বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০০ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট টিটিসির কোটি টাকার মালিক ড্রাইভার বিল্লাল কে অশেষে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে দিনাজপুরে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশাসন শাখা থেকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মো. মাসুদ আনাম স্বাক্ষরিত স্মারক নং ৪৯.০১.০০০০.০০০. ০০০৭.২৪.৩৯১ এ তাকে জনস্বার্থে সিলেট টিটিসিকে দুর্নীতি মুক্ত রাখতে শাস্তিমূরক বদলি হিসেব ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং এর মধ্যে দিনাজপুরে যোগদানের আদেশ প্রদান করা করা হয়।
ওই তারিখে ভেতরে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করিলে অপরাহ্নে বর্তমান কর্মস্ত অবমুক্ত বলে গণ্য হবে উল্লেখ্য করেন।
উল্লেখ্য অভিযোগে জানা যায়, বিগত কয়েক দিন ধরে সিলেট টিটিসিতে কর্মরত ড্রাইভার বিল্লাল হোসেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. মালেকের একজন নিকট আত্মিয়ের পরিচয়ের দিয়ে নানা জায়গায় ক্ষমতার অপব্যবহার করার অভিযোগ উঠে থাকে। ইতিপূর্বে সিলেট টিটিসিতে ২০ বছর ধরে কর্মরত দুনীর্তিবাজ কোটি টাকার ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেন বদলীর দাবিতে প্রবাসী মন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। সামাজিক সংগঠন সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে ৮ জুন ২০২৬ইং (সোমবার) সকাল ১১ টায় সংগঠনের সদস্যরা সিলেট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বারকলিপি প্রেরণ করেন কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি এখনও স্বপদে বহাল। স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা গুরুত্ব প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট জেলার বেকারত্ব দূরীকরণে বিশেষ করে সিলেট সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি’র) অবদান অতুলনীয়। কিন্তু কিছু সংখ্যক সিলেট বিদ্বেষী,দুনীতিবাজ কর্মকর্তা,কর্মচারীরা আওয়ামী স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সিলেট টিটিসিতে আধিপত্য বিস্তার করে দখল করে রেখেছেনে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমল থেকে সিলেট টিটিসিতে ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেন দলীয় ভাবে আদিপত্য বিস্তার ও ক্ষমতার ধাপট লাগামহীন ভাবে ধরে রেখে ছিলেন।
তিনি বিগত ২০০৬ সালের নভেম্বর হতে অদ্যবদি পর্যন্ত বহাল তাবিয়তে রয়েছেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে স্থানীয় এমপি ও মন্ত্রীদের সুপারিশ কাজে লাগিয়ে টানা ২০ বছর ধরে টিটিসিতে কর্মরত আছেন। দীর্ঘ দিন একই প্রতিষ্ঠানে কমর্রত থাকার ফলে নানা ভাবে দুর্নীতি, সিলেটের স্থানীয় জনসাধাণের সাথে দূর্ব্যবহার, সিলেটের আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে বিরূপ হাসি-টাট্টা, দেশী-বিদেশী পুরুষ, মহিলা তরুণীদের চরিত্র নিয়ে কটাক্ক করে থাকনে। সিলেটে তিনি দীর্ঘ দিন কমর্রত থাকার সুবাধে সিলেটে টিটিসির আশ-পাশ এলাকা ও অফিসে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের রয়েছে বিশাল এক সিন্ডিকেট। তার রয়েছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার গোঠাটিকরে করেছেন ১ কোটি টাকার বাড়ি, রয়েছে সিলেটি নাম্বারের ১০ টি অটো রিক্সা সিএনজি, আর রয়েছে নামে বেনামে নানা ব্যবসা বাণিজ্য। সিলেট টিটিসিতে ভর্তি বাণিজ্য থেকে শুররু করে সর্ব ক্ষেত্রে তাকে দিতে হয় ভাগ বাটোয়োরা। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমালে সিলেট টিটিসিতে আসা প্রবাসী কল্যাণ মান্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সচিব ও মন্ত্রীদের অনুসারিদের নিয়ে আগমনে তার গাড়ি দিয়ে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরিয়ে দেখাতেন ওই ড্রাইভার কাজি বিল্লাল এবং সেই সুযোগে এসব বড় কর্তাদের ঘনিষ্ট হয়ে বিগত ২০ বছরে আঙ্গুল ফুলে কালা গাছ হয়ে উঠেছেন। নিরবে তিনি টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন। একই প্রতিষ্ঠানে ২০ বছর ধরে কমর্রত তার স্ত্রী (ডিজেল/অটো) ওয়ার্কসপ এটেনডেন্ট ফাতেমা আক্তার। আরো উল্লেখ করা হয়, সিলেট নাগরিক অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ইং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বরাবরে ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করিলে সম্প্রতি চলতি বছরের এপ্রিল ২০২৬ইং একজন তদন্ত কমিটি প্রতিনিধি সিলেট টিটিসিতে আসেন।
দুর্নীতিবাজ কাজি বিল্লাল হোসেন পূর্ব পরিকল্পতি তার মনোনিত টিটিসি থেকে ৪ জনকে স্বাক্ষী দিয়ে তার পক্ষে সাফাই গিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে আগত উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) দায়িত্বরত প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলাম ১লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিমিয়ে তার পক্ষে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করে ওই দিন কাজী বিল্লাল হোসেন উপ পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিচালনা) দায়িত্বরত প্রকৌ. বি.এম. শরিফুল ইসলাম কে যে কয় দিন সিলেটে থেকে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন সম্পূর্ণ খরচ কাজি বিল্লাল হোসেন বহন করেছেন। ওই দুনীতিবাজ ড্রাইভার কাজি বিল্লাল হোসেনকে সিলেট থেকে বদলীর দাবিতে সিলেটবাসীর পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে স্বারকলিপির মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চার দিনের সরকারি সফরে জাপান গমন করেছেন।
সফরকালে তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠেয় ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।
এ ছাড়া, তিনি এশিয়ান গেমসের বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তার বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কিং’ নিয়ে। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত এ সিনেমায় শাহরুখের সঙ্গে প্রথমবারের মতো অভিষেক হতে যাচ্ছে তার মেয়ে সুহানা খানের। এ ছাড়া অভিনয়ে আছেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, অভয় ভার্মা, রাঘব জুয়াল, রানি মুখার্জি, অভিষেক বচ্চন, আরশাদ ওয়ারসি, অনিল কাপুরসহ আরও অনেকেই। এর মাঝে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নোত্তরে অভিনেতা রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নিয়ে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন বাদশাহ।
এতদিন ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নিয়ে বলিউডের অন্য তারকারা প্রশংসা করলেও নীরব ছিলেন শাহরুখ খান। এবার সেই নীরবতা ভাঙলেন তিনি। রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ এবং তার দ্বিতীয় পর্ব ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ সিনেমার সাফল্য নিয়ে মুখ খুললেন কিং খান।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নোত্তর পর্বে সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন বাদশাহ। সেখানে এক অনুরাগী তাকে সরাসরি প্রশ্ন করেন— 'আপনি কি ধুরন্ধর দেখেছেন? উত্তরে শাহরুখ লিখেছেন— 'সিনেমার দুটো ভাগই দারুণ লেগেছে। গোটা দলের কাজ অসাধারণ।'
শাহরুখের এ মন্তব্যের আগে বলিউডের একাধিক তারকা ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার প্রশংসা করেছিলেন। সিনেমার সাফল্যে মুগ্ধ হয়ে নিজেদের মতামত জানিয়েছিলেন খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার, পরিচালক করণ জোহর, অভিনেত্রী আলিয়া ভাট, আয়ুষ্মান খুরানা, রিতেশ দেশমুখ, শিল্পা শেঠি, প্রীতি জিনতা থেকে শুরু করে হৃতিক রোশন, অনুপম খের এবং রাজকুমার রাওয়ের মতো তারকারা।
এ ছাড়া দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা রাম চরণ, আল্লু অর্জুন ও বিজয় দেবেরাকোন্ডাও সিনেমার কলাকুশলীদেরও প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন ছিল— শাহরুখ খানের প্রতিক্রিয়া নিয়ে। অবশেষে বলিউড বাদশাহর প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ্যে এলো।
উল্লেখ্য, আদিত্য ধরের পরিচালনায় ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর। মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে আলোড়ন তুলেছিল এ সিনেমাটি। ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে আসে সিনেমাটির দ্বিতীয় ভাগ ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। সেই সিনেমা বক্সঅফিসে আরও বড় ঝড় তুলেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৬০টি পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জোরদারে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম কিস্তির ৫০ কোটি টাকা ছাড় করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর আওতায় পৌরসভাগুলোর অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের পরিচালন বাজেটে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্পের আওতায় পৌরসভাগুলোর জন্য মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর প্রথম কিস্তিতে ৬০টি পৌরসভার ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৫০ কোটি টাকা ছাড় করা হচ্ছে।
ছাড় করা অর্থ ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট-২য় পর্যায়’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোতে দেওয়া হবে।
বরাদ্দের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোণা, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, পাবনা, আড়াইহাজার, লালমনিরহাট, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, নরসিংদী, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, শেরপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নাটোর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খুলনা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, কুমিল্লা, ঝালকাঠি, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন পৌরসভা রয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুদানের অর্থ শুধু প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয় করা যাবে। এর মধ্যে প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ রোগের চিকিৎসা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও যোগাযোগ এবং স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পৌরসভার জনসংখ্যা, আয়তন ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিবেচনা করে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে হবে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যয়ের সচিত্র অগ্রগতি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জুয়েল রানা স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার ও হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ