বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৮ পি.এম
বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তার বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কিং’ নিয়ে। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত এ সিনেমায় শাহরুখের সঙ্গে প্রথমবারের মতো অভিষেক হতে যাচ্ছে তার মেয়ে সুহানা খানের। এ ছাড়া অভিনয়ে আছেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, অভয় ভার্মা, রাঘব জুয়াল, রানি মুখার্জি, অভিষেক বচ্চন, আরশাদ ওয়ারসি, অনিল কাপুরসহ আরও অনেকেই। এর মাঝে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নোত্তরে অভিনেতা রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নিয়ে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন বাদশাহ।
এতদিন ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নিয়ে বলিউডের অন্য তারকারা প্রশংসা করলেও নীরব ছিলেন শাহরুখ খান। এবার সেই নীরবতা ভাঙলেন তিনি। রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ এবং তার দ্বিতীয় পর্ব ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ সিনেমার সাফল্য নিয়ে মুখ খুললেন কিং খান।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নোত্তর পর্বে সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন বাদশাহ। সেখানে এক অনুরাগী তাকে সরাসরি প্রশ্ন করেন— 'আপনি কি ধুরন্ধর দেখেছেন? উত্তরে শাহরুখ লিখেছেন— 'সিনেমার দুটো ভাগই দারুণ লেগেছে। গোটা দলের কাজ অসাধারণ।'
শাহরুখের এ মন্তব্যের আগে বলিউডের একাধিক তারকা ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার প্রশংসা করেছিলেন। সিনেমার সাফল্যে মুগ্ধ হয়ে নিজেদের মতামত জানিয়েছিলেন খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার, পরিচালক করণ জোহর, অভিনেত্রী আলিয়া ভাট, আয়ুষ্মান খুরানা, রিতেশ দেশমুখ, শিল্পা শেঠি, প্রীতি জিনতা থেকে শুরু করে হৃতিক রোশন, অনুপম খের এবং রাজকুমার রাওয়ের মতো তারকারা।
এ ছাড়া দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা রাম চরণ, আল্লু অর্জুন ও বিজয় দেবেরাকোন্ডাও সিনেমার কলাকুশলীদেরও প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন ছিল— শাহরুখ খানের প্রতিক্রিয়া নিয়ে। অবশেষে বলিউড বাদশাহর প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ্যে এলো।
উল্লেখ্য, আদিত্য ধরের পরিচালনায় ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর। মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে আলোড়ন তুলেছিল এ সিনেমাটি। ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে আসে সিনেমাটির দ্বিতীয় ভাগ ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। সেই সিনেমা বক্সঅফিসে আরও বড় ঝড় তুলেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৬০টি পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জোরদারে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম কিস্তির ৫০ কোটি টাকা ছাড় করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর আওতায় পৌরসভাগুলোর অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের পরিচালন বাজেটে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্পের আওতায় পৌরসভাগুলোর জন্য মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর প্রথম কিস্তিতে ৬০টি পৌরসভার ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৫০ কোটি টাকা ছাড় করা হচ্ছে।
ছাড় করা অর্থ ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট-২য় পর্যায়’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোতে দেওয়া হবে।
বরাদ্দের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোণা, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, পাবনা, আড়াইহাজার, লালমনিরহাট, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, নরসিংদী, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, শেরপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নাটোর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খুলনা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, কুমিল্লা, ঝালকাঠি, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন পৌরসভা রয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুদানের অর্থ শুধু প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয় করা যাবে। এর মধ্যে প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ রোগের চিকিৎসা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও যোগাযোগ এবং স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পৌরসভার জনসংখ্যা, আয়তন ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিবেচনা করে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে হবে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যয়ের সচিত্র অগ্রগতি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জুয়েল রানা স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার ও হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমায় তিনি তখন ক্লাস নাইনে পড়তেন। সুন্দর চেহারার অধিকারিণী পূর্ণিমা প্রথম ছবিতেই অভিনয় করে ইন্ডাস্ট্রিতে আলোর ঝলক ছড়িয়ে দেন। অভিনয়ের মাধ্যমে অসাধারণ শারীরিক সৌন্দর্যের জন্য তিনি সবার মন জয় করেন।
‘মিস ডায়না’ ও ‘কাল্লু মামা’ ছবিতে খোলামেলা পোশাকে হাজির হয়ে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন পূর্ণিমা। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি পর্দার রুপালি জগতের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এবং তার অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে দর্শকদের মনে একটি বিশেষ স্থান তৈরি করেছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। সেখানে তিনি নিয়মিতভাবে নিজের ছবি ও বিভিন্ন মুহূর্ত ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেন।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে পূর্ণিমা তার উত্থান-পতন ও ভেতরের আলো নিয়ে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট দেন। ছবিটির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘জীবনে উত্থান-পতন আসবেই। তবে নিজের ভেতরের ঝড়গুলোকে কখনোই তোমার বয়ে চলা আলোর চেয়ে বেশি উজ্জ্বল হতে দিও না।’
পূর্ণিমার এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে যায়। তার কথায় উঠে এসেছে জীবনের কঠিন সময়েও ইতিবাচকতা ধরে রাখার বার্তা। পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক, নিজের ভেতরের আলোকে যেন কোনোভাবেই ম্লান হতে দেওয়া না হয়, সে বার্তাই তিনি তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে তুলে ধরেছেন। অভিনেত্রীর এই উপলব্ধির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত-অনুসারীরাও।
পূর্ণিমার সেই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনরা নিজেদের অনুভূতি জানিয়েছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন— ‘ঝড় আসবেই; কিন্তু নিজের ভেতরের আলোটা যেন কখনো নিভে না যায়— এটাই জীবনের আসল শক্তি।’ অপর একজন নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘ঠিক বলেছেন, জীবনে যা কিছু হোক থেমে থাকা যাবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী পারভেজ ইকবাল দক্ষিণ কোরিয়ার গাছন ইউনিভার্সিটি (Gachon University) এর মাস্টার্স প্রোগ্রামে ৫০ শতাংশ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির MBA প্রোগ্রামে Management বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।
পারভেজ ইকবালের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর অর্জিত সিজিপিএ ৩.৩৯।তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর এর ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
চলতি বছরে গাছন ইউনিভার্সিটির International Student Scholarship কার্যক্রমের আওতায় তিনি ৫০ শতাংশ স্কলারশিপ লাভ করেন। স্কলারশিপ পাওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ তৈরি হয় তাঁর। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থান করে MBA প্রোগ্রামে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই সাংগঠনিক কাজ ও নিজের দক্ষতা বিকাশের প্রতি আগ্রহী ছিলেন পারভেজ। ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকে বেছে নেন তিনি। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পড়াশোনা ও বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগকে নিজের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তিনি।
স্কলারশিপ অর্জনের অনুভূতি জানিয়ে পারভেজ ইকবাল বলেন, “বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় সাংগঠনিক কাজের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছি। দক্ষিণ কোরিয়ার গাছন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ শতাংশ স্কলারশিপ নিয়ে MBA পড়ার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এই অর্জনের পেছনে আমার পরিবার, শিক্ষক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুপ্রেরণা রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক পরিবেশে পড়াশোনা করার ফলে নতুন কিছু শেখার এবং নিজের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছি। ভবিষ্যতে এই শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক কিছু করতে চাই। একই সঙ্গে দেশের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপের সুযোগ সম্পর্কে উৎসাহিত করতে চাই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৪ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করেছিলেন জেমস রদ্রিগেজ। কলম্বিয়াকে এনে দিয়েছিলেন তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য। সেই স্মরণীয় অধ্যায়ের প্রায় এক যুগ পর জাতীয় দলের জার্সিকে বিদায় জানালেন এই তারকা মিডফিল্ডার।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন রদ্রিগেজ। ১৫ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে তিনি লেখেন, ‘আজ আমি হৃদয় থেকে আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই। অসংখ্য ম্যাচ, আনন্দ আর কঠিন মুহূর্ত পেরিয়ে আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করার সময় এসেছে—কলম্বিয়া জাতীয় দলের সঙ্গে আমার যাত্রা।’
২০১১ সালের অক্টোবরে বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিষেক হয়েছিল রদ্রিগেজের। সেই ম্যাচেই করেছিলেন জয়সূচক গোল। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হন তিনি। কলম্বিয়ার হয়ে খেলেছেন ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে। তবে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দলটি।
রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় নিঃসন্দেহে ২০১৪ বিশ্বকাপ। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত সেই আসরে মাত্র পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। বিশেষ করে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ের বিপক্ষে তার করা দুর্দান্ত ভলি গোলটি এখনও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে স্মরণ করা হয়। ওই টুর্নামেন্টে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পরই তাকে দলে ভেড়ায় স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ।
জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়ে রদ্রিগেজ বলেন, ‘এই জার্সি পরা ছিল আমার স্বপ্ন, একই সঙ্গে বিশাল দায়িত্ব। প্রতিবার মাঠে নামার সময় মনে হতো আমি শুধু নিজের জন্য নয়, পরিবার, সতীর্থ এবং লাখো কলম্বিয়ানের স্বপ্নের প্রতিনিধিত্ব করছি।’
কলম্বিয়ার ১০ নম্বর জার্সি ও অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, ‘এটি ছিল গর্ব ও দায়িত্বের বিষয়। ভালো সময় যেমন এসেছে, তেমনি কঠিন সময়ও ছিল। কিন্তু কলম্বিয়ার রঙের প্রতি আমার গর্ব কখনও কমেনি।’
গত ৭ জুলাই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচটিই হয়ে থাকল রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। টাইব্রেকারে সেই ম্যাচে হেরে বিদায় নেয় কলম্বিয়া।
জাতীয় দলের হয়ে ১৩১ ম্যাচে ৩১ গোল ও ৪৩ অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। ২০২৪ কোপা আমেরিকায় তার নেতৃত্বে ফাইনালে উঠেছিল কলম্বিয়া। যদিও শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে রানার্সআপ হয় দলটি।
সম্প্রতি কলম্বিয়ার ক্লাব অ্যাতলেটিকো নাসিওনালে যোগ দিয়েছেন রদ্রিগেজ। আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ক্যারিয়ার আরও কিছুদিন চালিয়ে যেতে চান তিনি।
বিদায়ী বার্তায় রদ্রিগেজ লিখেছেন, ‘আমি শান্ত হৃদয় নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, কারণ আমি সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। প্রতিটি মুহূর্তের জন্য ধন্যবাদ। ধন্যবাদ, কলম্বিয়া।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ