প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝালকাঠিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এস এম বায়েজিদ ইবনে আকবর, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল মন্টু এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. সৈয়দ হোসেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, "৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক সংহতির মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা পেয়েছিল। এই চেতনাকে বুকে ধারণ করে আমাদের সব ভেদাভেদ ভুলে একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।" দেশ ও মানুষের কল্যাণে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের জনগণকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় বক্তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, তাঁর আদর্শ থেকে আজকের নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা নিতে হবে। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।
আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন