মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৮ পি.এম
বাংলাদেশ বিমান বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করবে কিনা, তা নিয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জিন-মার্ক সেরে-চারলেট বলেছেন, ফ্রান্স মোটেও চিন্তিত নয়। তিনি বাংলাদেশে উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে সকলের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন।
মঙ্গলবার, জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) কর্তৃক আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
আরো পড়ুন
সোনারগাঁয়ে কোরআন অবমাননার অভিযোগে যুবক আটক।
বাংলাদেশের এয়ারবাস কেনার বিষয়ে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জানান, কয়েক বছর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তাদের বহর বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করে। এরপর এয়ারবাসের সঙ্গে কারিগরি জরিপ ও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এয়ারবাস কেনা বিমানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বড় বড় এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে এয়ারবাস ও বোয়িং—দুই ধরনের উড়োজাহাজ রয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে বহরে বৈচিত্র্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরো পড়ুন
অবশেষে গ্রেপ্তার ‘সন্দ্বীপের দানব’ মাহফুজুর রহমান।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ঢাকা থেকে কোনো বিরতি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে—এমন উড়োজাহাজের মধ্যে এয়ারবাস এ৩৫০ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে কারিগরি ও যৌক্তিক দিক থেকে বিমান এয়ারবাসকে বেছে নিয়েছে। এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ নেই।
তিনি বলেন, এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের আলোচনা এখনও চলছে এবং তা ভালোভাবে এগোচ্ছে। তবে আলোচনার কারিগরি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চান না তিনি।
আরো পড়ুন
বিয়ের গুঞ্জনে মুখ খুললেন ‘টুয়েলভথ ফেল’ অভিনেত্রী।
বয়িংয়ের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমান যথাযথ সময়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই করবে কিনা, তা নিয়ে আমি মোটেও চিন্তিত নই। আমি এখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ওপর জোর দিচ্ছি এবং বর্তমান কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা এই বার্তাই পৌঁছে দিচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি বর্তমান সরকারের জন্য একটি ভালো পরীক্ষা এবং ফ্রান্স আত্মবিশ্বাসী যে সরকার বিষয়টি বুঝবে। এ নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই।’
এয়ারবাসের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাব্য চুক্তিকে শুধু উড়োজাহাজ কেনার বিষয় হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স—এমন মন্তব্য করে জিন-মার্ক সেরে-চারলেট বলেন, এর মাধ্যমে ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারি আরও শক্তিশালী হতে পারে।
আরো পড়ুন
বামার লাইসেন্স বাতিলের প্রজ্ঞাপন স্থগিত।
বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অংশীদারি রয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির একটি বড় অংশ ইউরোপের বাজারে যায়। তাই এয়ারবাসের সঙ্গে অংশীদারিকে ফ্রান্স দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার অংশ হিসেবে দেখতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশে প্রযুক্তি ও উচ্চ-প্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা করছে। এয়ারবাসের ক্ষেত্রেও তারা শুধু উড়োজাহাজ বিক্রি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারি গড়ে তুলতে চায়।
অনুষ্ঠানে ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হককে কেন্দ্র করে চলমান সাইবার অপরাধ তদন্তে নতুন একটি দিক উন্মোচিত হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) রিজওয়ানকে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি দিচ্ছে না।
ইংল্যান্ড সফরের মাঝপথে পিসিবি রিজওয়ান ও ইমামসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে পাঠায়। এরপর পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) তাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য দুর্নীতি ও ‘অনলাইন জুয়া’ সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনায় রিজওয়ান ও ইমামকে প্রায় দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই সঙ্গে পিসিবির নিরাপত্তা দল তাদের মোবাইল ফোনও জব্দ করে।
জিও নিউজের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রিজওয়ান পিসিবির কাছে দুইবার প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন, তবে তার আবেদন দুবারই নাকচ করা হয়েছে।
রিজওয়ান পুরো বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চেয়েছিলেন। ৩৪ বছর বয়সি এই ব্যাটার অভিযোগগুলোর বিষয়ে জনসম্মুখে ব্যাখ্যা দিতে আগ্রহী ছিলেন। এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের কাছে একটি চিঠি দিয়ে তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। ওই চিঠির কারণও তিনি প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় চুক্তির শর্ত অনুযায়ী রিজওয়ান পিসিবির কাছে দুই দফা অনুমতি চেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় চুক্তির ৪.১ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, চুক্তির আওতাধীন কোনো বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার আগে একজন ক্রিকেটারকে বোর্ডের অনুমতি নিতে হবে।
তবে পিসিবি রিজওয়ানের দুই আবেদনই প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রিজওয়ানের উদ্দেশ্য ছিল বোর্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা নয়, বরং নিজের বক্তব্য ও অবস্থান জনসম্মুখে তুলে ধরা।
এদিকে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রিজওয়ানের মোবাইল ফোন এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি। অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের অভিযোগের মধ্যে রিজওয়ান ও ইমামের ফোনে থাকা বিভিন্ন লেনদেনের তথ্য পিসিবির নিরাপত্তা দল খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।
এনসিসিআইএকে দেওয়া জবাবেও রিজওয়ান তদন্ত ও অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। প্রতিবেদনে তার বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এমন একটি ঘটনায় এনসিসিআইএর তদন্তের কারণ তার কাছে স্পষ্ট নয়। তদন্তে অংশ নেওয়ার জন্য নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের ডেপুটি স্পিকার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে, ডেপুটি স্পিকার রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘকালীন বন্ধুত্বপূর্ণ ও বহুমাত্রিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। তিনি সম্প্রতি চীনের ইউনান প্রদেশে তার সফরের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে সেখানে পাওয়া উষ্ণ আতিথেয়তা, আন্তরিকতা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সহযোগিতার প্রশংসা করেন। এছাড়া, তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে চীনের বিদ্যমান সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, "বাংলাদেশ এবং চীন উভয় দেশের জনগণের উন্নয়নের জন্য আমরা একসাথে কাজ করতে চাই।" তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ, দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্যখাতসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯৮০ সালের চীন সফরের সময়েই বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ভবিষ্যতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি লাভ করে।" তিনি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, "তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশ-চীনের মধ্যকার সহযোগিতার ক্ষেত্রকে আরো প্রসারিত করবে।"
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ-চীন পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
উভয়পক্ষ সংসদীয় পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক সফর, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় বৃদ্ধিসহ দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও বৈঠকে মংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন এবং তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে তার দায়িত্ব পালনকালে পাওয়া সহযোগিতা ও আন্তরিকতার জন্য ডেপুটি স্পিকার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎ শেষে, ডেপুটি স্পিকার রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের উপরাষ্ট্রদূতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন অভিনেতা ও কবি রিফাত চৌধুরী। গত ১৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর প্রথমে ফ্লোরে কাটাতে হয়েছে তার দিন। পরে একটি বেডের ব্যবস্থা করা হয়। তার অসুস্থতার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জানতেন না অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আজাদ আবুল কালাম।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে রিফাত চৌধুরীর অসুস্থতা নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে মন্তব্য করতে গিয়ে আজাদ আবুল কালাম বলেন, “রিফাত চৌধুরীর অসুস্থতার খবর আমি জানি না।”
অভিনেতার অসুস্থতার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হলেও বিষয়টি তার নজরে আসেনি, এমনটি জানালে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে আজাদ আবুল কালাম বলেন, “আমি নিজেই অসুস্থ। সে জন্য হয়তো চোখে পড়েনি।”
অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানান, রিফাত চৌধুরীর অসুস্থতার খবর সোমবার তার নজরে আসে। মঙ্গলবারই সংঘের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে অভিনেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।
তিনি আরো জানান, রিফাত চৌধুরী অভিনয় শিল্পী সংঘের সদস্য নন। এ কারণে তার অসুস্থতার খবর পেতে দেরি হয়েছে।
এ সময় অভিনয় শিল্পী সংঘের নানা সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন সংগঠনের এই নেতা। তার বক্তব্যে, “অভিনয় শিল্পী সংঘের ১৫০০ সদস্য রয়েছে। অধিকাংশের চিকিৎসার ব্যাপারগুলো আমাদের দেখতে হয়। এর বাইরে সময় হয় না কিংবা সামর্থ্য নেই। তবে রিফাত ভাই আমাদের মেম্বার না, এটা কোনো বিষয় না। ওনার বিষয়টি গতকাল থেকে সিরিয়াসলি দেখছি। আজ অভিনয় শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে আমরা রিফাত ভাইকে কিছু আর্থিক সাহায্য করব। ওনার জন্য একটি তহবিল গঠন কিভাবে করা যায় সেটা দেখছি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সৌজন্য সাক্ষাৎ। এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং আর্থিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করা হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিজ এক্সেলেন্সি মি. দীনেশ ত্রিবেদী গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে গভর্নর ভারতকে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান, যা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নে সহায়ক হবে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে গভর্নর বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা এবং এ ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতা ও সম্ভাব্য কারিগরি সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
ভারতের হাইকমিশনার বৈঠকে বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। গভর্নর জানান, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বিনিয়োগবান্ধব একাধিক নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থ ও মুনাফা সহজে নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করতে সক্ষম করবে।
গভর্নর বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও শিল্প খাতে আরও বেশি ভারতীয় বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের বিনিয়োগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করবে এবং বাংলাদেশে উৎপাদন ও শিল্প কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
বৈঠকে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে ডেপুটি হাইকমিশনার মি. পবনকুমার বাধে এবং সেকেন্ড সেক্রেটারি (ইকোনমিক অ্যান্ড কমার্স) মি. গৌরব কুমার আগারওয়াল উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে গভর্নরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন।
বৈঠকটি দুই দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে পারস্পরিক আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি পণ্যের ভারতে রপ্তানি বাড়ানো, ডিজিটাল পেমেন্টে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ সম্প্রসারণ- এই তিনটি বিষয় ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ