মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,
০৫:২১ পি.এম
চক্ষু অপারেশনের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়া রোগীদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে ফলো-আপ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন। এই ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অপারেশন-পরবর্তী স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দীঘিনালা জোন সদর দপ্তরে এ চিকিৎসা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচালিত এই ক্যাম্পে চট্টগ্রামের লায়ন্স চ্যারিটেবল আই হাসপাতালের দুইজন বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক এবং একজন প্যারামেডিক অংশগ্রহণ করেন।
চিকিৎসকরা গত ২৫ জুলাই লায়ন্স চ্যারিটেবল আই হাসপাতালে চক্ষু অপারেশন করা ২৮ জন রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। এর মধ্যে ১৩ জন পাহাড়ি এবং ১৫ জন বাঙালি রোগী ছিলেন। পরীক্ষা শেষে রোগীদের অপারেশন-পরবর্তী শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।
দীঘিনালা জোনের রেজিমেন্টাল মেডিকেল অফিসারের (আরএমও) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই কার্যক্রমে রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা তদারকির বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
ফলো-আপ সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, অপারেশনের পর আবারও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ পাওয়ায় তারা আশ্বস্ত হয়েছেন। তারা এ মানবিক উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন এবং লায়ন্স চ্যারিটেবল আই হাসপাতাল, চট্টগ্রামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দীঘিনালা জোন সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় বসবাসরত মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই-৩৬ আবাসিক হলের এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে তার রুমমেট এবং সহপাঠীদের ব্যক্তিগত ছবি অনুমতি ছাড়া তার বয়ফ্রেন্ডের কাছে পাঠানোর অভিযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন ছাত্রী। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থী এবং রুমমেটদের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হলে অবস্থানরত কয়েকজন ছাত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি তাদের অনুমতি ছাড়াই আবিদ নামে এক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ব্যক্তির কাছে পাঠাতে শুরু করেছিলেন। সম্প্রতি, তার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটলে ছবিগুলোর কিছু অংশ ভুক্তভোগীদের কাছে পাঠান আবিদ। তার ফলে হলটিতে এক বিস্ফোরক পরিস্থিতি জন্ম নিয়েছে। তাদের দাবি, তারা ইতিমধ্যে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থীর ছবি শনাক্ত করেছেন। একইসাথে, অভিযোগের সমর্থনে কিছু স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
ভুক্তভোগী এবং অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে আরও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘যা যা রটানো হচ্ছে, তা অতিরঞ্জিত করে বলা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, পরদিন প্রতিবেদকের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশ করেন। তবে পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
এদিকে একাধিক সূত্র জানায়, আবিদ নামের ওই ব্যক্তির সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর দীর্ঘ সময়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সময়কালে তিনি বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও তার কাছে পাঠাতেন। পরবর্তীতে যখন তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে, আবিদ সেগুলোর কিছু অংশ হলের অন্যান্য শিক্ষার্থীর কাছে পাঠিয়ে দেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান জানান, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। অভিযোগ পাওয়া গেলে অবশ্যই বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তে যে ব্যক্তিরা জড়িত তা প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের জনপ্রিয় বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবীও রয়েছেন। এছাড়াও, এই ঘটনার ফলে আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার সময় ওসমানীনগরের দয়ামীর বাজারসংলগ্ন কাশিকাপন এলাকায় ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর ইউনিক পরিবহন কোম্পানির বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন। পরে, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক শিশুর মৃত্যু ঘটে, ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা হলেন সিলেট নগরের সোবহানীঘাট এলাকার সপ্তম রায় প্রীতম (২২), ঢাকার বিক্রমপুরের খোজাইফা (৪), কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবী। উল্লেখিত সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পেহেলী ভৈরবী সিলেটে একটি বাউল গানের অনুষ্ঠান শেষে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, দুর্ঘটনায় দুই বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির জানান, মোট ১৬ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয় এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়। বর্তমানে একজন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া চারজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
দুর্ঘটনার খবর শুনে হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিহত ও আহতদের পরিবারের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ইরফান পাঠান পাকিস্তানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভুয়া খবরের কারণে নিজেকে ট্রলের শিকার হতে হয়েছিল বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান যে, একটি খবর প্রকাশ হয়েছিল যাতে বলা হয়েছিল পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান বাবর আজম তাকে সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তবে ইরফানের দাবি, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল।
ইরফান পাঠান ভারতের গণমাধ্যম জিওহটস্টারের ‘চিকি সিঙ্গেলস’ অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানে গত বুধবার তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার চেতেশ্বর পুজারা। পাঠান বলেন, তাকে নিয়ে ছড়ানো খবরে উল্লেখ ছিল যে, তিনি বাবর আজমের সাক্ষাৎকার নিতে গিয়েছিলেন এবং ভারতের দিকে ইঙ্গিত করে ট্রল হওয়ার কারণে বাবর সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি। কিন্তু ইরফানের ভাষ্য, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।
তিনি বলেন, ট্রলিং ও ভুয়া খবর প্রতিনিয়ত ছড়ানো হয়। একবার প্রতিবেশী দেশের একটি গণমাধ্যমে এমন একটি খবর প্রকাশিত হয় যে, তিনি বাবর আজমের সাক্ষাৎকার নিতে গিয়েছিলেন এবং বাবর তাকে সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। খবরটিতে বাবরের নাম নিয়ে এমন বক্তব্যও ছিল যে, ইরফান পাকিস্তানকে ট্রল করেন বলেই সাইট সাক্ষাৎকার দেবেন না।
ইরফানের দাবি, খবরের সঙ্গী ছবিটিও কারসাজি করা হয়েছিল। মূল ছবিতে ছিলেন এক তরুণ বাংলাদেশি সাংবাদিক, যিনি প্রথমবার মাঠে গিয়েছিলেন। বাবর আজম সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানানোর ছবিতে পরে ইরফানের মুখ বসিয়ে দেওয়া হয়।
পাঠান বলেন, ছবিটি ব্যবহার করে তৈরি করা সেই ভুয়া খবরটি এক মিলিয়নেরও বেশি বার দেখা হয়েছিল এবং অনেকেই সেটিকে সত্য বলেও বিশ্বাস করেছিলেন। তবে এসব ঘটনায় তিনি সাধারণত কোনো প্রতিক্রিয়া জানান না। তার মতে, প্রতিদিনই কোনো না কোনো খেলোয়াড় বা ব্যক্তিকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়। প্রত্যেকটি বক্তব্য বা ভুয়া খবরের জবাব দিতে গেলে স্বাভাবিক জীবনযাপন করাই কঠিন হয়ে পড়বে।
ইরফান পাঠান ২০০৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলেছেন। তার খেলোয়াড়ি জীবনে ১৪১ ইনিংসে ২৬.১২ গড়ে ২ হাজার ৮২১ রান রয়েছে। এর মধ্যে একটি শতক ও ১১টি অর্ধশতক রয়েছে। বল হাতে ২৯.৮৫ গড়ে তার শিকার ৩০১ উইকেট।
ইনজুরির কারণে ভারতের অন্যতম প্রতিভাবান অলরাউন্ডার হিসেবে বিবেচিত ইরফান পাঠানের ক্রিকেট ক্যারিয়ার প্রত্যাশিত পূর্ণতা পায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতালি যাওয়ার পথে মাদারীপুরের যুবক রাজীব মীর প্রথমে লিবিয়ায় বন্দি হন। এরপর মাফিয়াচক্র দ্বারা নির্যাতনের শিকার হন। মুক্তিপণের লাখ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। তাও সত্ত্বেও দেড় বছর ধরে যুবকের কোনো খোঁজ নেই। তার পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে, কারণ আদরের সন্তানের খোঁজ তারা পাচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মা শিল্পী বেগম নিখোঁজ ছেলের ছবি নিয়ে বুকফাটা আর্তনাদ করছেন। জানা যায় না আদরের সন্তানের অবস্থান কেমন। পরিবারের সদস্যরাও তাদের সন্তানের জানেন না। প্রতি দিন বাড়িতে চলছে আজাহারি এবং পাড়াপ্রতিবেশীরা ভিড় করছেন।
স্বজনরা জানিয়েছেন, মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার ঘুঙ্ঘিয়ারকুল গ্রামের আরশেদ আলী হাওলাদারের ছেলে লোকমান হাওলাদারের প্রলোভনে পড়ে রাজীব। সে সদর উপজেলার হোগলপাতিয়া গ্রামের খবির মীরের ছেলে। দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় তার দালালের সাথে সরাসরি ইতালি নিয়ে যাওয়ার শর্তে চুক্তি হয়। ওই চুক্তির ভিত্তিতে, ২০ লাখ টাকা লোকমান ও তার চক্রকে দিতে হবে। এর পর, রাজীবকে ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বন্দি রেখে মুক্তিপণের জন্য আরও সাড়ে ১৬ লাখ টাকা আদায় করা হয়।
এর পরও মানবপাচারচক্রের সদস্যরা দাবি করে আরো ২০ লাখ টাকা। সেই দামের জন্য টাকা না দিতে পারায় দেড় বছর ধরে রাজীবের কোনো খবর নেই। এই ঘটনার পরবর্তীতে দালালদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি নিখোঁজ যুবকের সন্ধান পেতে সরকারের সহযোগিতা চেয়ে পরিবারের সদস্যরা আবেদন করেছেন।
এই ঘটনায় নিখোঁজ যুবকের মা শিল্পী বেগম গত ১১ জুলাই লোকমান হাওলাদারসহ ২৪ জনের নামে সদর মডেল থানায় মানবপাচার আইনে একটি মামলা করেন। পরে পুলিশ লোকমান ও তার মেয়ে সেতু আক্তারকে গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে তারা দুইজনই কারাগারে আছেন।
নিখোঁজ রাজীবের মা শিল্পী বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের কোন সন্ধান পাচ্ছি না দেড় বছর ধরে। দালালরাও কোন সঠিক উত্তর দিচ্ছে না। আমি আমার ছেলের সন্ধান চাই এবং দালালের বিচার দিতে সরকারের কাছে সহযোগিতা চাই।’
পাড়াপ্রতিবেশী সৈকত হাওলাদার বলেন, ‘এলাকার যুবকদের প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা লিবিয়ায় আটকে রেখে নির্যাতন চালায়। পরে তারা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এসব দালালদের দৃশ্যমান বিচার হলে অবৈধপথে ইতালি যাত্রা কমে যাবে।’
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, মানবপাচার প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের অফিসে মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। সেখান থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যার ফলে দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ