প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সৌজন্য সাক্ষাৎ। এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং আর্থিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করা হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিজ এক্সেলেন্সি মি. দীনেশ ত্রিবেদী গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে গভর্নর ভারতকে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান, যা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নে সহায়ক হবে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে গভর্নর বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা এবং এ ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতা ও সম্ভাব্য কারিগরি সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
ভারতের হাইকমিশনার বৈঠকে বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। গভর্নর জানান, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বিনিয়োগবান্ধব একাধিক নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থ ও মুনাফা সহজে নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করতে সক্ষম করবে।
গভর্নর বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও শিল্প খাতে আরও বেশি ভারতীয় বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের বিনিয়োগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করবে এবং বাংলাদেশে উৎপাদন ও শিল্প কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
বৈঠকে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে ডেপুটি হাইকমিশনার মি. পবনকুমার বাধে এবং সেকেন্ড সেক্রেটারি (ইকোনমিক অ্যান্ড কমার্স) মি. গৌরব কুমার আগারওয়াল উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে গভর্নরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন।
বৈঠকটি দুই দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে পারস্পরিক আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি পণ্যের ভারতে রপ্তানি বাড়ানো, ডিজিটাল পেমেন্টে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ সম্প্রসারণ- এই তিনটি বিষয় ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন