বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১১:২৮ এম
গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে পারলে বাংলাদেশের জনগণ শুধু নিজেদের জন্য নয়, বরং একটি গর্বিত জাতি হিসেবে উন্নীত হতে পারবে, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
এসময় তিনি আগামী দিনে বাংলাদেশে গুণী মানুষদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবে বুধবার দৈনিক ইত্তেফাক ও দিনকালের সাবেক সম্পাদক আখতার উল আলমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় মঈন খান এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি।
আখতার উল আলমের স্মৃতিচারণ করে মঈন খান বলেন, এমন একটি সময় ছিল, যখন সাংবাদিকদের জন্য সত্য কথা লিখতে নিজের নাম উল্লেখ করে লেখা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সেই কারণেই আখতার উল আলম ‘লুব্ধক’ ছদ্মনামে লিখতেন। ‘লুব্ধক’ একটি ছদ্মনাম নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি কৌশল ছিল। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে লেখালেখি করতেন। তার লেখায় উদারচেতা বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি, কূটনীতি ও বৈদেশিক অর্থনীতি নিয়েও নিয়মিত লিখতেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আখতার উল আলমের ভূমিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে তাকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি হতে হয়েছিল। তিনি স্বাধীনতার পক্ষে একজন দৃঢ় অবস্থানে ছিলেন। সেই সময় অনেকেই প্রতিবাদ করার সাহস দেখাতে পারেনি।
সাংবাদিকতার বাইরেও ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আখতার উল আলমকে বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, তিনি সফলতার সঙ্গে ওই দায়িত্ব পালন করেন। রংপুরের মিঠাপুকুরে ১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া আখতারুল আলম পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও কূটনীতির ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন বলেও জানান তিনি।
দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যারা অবদান রেখেছেন, তাদের অনেক বরেণ্য মানুষকে স্মরণ করা হয় না, এমন মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ।
তিনি বলেন, তাদের মর্যাদা দিয়ে স্মরণ করা উচিত। জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের আমরা স্মরণ করি না। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জন্য কি রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো অনুষ্ঠান হয়ে থাকে? শুধু টেলিভিশন বা সংবাদপত্রে বিবৃতি দেওয়া হয়। যে জাতি তার বীর ও পথপ্রদশকদের স্মরণ করতে পারে না, সেই জাতি সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে আগামীর পথে এগোতে পারে না।
সরকার ও রাষ্ট্রের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মহৎ পুরুষ ও অগ্রগামী মানুষদের ইতিহাস, তাদের কর্মকাণ্ড ও সংগ্রাম যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বরেণ্য মানুষদের স্মরণ করার জন্য একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার দাবিও জানান তিনি।
জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভাণ্ডার গঠনের প্রস্তাব রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাংবাদিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট বিদগ্ধ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এর ফলে দেশের কৃতি ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।
স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিন কেজি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, ২৪টি ডেটোনেটর ও দুটি কুকরি চাপাতি উদ্ধার করেছে।
আজ বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আতাউর রহমান সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানালেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বড়লেখা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অস্ত্র ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরকের একটি চালান বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে যাবে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের নেতৃত্বে বিওসিটিলা বিওপি’র একটি আভিযানিক দল বড়লেখা সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মিশন নামক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
রাত সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশের নির্বাচিত দল কর্তৃক কতিপয় দুষ্কৃতকারীকে চ্যালেঞ্জ করা হলে, তারা রাতের অন্ধকার ও গভীর জঙ্গলের সুযোগে পালিয়ে যায়।
পরে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে সীমান্ত পিলার ১৩৮৫/এম থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মিশন নামক স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিন কেজি পাওয়ারজেল নাইনটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক (২৩টি টিউব), ২৪টি ডেটোনেটর, ১৫ মিটার ডেটোনেটর তৈরির তার ও দুটি কুকরি চাপাতি।
এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সে প্রথমবারের মতো একটি ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এই আক্রান্ত ব্যক্তি একজন চিকিৎসক, যিনি সম্প্রতি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে মানবিক সহায়তা মিশন শেষ করে দেশে ফিরেছেন। ফরাসি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তাঁকে দ্রুত একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) ফরাসি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, রোগী শনাক্ত হওয়ার পরপরই তাকে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার জন্য একটি ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। যাদের শনাক্ত করা হবে, তাদের ২১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এছাড়া কঙ্গো থেকে ফিরে আসা স্বাস্থ্যকর্মী ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের জন্য বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।
বর্তমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল কঙ্গো। দেশটিতে গত মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হলেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভাইরাসটি তারও আগে ছড়িয়ে পড়েছিল। এখনও পর্যন্ত সেখানে এক হাজারের বেশি সংক্রমণ এবং আড়াই শতাধিক মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে। সংক্রমণের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। বর্তমান প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ধরন দ্বারা সৃষ্ট, যার জন্য এখনো কোনও অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।
এদিকে কঙ্গোর প্রতিবেশী উগান্ডাতেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান সশস্ত্র সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি এবং দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা ইবোলা নিয়ন্ত্রণকে আরও কঠিন করে তুলছে। তবে ফরাসি ও ইউরোপীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্তমানে ইউরোপের সাধারণ জনগণের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকি খুবই কম এবং স্থানীয়ভাবে রোগ ছড়িয়ে পড়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কেউ বাঁশ কাটছেন, কেউ একে চিরে সরু লম্বা ফালি তৈরি করছেন। আবার কেউ সেই ফালি নিয়ে বসেছেন নানা রকম কুটির শিল্প বুননের কাজে। পরিবারের নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ থেকে শিশু-কিশোর সকলের ব্যস্ততা যেন এক সুতোয় গাঁথা হয়ে আছে। এমনই কর্মব্যস্ত দৃশ্য চোখে পড়ে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে।
বংশপরম্পরায় বাঁশ শিল্পকে আঁকড়ে ধরে বিভিন্ন পরিবার বেঁচে আছে এই গ্রামে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাঁশের তৈরি কুলা, ডালা, চাটাই, চালনি, টুকরি, চাঙ্গা, হাঁস-মুরগির খাঁচা এবং মাছ ধরা ও সংরক্ষণের বিভিন্ন সরঞ্জাম তারা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
রাজাপুর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি বাড়ির সামনে বাঁশের তৈরি কুটির শিল্পের কাজে ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে। গৃহিণীরা ঘরের মেঝে-বারান্দায় কাজ করছেন। পুরুষ কারিগররা দলবেঁধে উঠোনের কোণে খোশগল্পের পাশাপাশি কর্মযজ্ঞও চালাচ্ছেন। বৃদ্ধরাও অভিজ্ঞ হাতে ফালী তৈরির কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। শিশুরাও কাজের বাইরে নয়। স্কুল থেকে ফেরার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাদেরও দেখা যাচ্ছে কচি হাত দিয়ে কাজ করতে।
রাত থেকে দিন, বছরের পর বছর ধরে চলে এ কুটির শিল্পের কাজ। প্রতি সপ্তাহে এই পণ্যগুলো বাড়ি থেকেই পাইকারদের হাতে চলে যায়। কিছু লোক আবার স্থানীয় হাটে নিজে বিক্রি করেন। স্থানীয় বাজার ছাড়াও সিলেটের বিভিন্ন এলাকার লোকজন এগুলো কিনছেন।
নারী কারিগর সাধই বিবি বলেন, "আমরা বছরব্যাপী এই কাজ করেই খাই। কিন্তু সরকার থেকে প্রশিক্ষণ অথবা সহায়তা কোনটিই পাই না।"
গ্রামের প্রবীণ কারিগর মনুফর আরী বলেছেন, "এটা আমাদের পূর্বপুরুষের পেশা। আমি আমার মা-বাবার থেকে এ কাজ শিখেছি। গ্রামের সবাই এ পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাঁশের বেত দিয়ে নিত্য ব্যবহারের বিভিন্ন পণ্য তৈরি-বিক্রি করেই আমরা জীবিকা নির্বাহ করি। তবে এ শিল্প বর্তমানে আগের মতো লাভজনক নেই।"
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়া জানিয়েছেন, "রাজাপুর গ্রামের মূল আয়ের উৎস হচ্ছে কুটির শিল্প। ঐতিহ্যের এ শিল্পটি এখনো তারা ধরে রেখেছেন। এ শিল্প টিকিয়ে রাখতে আমাদের সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নিতে হবে প্রশিক্ষণ, ঋণসহায়তা নিশ্চিত করে।"
এ ব্যাপারে কথা হলে বিশ্বনাথের নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ বিন কাশেম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, "গ্রামটির বিষয়ে আমি মাত্র অবগত হলাম। আমি পরিদর্শন করে দেখব।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
দুর্দান্ত ধারাবাহিকতার কারণে, তিনি টানা তিন ম্যাচে ‘ফিফা ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার জিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। এই ফরোয়ার্ডটি রিয়াল মাদ্রিদের।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্রয়ে ব্রাজিল জয় না পেলেও, দলের সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফর্মার ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মাঠজুড়ে তার সক্রিয় উপস্থিতি ও আক্রমণে ধারাবাহিক প্রভাবের কারণে ম্যাচসেরার পুরস্কার তার হাতেই ওঠে।
এরপর, হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম চালিকাশক্তি ছিলেন ভিনিসিয়ুস। গতি, ড্রিবলিং এবং সুযোগ সৃষ্টির দক্ষতার কারণে তিনি প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে বারবার চাপের মধ্যে ফেলে দ্বিতীয় ম্যাচে আবারও ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে ব্রাজিল হারিয়ে নকআউট নিশ্চিত করেছে। সেই ম্যাচেও সবচেয়ে প্রভাবশালী ফুটবলার ছিলেন ভিনিসিয়ুস। ফলে, টানা তৃতীয়বারের মতো ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে তিনি অনন্য এক কীর্তি গড়েন।
পুরো গ্রুপ পর্বজুড়ে ভিনিসিয়ুসের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ব্রাজিলকে শুধু আত্মবিশ্বাসই দেয়নি, বরং শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেও দলটিকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে। প্রতিটি ম্যাচেই তার গতি, সৃজনশীলতা এবং আক্রমণভাগে কার্যকারিতা প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত ফর্ম ফুটবল অঙ্গনের আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে। নকআউট পর্বেও যদি তিনি একই ছন্দ ধরে রাখতে পারেন, তাহলে ব্রাজিলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আরও শক্ত ভিত্তি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ