রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৫ এম
চাঁদপুরে ‘মাদক থেকে দূরে থাকি, সুস্থ সমাজ গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর শহরের ব্যবসায়ীক এলাকা পুরানবাজার চেম্বার ভবনের সামনে মাদকবিরোধী র্যালি এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাঁদপুর সদর মডেল থানার আয়োজনে অনুষ্ঠিত র্যালিতে থানা পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফয়েজ আহমেদ, পুরানবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক চাঁদ মিয়া, উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম ও এএসআই হাবিব। এ সময় নিতাইগঞ্জ ক্রীড়া চক্রের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাঝি, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আনিস বেপারী, সাধারণ সম্পাদক আসলাম তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন বেপারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মুন্সী, সহ-সভাপতি কামাল মজুমদার এবং ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক রফিক মিজি বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ২ নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি তাছির বেপারী, সাধারণ সম্পাদক দুলাল খান, সহ-সভাপতি রব মিজি, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, যুবদল নেতা মোক্তার হোসেন মুক্কু বেপারি, শাখাওয়াত, শাহ আলম, আরিফ মিয়াজি, সাদ্দাম মল্লিক, আলামিন হোসেন, ইব্রাহিম ইবু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সোহাগ, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সুমন গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল গাজীসহ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ র্যালিতে অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফয়েজ আহমেদ বলেন, "মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এবং আমাদের এসপি সাহেব মো. মিজানুর রহমান স্যারের কঠোর নির্দেশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। ডোপ টেস্টে যাদের পজিটিভ আসবে সরাসরি আইনানুগ ব্যবস্থা। আমিরা সামিরা মাদক মামলায় কারাগারে গেলে স্ত্রীরা মাদক বিক্রি করবে তা রুখে দেওয়া হবে। মহিলা পুলিশ দিয়ে অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। সুতরাং মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাভিত্তিক সচেতনতা মূলক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মাদক নির্মূলে আপনাদের সহযোগিতা চাই।" র্যালিতে বক্তারা মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, সমাজ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে সৌর বিদ্যুৎ ভিত্তিক সিস্টেম (ঝড়ষধৎ ঝুংঃবস) সঠিক ও কার্যকরভাবে স্থাপনের উদ্দেশ্যে জেলার সার্ভিস প্রোভাইডার (ঝবৎারপব চৎড়ারফবৎ) তালিকাভুক্তি বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে চাঁদপুর বিদ্যুৎ বিভাগ কার্যালয়ের নতুনবাজারস্থ নির্বাহী প্রকৌশলীর সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভাটি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চাঁদপুর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান ভূঞা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তাবৃন্দ। সভাপতির বক্তব্যে নির্বাহী প্রকৌশলী উল্লেখ করেন, "নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রসারে সৌর ভিত্তিক সিস্টেমের গুরুত্ব অপরিসীম। গ্রাহক পর্যায়ে মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য সার্ভিস নিশ্চিত করতে যোগ্য ও দক্ষ সার্ভিস প্রোভাইডারদের তালিকাভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। এতে করে গ্রাহকরা প্রতারণামুক্ত সেবা পাবেন এবং টেকসই সৌর প্যানেল ও সরঞ্জাম ব্যবহারে উৎসাহিত হবেন।"
সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন: চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী, সাধারণ সম্পাদক এমএ লতিফ, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি'র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তমাল কুমার ঘোষ, চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) গোবিন্দ আগরওয়ালা, এবং চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আতিকুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা চাঁদপুর জেলায় সৌর বিদ্যুতের প্রচার এবং প্রচারণায় গণমাধ্যমের ভূমিকা, পাশাপাশি গুণগত মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে সার্ভিস প্রোভাইডারদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। উক্ত মতবিনিময় সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত হয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি ও মিছিল করার অভিযোগে সেনবাগ থানা পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করে আরও ৩০-৩৫ জন পালিয়ে যায়।
সেনবাগ থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৮ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর কাবিলপুর ইউনিয়নের পূর্ব ইয়ারপুর (বটতলা) এলাকায় কিছু লোক জড়ো হয়ে জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে মিছিল করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন-মো. মাকছুদুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (৩৪), আব্দুল্লাহ আল কামরান (২৪), মো. ফোরকান উদ্দিন হাজারী (২৩), তাওসীন তামিম (১৯) ও মো. মহসিন রাজু (৩০)। পুলিশের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ঘটনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী ২০১৩)-এর ৮, ৯ ও ১১ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার পাঁচজনকে কারাগারে আটক করে দুপুরে নোয়াখালী বিচারিক আদালতে প্রেরণ করা হয়। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সর্পদংশন সচেতনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে একটি র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টার সময় জেলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। "সর্পদংশনে মৃত্যু ও অক্ষমতা কমাতে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন-দ্রুত ব্যবস্থা নিন, জীবন বাঁচান" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক হারুন অর রশীদ এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম. মাহাবুবুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম সোহেল এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. নোমান হোসেন, সহ হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, সর্পদংশনে মৃত্যু ও দীর্ঘমেয়াদী অক্ষমতা রোধে ঝাড়ফুঁক বা ওঝার কাছে না গিয়ে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিক চিকিৎসাসেবা এবং অ্যান্টিভেনম সময়মতো গ্রহণের মাধ্যমে সর্পদংশনে আক্রান্ত রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব। এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বক্তারা বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে পুলিশ ও কমিউনিটির মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার বার্তা নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ–২০২৬। রূপাতালী বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স মাঠে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে কোতোয়ালি থানা চ্যাম্পিয়ন এবং কাউনিয়া থানা রানার্সআপ হয়েছে। অন্যদিকে নারী বিভাগে কাউনিয়া থানা চ্যাম্পিয়ন** এবং *কোতোয়ালি থানা রানার্সআপ* হয়েছে।
‘ক্রীড়ায় পেশা, পরিবার পাবে ভরসা; মাদকদ্রব্য ত্যাগ করি, কিশোর গ্যাং নির্মূল করি, সুস্থ-সবল জীবন গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল সাড়ে ৮টায় টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্। নারী ও পুরুষ বিভাগ মিলিয়ে মোট আটটি দল নকআউট পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
প্রথম পর্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ শেষে উভয় বিভাগের ফাইনালে মুখোমুখি হয় কোতোয়ালি থানা ও কাউনিয়া থানা কাবাডি দল।
নারী বিভাগের ফাইনালে কোতোয়ালি থানা নারী কাবাডি দলকে পরাজিত করে কাউনিয়া থানা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ফলে নারী বিভাগে কাউনিয়া চ্যাম্পিয়ন এবং কোতোয়ালি রানার্সআপ হয়।
দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য কাউনিয়া থানার খেলোয়াড় ঝর্ণা নারী বিভাগের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
পুরুষ বিভাগের ফাইনালেও মুখোমুখি হয় কোতোয়ালি ও কাউনিয়া থানা। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে *কাউনিয়া থানাকে পরাজিত করে কোতোয়ালি থানা কাবাডি দল চ্যাম্পিয়ন* হয়। ফলে পুরুষ বিভাগে *কোতোয়ালি চ্যাম্পিয়ন এবং কাউনিয়া রানার্সআপ* হয়েছে।
বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ইমাম পুরুষ বিভাগের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
ফাইনাল খেলা দেখতে রূপাতালী পুলিশ লাইন্স মাঠে বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি দেখা যায়। খেলোয়াড়দের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ ও দুর্দান্ত নৈপুণ্যে পুরো মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অতিথিরা বলেন, জাতীয় খেলা কাবাডির প্রসারের পাশাপাশি তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে পুলিশ ও কমিউনিটির মধ্যে আস্থা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি মাদকাসক্তি, কিশোর গ্যাং ও সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলার ভূমিকা রয়েছে।
টুর্নামেন্ট শেষে পুরুষ বিভাগের চ্যাম্পিয়ন কোতোয়ালি, রানার্সআপ কাউনিয়া এবং নারী বিভাগের চ্যাম্পিয়ন কাউনিয়া, রানার্সআপ কোতোয়ালি** দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি, মেডেল ও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হান্নান, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) এবং সুশান্ত সরকার, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ