ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেকের সভা শুরু


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেকের সভা শুরু

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই সভার কার্যক্রম শুরু হয়।

সরকার দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ঢাকার দুই অংশকে সংযুক্ত করতে এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন) প্রকল্পটি আজ একনেক সভার কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি শেষ মুহূর্তে অনুমোদন নাও পেতে পারে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য

একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র যুগান্তরকে জানায়, এমআরটি-৫-এর প্রায় সব কাজ এগিয়ে থাকায় এটি একনেকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট উইং এই প্রকল্পের জন্য প্রেজেন্টেশনও তৈরি করেছে। তবে সরকার এই প্রকল্পের অনুমোদনের পরিকল্পনা থেকে শেষ মুহূর্তে সরে আসার চিন্তা করছে। এই প্রকল্পের আগে অন্য একটি উন্নয়ন সহযোগী দেশের অর্থায়নে বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় থাকা দুটি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এমআরটি-৫ প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগে একটি আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যোগসাজশের অভিযোগ করেছে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, গাবতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কাওরান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও ও আফতাবনগর হয়ে দাশেরকান্দিতে যাবে মেট্রোরেল। পুরো পথে যেতে সময় লাগবে প্রায় ২৮ মিনিট। ব্যস্ত সময়ে প্রতি ৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ড পরপর ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) উল্লেখ করা হয়েছে, ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রোরেল পাতাল ও উড়ালপথে নির্মিত হবে। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার পাতালপথে এবং ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার উড়ালপথে থাকবে। রুটটিতে ১৫টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ১১টি পাতাল এবং চারটি উড়াল স্টেশন থাকবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় হিসাবে প্রতি কিলোমিটারে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা পড়ছে। পাতালপথের বড় অংশ থাকায় নির্মাণ ব্যয়ের চাপও বেশি।

শুরুতে ছয়টি কোচের ১৯টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেন চলবে। প্রতিটি ট্রেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯০৮ জন যাত্রী পরিবহণের সক্ষমতা থাকবে। ডিএমটিসিএল-এর হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার যাত্রী এ রুটে যাতায়াত করতে পারবেন। পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান কবির আহামদ যুগান্তরকে বলেন, "ঢাকার যানজট কমাতে মেট্রোরেলের কোনো বিকল্প নেই। পর্যায়ক্রমে সব মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে হাঁটতে হবে। তবে এর সুফল তখনই পাওয়া যাবে যখন সব রুট চালু হবে।"

সূত্র জানায়, পতিত সরকারের সময় প্রকল্পটির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৪ হাজার ৬১৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রকল্পটি পুনরায় পর্যালোচনা করে বিভিন্ন খাতের ব্যয় কমানো হয়েছে। সর্বশেষ প্রস্তাবে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের হিসাবের তুলনায় কমেছে ৯ হাজার ১১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা বা ১৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

তবে এই কমানো ব্যয়ের পুরোটা প্রকৃত সাশ্রয় নয়। বিদেশি ঋণের সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জের মতো কিছু দায় প্রকল্পের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ঋণের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর পরিশোধযোগ্য সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জ বাবদ প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প ব্যয় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ পরবর্তী সময়ে নিয়মিত প্রক্রিয়ায় অর্থ বিভাগ পরিশোধ করবে। ফলে প্রকল্পের হিসাব কমলেও এ দায় পুরোপুরি সরকারের বাইরে যাচ্ছে না।

১৬ জুলাই পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায়ও প্রকল্পটির ব্যয় কমানো হয়। ওই সময় ৪৭ হাজার ৬৩৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার প্রস্তাব থেকে ২ হাজার ১৩১ কোটি ৪ লাখ টাকা বাদ দেওয়া হয়। এরপর সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

ব্যয় কমাতে ঋণের সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জ ছাড়াও জমি অধিগ্রহণ, যানবাহন, পরামর্শক, সম্মানি ও প্রশাসনিক ব্যয়সহ বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করা হয়েছে। জমির প্রয়োজনও বড়ভাবে কমানো হয়েছে। শুরুতে ২৩ দশমিক ০৯ হেক্টর জমি প্রয়োজন ধরা হলেও এখন প্রয়োজন হবে ৯ দশমিক ১০৪ হেক্টর। এতে জমি অধিগ্রহণ ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি টাকা কমবে।

অন্যদিকে প্রকল্পে পুনর্বাসনের জন্য রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ জমির প্রয়োজন কমানো হলেও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনসহ সংশ্লিষ্ট খাতে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ থাকছে।

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা বৈদেশিক ঋণ হিসাবে নেওয়া হবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিলের (ইডিসিএফ) কাছ থেকে। এডিবি সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার এবং দক্ষিণ কোরিয়া সর্বোচ্চ ১৫০ কোটি ডলার ঋণের প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কাজের অগ্রগতির সঙ্গে মিল রেখে ধাপে ধাপে ঋণ ছাড় করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। এরই মধ্যে এডিবির কারিগরি সহায়তায় প্রাক্-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, মৌলিক ও বিস্তারিত নকশা, দরপত্রে সহায়তা এবং জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্পটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যয় ও বাস্তবায়ন কাঠামো পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে বর্তমান প্রস্তাবের পর্যায়ে এসেছে। এখন একনেকে অনুমোদন পেলে অর্থায়ন চুক্তি, জমি অধিগ্রহণ ও ঠিকাদার নিয়োগের মতো পরবর্তী কাজ শুরু হবে। ফলে অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আগের সরকারের সময়ে নেওয়া মেট্রোরেল প্রকল্পটির নতুন বাস্তবায়নপর্ব শুরু হবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড গেজেট প্রকাশের ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ৩-৩ গোলে ড্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


শেরপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ৩-৩ গোলে ড্র

শেরপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে মঙ্গলবার ৩-৩ গোলে ড্র হয়।

উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি শেরপুর সদর পৌরসভা ও নকলা উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে খেলাটি অবশেষে ৩-৩ গোলে ড্র হয়ে যায়।

মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মিজ সঞ্চিতা বিশ্বাস, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, অন্যান্য কর্মকর্তাগন, সাংবাদিকবৃন্দ এবং ক্রীড়ানুরাগী দর্শকগন।

খেলা শেষে জেলা প্রশাসক এবং শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার প্রদান করেন।

শেরপুর জেলা প্রশাসক মিজ্‌ ফরিদা ইয়াসমিন মন্তব্য করেন, "খেলাধুলার মাধ্যমে তারুণ্যের উদ্দীপনা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলকে ২৮০ কোটি ডলারের অস্ত্রের প্যাকেজ অনুমোদন দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


ইসরাইলকে ২৮০ কোটি ডলারের অস্ত্রের প্যাকেজ অনুমোদন দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইসরাইলের জন্য ২৮০ কোটি মার্কিন ডলারের অস্ত্রের একটি প্যাকেজ অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো।

এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অস্ত্র সরবরাহ চুক্তি, যার আওতায় ৪০ হাজারটি এক টন ওজনের বোমা বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, ওয়াশিংটন পোস্ট জানাচ্ছে, এই প্যাকেজটি মার্কিন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে এবং এতে পশ্চিমা দেশগুলোর অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা কিছু অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক যুদ্ধাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার এমকে-৮৪ বোমা, ২০ হাজার বিএলইউ-১১৭ বোমা এবং ২০ হাজার আই-২০০০ পেনিট্রেটর ওয়ারহেড রয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে বলে একজন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।

এএফপির সাথে কথা বলার সময় মার্কিন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘বিদেশে সব ধরনের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে।’ তবে তিনি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন কোনো নির্দিষ্ট অস্ত্র চুক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রও এএফপিকে জানিয়েছেন, কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত না করা পর্যন্ত প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রি নিয়ে দপ্তরের নীতিগতভাবে নিশ্চিত করার বা মন্তব্য করার নিয়ম নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নিজস্ব অস্ত্রভাণ্ডারে গোলাবারুদের ঘাটতি চলতে থাকায় ইসরাইলের জন্য এই অস্ত্র প্যাকেজের খবর সামনে এসেছে। ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। পাশাপাশি, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র গোলাবারুদের পেছনে ২২৩০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলের কাছে ৭৪০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল। ওই প্যাকেজেও এমকে-৮৪ বোমা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গাজায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি নিয়ে উদ্বেগের কারণে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ইসরাইলের জন্য ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমার একটি চালান আটকে দিয়েছিল। তবে ২০২৫ সালের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর ওই বোমা সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সজিব হোসেন স্টাফ রিপোর্টার,পাবনা

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


পাবনায় নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

পাবনায় নিখোঁজের সাত দিন পর মোছা. কামরুন্নাহার কলি (১০) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দি টুকরো টুকরো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার দোগাছী কুলোনিয়া গ্রামে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ডোবার পানিতে একটি বস্তা ভাসতে দেখে সন্দেহ হলে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ আশপাশের এলাকার মানুষ। এতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহত কলি ওই গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে। পরিবার জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে যাওয়ার পর বাড়িতে ফিরে পাশেই খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সে। দীর্ঘ সময় পার হলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে তার ব্যবহৃত স্যান্ডেল উদ্ধার হয়। পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে খোঁজ চালানো হয়। এ ঘটনায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনও করেন স্বজন ও সহপাঠীরা।
পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজের পর পুলিশকে কিছু তথ্য ও সম্ভাব্য সূত্র দেওয়া হলেও সেগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়নি। তাদের দাবি, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে স্থানীয় কেউ জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের বাবা কামাল প্রামাণিক বলেন, “সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর অনেক খোঁজ করেছি। কারা আমার মেয়েকে হত্যা করল—এর বিচার চাই।”
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাদেরসহ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড বিএনপির জিরো টলারেন্সের প্রমাণ: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


কাদেরসহ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড বিএনপির জিরো টলারেন্সের প্রমাণ: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন বলেছেন, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় বিএনপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রমাণ। তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাসে এই মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। এই নেতাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত রয়েছেন। একই মামলায় আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

রাশেদ খাঁন তার স্ট্যাটাসে দাবি করেন, জামায়াত ও এনসিপি বিএনপি সরকার গণহত্যার বিচার করবে না—এমন ‘ন্যারেটিভ’ ছড়িয়েছিল। তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, বিএনপি সরকার অপরাধীদের বিচারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

জামায়াতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেন, গণহত্যার বিচারে জামায়াতের সহযোগিতা প্রত্যাশিত হলেও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার অবস্থান নিয়েছিলেন। ভোটের রাজনীতির কারণে জামায়াত গণহত্যার বিচারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, জামায়াত মুখে গণহত্যার বিচারের কথা বললেও বিএনপি সরকারকে ‘ট্যাগিং’ করাই তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য ছিল। সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর জামায়াতের সেই ‘মিথ্যাচার’ পরাজিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ পুরো প্রসিকিউশন টিমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও উপস্থাপনের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে রায় দিতে প্রসিকিউশন টিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে জামায়াতের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ থেকে এ পর্যন্ত গণহত্যার বিচার নিয়ে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ট্যাগিং’ করার জন্য দলটির জাতির কাছে দুঃখপ্রকাশ করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%