বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫১ পি.এম
যুক্তরাজ্যের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বশান্তির জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে মনে করেন। দুই বছর আগে এই হার ছিল ৩৬ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সোশ্যাল রিসার্চের (ন্যাটসেন) পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বশান্তির জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচনা করেন। দেশটির দীর্ঘদিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক মনোভাববিষয়ক জরিপ ‘ব্রিটিশ সোশ্যাল অ্যাটিটিউডস’-এ এ চিত্র উঠে এসেছে।
জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনকে বিশ্বশান্তির জন্য বেশি উদ্বেগের কারণ মনে করেন ৬২ শতাংশ ব্রিটিশ। অন্যদিকে, রাশিয়াকে হুমকি হিসেবে মনে করেন ৮৯ শতাংশ। এছাড়া, ইসরাইলকে ৭৮ শতাংশ এবং ইরানকে ৭৫ শতাংশ হুমকি মনে করেন।
প্রতিবেদনটির লেখক সোফিয়া গ্যাস্টন মন্তব্য করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্রিটিশদের মধ্যে মানসিকতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ইউরোপে যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা, চীনের সঙ্গে কৌশলগত প্রতিযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করেছে। তার মতে, পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা এখন ব্রিটিশদের সামষ্টিক চিন্তাভাবনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।
জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ৪২ শতাংশ ব্রিটিশ বেশি কার্যকর মনে করেন। বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পক্ষে মাত্র ৯ শতাংশ মত দিয়েছেন।
সামরিক ও প্রতিরক্ষা স্বার্থের প্রশ্নেও ৩৭ শতাংশ পশ্চিম ইউরোপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৪ শতাংশ। আর ৩৯ শতাংশ মনে করেন, উভয় পক্ষের সঙ্গে সমান ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখা উচিত।
আগামী ২০ নভেম্বর ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনবিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সোফিয়া গ্যাস্টন জানান, ব্রেক্সিট-পরবর্তী সময়ের তুলনায় ব্রিটিশরা এখন ইউরোপের প্রতি বেশি ইতিবাচক। সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা সম্পর্কে তাদের ধারণা স্পষ্ট হয়েছে এবং বাস্তবভিত্তিক সম্পর্কের গুরুত্বও বেড়েছে। তবে প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ইউরোপ বনাম আমেরিকা—এমন দ্বিমুখী অবস্থানকে ব্রিটিশরা সমর্থন করেন না। বরং ভারসাম্য, সক্ষমতা ও নমনীয়তার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিরাপত্তা জোট বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তারা বোঝেন।
এদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন জরিপে অংশ নেওয়া রেকর্ড ৫৬ শতাংশ মানুষ। ২০ বছর আগে এ হার ছিল ২৮ শতাংশ।
তবে প্রয়োজনের সময় সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগ্রহকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন ৩৫ বছরের কম বয়সীদের মাত্র ২২ শতাংশ। ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এ হার ৪৩ শতাংশ।
সূত্র: স্কাই নিউজ
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা, ব্যাংকিং সেবা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং নিরাপদ ক্যাশলেস লেনদেনে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) বান্দরবান শাখার সহযোগিতায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা শিক্ষার্থীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার প্রসারে গুরুত্ব আরোপ করেন।
‘এক দেশ, এক কিউআর, লেনদেনে বাংলা কিউআর’ এবং ‘আর্থিক স্বাক্ষরতায় সূচিত হোক নিরাপদ, ক্যাশলেস লেনদেন’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইউসিবি ব্যাংকের বান্দরবান শাখার শাখাপ্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হানিফ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. ইকবাল মহসীন।
এ সময় বান্দরবান জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন, ইউসিবি ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সুফিয়া আক্তার, সোনালী ব্যাংক বান্দরবান শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রানা অমিতাভ দাশ গুপ্ত, কৃষি ব্যাংকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. আবু রায়হান এবং ইউসিবি ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আঞ্চলিক প্রধান মেহেদী হাসান চৌধুরীসহ বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে আর্থিক সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি ব্যাংকিং কার্যক্রম ও ডিজিটাল লেনদেন সম্পর্কে বাস্তব ধারণা প্রদান করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, বাংলা কিউআরসহ আধুনিক ডিজিটাল লেনদেনব্যবস্থার ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমে যাবে। এর ফলে লেনদেনে স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং সময় সাশ্রয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. ইকবাল মহসীন শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং বিষয়ে আগ্রহ ও ধারণার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি সঞ্চয়ী মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আর্থিক স্বাক্ষরতার মাধ্যমে নিরাপদ ও ক্যাশলেস লেনদেনব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলকে সচেতন হতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইউছুফ আলীর সঞ্চালনায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হামজা চৌধুরী ছিলেন অনুপস্থিত। শেষ মুহূর্তে চোটের কারণে তপু বর্মণও খেলতে পারেননি। ফলে, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছাড়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিরুদ্ধে মাঠে নামে বাংলাদেশ। জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করে কোচ টমাস ডুলির দল।
বাংলাদেশের একের পর এক আক্রমণে ভুটান দল তটস্থ হয়ে পড়ে। স্বাগতিকদের আক্রমণ ঠেকানো যেন তাদের জন্য একটি বড় দায় হয়ে দাঁড়ায়। তবে, আধিপত্য বিস্তার করেও বিরতির আগে গোলের মুখ খুলতে পারেনি বাংলাদেশ। গোল না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে তারা প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে।
রাকিব, জামাল, বিশ্বনাথরা গোলের অনেক সুযোগ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু তারা সফল হতে পারেননি। ৫ মিনিটে ডান দিক থেকে রাকিব বিশ্বনাথের দিকে ক্রস বাড়ান। কিন্তু ভুটানের রক্ষণভাগের বাধায় বিশ্বনাথ বল ধরে রাখতে পারেননি। যদিও বক্সের মধ্যে বল পেয়ে জোরালো শট নিলেও গোল পাননি জামাল।
১৭ মিনিটে গোলের আরেকটি সম্ভাবনা তৈরি হয়। রাকিবের ক্রসে হেড নিয়েছিলেন বিশ্বনাথ। কিন্তু বল পোস্টের বাইরে চলে যায়। ২২ মিনিটে জামালের লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে বল গোলপোস্টের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ২৬ মিনিটে কর্নার থেকে ভুটানের গোলমুখে আতঙ্ক ছড়ান। ৩৯ মিনিটে ডান দিক থেকে বক্সের মধ্যে বল পেয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বনাথ। কিন্তু শট নিলেও বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি এই ডিফেন্ডার। এরপর ডান দিক থেকে রাকিব পাস দিয়েছিলেন। কিন্তু গোলরক্ষকের দক্ষতায় ভুটান এ যাত্রায় বেঁচে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হয়েছে দেশের রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকলস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) একক মোটর প্রদর্শনী ‘বারভিডা এক্সপো ২০২৬’। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে প্রদর্শনীর সূচনা হয়েছে, যেখানে প্রথম দিন থেকেই গাড়িপ্রেমী ও সম্ভাব্য ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এই তিন দিনব্যাপী আয়োজন চলবে।
সরেজমিনে মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করে দেখা যায়, বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের আকর্ষণীয় গাড়িগুলো সারি সারি সাজানো রয়েছে। হাইব্রিড, প্লাগ-ইন হাইব্রিড এবং পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) থেকে শুরু করে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন সেডান, এসইউভি ও মাইক্রোবাস—সব মিলিয়ে রয়েছে গাড়ির বৈচিত্র্যময় সমাহার। প্রতিটি স্টলে গাড়ির বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রয় প্রতিনিধিরা।
বিক্রয় প্রতিনিধিরা দর্শনার্থীদের গাড়ির পারফরম্যান্স, জ্বালানি সাশ্রয়, নিরাপত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছেন। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য মেলা উপলক্ষে অংশগ্রহণকারী ডিলার প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ মূল্যছাড় ও গিফট ভাউচারের ব্যবস্থা রেখেছে।
এছাড়া মেলা প্রাঙ্গণে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্টলও রয়েছে। সেখান থেকে সম্ভাব্য ক্রেতারা গাড়ি কেনার ঋণ ও বীমাসংক্রান্ত সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারছেন। ফলে পছন্দের গাড়ি দেখা থেকে শুরু করে অর্থায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যও এক জায়গায় পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
মেলায় চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কেউ পছন্দের গাড়ির ভেতর-বাইরের নকশা ও সুযোগ-সুবিধা যাচাই করছেন, কেউ আবার একাধিক ব্র্যান্ডের গাড়ির দাম ও বৈশিষ্ট্য তুলনা করছেন।
দর্শনার্থীদের মতে, একই জায়গায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের রিকন্ডিশন্ড গাড়ি দেখা এবং সেগুলোর দাম ও সুযোগ-সুবিধা যাচাই করার সুযোগ ক্রেতাদের সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান বলেন, "বাংলাদেশের পরিবহন খাতে জাপানি গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ব্যবসা শুধু আমদানি ও বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও জড়িত।"
বারভিডার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকার আমদানিকারক ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন মডেলের গাড়ি নিয়ে এক্সপোতে অংশ নিচ্ছে। এতে ক্রেতারা নিজেদের বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী গাড়ি দেখার পাশাপাশি বিভিন্ন মডেলের তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির ৫০ বছরের পথচলা নিয়ে বিশেষ ঐতিহাসিক আয়োজন। এতে দেশে জাপানি গাড়ির আগমন, বিভিন্ন সময়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা মডেল এবং অটোমোবাইল প্রযুক্তির বিবর্তন তুলে ধরা হচ্ছে। পুরোনো দিনের গাড়ির ছবি থেকে শুরু করে আধুনিক হাইব্রিড ও উন্নত প্রযুক্তির গাড়ির ইতিহাসও স্থান পেয়েছে এ আয়োজনে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ এক্সপোর মাধ্যমে দেশের রিকন্ডিশন্ড গাড়ির বাজার আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়বে এবং দেশের অটোমোবাইল খাতের সম্ভাবনা ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব আরো বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
বারভিডা আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী চলবে আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে মেলা। প্রবেশে কোনো ফি নেই, তবে দর্শনার্থীদের নিবন্ধন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরে ঘটে যাওয়া কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে।
এছাড়া, এসব অনিয়ম-দুর্নীতির ঘটনায় নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে আগামী বৈঠকে আলোচনা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশটি উত্থাপিত হয়।
বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলে প্রত্যাগত শরণার্থী এবং গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত অ-উপজাতীয়দের মধ্যে রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কমিটি মন্ত্রণালয়কে প্রকৃত উপকারভোগীদের চিহ্নিত করে তাদের মধ্যে রেশন কার্ড বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করেছে।
এছাড়া, মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরের শূন্য পদ এবং এসব পদ পূরণে এখন পর্যন্ত কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে সাজেক ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মন্ত্রণালয়ের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কেও সংসদীয় কমিটি জানতে চেয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।
অন্যদিকে, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের আওতায় কর্মরত পাড়াকর্মীদের সম্মানী ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাদের হ্রাসকৃত সম্মানী ভাতা সম্মানজনক পর্যায়ে পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে চলতি অর্থবছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দ, তার সুষম বণ্টন, খাদ্যশস্য বরাদ্দে অনিয়ম, ব্যয় পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।
এছাড়া, আগামী ডিসেম্বর মাসে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংসদীয় কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, কমিটির সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, দীপেন দেওয়ান, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও মাছুম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ