প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে জুয়া খেলার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের হাতের আঙুল ভেঙে যায়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের উত্তর পাশে হলপাড়ায় অবস্থিত পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে অভিযান চালায় পুলিশের একটি বিশেষ দল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলমগীর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানের সময় জুয়াড়িরা উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে।
এ সময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়। পরে ধাওয়া দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৪ পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। আসর থেকে নগদ টাকা, তাস এবং একাধিক স্মার্টফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন—পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), কনস্টেবল মো. আলমগীর কবির (৩৩) এবং শহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)।
অভিযানের সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান (৪০) এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮) পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
এ ঘটনায় সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে জুয়া প্রতিরোধ আইনে ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "অপরাধী যেই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন।" চার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক দুজনকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন