প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হককে কেন্দ্র করে চলমান সাইবার অপরাধ তদন্তে নতুন একটি দিক উন্মোচিত হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) রিজওয়ানকে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি দিচ্ছে না।
ইংল্যান্ড সফরের মাঝপথে পিসিবি রিজওয়ান ও ইমামসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে পাঠায়। এরপর পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) তাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য দুর্নীতি ও ‘অনলাইন জুয়া’ সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনায় রিজওয়ান ও ইমামকে প্রায় দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই সঙ্গে পিসিবির নিরাপত্তা দল তাদের মোবাইল ফোনও জব্দ করে।
জিও নিউজের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রিজওয়ান পিসিবির কাছে দুইবার প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন, তবে তার আবেদন দুবারই নাকচ করা হয়েছে।
রিজওয়ান পুরো বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চেয়েছিলেন। ৩৪ বছর বয়সি এই ব্যাটার অভিযোগগুলোর বিষয়ে জনসম্মুখে ব্যাখ্যা দিতে আগ্রহী ছিলেন। এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের কাছে একটি চিঠি দিয়ে তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। ওই চিঠির কারণও তিনি প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় চুক্তির শর্ত অনুযায়ী রিজওয়ান পিসিবির কাছে দুই দফা অনুমতি চেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় চুক্তির ৪.১ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, চুক্তির আওতাধীন কোনো বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার আগে একজন ক্রিকেটারকে বোর্ডের অনুমতি নিতে হবে।
তবে পিসিবি রিজওয়ানের দুই আবেদনই প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রিজওয়ানের উদ্দেশ্য ছিল বোর্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা নয়, বরং নিজের বক্তব্য ও অবস্থান জনসম্মুখে তুলে ধরা।
এদিকে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রিজওয়ানের মোবাইল ফোন এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি। অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের অভিযোগের মধ্যে রিজওয়ান ও ইমামের ফোনে থাকা বিভিন্ন লেনদেনের তথ্য পিসিবির নিরাপত্তা দল খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।
এনসিসিআইএকে দেওয়া জবাবেও রিজওয়ান তদন্ত ও অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। প্রতিবেদনে তার বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এমন একটি ঘটনায় এনসিসিআইএর তদন্তের কারণ তার কাছে স্পষ্ট নয়। তদন্তে অংশ নেওয়ার জন্য নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন