ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ


কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ

 

নওগাঁয় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, চারা, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সদর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই উপকরণ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

আরও পড়ুন: বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সচেতনতা বাড়াতে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু।

তিনি বলেন, এই প্রণোদনার মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকরা উপকৃত হবেন এবং এ অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন আরও গতিশীল হবে।

 

নওগাঁ সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূর ই-আলম সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মনিরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: ছবি দিয়ে রাজনৈতিক চরিত্রহননের চেষ্টা! দীর্ঘ ত্যাগের পরও অপপ্রচারের অভিযোগ বিএনপি নেতা রিপন বল্লভের

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিউল আজম ভিপি রানা, সাবেক যুগ্মআহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম বেলাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ স ম আল কাফি তুহিন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি দেওয়ান ফারুক, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুন বিন ইসলাম দোহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে রোপা আমন (উফশী), গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উপকরণ বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণীর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে প্রচার, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


তরুণীর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে প্রচার, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ গোড়ান এলাকায় এক তরুণীর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হলেও, তদন্তের আয়োজন করে বেরিয়ে আসে সেটি একটি হত্যাকাণ্ডের চিত্র। বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার মাত্র ছয় ঘণ্টা পরেই খিলগাঁও থানা পুলিশ রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী সাইফুল ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

শনিবার (১১ জুলাই) মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এই তথ্যগুলো প্রকাশ করেন। তিনি বরাবরই বলেছেন, ১০ জুলাই সন্ধ্যায় খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ গোড়ানের হাজী মসজিদের সামনে একটি বাড়ি থেকে সানজিদা আক্তার মারিয়াকে (১৮) গলায় পাটের সুতলি পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করা হলেও, পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই চান মিয়া ১১ জুলাই খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মতিঝিল বিভাগের ডিসি আরও বলেন, মামলার পরপরই পুলিশ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করে, সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্তের এক পর্যায়ে নিহতের স্বামী সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে একটি ধারণা পাওয়া গেছে, সাইফুলের বাবা-মাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের ফলেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

পুলিশ জানায়, প্রায় এক বছর আগে সানজিদা আক্তার মারিয়া ও সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। মারিয়া লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তিনি পাশাপাশি টিউশনি করে সংসারের খরচে সহায়তা করতেন।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সমস্ত দিক গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে খিলগাঁও থানা পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেয়েকে পাতিলে বসিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


মেয়েকে পাতিলে বসিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাবা

ডুবে গেছে বসতভিটা, উঠান এবং গ্রামের পথ। পানির বুকসমান গভীর স্রোতের মাঝে এক বাবার হাতে দেখা যাচ্ছে একটি বড় অ্যালুমিনিয়ামের পাতিল। সেই পাতিলের ভেতরে নিশ্চিন্তে বসে আছে তার ছোট্ট মেয়ে। বাবা ধীর পায়ে সামলে সামলে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তার সন্তানকে নিয়ে ছুটছেন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। শুক্রবার (১০ জুলাই) মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামে স্থানীয় লোকজনের সামনে দেখা যায় এই হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য।

বন্যাকবলিত বাড়ি থেকে তার শিশুকন্যা আসমাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে বাবা আব্দুর রহিম ঘরের বড় অ্যালুমিনিয়ামের পাতিলকে অস্থায়ী ভেলার মতো ব্যবহার করেছেন। আব্দুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, "হঠাৎ করে বাড়িতে পানি অনেক বেড়ে যায়। মেয়েটা ছোট, কোলে নিয়ে হাঁটলে পিছলে যাওয়ার ভয় ছিল। তাই ঘরের বড় হাঁড়িটার ভেতরে বসিয়ে মেয়েকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাই। বাবা হিসেবে তখন একটাই চিন্তা ছিল, মেয়েটাকে নিরাপদে পৌঁছাতে হবে। হাতে যা ছিল, তাই দিয়েই চেষ্টা করেছি।"

স্থানীয় এক যুবক বলেন, "আমরা অনেকেই তখন নিজেদের ঘরবাড়ি বাঁচাতে ব্যস্ত ছিলাম। হঠাৎ দেখি রহিম হাঁড়ির মধ্যে মেয়েকে বসিয়ে পানি পার হচ্ছেন। দৃশ্যটি দেখে সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। এটা সত্যিই একজন বাবার অসাধারণ উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয়।"

টানা ভারী বৃষ্টি এবং ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে মৌলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর একাধিক স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। ফলে জেলার রাজনগর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও সদর উপজেলায় ভয়াবহ বন্যার দাপট দেখা দিয়েছে। ১৭ ইউনিয়নে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটে দিন কাটাচ্ছেন এসব মানুষেরা।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাদু মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, "চার হাজার ১৭৫ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গতদের জন্য ১৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। ত্রাণ বিতরণও চলছে।" জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, "জেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া, ত্রাণ বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের আশা শেষ: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের আশা শেষ: রাশেদ খান

গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের বাস্তবতায় এনসিপির উত্থান জরুরি ছিল। কিন্তু জুলাই পদযাত্রায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে এনসিপির ডাউন হয়েছে।

শীর্ষ নেতারা পদযাত্রায় অংশগ্রহণের পরেও সাধারণ মানুষের সেই বিপুল আগ্রহ-উদ্দীপনা আর নাই।’

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘সাভারে এনসিপির পথসভায় ককটেল বিস্ফোরণের পরে ঢাকায় বড় কোনো প্রতিবাদ হয়নি। বরং ইসহাক সরকারের নেতৃত্বে যে প্রতিবাদী মিছিল হয়েছে, সেখানে ২০-২৫ জন লোক হয়েছে! তিনি একটা বোমা ফাটলে ১০টা বোমা ফাটানোর আওয়াজ দিলেও মানুষ সেই আওয়াজে কর্ণপাত করে নাই।

অথচ একসময় ইসহাক সরকার ডাক দিলে যেকোনো সময় ৩-৪ হাজার লোক নেমে এসেছে।’

রাশেদ খান বলেন, ‘মূলত এনসিপি জামায়াতের সাথে যাওয়াতে নতুন রাজনীতির বন্দোবস্ত পুরাতন জামায়াতের দখলে চলে গেছে। মানুষের ধারণা এনসিপির জামায়াতের আরেকটা অঙ্গসংগঠন। শিবির ও জামায়াতের লোকজন দিয়ে এনসিপিকে বড় করার প্রজেক্টও সাধারণ মানুষে কাছে খোলাসা হয়ে গেছে।

যে কারণে জামায়াত-শিবির আর এই প্রজেক্টে বিনিয়োগ করতে চাচ্ছে না। তারা এখন নিজেদের দিকেই ফোকাস দিচ্ছে বলে আমার ধারণা।’

তিনি বলেন, ‘এনসিপিই যদি জামায়াত হয়, তবে মানুষ কেন জামায়াতে বাদ দিয়ে এনসিপি করবে? সুতরাং এনসিপিকে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে যে, আমরা আসলেই নতুন বন্দোবস্তের দল।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘কিন্তু শীর্ষ নেতৃবৃন্দের একটি অংশ জামায়াতের ভোটে এমপি হয়ে হওয়ায়, তারা কি কখনো জামায়াত থেকে এনসিপিকে বের করতে চাইবে? যদি না চায়, তবে এ যাত্রায় নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ। আর এ আশা যতো ফুরিয়ে যাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ততো প্রাসঙ্গিক হয়ে ফিরে আসার উঁকিঝুঁকি মারবে! যা জাতির জন্য অশনিসংকেত! তবে এক্ষেত্রে অনেকে মনে করতে পারে, জামায়াত তো আছে।

সত্যি বলতে, জামায়াত কখনো পুরোপুরি সরকারি দল বা পুরোপুরি বিরোধীদল হওয়ার ঝুঁকি নিবে না। জামায়াত তার সক্ষমতা বুঝে ফেলেছে। স্বাধীনতা না চেয়ে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার ঝুঁকি নেওয়া যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরি ও সম্পত্তির লোভে মাকে হত্যা, বাবাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আইনপড়ুয়া মেয়ের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩১ পি.এম


সরকারি চাকরি ও সম্পত্তির লোভে মাকে হত্যা, বাবাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আইনপড়ুয়া মেয়ের বিরুদ্ধে

সরকারি চাকরি ও সম্পত্তির লোভে মাকে হত্যা করার অভিযোগে আইনপড়ুয়া ছাত্রী আয়ুশিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আইনপড়ুয়া মেয়েটির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, সে তার খালাতো/চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে মিলে মাকে ভাড়াটে খুনি দিয়ে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল।

ভারতের জয়পুরে ঘটেছে এই ঘটনা। তদন্ত চলাকালেই তার মামা আয়ুশির বিরুদ্ধে গত বছর চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিজের বাবাকেও হত্যার অভিযোগ তুলেছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, আয়ুশি জয়পুর আদালতের ক্লার্ক নীরাজ শর্মাকে গত ৩ জুলাই একটি স্করপিও গাড়ি দিয়ে চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছিল, এবং পরে ঘটনাটি সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়।

তদন্তের প্রক্রিয়ায় জানা যায়, চূড়ান্ত বর্ষের এলএলবি ছাত্রী আয়ুশি তার খালাতো ভাই বলরামের সহযোগিতায় ৭ লাখ টাকায় ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করে এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন।

নীরাজ শর্মা স্বামী বিজয় শর্মার মৃত্যুর পর অনুকম্পার ভিত্তিতে জয়পুর আদালতের ক্লার্ক হিসেবে চাকরি পান। পুলিশের দাবি, আয়ুশির পরিকল্পনায় এই হত্যার উদ্দেশ্য ছিল সরকারি চাকরি নিজের নামে নেওয়া এবং পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ করে নেওয়া।

তদন্তকারীরা জানান, আয়ুশি ও বলরামের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা সম্পত্তি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ জুলাই নীরাজ শর্মা তার ছোট ছেলেকে কোচিং সেন্টারে পৌঁছে দেওয়ার পর বাড়ি ফেরার পথে দ্রুতগতির একটি স্করপিও গাড়ি তাকে চাপা দেয়। তার আগে প্রায় এক মাস আগে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে যানজটের কারণে সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

এ ঘটনায় ভাড়াটে খুনির দায়ে অভিযুক্ত হেমন্ত, আকাশ, মোহিত, অরবিন্দ ও রোহিতকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে বলরাম এখনও পলাতক।

এদিকে, পুলিশ হেফাজতে থাকা আয়ুশির বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ আনেন তার মামা রাকেশ শর্মা। তিনি বলেন, গত বছর ব্রেন স্ট্রোকের পর আয়ুশি ও বলরাম মিলে তার বাবা বিজয় শর্মাকে একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং দীর্ঘ সময় পরিবারের কাছ থেকে চিকিৎসার তথ্য গোপন রাখেন।

রাকেশ শর্মার অভিযোগ, পরে বিজয় শর্মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার সময় তার একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে গিয়েছিল। তিনি আরো দাবি করেছেন, আয়ুশি নিজেই তার বাবার ফিডিং টিউব খুলে ফেলেন, যার ফলে তার মৃত্যু ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, বাবার মৃত্যুর বিষয়ে উঠা নতুন অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আয়ুশিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%