়দের ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।
জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা মোহামেডানের ৯ ফুটবলার হলেন—সুজন হোসেন, আনিসুর রহমান, রহমত মিয়া, সাদ উদ্দিন, শাকিল আহাদ, ফয়সাল আহমেদ, সৌরভ দেওয়ান, সোহেল রানা ও শাহরিয়ার ইমন। তাদের ফেরত পাওয়ার পর মোহামেডান তাদের ক্যাম্প শুরু করবে।
এবারের লিগ শুরু হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ ১৯ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনায় জমি রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সুভাষ চন্দ্র ঘোষ, যিনি অভিযোগ করেছেন চাঁদাবাজ, মাদকসেবী ও অবৈধ ভূমিদখলকারীদের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে সুভাষ চন্দ্র ঘোষ উল্লেখ করেন, তার পরিবার বরগুনার ঐতিহ্যবাহী ঘোষ পরিবার। তাদের পূর্বপুরুষরা দীর্ঘকাল ধরে বরগুনার বিভিন্ন ব্যবসা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রায় ১২০ বছর ধরে তাদের পরিবার বরগুনায় বসবাস ও ব্যবসা করে আসছে। তিনি দাবি করেন, পূর্বপুরুষদের সূত্রে পাওয়া জমিজমা নিয়ে সম্প্রতি একটি চক্রের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি জানান, তার পূর্বপুরুষের সূত্রে তিনি ও তার ছোট ভাই বরগুনা শহরের খাকদোন নদীর উত্তর পাড়ে বড় গৌরীচন্না মৌজার বিভিন্ন দাগের জমিতে ইটভাটার ব্যবসা করে আসছিলেন। প্রায় ৩৫ বছর ধরে এই ব্যবসা পরিচালনার পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে তারা সম্প্রতি ব্যবসা বন্ধ করেন। এরপর বরগুনা আবাসিক এলাকায় থাকা জমিতে হাউজিং ব্যবসা শুরু করার উদ্যোগ নিলে একটি চিহ্নিত চক্র তাদের জমির দিকে নজর দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ওই এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও মাদকসেবীদের একটি দল তাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছে। চাঁদা না দিলে জমি দখল এবং নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি বিভিন্ন সময় তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
সুভাষ চন্দ্র ঘোষের দাবি, গত ১১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাদের উল্লিখিত জমিতে প্রবেশ করে। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে জমির মাটি কেটে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি সকালে প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক তাকে জানান। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বরগুনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু এরপরও তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যেকোনো সময় অভিযুক্তরা তাদের ওপর হামলা কিংবা বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সুভাষ চন্দ্র ঘোষ অভিযোগ করেন, জমি দখলের চেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে বিপ্লব বিশ্বাসসহ তার দলবল, কালাম ওরফে কালু, সোনাখালীর সেন্টু, ডলার, লিমন, আসাদ সবুজ, হারুন মাস্টার ও আব্বাস গং রয়েছেন। তারা বিভিন্ন সময় জমি দখল ও চাঁদা দাবির সঙ্গে জড়িত বলে তিনি দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার পরিবারের জমি ও ব্যবসা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে সমাধান করা যেতে পারে। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা কিংবা চাঁদা দাবি করতে পারে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, তার অভিযোগের বিষয়টি তথ্য-অনুসন্ধানের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি তার জমি রক্ষা, চাঁদাবাজি ও দখলচেষ্টা বন্ধ এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান।
সুভাষ চন্দ্র ঘোষ বলেন, আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চাই না। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি, আমাদের বৈধ সম্পত্তি রক্ষা এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
এদিকে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, জমির মালিকানা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে আদালত ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। জোরপূর্বক জমি দখল, চাঁদা দাবি কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনার পুনর্বিন্যাস এবং অভিবাসন খাতের অনিয়ম বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন। তিনি মন্তব্য করেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ আজ একশ্রেণির ধনী মানুষের বিদেশে অর্থ পাচার ও সন্তানদের বিলাসবহুল পড়াশোনার পেছনে ব্যয় হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি: ফের সিন্ডিকেট! অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়! বাড়তি ফি ও অর্থপাচারের ফাঁদে অসহায় বিদেশগামী নাগরিক’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। এই সভার আয়োজন করে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
অতীতের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বিদেশে সাধারণ প্রবাসীরা রিয়াল-দিরহাম সঞ্চয় করে, হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে দেশের নেতাদের সম্মান জানান। কিন্তু দেশের একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী সেই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর করে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত ১২ বছরে প্রায় ৪০ হাজার প্রবাসী শ্রমিক মারা গেছেন, যাদের গড় বয়স মাত্র ২৫ থেকে ৩৭ বছরের মধ্যে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, অসহনীয় তাপমাত্রা এবং অমানবিক জীবনযাপনের কারণে মূলত স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তারা মৃত্যুবরণ করছেন। কোটি কোটি ডলার রেমিট্যান্স এলেও এর পেছনে লুকিয়ে থাকা শ্রমিকের এই অমানবিক শোষণ এবং সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে শ্রমবাজারের আমূল পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন।
শ্রমবাজারের পাশাপাশি, দেশের বিচার অঙ্গনসহ প্রতিটি স্তরে সিন্ডিকেট ও নৈরাজ্য চলছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রেসিডেন্ট নিজেই বলেছেন—বেঞ্চ ক্লার্ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে ঘুষ না দিলে মামলার নিষ্পত্তি হয় না। নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত পর্যন্ত আজ দালাল ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে।
আদালতের কার্যক্রমে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আদালতের গুরুত্বপূর্ণ নথি আজ আউটসোর্সিংয়ের নামে ডেপুটেশনে থাকা সাধারণ মানুষের হাতে চলে যাচ্ছে, যা বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, হাজার হাজার মানুষের প্রাণদান এবং শত শত তরুণের পঙ্গুত্ববরণ কোনো সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখার জন্য নয়। ৫ আগস্টের পর দেশের মানুষের মনে যে পরিবর্তনের স্বপ্ন তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে প্রশাসন ও সমাজে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এই আত্মত্যাগ বৃথা যাবে।
শ্রমবাজারের বিভিন্ন স্তরে চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় এবং অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, সরকার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়োগ দেয়। দেশের নাগরিকদের আহ্বান করব, আপনারা যেসব দালাল বা এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে যান, তাদের বিষয়ে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ভাইদের কাছে খোঁজখবর নিয়ে এরপর টাকা লেনদেন করবেন। সাংবাদিকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান করব, আপনারা এসব চক্রের বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে সচেতন করুন।
তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত। শ্রমিকদের স্বার্থে সিন্ডিকেটনির্ভর ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
বিদেশে যাওয়ার আগে শ্রমিকদের সচেতন ও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জেনে-বুঝে এবং যথাযথভাবে যাচাই করে প্রবাসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অনেক এজেন্সি ইতোমধ্যে ভাইভা নেওয়া শুরু করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, দেশের সরকার এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে শ্রমিকদের স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে মতপার্থক্য এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর স্থগিত থাকার মতো কিছু জটিলতা সত্ত্বেও ভারত ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে আগ্রহী।
রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও, নয়াদিল্লি দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।
যদিও তারেক রহমান ভারতে তার পূর্বনির্ধারিত সফর স্থগিত রেখেছেন, তবে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে দ্বিপক্ষীয় সফর এবং ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানালেও তিনি সফরটি স্থগিত করেন।
ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এ বিষয়ে জানিয়েছেন, রাজনীতি নিজ গতিতে চললেও দুই দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি, হাইকমিশনার ঢাকায় উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ও পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বর্তমান বাংলাদেশ প্রশাসনও ব্যবসা-বাণিজ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করেছে।
অন্যদিকে, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আগামী ডিসেম্বরেই ১৯৯৬ সালের ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে এই চুক্তির নবায়ন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য একটি মূল চালিকাশক্তি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম সচিব সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর)।
এ সভাটি বিকেল সাড়ে ৪টায় সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। ২১০ দিন পর সচিবদের নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সভার আলোচ্যসূচিতে সরকারের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক বিষয়, সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল, জনকল্যাণমুখী ও কার্যকর করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ অনানুষ্ঠানিক বিষয় নিয়ে সিনিয়র সচিব ও সচিবদের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হবে।
সভায় বিশেষভাবে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬–২০৩০) নিয়ে আলোচনা হবে। এর বাইরে বিবিধ বিষয়ও আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সভাটি সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় এরই মধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সচিব সভা সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা। এতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ