প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ গোড়ান এলাকায় এক তরুণীর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হলেও, তদন্তের আয়োজন করে বেরিয়ে আসে সেটি একটি হত্যাকাণ্ডের চিত্র। বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
ঘটনার মাত্র ছয় ঘণ্টা পরেই খিলগাঁও থানা পুলিশ রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী সাইফুল ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
শনিবার (১১ জুলাই) মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এই তথ্যগুলো প্রকাশ করেন। তিনি বরাবরই বলেছেন, ১০ জুলাই সন্ধ্যায় খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ গোড়ানের হাজী মসজিদের সামনে একটি বাড়ি থেকে সানজিদা আক্তার মারিয়াকে (১৮) গলায় পাটের সুতলি পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করা হলেও, পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই চান মিয়া ১১ জুলাই খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মতিঝিল বিভাগের ডিসি আরও বলেন, মামলার পরপরই পুলিশ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করে, সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্তের এক পর্যায়ে নিহতের স্বামী সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে একটি ধারণা পাওয়া গেছে, সাইফুলের বাবা-মাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের ফলেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রায় এক বছর আগে সানজিদা আক্তার মারিয়া ও সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। মারিয়া লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তিনি পাশাপাশি টিউশনি করে সংসারের খরচে সহায়তা করতেন।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সমস্ত দিক গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে খিলগাঁও থানা পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন