শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৩ পি.এম
ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খান এবার প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজনে পারফর্ম করতে যাচ্ছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘এশিয়ান ফুড ফেয়ার অ্যান্ড কালচারাল শো’তে অংশগ্রহণ করবেন। এই আয়োজনে তাঁর অংশগ্রহণের ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
আগামী ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর মায়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে দুই দিনব্যাপী এই আয়োজন। এতে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পরিচিত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করবেন। জায়েদ খানকেও তাঁদের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যাবে।
আয়োজনে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গানের সঙ্গে পরিবেশনায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এই অভিনেতার। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি মঞ্চে পারফর্ম করে দর্শকদের বিনোদন দিতে চান।
জায়েদ খানের এই অংশগ্রহণ মায়ামিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলা চলচ্চিত্রের গান ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের সকল পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে দুর্গোৎসব উদ্যাপনে জেলার সকল স্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে জনপ্রতিনিধি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী এবং সর্বস্তরের জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা, দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জেলার পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
শারদীয় দুর্গোৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
তিনি সকলের সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মূল ভিত্তি।" সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখার এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এ ধরনের উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিশোরগঞ্জের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় থাকবে; এমন প্রত্যাশা কিশোরগঞ্জবাসীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সাঁধু ও বিবেক যোশির লেখা চিঠি ফেরত পাঠিয়েছে। এই চিঠিতে জ্যেষ্ঠ উপনির্বাচন কমিশনার (ডিইসি) মনীশ গর্গের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তোলা হয়েছে।
ভারতের রাইট টু ইনফরমেশন বা তথ্য অধিকার (আরটিআই) আইনে পাওয়া নথি থেকে বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, ৩ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সিইসি কুমারের মতামত চাওয়ার জন্য চিঠি দুটি সম্পর্কে প্রস্তাব দেয়। পরদিন ৪ আগস্টের নোটে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন কমিশনাররা চিঠি দুটি ব্যক্তিগতভাবে লিখেছেন এবং এগুলো ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ নয়।
চিঠি দুটির জবাবে কেবল প্রাপ্তিস্বীকার করা হয়েছিল। ৫ আগস্টের ওই প্রাপ্তিস্বীকারপত্রের অনুলিপি ডিওপিটির সচিব, প্রতিষ্ঠাপন কর্মকর্তা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রধান ব্যক্তিগত সচিবের কাছে পাঠানো হয়।
হিন্দুস্তান টাইমস ৩ অক্টোবর প্রথম চিঠি দুটির বিষয়বস্তু এবং সেগুলো ডিওপিটিতে পাঠানোর তথ্য প্রকাশ করে। তবে আরটিআইয়ের জবাবে জানা গেছে, চিঠির অনুলিপি সিইসির কাছেও পাঠানো হয়েছিল।
হিন্দুস্তান টাইমস পূর্বে জানিয়েছিল, চিঠি দুটি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নয়, বরং দুই কমিশনার ব্যক্তিগতভাবে পাঠিয়েছিলেন, তাই মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।
তথ্য অধিকার আইনের আওতায় স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা কর্মী অবসরপ্রাপ্ত কমোডর লোকেশ বাত্রাকে দেওয়া নথিতে দেখা যায়, ৪ আগস্টের নোটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ উল্লেখ করে, এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে ‘হস্তক্ষেপ’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এছাড়া মনীশ গর্গের বিষয়ে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি ডিওপিটির নথিতে সংরক্ষণের সুপারিশ করা হয়। বাত্রা ২৪ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আরটিআই আবেদন করেছিলেন।
গত ২৯ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিব টিভি সোমনাথনের কাছে প্রায় একই ধরনের দুটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সুখবীর সাঁধুর চিঠির সঙ্গে ২৮ জুলাই গর্গের জারি করা একটি আদেশের অনুলিপিও ছিল। ওই আদেশে নিজের এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের কাজ বণ্টন করা হয়েছিল।
হিন্দুস্তান টাইমসের ৩ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমা খান্নার অধীনে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ফাইল পাঠানোর পদ্ধতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি ছিল। এর আগে এসব ফাইল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে পাঠানো হতো।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো গোপনীয় চিঠিতে দুই কমিশনার অভিযোগ করেন, ২৮ জুলাই প্রশাসন বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব পান মনীশ গর্গ। ওই বিভাগের উপনির্বাচন কমিশনার ভানু প্রকাশ ইয়েতুরু ৯ আগস্ট পর্যন্ত ছুটিতে ছিলেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গর্গ তার সমপর্যায়ের ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কাজের দায়িত্ব বণ্টন করে একটি আদেশ জারি করেন। তারা অভিযোগ করেন, এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি।
এ ক্ষেত্রে ২০২৩ সালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইনটির ১৮(১) ও ১৮(২) ধারা উল্লেখ করেন। বিবেক যোশি আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসন বিভাগ থেকে তিনি একটি ফাইল চাইলেও তা তাকে দেওয়া হয়নি।
‘কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে’—বাত্রার এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা চিঠি দুটির প্রাপ্তিস্বীকার এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে সেগুলোর অনুলিপি পাঠানোর তথ্য উল্লেখ করেন।
চিঠি দুটি এবং এর জবাব তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও সীমা খান্নাকে ঘিরে চলমান বিতর্কের কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, খান্নার উদ্যোগে চালু করা এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত নতুন তথ্যপ্রযুক্তি প্রোটোকল বা ব্যবস্থার কারণে ভোটার তালিকার তথ্যভান্ডারে প্রবেশাধিকার হারান নাম অন্তর্ভুক্তি বা বাদ দেওয়ার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা।
ওই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল এবং বিবেক যোশি ও সুখবীর সান্ধু বিভিন্ন সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন।
তবে নির্বাচন কমিশন এ দাবি অস্বীকার করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই সব সিদ্ধান্ত হয় সর্বসম্মতিক্রমে, নয়তো সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের রাউজানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। এসব রিকশার অবাধ বিচরণ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার সৃষ্টি করছে।
রাউজান অংশের রাঙ্গামাটি ও কাপ্তাই সড়কসহ গ্রামীণ বিভিন্ন সড়কে রিকশার আধিপত্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই যানবাহনের চলাচল সড়ক নিরাপত্তা, যানজট এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকির বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের মধ্যে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে নোয়াপাড়া পথেরহাট, পাহাড়তলি চৌমহুনী, গহিরা চৌমহুনী, সদর মুন্সিরঘাটা এবং জলীলনগর এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে যানজট লেগেই থাকে।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। যদিও মৃতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, তবুও শত শত নারী ও পুরুষ পঙ্গুত্ব বরণ করছে।
রাউজানে ২৪ এর ৫ আগস্টের মাসেক দুএক পর থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ব্যাপক উপস্থিতি নিয়ে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। এসব যানবাহনের নিবন্ধন, চলাচলের অনুমতি, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং ট্রাফিক আইন মানার বিষয়গুলো কতটা নিশ্চিত করা হচ্ছে, তা নিয়ে কার্যকর নজরদারির দাবি উঠছে।
সড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের পাশাপাশি ধীরগতির অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, ভুল পথে প্রবেশ এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত অভিযান, অনুমোদন যাচাই, চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে কার্যকর নজরদারি জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
জনস্বার্থে সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি মনে করছেন হাজারো মানুষ। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম রাহাতুল ইসলাম ২৩ অক্টোবর শুক্রবার বিকালে ইনকিলাবকে বলেন, "এটি সারা দেশের সমস্যা। দেখছি আমরা বসে সবার মতামত নিয়ে কি করা যায়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মো. রাসেল (২৩) নামের এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে। রাসেলের বাড়ি নাটোর সদর উপজেলায় অবস্থিত।
হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে রাসেলকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ভর্তির পরদিন সকালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ৫১ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বর্তমানে রামেক হাসপাতালে ১৭৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ