মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৫:০৮ পি.এম
মাদকমুক্ত, নিরাপদ এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে মাদক নির্মূল এবং কিশোর অপরাধ দমনের বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে মাদক এবং কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
একইসঙ্গে উল্লেখ করা হয় যে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন, দায়িত্বশীল ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির, পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান, এবং আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
গলাচিপা, কলেজ রোড, নারায়ণগঞ্জ || ০৪ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন। কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কৃষক কার্ড সম্পর্কিত একটি সভায় এই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তিনি নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন, ছবি ও কিউআর কোড সংবলিত এই কার্ডে কৃষকের পরিচয়সহ কৃষি উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বাজারসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকতে হবে। বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সংশ্লিষ্টদের কার্ড তৈরি করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
সভায় জানানো হয় যে ইতোমধ্যে কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
সরকারের দেওয়া ভর্তুকি, সহজ শর্তের ঋণ, প্রণোদনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা প্রকৃত কৃষকের কাছে দ্রুত ও সহজে পৌঁছানোর জন্য কৃষক কার্ডটি চালু করা হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন। এছাড়া, আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের কমবেশি দুই কোটি কৃষককে এই কর্মসূচির আওতায় আনতে পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিদ এল-খেরেইজি।
সৌজন্য সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়েছে মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। এই সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।
সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এল-খেরেইজি তাদের সাক্ষাতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে সৌদি আরব আন্তরিকভাবে আগ্রহী। তিনি বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সৌদি সরকারের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
এছাড়া, সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও তুলে ধরেন সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্কটি পারস্পরিক আস্থা এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত। বর্তমান সরকার সৌদি আরবের সঙ্গে একটি কৌশলগত, বহুমাত্রিক ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায়।
সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, সি-ফুড, ট্রপিক্যাল ফুড, কৃষিভিত্তিক শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ আরও বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখন অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আহ্বান সৌরবিদ্যুৎ খাতে সৌদি বিনিয়োগ প্রসঙ্গে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ খাতে সৌদি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে।
বৈঠকের শেষে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে সৌদি আরব সফরের আশা প্রকাশ করেন।
সৌদি প্রতিনিধি দলে ছিলেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুলাইমান বিন আবদুলআজিজ আল-ইয়াহইয়া, কনস্যুলার বিষয়ক উপমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আল-শাম্মারি, মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ইসা, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বিন আবিয়াহ এবং দেশটির পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার কৈখালী–বটতলা সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অধীন। চলতি অর্থবছরে বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্ত ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় সড়কটি নতুন করে কার্পেটিং করা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, কার্পেটিং কাজ শেষ হওয়ার পর একই সড়ক কেটে ৯টি কালভার্ট নির্মাণের জন্য দুই কোটিরও বেশি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জানা গেছে, এর আগে এলাকার এক ব্যক্তি প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে প্রকল্পটি বাতিলের দাবি জানান। অভিযোগের পর প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অভিযোগকারীর দাবি, তদন্ত কমিটির সদস্যরা তাকে অবহিত না করেই একতরফাভাবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
এদিকে, গোপন সূত্রের বরাতে অভিযোগ করা হয়েছে, কিছু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন নিয়ে সরকারি অর্থ অপচয়ের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছেন। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রেদোয়ান ইসলাম রনি সিকদার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়ে প্রকল্পটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে তাদের মূল লক্ষ্য হলো অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রজাতন্ত্রের অর্থের অপচয় রোধ করা এবং নতুন কার্পেটিং করা সড়ক কেটে কালভার্ট নির্মাণ বন্ধ করা।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "কোথায় কালভার্ট নির্মাণ করা হবে, আর কোথায় হবে না, সেটি আমাদের প্রকৌশলগত বিষয়।"
তখন তাকে জানানো হয়, একই সড়কে ইতোমধ্যে একটি সেতু ও একটি কালভার্ট রয়েছে, যার মাধ্যমে পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন হচ্ছে এবং সেখানে কোনো সমস্যা দেখা যাচ্ছে না।
পরে প্রকল্প পরিচালক মো. শহিদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "আগের তদন্ত কমিটি আমাকে ভালো বা মন্দ—কোনো বিষয়ই জানায়নি। আমি চাই না সরকারি কোষাগারের অর্থ নষ্ট হোক। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।"
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থের অপচয় রোধে তারা সবসময় সোচ্চার। সংগঠনটির দাবি, প্রকল্পটি পুনঃমূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অন্যথায় তারা আইনি প্রতিকার চাইবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের লক্ষ্মীপুর নামাপাড়া এলাকার দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করার পর প্রকাশ্যে তার পথরোধ করে মারধর ও শ্লীলতায়হানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আলম মিয়া (২৬) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ৪ আগস্ট মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযুক্ত আলম মিয়া উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের মৃত মুতি মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে গত প্রায় ছয় মাস ধরে একাধিকবার উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন আলম মিয়া। বিষয়টিতে একাধিকবার অভিযুক্তের পরিবার ও স্থানীয়দের কাছে বিচার চেয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি; বরং অভিযুক্তের পরিবার উল্টো ভুক্তভোগী কিশোরীকেই দোষারোপ করে আসছিল।
সর্বশেষ ২ আগস্ট রোববার ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত আলম মিয়া প্রকাশ্যে ওই শিক্ষার্থীর পথরোধ করে এবং কুপ্রস্তাব দেয়। এতে সাড়া না দেওয়ায় সে শিক্ষার্থীর চুলের মুঠি ধরে টানা-হেঁচড়া করে মাটিতে ফেলে দেয় এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এতে কিশোরীর চোখের নিচে গুরুতর আঘাত লাগে। অভিযোগে আরও উল্লেখযোগ্য একটি বিষয় হলো, হামলার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত নিজের গোপন অঙ্গ প্রদর্শন করে কিশোরীকে অশালীন ইঙ্গিত ও চরম ভয়ভীতি দেখায়। পরে স্থানীয় কয়েকজন নারী এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, মাত্র ছয় মাস বয়সে বাবা হারানো এই কিশোরী এখন খুব কষ্ট করে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন খোকন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ছেলেটি প্রায়ই আমার বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। সর্বশেষ বাবা-হারা এই শিক্ষার্থীকে যেভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে, এরপর আমি আর নীরব থাকতে পারিনি। তাই নিজেই মেয়েটিকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোনে বিষয়টি জানিয়েছি এবং থানায় এসে অভিযোগ করেছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, "আমার ভাতিজিকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করা হচ্ছে। বারবার বিচার চেয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এখন আমরা প্রশাসনের কাছে তার নিরাপত্তা এবং অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি চাই।"
কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন জানান, "ভুক্তভোগী ও তাঁর স্বজন এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের পর সাথে সাথে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ