মোঃ রব্বানী, (স্টাফ রিপোর্টার)
০৯:৫০ পি.এম
ঝালকাঠিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এস এম বায়েজিদ ইবনে আকবর, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল মন্টু এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. সৈয়দ হোসেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, "৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক সংহতির মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা পেয়েছিল। এই চেতনাকে বুকে ধারণ করে আমাদের সব ভেদাভেদ ভুলে একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।" দেশ ও মানুষের কল্যাণে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের জনগণকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় বক্তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, তাঁর আদর্শ থেকে আজকের নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা নিতে হবে। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।
আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বৈশ্বিক ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স ও ডিজিটাল আইডেন্টিফিকেশন সলিউশন প্রতিষ্ঠান অ্যাভেরি ডেনিসন। ৫ থেকে ৭ নভেম্বর ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে অনুষ্ঠিত ৩০তম ইউএস ট্রেড শোতে অংশগ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সমাধান তুলে ধরেছে।
আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) এবং ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এবারের আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে আসে, যা বাংলাদেশের বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে অ্যাভেরি ডেনিসনের ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিনটি আধুনিক উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের পোশাকশিল্পে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।
এছাড়া, সম্প্রতি ঢাকার সাভারে ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ডিইপিজেড) একটি অত্যাধুনিক স্মার্ট ওয়্যারহাউস চালু করেছে অ্যাভেরি ডেনিসন। এটি প্রতিষ্ঠানটির ম্যানুফ্যাকচারিং ৪.০ কৌশল বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। ৮৩০ বর্গমিটার আয়তনের এই স্বয়ংক্রিয় ওয়্যারহাউসে সাতটি অটোমেটেড গাইডেড ভেহিকল (এজিভি) রয়েছে এবং ২৫ হাজার কার্টন সংরক্ষণের সক্ষমতা রয়েছে। এর ফলে পণ্য প্রক্রিয়াকরণের গতি ৭২ শতাংশ বেড়ে গেছে এবং সংরক্ষণ সক্ষমতা আগের তুলনায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পোশাকশিল্পের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সমাধান প্রদর্শন করেছে অ্যাভেরি ডেনিসন ইউএস ট্রেড শোতে। এসব সমাধানের মাধ্যমে পোশাকপণ্যের সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তির সংযোগ তৈরি, সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং পণ্যের জীবনচক্র ব্যবস্থাপনা সহজ করা সম্ভব।
● প্রদর্শনীতে রয়েছে এম্বেলেক্স (Embelex™) অ্যাপারেল ব্র্যান্ডিং এক্সপেরিয়েন্স, যা বিশ্বখ্যাত স্পোর্টস, লাইফস্টাইল, ওয়ার্কওয়্যার ও ফ্যাশন ব্র্যান্ডের জন্য পোশাকের অলংকরণ, ডেকোরেশন ও ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত সমন্বিত সেবা প্রদান করে।
● অপটিকা (Optica™) এন্ড-টু-এন্ড সাপ্লাই চেইন সলিউশন, প্রচলিত উৎপাদনব্যবস্থার সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তির সংযোগ ঘটিয়ে তথ্য ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে পণ্যের অবস্থান ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি করে।
● রেডিডিপিপি (ReadyDPP™) এবং কনজ্যুমার এনগেজমেন্ট সলিউশন-এর মাধ্যমে কিউআর কোড, এনএফসি ও আরএফআইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে পোশাকপণ্যের সঙ্গে ডিজিটাল তথ্য যুক্ত করা যায়। এর ফলে ভোক্তারা পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেন এবং ব্র্যান্ডগুলো ডিজিটাল পণ্য পাসপোর্ট ব্যবস্থাপনা, নীতিমালা অনুসরণ ও পুনর্ব্যবহারভিত্তিক উৎপাদনব্যবস্থা এগিয়ে নিতে পারে।
অ্যাভেরি ডেনিসনের অ্যাপারেল সলিউশন্সের বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জেনারেল ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “বিশ্বের পোশাক সরবরাহ ব্যবস্থায় দ্রুততা, স্বচ্ছতা ও টেকসই উদ্ভাবনের চাহিদা বাড়ছে। বাংলাদেশের গতিশীল টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পের সঙ্গে যৌথভাবে এগিয়ে যেতে অ্যাভেরি ডেনিসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশে অ্যামচ্যামের ইউএস ট্রেড শোর ৩০ বছর পূর্তি আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ধারাবাহিক বিনিয়োগ, আধুনিক লজিস্টিকস ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদনকারী এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সংযোজন করতে চাই আমরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের পাঁচ তারকা হোটেল সী-গালের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরুল ইসলাম সিদ্দিকী রুমী আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) ভারতের ব্যাঙ্গালুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবরটি কক্সবাজারের পর্যটন ও হোটেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শোকের ছায়া ফেলেছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উল্লেখ করেছেন যে, কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন এবং হোটেল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ইমরুল ইসলাম সিদ্দিকী রুমীর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি পর্যটন খাতের সঙ্গে যুক্ত থেকে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এই শিল্পের অগ্রগতিতে অবদান রেখে আসছিলেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প একজন অভিজ্ঞ এবং দক্ষ সংগঠককে হারিয়েছে।
তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরার আজমপুর ৬ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত রাজউক কলেজের সামনে সড়ক ও ফুটপাত বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে হকারদের দখলে চলে গেছে। ফুটপাতটি পান-সিগারেট, চায়ের দোকান, সবজি ও ফলের দোকানে ভরে গেছে।
আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের পূর্ব দিক থেকে শুরু করে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সামনের সড়কের ফুটপাত এখন হকারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফুটপাত দখল করার পাশাপাশি, হকাররা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মূল সড়কের একটি অংশও দখল করে রাখে। সড়কের অন্য অংশে গাড়ির সারির কারণে প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়। অফিস টাইমে এই সড়কে চলাচল করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।
পথচারীরা জানান, সকালবেলা উচ্ছেদ করা হলেও বিকালে আবার দোকান বসে। এটি যেন একটি লুকোচুরি খেলা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ অর্থ ও সময় ব্যয় করে অভিযানের মাধ্যমে ফুটপাত মুক্ত করার চেষ্টা করছে, তবে কিছু অসাধু লোকজনের সহযোগিতায় বিকালে আবার ফুটপাত দখল হয়ে যায়।
পথচারীরা এই সমস্যা থেকে মুক্তি চাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজউক কলেজের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত সমবায় বাজার, যা ‘বিডিআর মার্কেট’ নামে পরিচিত। এখানে সুলভ মূল্যে মাছ, মাংস ও কাঁচাবাজারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্য পাওয়া যায়, কিন্তু এর সামনের সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে চলছে হকারদের ব্যবসা। এর ফলে বিডিআর মার্কেটের সাধারণ ও বৈধ ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
মার্কেটের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, রাস্তার ওপর ভাসমান হকারদের কাছ থেকে হাতের নাগালে কাঁচাবাজার পেয়ে যাওয়ায় ক্রেতারা আর মূল বাজারের ভেতরে প্রবেশ করছেন না। এর ফলে মার্কেটের ভেতরে ক্রেতার অভাব দেখা দিয়েছে এবং স্থায়ী ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এই বিষয়ে সমবায় কাঁচাবাজারের সভাপতি মো. মিরাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এখানে এত বড় একটি সুনির্দিষ্ট কাঁচাবাজার থাকতে কেন তারা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করবে? এর ফলে আমাদের মার্কেটের ব্যবসায়ীদের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।”
তিনি অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান চেয়ে বলেন, “আমি স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ফুটপাত দখলকারীদের উচ্ছেদ করে আমাদের মতো সাধারণ ব্যবসায়ীদের রক্ষা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোমের আলোয় ভরা শ্মশান, প্রিয়জনদের স্মরণে প্রার্থনা, উলুধ্বনি এবং কাঁশর ঘন্টার ধ্বনি—এভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে শ্মশান দীপালী উৎসব।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর উপজেলার কলেজ রোডের কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান ঘাট এবং চিংগড়িয়ার শ্মশান ঘাটসহ উপজেলার বিভিন্ন শ্মশানে এই দীপালী উৎসব উদযাপন করা হয়।
এ সময় শ্মশানের সামনে বাহারী খাবারের পসরা সাজিয়ে স্বজনরা প্রার্থনা করেন। প্রিয়জনদের স্মরণে ঢাক ঢোল এবং ধর্মীয় গানে পূজা অর্চনায় মেতে ওঠেন সনাতনীরা। হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের পাশাপাশি দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় নানা উপাচার নিয়ে প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করেন সনাতনীরা।
পুরোহিত বাবলু চক্রবর্তী জানান, প্রতি বছর কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে হারানো স্বজনদের স্মরণে শ্মশানে সমবেত হন হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ। তিনি বলেন, "বিগত দিনে আমাদের আত্নীয় স্বজন যারা মারা গেছে তাদের আত্নার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করা হয়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ