বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫০ এম
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে জুয়া খেলার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের হাতের আঙুল ভেঙে যায়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের উত্তর পাশে হলপাড়ায় অবস্থিত পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে অভিযান চালায় পুলিশের একটি বিশেষ দল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলমগীর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানের সময় জুয়াড়িরা উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে।
এ সময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়। পরে ধাওয়া দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৪ পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। আসর থেকে নগদ টাকা, তাস এবং একাধিক স্মার্টফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন—পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), কনস্টেবল মো. আলমগীর কবির (৩৩) এবং শহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)।
অভিযানের সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান (৪০) এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮) পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
এ ঘটনায় সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে জুয়া প্রতিরোধ আইনে ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "অপরাধী যেই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন।" চার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক দুজনকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের সমর্থক হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত ব্যক্তিদের হত্যা এবং হামলার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই)। তবে অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। খবর দ্যা গার্ডিয়ানের।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়, রুশ গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নেটওয়ার্ক যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত ব্যক্তিদের অর্থের বিনিময়ে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুদের ওপর নজরদারির কাজে নিয়োগ করার চেষ্টা করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নজরদারির পর এসব ব্যক্তিকে হত্যার পরিকল্পনাও ছিল।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউক্রেনের মিত্র হিসেবে বিবেচিত কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে বেসামরিক ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে নাশকতামূলক হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে লোক নিয়োগের চেষ্টাও করা হয়েছিল।
নিউইয়র্কে এফবিআইয়ের প্রধান জেমস বার্নাকল জুনিয়র বলেন, দীর্ঘ তদন্ত ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এসব পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে। তার দাবি, রুশ গোয়েন্দা সংস্থা এবং তাদের সহযোগীরা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়ভীতি সৃষ্টি, হুমকি প্রদান এবং হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল।
ওয়াশিংটন ডিসির এফবিআই কার্যালয়ের প্রধান ড্যারেন কক্স জানান, বিভিন্ন এফবিআই ইউনিট ও অংশীদার সংস্থার সহযোগিতায় রাজধানী ওয়াশিংটনসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে সম্ভাব্য সহিংস কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা প্রতিরোধ করা হয়েছে।
এফবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, হুমকির বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পরপরই তদন্তকারীরা দ্রুত পদক্ষেপ নেন এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনতে কাজ শুরু করেন।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, রুশ গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এই নেটওয়ার্ক ২০২৪ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে হামলা ও হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত। কিছু ক্ষেত্রে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও তাদের তৎপরতা পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
অভিযোগপত্রে নেটওয়ার্কটিকে এমন একটি কাঠামোর অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা রাশিয়ার হয়ে বিদেশে হত্যা ও অন্যান্য গোপন অভিযান পরিচালনার চেষ্টা করে।
এফবিআই বলেছে, অতীতে এই নেটওয়ার্কের প্রধান লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার ভিন্নমতাবলম্বী ও দেশত্যাগী ব্যক্তিরা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের মিত্র দেশগুলোর নাগরিক ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দিকেও তাদের নজর দেওয়া হয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, চলতি গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত একজন ব্যক্তিকে এক বিশিষ্ট রুশ ভিন্নমতাবলম্বীর ওপর নজরদারির জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে লক্ষ্যবস্তুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয় এবং কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কাজটির জন্য প্রথমে এক হাজার ডলার এবং পরে আরও দেড় হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ওই ব্যক্তি নজরদারির পর লক্ষ্যবস্তুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানের ছবি ও ভিডিও অভিযুক্তদের একজনের কাছে পাঠান।
পরবর্তীতে লক্ষ্যবস্তুকে হত্যা বা ‘নিখোঁজ’ করার বিনিময়ে তাকে ৪০ হাজার ডলার প্রস্তাব করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর নেটওয়ার্কটির সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে আরও কয়েকজনকে একই ধরনের কাজে নিয়োগের চেষ্টা করে এবং বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।
তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষের উত্থাপিত এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় আইনি পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট টিটিসির কোটি টাকার মালিক ড্রাইভার বিল্লাল কে অশেষে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে দিনাজপুরে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশাসন শাখা থেকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. মাসুদ আনাম স্বাক্ষরিত স্মারক নং ৪৯.০১.০০০০.০০০. ০০০৭.২৪.৩৯১ এ তাকে জনস্বার্থে সিলেট টিটিসিকে দুর্নীতি মুক্ত রাখতে শাস্তিমূরক বদলি হিসেব ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং এর মধ্যে দিনাজপুরে যোগদানের আদেশ প্রদান করা করা হয়।
ওই তারিখে ভেতরে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করিলে অপরাহ্নে বর্তমান কর্মস্ত অবমুক্ত বলে গণ্য হবে উল্লেখ্য করেন।
উল্লেখ্য অভিযোগে জানা যায়, বিগত কয়েক দিন ধরে সিলেট টিটিসিতে কর্মরত ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. মালেকের একজন নিকট আত্মিয়ের পরিচয়ের দিয়ে নানা জায়গায় ক্ষমতার অপব্যবহার করার অভিযোগ উঠে থাকে। ইতিপূর্বে সিলেট টিটিসিতে ২০ বছর ধরে কর্মরত দুনীর্তিবাজ কোটি টাকার ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেন বদলীর দাবিতে প্রবাসী মন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। সামাজিক সংগঠন সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে ৮ জুন ২০২৬ইং (সোমবার) সকাল ১১ টায় সংগঠনের সদস্যরা সিলেট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বারকলিপি প্রেরণ করেন কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি এখনও স্বপদে বহাল। স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা গুরুত্ব প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট জেলার বেকারত্ব দূরীকরণে বিশেষ করে সিলেট সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি’র) অবদান অতুলনীয়। কিন্তু কিছু সংখ্যক সিলেট বিদ্বেষী,দুনীতিবাজ কর্মকর্তা,কর্মচারীরা আওয়ামী স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সিলেট টিটিসিতে আধিপত্য বিস্তার করে দখল করে রেখেছেনে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমল থেকে সিলেট টিটিসিতে ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেন দলীয় ভাবে আদিপত্য বিস্তার ও ক্ষমতার ধাপট লাগামহীন ভাবে ধরে রেখে ছিলেন।
তিনি বিগত ২০০৬ সালের নভেম্বর হতে অদ্যবদি পর্যন্ত বহাল তাবিয়তে রয়েছেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে স্থানীয় এমপি ও মন্ত্রীদের সুপারিশ কাজে লাগিয়ে টানা ২০ বছর ধরে টিটিসিতে কর্মরত আছেন। দীর্ঘ দিন একই প্রতিষ্ঠানে কমর্রত থাকার ফলে নানা ভাবে দুর্নীতি, সিলেটের স্থানীয় জনসাধাণের সাথে দূর্ব্যবহার, সিলেটের আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে বিরূপ হাসি-টাট্টা, দেশী-বিদেশী পুরুষ, মহিলা তরুণীদের চরিত্র নিয়ে কটাক্ক করে থাকনে। সিলেটে তিনি দীর্ঘ দিন কমর্রত থাকার সুবাধে সিলেটে টিটিসির আশ-পাশ এলাকা ও অফিসে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের রয়েছে বিশাল এক সিন্ডিকেট। তার রয়েছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার গোঠাটিকরে করেছেন ১ কোটি টাকার বাড়ি, রয়েছে সিলেটি নাম্বারের ১০ টি অটো রিক্সা সিএনজি, আর রয়েছে নামে বেনামে নানা ব্যবসা বাণিজ্য। সিলেট টিটিসিতে ভর্তি বাণিজ্য থেকে শুররু করে সর্ব ক্ষেত্রে তাকে দিতে হয় ভাগ বাটোয়োরা। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমালে সিলেট টিটিসিতে আসা প্রবাসী কল্যাণ মান্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সচিব ও মন্ত্রীদের অনুসারিদের নিয়ে আগমনে তার গাড়ি দিয়ে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরিয়ে দেখাতেন ওই ড্রাইভার কাজি বিল্লাল এবং সেই সুযোগে এসব বড় কর্তাদের ঘনিষ্ট হয়ে বিগত ২০ বছরে আঙ্গুল ফুলে কালা গাছ হয়ে উঠেছেন। নিরবে তিনি টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন। একই প্রতিষ্ঠানে ২০ বছর ধরে কমর্রত তার স্ত্রী (ডিজেল/অটো) ওয়ার্কসপ এটেনডেন্ট ফাতেমা আক্তার। আরো উল্লেখ করা হয়, সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ইং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বরাবরে ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করিলে সম্প্রতি চলতি বছরের এপ্রিল ২০২৬ইং একজন তদন্ত কমিটি প্রতিনিধি সিলেট টিটিসিতে আসেন।
দুর্নীতিবাজ কাজি বিল্লাল হোসেন পূর্ব পরিকল্পতি তার মনোনিত টিটিসি থেকে ৪ জনকে স্বাক্ষী দিয়ে তার পক্ষে সাফাই গিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে আগত উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) দায়িত্বরত প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলাম ১লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিমিয়ে তার পক্ষে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করে ওই দিন কাজী বিল্লাল হোসেন উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) দায়িত্বরত প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলাম কে যে কয় দিন সিলেটে থেকে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন সম্পূর্ণ খরচ কাজি বিল্লাল হোসেন বহন করেছেন। ওই দুনীতিবাজ ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেনকে সিলেট থেকে বদলীর দাবিতে সিলেটবাসীর পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে স্বারকলিপির মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ