বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৬ পি.এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী পারভেজ ইকবাল দক্ষিণ কোরিয়ার গাছন ইউনিভার্সিটি (Gachon University) এর মাস্টার্স প্রোগ্রামে ৫০ শতাংশ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির MBA প্রোগ্রামে Management বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।
পারভেজ ইকবালের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর অর্জিত সিজিপিএ ৩.৩৯।তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর এর ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
চলতি বছরে গাছন ইউনিভার্সিটির International Student Scholarship কার্যক্রমের আওতায় তিনি ৫০ শতাংশ স্কলারশিপ লাভ করেন। স্কলারশিপ পাওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ তৈরি হয় তাঁর। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থান করে MBA প্রোগ্রামে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই সাংগঠনিক কাজ ও নিজের দক্ষতা বিকাশের প্রতি আগ্রহী ছিলেন পারভেজ। ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকে বেছে নেন তিনি। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পড়াশোনা ও বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগকে নিজের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তিনি।
স্কলারশিপ অর্জনের অনুভূতি জানিয়ে পারভেজ ইকবাল বলেন, “বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় সাংগঠনিক কাজের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছি। দক্ষিণ কোরিয়ার গাছন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ শতাংশ স্কলারশিপ নিয়ে MBA পড়ার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এই অর্জনের পেছনে আমার পরিবার, শিক্ষক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুপ্রেরণা রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক পরিবেশে পড়াশোনা করার ফলে নতুন কিছু শেখার এবং নিজের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছি। ভবিষ্যতে এই শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক কিছু করতে চাই। একই সঙ্গে দেশের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপের সুযোগ সম্পর্কে উৎসাহিত করতে চাই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৪ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করেছিলেন জেমস রদ্রিগেজ। কলম্বিয়াকে এনে দিয়েছিলেন তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য। সেই স্মরণীয় অধ্যায়ের প্রায় এক যুগ পর জাতীয় দলের জার্সিকে বিদায় জানালেন এই তারকা মিডফিল্ডার।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন রদ্রিগেজ। ১৫ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে তিনি লেখেন, ‘আজ আমি হৃদয় থেকে আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই। অসংখ্য ম্যাচ, আনন্দ আর কঠিন মুহূর্ত পেরিয়ে আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করার সময় এসেছে—কলম্বিয়া জাতীয় দলের সঙ্গে আমার যাত্রা।’
২০১১ সালের অক্টোবরে বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিষেক হয়েছিল রদ্রিগেজের। সেই ম্যাচেই করেছিলেন জয়সূচক গোল। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হন তিনি। কলম্বিয়ার হয়ে খেলেছেন ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে। তবে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দলটি।
রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় নিঃসন্দেহে ২০১৪ বিশ্বকাপ। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত সেই আসরে মাত্র পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল করে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। বিশেষ করে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ের বিপক্ষে তার করা দুর্দান্ত ভলি গোলটি এখনও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে স্মরণ করা হয়। ওই টুর্নামেন্টে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পরই তাকে দলে ভেড়ায় স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ।
জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়ে রদ্রিগেজ বলেন, ‘এই জার্সি পরা ছিল আমার স্বপ্ন, একই সঙ্গে বিশাল দায়িত্ব। প্রতিবার মাঠে নামার সময় মনে হতো আমি শুধু নিজের জন্য নয়, পরিবার, সতীর্থ এবং লাখো কলম্বিয়ানের স্বপ্নের প্রতিনিধিত্ব করছি।’
কলম্বিয়ার ১০ নম্বর জার্সি ও অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, ‘এটি ছিল গর্ব ও দায়িত্বের বিষয়। ভালো সময় যেমন এসেছে, তেমনি কঠিন সময়ও ছিল। কিন্তু কলম্বিয়ার রঙের প্রতি আমার গর্ব কখনও কমেনি।’
গত ৭ জুলাই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচটিই হয়ে থাকল রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। টাইব্রেকারে সেই ম্যাচে হেরে বিদায় নেয় কলম্বিয়া।
জাতীয় দলের হয়ে ১৩১ ম্যাচে ৩১ গোল ও ৪৩ অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। ২০২৪ কোপা আমেরিকায় তার নেতৃত্বে ফাইনালে উঠেছিল কলম্বিয়া। যদিও শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে রানার্সআপ হয় দলটি।
সম্প্রতি কলম্বিয়ার ক্লাব অ্যাতলেটিকো নাসিওনালে যোগ দিয়েছেন রদ্রিগেজ। আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ক্যারিয়ার আরও কিছুদিন চালিয়ে যেতে চান তিনি।
বিদায়ী বার্তায় রদ্রিগেজ লিখেছেন, ‘আমি শান্ত হৃদয় নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, কারণ আমি সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। প্রতিটি মুহূর্তের জন্য ধন্যবাদ। ধন্যবাদ, কলম্বিয়া।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই সভার কার্যক্রম শুরু হয়।
সরকার দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ঢাকার দুই অংশকে সংযুক্ত করতে এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন) প্রকল্পটি আজ একনেক সভার কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি শেষ মুহূর্তে অনুমোদন নাও পেতে পারে বলে জানা গেছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র যুগান্তরকে জানায়, এমআরটি-৫-এর প্রায় সব কাজ এগিয়ে থাকায় এটি একনেকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট উইং এই প্রকল্পের জন্য প্রেজেন্টেশনও তৈরি করেছে। তবে সরকার এই প্রকল্পের অনুমোদনের পরিকল্পনা থেকে শেষ মুহূর্তে সরে আসার চিন্তা করছে। এই প্রকল্পের আগে অন্য একটি উন্নয়ন সহযোগী দেশের অর্থায়নে বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় থাকা দুটি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এমআরটি-৫ প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগে একটি আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যোগসাজশের অভিযোগ করেছে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, গাবতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কাওরান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও ও আফতাবনগর হয়ে দাশেরকান্দিতে যাবে মেট্রোরেল। পুরো পথে যেতে সময় লাগবে প্রায় ২৮ মিনিট। ব্যস্ত সময়ে প্রতি ৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ড পরপর ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) উল্লেখ করা হয়েছে, ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রোরেল পাতাল ও উড়ালপথে নির্মিত হবে। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার পাতালপথে এবং ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার উড়ালপথে থাকবে। রুটটিতে ১৫টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ১১টি পাতাল এবং চারটি উড়াল স্টেশন থাকবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় হিসাবে প্রতি কিলোমিটারে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা পড়ছে। পাতালপথের বড় অংশ থাকায় নির্মাণ ব্যয়ের চাপও বেশি।
শুরুতে ছয়টি কোচের ১৯টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেন চলবে। প্রতিটি ট্রেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯০৮ জন যাত্রী পরিবহণের সক্ষমতা থাকবে। ডিএমটিসিএল-এর হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার যাত্রী এ রুটে যাতায়াত করতে পারবেন। পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান কবির আহামদ যুগান্তরকে বলেন, "ঢাকার যানজট কমাতে মেট্রোরেলের কোনো বিকল্প নেই। পর্যায়ক্রমে সব মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে হাঁটতে হবে। তবে এর সুফল তখনই পাওয়া যাবে যখন সব রুট চালু হবে।"
সূত্র জানায়, পতিত সরকারের সময় প্রকল্পটির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৪ হাজার ৬১৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রকল্পটি পুনরায় পর্যালোচনা করে বিভিন্ন খাতের ব্যয় কমানো হয়েছে। সর্বশেষ প্রস্তাবে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের হিসাবের তুলনায় কমেছে ৯ হাজার ১১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা বা ১৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
তবে এই কমানো ব্যয়ের পুরোটা প্রকৃত সাশ্রয় নয়। বিদেশি ঋণের সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জের মতো কিছু দায় প্রকল্পের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ঋণের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর পরিশোধযোগ্য সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জ বাবদ প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প ব্যয় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ পরবর্তী সময়ে নিয়মিত প্রক্রিয়ায় অর্থ বিভাগ পরিশোধ করবে। ফলে প্রকল্পের হিসাব কমলেও এ দায় পুরোপুরি সরকারের বাইরে যাচ্ছে না।
১৬ জুলাই পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায়ও প্রকল্পটির ব্যয় কমানো হয়। ওই সময় ৪৭ হাজার ৬৩৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার প্রস্তাব থেকে ২ হাজার ১৩১ কোটি ৪ লাখ টাকা বাদ দেওয়া হয়। এরপর সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
ব্যয় কমাতে ঋণের সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জ ছাড়াও জমি অধিগ্রহণ, যানবাহন, পরামর্শক, সম্মানি ও প্রশাসনিক ব্যয়সহ বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করা হয়েছে। জমির প্রয়োজনও বড়ভাবে কমানো হয়েছে। শুরুতে ২৩ দশমিক ০৯ হেক্টর জমি প্রয়োজন ধরা হলেও এখন প্রয়োজন হবে ৯ দশমিক ১০৪ হেক্টর। এতে জমি অধিগ্রহণ ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি টাকা কমবে।
অন্যদিকে প্রকল্পে পুনর্বাসনের জন্য রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ জমির প্রয়োজন কমানো হলেও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনসহ সংশ্লিষ্ট খাতে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ থাকছে।
প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা বৈদেশিক ঋণ হিসাবে নেওয়া হবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিলের (ইডিসিএফ) কাছ থেকে। এডিবি সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার এবং দক্ষিণ কোরিয়া সর্বোচ্চ ১৫০ কোটি ডলার ঋণের প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কাজের অগ্রগতির সঙ্গে মিল রেখে ধাপে ধাপে ঋণ ছাড় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। এরই মধ্যে এডিবির কারিগরি সহায়তায় প্রাক্-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, মৌলিক ও বিস্তারিত নকশা, দরপত্রে সহায়তা এবং জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্পটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যয় ও বাস্তবায়ন কাঠামো পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে বর্তমান প্রস্তাবের পর্যায়ে এসেছে। এখন একনেকে অনুমোদন পেলে অর্থায়ন চুক্তি, জমি অধিগ্রহণ ও ঠিকাদার নিয়োগের মতো পরবর্তী কাজ শুরু হবে। ফলে অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আগের সরকারের সময়ে নেওয়া মেট্রোরেল প্রকল্পটির নতুন বাস্তবায়নপর্ব শুরু হবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে মঙ্গলবার ৩-৩ গোলে ড্র হয়।
উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি শেরপুর সদর পৌরসভা ও নকলা উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে খেলাটি অবশেষে ৩-৩ গোলে ড্র হয়ে যায়।
মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মিজ সঞ্চিতা বিশ্বাস, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, অন্যান্য কর্মকর্তাগন, সাংবাদিকবৃন্দ এবং ক্রীড়ানুরাগী দর্শকগন।
খেলা শেষে জেলা প্রশাসক এবং শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার প্রদান করেন।
শেরপুর জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন মন্তব্য করেন, "খেলাধুলার মাধ্যমে তারুণ্যের উদ্দীপনা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইসরাইলের জন্য ২৮০ কোটি মার্কিন ডলারের অস্ত্রের একটি প্যাকেজ অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো।
এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অস্ত্র সরবরাহ চুক্তি, যার আওতায় ৪০ হাজারটি এক টন ওজনের বোমা বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, ওয়াশিংটন পোস্ট জানাচ্ছে, এই প্যাকেজটি মার্কিন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে এবং এতে পশ্চিমা দেশগুলোর অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা কিছু অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক যুদ্ধাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার এমকে-৮৪ বোমা, ২০ হাজার বিএলইউ-১১৭ বোমা এবং ২০ হাজার আই-২০০০ পেনিট্রেটর ওয়ারহেড রয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে বলে একজন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।
এএফপির সাথে কথা বলার সময় মার্কিন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘বিদেশে সব ধরনের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে।’ তবে তিনি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন কোনো নির্দিষ্ট অস্ত্র চুক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রও এএফপিকে জানিয়েছেন, কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত না করা পর্যন্ত প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রি নিয়ে দপ্তরের নীতিগতভাবে নিশ্চিত করার বা মন্তব্য করার নিয়ম নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নিজস্ব অস্ত্রভাণ্ডারে গোলাবারুদের ঘাটতি চলতে থাকায় ইসরাইলের জন্য এই অস্ত্র প্যাকেজের খবর সামনে এসেছে। ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। পাশাপাশি, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র গোলাবারুদের পেছনে ২২৩০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলের কাছে ৭৪০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল। ওই প্যাকেজেও এমকে-৮৪ বোমা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
গাজায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি নিয়ে উদ্বেগের কারণে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ইসরাইলের জন্য ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমার একটি চালান আটকে দিয়েছিল। তবে ২০২৫ সালের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর ওই বোমা সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ