মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪০ পি.এম
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন অভিনেতা ও কবি রিফাত চৌধুরী। গত ১৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর প্রথমে ফ্লোরে কাটাতে হয়েছে তার দিন। পরে একটি বেডের ব্যবস্থা করা হয়। তার অসুস্থতার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জানতেন না অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আজাদ আবুল কালাম।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে রিফাত চৌধুরীর অসুস্থতা নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে মন্তব্য করতে গিয়ে আজাদ আবুল কালাম বলেন, “রিফাত চৌধুরীর অসুস্থতার খবর আমি জানি না।”
অভিনেতার অসুস্থতার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হলেও বিষয়টি তার নজরে আসেনি, এমনটি জানালে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে আজাদ আবুল কালাম বলেন, “আমি নিজেই অসুস্থ। সে জন্য হয়তো চোখে পড়েনি।”
অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানান, রিফাত চৌধুরীর অসুস্থতার খবর সোমবার তার নজরে আসে। মঙ্গলবারই সংঘের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে অভিনেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।
তিনি আরো জানান, রিফাত চৌধুরী অভিনয় শিল্পী সংঘের সদস্য নন। এ কারণে তার অসুস্থতার খবর পেতে দেরি হয়েছে।
এ সময় অভিনয় শিল্পী সংঘের নানা সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন সংগঠনের এই নেতা। তার বক্তব্যে, “অভিনয় শিল্পী সংঘের ১৫০০ সদস্য রয়েছে। অধিকাংশের চিকিৎসার ব্যাপারগুলো আমাদের দেখতে হয়। এর বাইরে সময় হয় না কিংবা সামর্থ্য নেই। তবে রিফাত ভাই আমাদের মেম্বার না, এটা কোনো বিষয় না। ওনার বিষয়টি গতকাল থেকে সিরিয়াসলি দেখছি। আজ অভিনয় শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে আমরা রিফাত ভাইকে কিছু আর্থিক সাহায্য করব। ওনার জন্য একটি তহবিল গঠন কিভাবে করা যায় সেটা দেখছি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সৌজন্য সাক্ষাৎ। এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং আর্থিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করা হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিজ এক্সেলেন্সি মি. দীনেশ ত্রিবেদী গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে গভর্নর ভারতকে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান, যা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নে সহায়ক হবে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে গভর্নর বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা এবং এ ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতা ও সম্ভাব্য কারিগরি সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
ভারতের হাইকমিশনার বৈঠকে বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। গভর্নর জানান, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বিনিয়োগবান্ধব একাধিক নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থ ও মুনাফা সহজে নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করতে সক্ষম করবে।
গভর্নর বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও শিল্প খাতে আরও বেশি ভারতীয় বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের বিনিয়োগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করবে এবং বাংলাদেশে উৎপাদন ও শিল্প কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
বৈঠকে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে ডেপুটি হাইকমিশনার মি. পবনকুমার বাধে এবং সেকেন্ড সেক্রেটারি (ইকোনমিক অ্যান্ড কমার্স) মি. গৌরব কুমার আগারওয়াল উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে গভর্নরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন।
বৈঠকটি দুই দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে পারস্পরিক আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি পণ্যের ভারতে রপ্তানি বাড়ানো, ডিজিটাল পেমেন্টে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ সম্প্রসারণ- এই তিনটি বিষয় ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের জনস্বার্থে যত আন্দোলন হয়েছে, প্রতিটি আন্দোলনের বিরোধিতা করেছে—এমন দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। তিনি উল্লেখ করেন, ‘দেশের জনস্বার্থ, জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এবং এ দেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের জন্য যে আন্দোলনগুলো হয়েছে, জামায়াত প্রত্যেকটার বিরোধিতা করেছে।’
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রিজভী জামায়াতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তারা বারবার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে আপনারা বারবার প্রতারণা করার কারণে কোনো দিন জনগণের চূড়ান্ত আস্থা লাভ করতে পারেনি। এটাই হচ্ছে তাদের দুর্ভাগ্য।’
সম্প্রতি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পতিত স্বৈরাচারের পাশাপাশি বিরোধীদলের আত্মস্বীকৃত সন্ত্রাসীদেরও দায়ী করেন তিনি।
তিনি মন্তব্য করেন যে, অপপ্রচার দিয়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। রিজভী বলেন, বিরোধী দলের কর্মসূচি কোনো রকম বাঁধার সম্মুখীন না হওয়া প্রমাণ করে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ উল্লেখ করেছেন যে, দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে উন্নত করতে বিজ্ঞানীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা এই খাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছেন।
মন্ত্রী বলেন, "তাদের উদ্ভাবন ও গবেষণালব্ধ অর্জনের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।" তিনি সতর্ক করেছেন যে, বিজ্ঞানীরা তাদের মেধা, শ্রম, সময় ও নিষ্ঠা ব্যয় করে নতুন প্রযুক্তি ও জ্ঞান সৃষ্টি করেন। যদি এসব কাজের স্বীকৃতি না পাওয়া যায়, তাহলে ভবিষ্যতে গবেষণার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।
আজ সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) পরিচালনা বোর্ডের ৪৯তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, উন্নত জাত উদ্ভাবন, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। তিনি গবেষণা কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ ও বাস্তবমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে এর সুফল সরাসরি খামারি ও উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছায়। গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, "দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আজ যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার পেছনে গবেষকদের দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে।" গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে উদ্ভাবনী গবেষণাকে উৎসাহিত করতে বিজ্ঞানীদের জন্য প্রণোদনা ও স্বীকৃতির সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ছাদেক আহমেদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ আবদুস সামাদ, বোর্ডের সদস্য ডা. মো. সফিউল আহাদ সরদার এবং বোর্ডের সদস্যসচিব ও বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকসহ পরিচালনা বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা।
সভায় বিএলআরআইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক, আর্থিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মৃত্যুর হার শূন্যে নামানোর চেষ্টা চলছে, যাতে চিকিৎসা বা ব্যবস্থাপনার ভুলে কোনো ডেঙ্গু রোগীর প্রাণ না যায়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে অনুষ্ঠিত ‘ট্রেনিং অব ডক্টরস অন ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
আরো পড়ুন
জামায়াতের বিরোধিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে যত আন্দোলন হয়েছে, তার বিরোধিতা করেছে জামায়াত।
দেশজুড়ে মানসম্মত ডেঙ্গু চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ৪০টি জেলায় ১ হাজার ৬০০ জন চিকিৎসককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ও চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে জরুরি ভিত্তিতে এ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, সিভিল সার্জন এবং তৃণমূল থেকে বিশেষায়িত হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি ও সরাসরি যুক্ত হন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ডেঙ্গু সচেতনতার কনটেন্ট তৈরির আহ্বান জানিয়ে বলেন, "ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো মানুষ যাতে চিকিৎসার অভাবে বা ভুল ব্যবস্থাপনায় প্রাণ না হারান, সেজন্যই বিজ্ঞানভিত্তিক এ প্রশিক্ষণ।" তিনি জানান, ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী চিকিৎসকদের দক্ষ করে তোলা হচ্ছে, যা মৃত্যুর হার কমিয়ে বহু প্রাণ রক্ষা করবে।
স্বাস্থ্য খাতের সাফল্য এবং চিকিৎসকদের নিরলস সেবার পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, এবারের ডেঙ্গু মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৬২৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও তীব্র রোগীর চাপের মধ্যেও চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ইতোমধ্যে ৫৯ হাজার ৮৩ জন রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় ৪ হাজার ৩০০ জন। তিনি উল্লেখ করেন, রোগী বেড়ে গেলেও আক্রান্তদের প্রায় ৯৯ শতাংশ রোগীকে সুস্থ করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিচ্ছেন দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত আরও বলেন, "শুধু আবেগ বা অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে না।" তিনি জানান, অতীতের অপরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন বা হঠাৎ ঘোষণার পরিবর্তে এখন রোগতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সমন্বিতভাবে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ