ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জ্বালানি নিরাপত্তা ও পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা বাড়াবে মালয়েশিয়া-জাপান


জ্বালানি নিরাপত্তা ও পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা বাড়াবে মালয়েশিয়া-জাপান

মালয়েশিয়া এবং জাপান জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছে, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিশৃঙ্খলা এবং ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর বুধবার (১০ জুন) প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের সংকটের প্রেক্ষাপটে দুই নেতাই তাদের যৌথ সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন।

জাপানে তিন দিনের সফর শেষে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, মালয়েশিয়া তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), পেট্রোলিয়াম, রাসায়নিক পণ্য (নেফথা ও ইউরিয়া) এবং মেডিকেল গ্লাভসের মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রীর বাণিজ্য প্রবাহকে উন্মুক্ত এবং স্থিতিশীল রাখতে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন: কীভাবে তার উত্থান: শ্রমিক থেকে চারবারের প্রেসিডেন্ট লুলা

এছাড়া, দুই দেশ নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উদ্বৃত্ত সক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করে কীভাবে মালয়েশিয়া জাপানের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করতে পারে সে বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা করছে।

মালয়েশিয়া তাদের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি কৌশলে পারমাণবিক বিদ্যুৎ অন্তর্ভুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই লক্ষ্যে জাপানের পক্ষ থেকে চুল্লি প্রযুক্তি নির্বাচনে, উপযুক্ত স্থান নির্ধারণে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং খনিজ ও বিরল মৃত্তিকা (রেয়ার আর্থ) সরবরাহের স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে দুই দেশ একত্রে কাজ করার সংকল্প ব্যক্ত করেছে। উভয় নেতাই বিশ্ববাজারে সরবরাহ শৃঙ্খল বাঁধাগ্রস্ত করতে পারে এমন অর্থনৈতিক জবরদস্তি, অ-বাজারসুলভ আচরণ এবং নির্বিচার রফতানি নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের মধ্যে একটি নিরাপদ এবং বৈচিত্র্যময় সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন।

এই লক্ষ্য অর্জনে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা), জাপান অর্গানাইজেশন ফর মেটালস অ্যান্ড এনার্জি সিকিউরিটি এবং জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশনের মাধ্যমে খনিজ খাতের সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া হবে। পাশাপাশি, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর সাথে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা অনুসন্ধান করা হবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: সিডনির নতুন বিমানবন্দর থেকে প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উড্ডয়ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


‘চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়’

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, গঠনমূলক সমালোচনা আমরা স্বাগত জানাই। স্বাস্থ্য খাতে সমস্যা থাকলে তা নিয়ে আলোচনা হোক, জবাবদিহি হোক এবং সংস্কার হোক।

কিন্তু, মিথ্যা তথ্য, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য, অপমানজনক ভাষা এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানববন্ধনে বিভিন্ন হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংগঠনের চিকিৎসকরা অংশ নেন।

ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে একটি ‘স্মিয়ার ক্যাম্পেইনিং’ চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। এর পেছনে কোনো বিশেষ স্বার্থগোষ্ঠী বা বহিঃশক্তির সুবিধা জড়িত আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ২০২৩ সাল পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী একটি দেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া বিদেশিদের প্রায় ৭০ শতাংশ ছিল বাংলাদেশি। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিলিয়ন ডলারের সেই ব্যবসায় ধস নেমেছে। তাই, পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসকদের সাধারণ মানুষের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা হচ্ছে কি না, সেটি তদন্তের দাবি রাখে।

তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে দুর্বল করা মানে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিকে দুর্বল করা। চিকিৎসক ও রোগীকে প্রতিপক্ষ বানানো যাবে না। চিকিৎসক ও রোগী একই পক্ষের মানুষ। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই—মানুষের জীবন বাঁচানো।

মানববন্ধনে অন্যান্য বক্তারা সাংবাদিক মাসুদ কামালের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ঘৃণ্য, বিদ্বেষমূলক ও চিকিৎসক সমাজের জন্য অপমানজনক বলে উল্লেখ করেন।

তারা তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে চিকিৎসক সমাজ ও জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় সরকারের কাছে এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান চিকিৎসক নেতারা।

বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য খাতের সমস্যা নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা, জবাবদিহি ও সংস্কারের দাবি অবশ্যই গ্রহণযোগ্য। তবে, মিথ্যা তথ্য, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য, অপমানজনক ভাষা এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

চিকিৎসকদের কর্মপরিবেশ নিরাপদ করা, চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ককে আস্থার ভিত্তিতে শক্তিশালী করা এবং স্বাস্থ্য খাতকে পরিকল্পিত অপপ্রচার থেকে রক্ষা করার দাবি জানান তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ৫ম শ্রেণির ছাত্রী, মুদি দোকানি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


ধর্ষণে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ৫ম শ্রেণির ছাত্রী, মুদি দোকানি গ্রেপ্তার

নাটোরে খাবারের লোভ দেখিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর (১২) বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মুদি দোকানি ওসমান (৫৬) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিশুটি বর্তমানে ৩২ সপ্তাহের (৮ মাস) অন্তঃসত্ত্বা।

এই ঘটনায় শিশুর বাবা নাটোর সদর থানায় মামলা করার পর পুলিশ অভিযুক্ত মুদি দোকানিকে মঙ্গলবার (৯ জুন) গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর জানা যায়, বুধবার (১০ জুন) সকালে স্থানীয় এলাকাবাসী ওসমানকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবার থেকে জানা যায়, নাটোর সদর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা এই শিশুর পরিবার হিন্দু ধর্মালম্বী। শিশুটির বাবা শহরের একটি দর্জির দোকানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন এবং মা অন্যের বাসাবাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেন। যদিও পরিবারের সদস্যদের শিক্ষার সুযোগ ছিল না, তারপরও তারা মেয়েকে লেখাপড়া করিয়ে উচ্চশিক্ষিত করার স্বপ্ন দেখতেন। বর্তমানে শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী শিশুর বিদ্যালয়ের পাশেই অভিযুক্ত ওসমান পাটোয়ারীর মুদি দোকান রয়েছে। ওসমান বিভিন্ন সময় বিস্কুট, নুডুলস, চকলেটসহ অন্যান্য খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে দোকানে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে জানাতে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীর পরিবার।

সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার সন্দেহ হয়। তিনি বিষয়টি শিশুর পরিবারের কাছে জানান। পরে মঙ্গলবার (৯ জুন) স্থানীয় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে শিশুটির পরীক্ষা করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, শিশুটি ৩২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা।

শিশুটির বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা বলেন, “হঠাৎ ওই শিক্ষার্থীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে আমার সন্দেহ হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা গতকাল ক্লিনিকে নিয়ে গেলে জানতে পারে, সে ৩২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।” এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিশুরাও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ভুক্তভোগী শিশুর বড় বোন জানান, স্কুলের শিক্ষিকার পরামর্শে ডাক্তারের কাছে পরীক্ষা করার পর তারা জানেন যে তাদের বোন ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরে তিনি বলেছেন, “ওসমান তার দোকানে বিভিন্ন খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা দরিদ্র, ওরা এলাকায় প্রভাবশালী। আমার বোনের জীবনটা নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা এ ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি চাই।”

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, “আমাদের পরিবারে কেউ শিক্ষিত নাই। অনেক আশা ছিল এই মেয়েটাকে উচ্চশিক্ষিত করার। কিন্তু, এখন সব আশা শেষ হয়ে গেছে। এখন মেয়েকে শিক্ষিত করা তো থাক, তার জীবন নিয়েও টানাটানি।”

এ বিষয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক বলেন, “এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। দ্রুতই তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবর খুঁড়ে মিলল পুরোনো ‘পাথর’, আত্মসাতের অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


কবর খুঁড়ে মিলল পুরোনো ‘পাথর’, আত্মসাতের অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় কবর খনন করতে গিয়ে অলৌকিক চিহ্নযুক্ত হাজার বছরের পুরোনো ৫টি মূল্যবান পাথর সদৃশ বস্তু (তসবি) পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও অলৌকিক কারণ দেখিয়ে নিহতের পরিবার সেগুলো পুনরায় কবরে পুঁতে রাখার দাবি করেছেন, কিন্তু স্থানীয়রা তা মানতে নারাজ। এই মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আত্মসাৎ করা হয়েছে এমন অভিযোগে গ্রামের মধ্য তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে কালুকান্দর গ্রামের বাসিন্দা মোস্তফা মণ্ডল মারা যান। গ্রামের গোরস্থানে তার কবর খননের দায়িত্ব পান বাহার আলী, শরিফুল ইসলাম ও শফিউদ্দিন নামে তিন ব্যক্তি। মাটি খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে আসে কালো, সাদা, ধূসর ও বাদামি রঙের ৫টি প্রাচীন পাথর সদৃশ বস্তু। বস্তুগুলোর নিচের অংশে ‘আল্লাহু’ লেখা ছিল বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঐতিহাসিক এই নিদর্শনগুলো দেখার পর কৌতূহলী গ্রামবাসী তা সাময়িকভাবে বাহার আলীর কাছে জমা রাখেন।

দাফন সম্পন্ন হওয়ার চার দিন পরে, মোস্তফা মণ্ডলের বড় ছেলে ইউনুস আলী তার মা ও ভাইদের দেখানোর কথা বলে বাহার আলীর কাছ থেকে পাথরগুলো নিয়ে যান। পরবর্তী দিন, বাহার আলী সেগুলো ফেরত চাইলে ইউনুস জানান, ‘বুজুর্গ ও মুরব্বিদের’ পরামর্শে ফজরের নামাজের পর অলৌকিক এই পাথরগুলো তিনি আবার তার বাবার কবরে রেখে এসেছেন।

তবে গ্রামের কাউকেই না জানিয়ে, কাকডাকা ভোরে একা একা কবরে পাথর রেখে আসার এই দাবি বিশ্বাস করছেন না স্থানীয়রা। তাদের ধারণা, মূল্যবান এই পুরাকীর্তি পাচার বা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে এই অলৌকিকতার নাটক সাজানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পোরশা উপজেলার ঘাটনগর ইউনিয়নের কালুকান্দর গ্রামে।

পাথরগুলো ফেরত পাওয়ার জন্য স্থানীয়ভাবে তিনবার শালিস বৈঠক ডাকা হলেও ইউনুস আলী মাত্র একটি বৈঠকে উপস্থিত হন। বাকি দুটি বৈঠকে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে অনুপস্থিত থাকেন।

উত্তেজিত গ্রামবাসী ইউনুসের বাড়িতে চড়াও হলে তাকে পাওয়া যায়নি। যদিও তার মা দাবি করেন, মুরব্বিদের পরামর্শেই পাথরগুলো কবরে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তিনি গ্রামবাসীর কাছে অনুরোধ জানান যে, তার স্বামীর কবরটি আর পুনরায় খনন না করার জন্য যেন তারা সহযোগিতা করেন।

এদিকে, ইউনুসের নিখোঁজ থাকা এবং পরিবারের অসংলগ্ন কথাবার্তায় গ্রামবাসীর ক্ষোভ আরও ঘনীভূত হয়েছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সরকারি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার ও জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান ফজলুর করিম আরজু জানান, পোরশার ওই অঞ্চলটি অত্যন্ত প্রাচীন। এখানে মাটির নিচে হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক নিদর্শনের অস্তিত্ব থাকা স্বাভাবিক। উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো কোনো প্রাচীন সভ্যতার প্রাচীন নিদর্শন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদি স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সহযোগিতা করে, তবে ওই অঞ্চলে খননকাজ পরিচালনা করে সরকারি উদ্যোগে পুরাকীর্তি উদ্ধারের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালুকান্দর গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। মূল্যবান এই রাষ্ট্রীয় সম্পদ উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যসেবায় শহর-গ্রামের উচ্চবৈষম্য নিরসনের কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


স্বাস্থ্যসেবায় শহর-গ্রামের উচ্চবৈষম্য নিরসনের কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রকে নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংবিধানে। সংবিধানের দুটি অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হলো পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।

স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা যেন চিরকাল অধরা। জটিল নয়, সরলীকরণ করেও যদি বলতে হয়, দেশের স্বাস্থ্য খাত নিতান্তই ব্রাত্য। যুগের পর যুগ ধরে এই খাত নিজেই আক্রান্ত জটিল ও দুরারোগ্য রোগে। কখনো পরিকল্পনার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন হয়নি।

বৈষম্য ও বঞ্চনার চিত্র প্রতিটি শাখায় রয়েছে। শহুরে ও গ্রাম্য স্বাস্থ্য কাঠামোর মধ্যে বৈষম্য আজও দূর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যের নাজুক দশা কাটাতে চান। তিনি মনে করেন, ‘স্বাস্থ্য কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার’ বলে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

এই নীতিকে রাজনৈতিক কথাবার্তার বাইরে রেখে বাস্তবে রূপদান করে একটি উন্নত ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

শহরের তুলনায় গ্রামে জনসংখ্যার হার বেশি। জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২-এর প্রতিবেদনে দেখা যায়, শহরে বসবাস করে ৩১ দশমিক ৬৬ শতাংশ মানুষ এবং গ্রামে ৬৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। সংখ্যার দিক দিয়ে গ্রামে বসবাস করছে ১১ কোটি ৬১ লাখ মানুষ।

এবং শহরে ৫ কোটি ৩৮ লাখ মানুষ বাস করছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ হেলথ ওয়ার্কফোর্স স্ট্র্যাটেজি ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ৬২ শতাংশ গ্রামে বসবাস করলেও শহর এলাকায় চিকিৎসক-নার্সের তিন-চতুর্থাংশই সেবা প্রদান করেন। প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল স্বাস্থ্যসেবা কর্মী থাকায় তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে নিদারুণভাবে বঞ্চিত হচ্ছে।

গ্রাম ও শহরের এই স্বাস্থ্য বৈষম্য দূর করতে সরকার সুসংগঠিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে স্বাস্থ্য খাতে বর্ডৃতক রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারেও। যেখানে স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিজাত শ্রেণি ও প্রান্তিক জনগণ সরকারিভাবে সমান স্বাস্থ্যসেবা পাবে। ফিরবে সেবার সমতা। দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা যথেষ্টও প্রকাশ করেছে সরকার।

প্রান্তিক জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারপ্রধান তারেক রহমান গত মাসে সিলেটে এক সুধী সমাবেশে জানান, ‘দেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এই ১ লাখের মধ্যে ৮০ শতাংশ থাকবে নারী স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের দায়িত্ব হবে গ্রামে-গ্রামে, ঘরে-ঘরে গিয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির। শহরেও তারা থাকবে, তবে আমরা গ্রাম নিয়ে বেশি গুরুত্ব দেব।’

দেশের স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিতে মৌলিক পরিবর্তন আনার ইচ্ছে রয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে তৃণমূল জনগণের স্বাস্থ্য সেবা সহজসাধ্য করার জন্য বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ড চালু করার পরিকল্পনা বিদ্যমান। সরকারের উদ্দেশ্য হলো স্বাস্থ্যব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো বিভিন্ন সংকটে ভারাক্রান্ত। শয্যা সংকটে পরিবেশদূষণের কারণে চিকিৎসাসেবা চলছে গাদাগাদি করে। জনবল ও সরঞ্জামের সংকটের মধ্যে রোগীরা সুফল পাচ্ছেন না। সব রকম ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে টাকার বিনিময়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে রোগীরা বেসরকারি হাসপাতালে ছুটছেন।

কিছু ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর বাহ্যিক ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধা সাধারণ মানুষকে আকর্ষণ করতে পারছে না। যাদের সাধ্য নেই, তাদের বাধ্য হয়ে এখানে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। হাসপাতালে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নৈতিক মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সরকার এসব বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে একটি বিস্তৃত, সুচিন্তিত এবং সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটানোর উদ্যাগে সরকার ইতোমধ্যে ৫০ শয্যার ৪৯২টি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছে। ইতোমধ্যে আটটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এর ফলে গ্রামীণ পর্যয়ে স্বাস্থ্যসেবা খাত আরও শক্তিশালী হবে। ৫টি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যার শিশু বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের কাজ ছয় মাসের মধ্যে উদ্বোধনের লক্ষ্যে এগোনো হবে। এ ছাড়া চীন-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে নারীদের জন্য ১ হাজার শয্যার আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণেও পরিকল্পনা রয়েছে। সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে মাতৃত্বকালীন সেবা, নিরাপদ সন্তান প্রসব ও নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার নিরাপদ স্থান হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানও বলেছেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কাজ করছে। এখন থেকে সব মানুষ তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা পাবেন, আর্থিক অবস্থার বিবেচনায় নয়। এমন স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলা হবে যাতে কোনো ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে গিয়ে সর্বস্বান্ত না হন।’ প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণীর এই কথাবার্তা থেকে স্পষ্ট, সরকার শহুরে সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার বাস্তব পরিকল্পনা আসছে।

প্রধানমন্ত্রীর জীবনসঙ্গী জানেন শহরে চিকিৎসক, হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত পাওয়া যায়। কিন্তু গ্রামে পরিস্থিতি সহজ নয়। সেখানে দূরত্ব ও ব্যয়ের কথা বিবেচনায় গ্রামীণ নারীরা প্রায়ই ঘরেই সন্তান জন্ম দেন। জরুরি অবস্থায় দ্রুত সেবা তাদের জন্য ‘গরিবের ঘোড়ারোগ’ হয়ে যায়। তিনি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূলভিত্তি ও স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন। চলতি বছরের মার্চে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয় ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্র হিসেবে ভাবা হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।’

সরকার যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) মডেল অনুসরণ করে একটি সমন্বিত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যব্যবস্থার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার একটা জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়।’ তিনি বলেন, ‘তৃণমূল পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে সবার জন্য ডাক্তার থাকার ব্যবস্থা করা হবে। একই সাথে উপজেলা পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। এমনভাবে পরিবর্তন করা হবে একদিকে যেমন শয্যার সংখ্যা বাড়ানো হবে, তার চেয়ে সেবা বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া হবে যাতে শিশুদের জন্য চিকিৎসক, নারীদের জন্য চিকিৎসক, এবং ফিজিওথেরাপির জন্য চিকিৎসক থাকা নিশ্চিত হবে। একইসাথে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোও নতুনভাবে সাজানো হবে। যেহেতু ডিজিজ বার্ডেন পরিবর্তিত হয়েছে, অর্থাৎ আগে ছিল সংক্রামক রোগ, এখন লাইফস্টাইল ডিজিজ হচ্ছে, সে কারণে প্রতিটি জেলায় করোনারি কেয়ার ইউনিট, কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিটের মতো বিষয়গুলোর দিকে বর্তমান সরকার ব্যবস্থা নেবে।’

স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতের অচলায়তন ভাঙার সঙ্গে একটি সমতাভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে শহর ও গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য সহায়িকা ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে সরকারকেও কিছু বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। প্রথমত, উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে অর্থ বরাদ্দ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করতে হবে। কাঙ্ক্ষিত মানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এসব বিষয়ে সর্বোচ্চ ফোকাস দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসকদের গ্রামে অবস্থান করতে উৎসাহিত করতে হবে। যারা সীমিত সাধ্যের মধ্যেও চিকিৎসা ব্যবস্থা সচল রেখেছেন, তাদের সাধুবাদ জানাতে হবে। তাদের জন্য ভালো বাসস্থান, নিরাপত্তা এবং সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। তৃতীয়ত, তাদের পেশাগত উন্নতির দিকে নজর দিতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এসব অভাব বা দুর্বলতা দূর করতে পারলে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও বলেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং উন্নত ল্যাব প্রায় সবকিছুই ঢাকাকেন্দ্রিক। এই বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে এসে জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক হাসপাতালগুলোর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য দূর করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। যদিও কাজটি এক মাস বা এক বছরে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, তবুও সরকার ধাপে ধাপে তা অর্জনের পথে চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%