বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:১৫ পি.এম
আগামী ১৩ জুলাই বরিশালে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই মধ্যে বরিশালের বিভাগীয় প্রশাসনসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফরকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।
তারেক রহমানের বরিশাল জেলায় আগমন উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রস্তুতি সভা করেছে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন।
সভায় বরিশালের বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, বরিশাল সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদের প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৩ জুলাই সকালে ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। তিনি গৌরনদী এবং বরিশাল সদরে বেশ কিছু অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তার আগমনকে ঘিরে শতভাগ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এসময় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানকে সুন্দর করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান বিভাগীয় কমিশনার।
সভা থেকে জানা গেছে, ১৩ জুলাই সকাল সাড়ে ৬টায় নিজ বাসা থেকে প্রধানমন্ত্রী বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। এজন্য সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে খননকৃত সরিকল-বাটাজোর খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।
অন্যদিকে, সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি বরিশাল নগরীর ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি সংলগ্ন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। পরে তিনি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাংগঠনিক সভায় যোগদান করবেন।
আয়োজিত সভায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এ্যাড. আবুল কালাম শহীনসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল আগমন নিয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, তারেক রহমান বিএনপি’র চেয়ারম্যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। তার এই আগমন উপলক্ষে আমাদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আনন্দের সীমা নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আমরা বরিশালবাসী প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ছবি:বাসস
জেলায় ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করার পর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।
ঝালকাঠি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম বাইজিদ ইবনে আকবর।
সভায় বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় এখন থেকেই সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং গাছপালা রোপণসহ পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সাংবাদিকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, দেশের যেকোনো দুর্যোগে এবং মানুষের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় মানুষের পাশে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা বিএনপি’র পক্ষ থেকে পাহাড়ের দুর্গম ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি, কেউ অসহায় থাকবে না।
গতকাল বুধবার মধ্যরাতে জেলায় পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করার সময় এবং শহরের লোকনাথ মন্দিরের অবস্থান কেন্দ্র থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে দীপেন দেওয়ান এমপি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে তিনি সকলকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘জলবায়ু পরিবর্তন-আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে শেরপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে র্যালি, পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শেরপুর জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা কালেক্টরেট চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ রজনীগন্ধায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হেদায়েতুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এ্যাড. সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আওয়াল চৌধুরী, শেরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজা, জেলা ডায়াবেটিকস সমিতির সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়া প্রমুখ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে প্লাস্টিক দূষণরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্লাস্টিকের বিকল্প ব্যবহারে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠান শেষে রচনা ও শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে অতিথিরা পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট, গাছের চারা বিতরণ ও সনদপত্র প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে পারমাণবিক জ্বালানি খাতের রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম সরবরাহে অস্ট্রেলিয়ার সামনে একটি ‘ঐতিহাসিক’ সুযোগ রয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এটি তিনি বৃহস্পতিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আগে প্রকাশ করেন।
ভারতের বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে মোদি আগামী বছরগুলোতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বিশ্বের মোট ইউরেনিয়ামের প্রায় ২৮ শতাংশ মজুদ রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। তবে রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা ও আইনি জটিলতার কারণে ভারতে ইউরেনিয়ামের রপ্তানি এতদিন বাধাগ্রস্ত ছিল।
মেলবোর্নে এক ব্যবসায়িক ফোরামে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের আগে মোদি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপুল ইউরেনিয়াম মজুদ ভারতের পারমাণবিক যাত্রার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।’
মোদি আরও বলেন, ‘এই খাতে আমাদের সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।’
অনুষ্ঠানে দুই নেতা কিছু সময়ের জন্য বক্তব্য থামিয়ে একসঙ্গে সেলফি তোলেন। সেখানেও আলবানিজ হাস্যোজ্জ্বল ছিলেন।
অলাবনিজের আগে মোদি ‘দ্য বস’ বলে উল্লেখ করেছিলেন এবং রসিকতা করে মন্তব্য করেছিলেন, মার্কিন রক সংগীত তারকা ব্রুস স্প্রিংস্টিনের চেয়ে মোদি বড় জনসমাগম টানতে পারেন।
বৃহস্পতিবার দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের জন্য মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন আলবানিজ। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি, আপনার নেতৃত্ব ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততাই এই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি।’
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত জনগণের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, দেশটিতে মোদির সমর্থকও বেড়েছে।
গত বছরের জুনে প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ইতিহাসে প্রথমবার বিদেশে জন্ম নেওয়া বাসিন্দাদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী এসেছে ভারত থেকে।
অস্ট্রেলিয়া ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউটের টিস্তা প্রকাশ এএফপিকে বলেন, ‘২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায় তুলনামূলকভাবে কম ছিল।’
তিনি বলেন, ‘কিন্তু ২০২৬ সালে এটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় প্রবাসী সম্প্রদায়ে পরিণত হয়েছে। তারা সংখ্যা অনুযায়ী ব্রিটিশদেরও ছাড়িয়েছে। এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বড় পরিবর্তন।’
বৃহস্পতিবার দিনের শেষে মেলবোর্নের একটি স্টেডিয়ামে প্রবাসী ভারতীয়দের সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মোদির। আয়োজকদের ধারণা, সেখানে ২০ সহস্রাধিক মানুষ উপস্থিত হতে পারেন।
তবে মোদির এই সফরকে ঘিরে বিরোধিতাও দেখা যাচ্ছে। সমালোচকদের অভিযোগ, তিনি ভারতে বিপজ্জনক ধরণের হিন্দু জাতীয়তাবাদকে উৎসাহিত করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার অ্যালায়েন্স অ্যাগেইনস্ট ইসলামোফোবিয়া জানিয়েছে, তারা স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্ষোভ করার পরিকল্পনা করছে। তাদের দাবি হলো, ভারতে সংখ্যালঘু জনগণের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি তারা তুলে ধরবে।
এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয় অভিবাসনবিরোধী আরেকটি বিক্ষোভের পরিকল্পনাও রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে মোদির নিউজিল্যান্ড যাওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ