ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের আপোসহীন প্রতিরোধেই কি ধ্বংস হবে মার্কিন আধিপত্য?


ইরানের আপোসহীন প্রতিরোধেই কি ধ্বংস হবে মার্কিন আধিপত্য?


ইতিহাসের নির্মম সত্য হলো—কোনো সাম্রাজ্য বাহ্যিক শক্তির চেয়ে বেশি ভেঙে পড়ে নিজের সীমাবদ্ধতার ভারে। রোম, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য কিংবা সোভিয়েত ইউনিয়ন—প্রতিটি পতনের শুরু হয়েছিল সেই মুহূর্তে, যখন তাদের অপরাজেয়তার মিথে প্রথম ফাটল দেখা দিয়েছিল।

প্রশ্ন উঠছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অনমনীয় প্রতিরোধ কি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব আধিপত্যের সেই ফাটলের আরেকটি অধ্যায়?
ইরানকে দ্রুত নতজানু করার যে প্রত্যাশা ছিল, বাস্তবতা তার উল্টো চিত্র দেখিয়েছে। প্রবল সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও তেহরান আত্মসমর্পণের পথ বেছে নেয়নি; বরং প্রতিরোধের ভাষাকেই রাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে স্থাপন করেছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা ও যুদ্ধসামগ্রীর প্রত্যাহারের খবর নতুন কৌশলগত প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। এটি কি কেবল সামরিক পুনর্বিন্যাস, প্রত্যাহার, নাকি দীর্ঘমেয়াদি ইরানি যুদ্ধাস্ত্রের ব্যাপক চাপে ক্ষয়ক্ষতির প্রতিফলন—সেই বিতর্ক চলতেই পারে।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—আজকের বিশ্ব আর একক শক্তির নির্দেশে পরিচালিত হয় না। বহুমেরুকেন্দ্রিক বাস্তবতা ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে ইরানের প্রতিরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র নিজেদেরকে এখনও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক শক্তি মনে করলেও তাদের নিজেদের সেনা কমান্ডারদের দেয়া তথ্যমতে, ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু করেই তাদের সব ধরনের অস্ত্রের মজুদ প্রায় শেষের পথে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব বড় বড় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও সেটি প্রচারিত হচ্ছে। তাই তার পতন এখন কি অনিবার্য—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বাস্তবসম্মত কিনা তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। কিন্তু ইতিহাসের গতিপথ আমাদের শেখায়, যখন কোনো পরাশক্তির প্রতিটি পদক্ষেপ আগের মতো অবাধ থাকে না, যখন প্রতিপক্ষ বারবার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়, তখন আধিপত্যের ভিত্তি ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে শুরু করে। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা তেমনটাই নির্দেশ করে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ তাই শুধু ক্ষেপণাস্ত্রের সংঘর্ষ নয়; এটি বিশ্ব ক্ষমতার ভারসাম্য পুনর্লিখনের সংগ্রাম।
যদি ইরান তার বর্তমান দৃঢ়তা, কৌশলগত ধৈর্য এবং প্রতিরোধের সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে, এবং নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলী প্রস্তাবকে মেনে না নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক একমেরু বিশ্বব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে শুধু তাই নয় ভেঙে পড়তে পারে কয়েক দশকের বিশ্ব শাসন করা মার্কিন আধিপত্য।

আর যদি সেই চাপ ক্রমাগত বিস্তৃত হয়, তাহলে ভবিষ্যতের ইতিহাস হয়তো লিখবে—পারস্যের সিংহ খ্যাত ইরানের মত একটি দেশের অনমনীয় ও আপোসহীন মনোভাব ও প্রতিরোধেই বিশ্ব রাজনীতির দীর্ঘ কয়েক দশকের পরাশক্তির মানচিত্র বদলে দেওয়ার সূচনা করেছিল।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওলামায়ে কেরামকে জাতির ইমামতির দায়িত্ব নিতে হবে: নাসীরুদ্দীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


ওলামায়ে কেরামকে জাতির ইমামতির দায়িত্ব নিতে হবে: নাসীরুদ্দীন

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন, ওলামায়ে কেরামকে শুধু মসজিদের ইমামতি করা ছাড়া অন্য কিছু করতে হবে না, বরং তাদের জাতির ইমামতির দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, যদি তারা সব ধরনের ভেদাভেদ ত্যাগ করে ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার ইমামতির দায়িত্ব নেন, তাহলে আমরা তাদের নেতৃত্বে কাজ করার জন্য প্রস্তুত আছি।

তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও গড়তে দেওবন্দী, আহলে হাদীস, সুন্নি, জামায়াতসহ সবাই একত্রে কয়েকটি বিষয়ের উপর ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারি।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় রাজধানীর পুরানা পল্টন ডিসিসি হলে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আয়োজনে ‘রক্তাক্ত জুলাই প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির আল্লামা আবু জাফর কাসেমী বলেন, আমরা দেশকে দ্বিতীয়বার স্বাধীন করে কোনো লাভ পাইনি, এমনকি বাকস্বাধীনতাও পাইনি। সরকারের উচিত হচ্ছে, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর আমির মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন আকন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি হারুন ইজহার, জাতীয় গণতান্ত্রীক পার্টির (জাগপার) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) মামহবুবুল আলম, লে. কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান, ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান, মাওলানা আবুল কাসেম কাসেমী, আলী মাকসুদ খান মামুন, রফিকুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাশেদ প্রধান মন্তব্য করেন, দেশে আজ বাক স্বাধীনতারও অভাব রয়েছে, তার প্রমাণ হচ্ছে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর হামলাগুলো বিভিন্ন স্থানে হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার জুলাই সনদ নয়, নিজেদের নোট বাস্তবায়ন করতে ব্যস্ত। সকলেই বলছেন, অভ্যুত্থান আসবে, কিন্তু আমি বলি, তা নয়, সামনে বিপ্লব আসবে।

বক্তাগণ বলেন, আমরা দেশটাকে দ্বিতীয়বার স্বাধীন করে আপাতত কিছুই পাইনি এবং সামনে কিছু পাবো বলে আশাও রাখতে পারছি না। দেশে তেল, গ্যাসসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ বিফল। আমাদের জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সব অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বিপ্লবের জন্য প্রস্তত থাকতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে ককরোচ জনতা পার্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


নতুন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে ককরোচ জনতা পার্টি

দিল্লির যন্তর মন্তরে সাম্প্রতিক আন্দোলনের পরে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি একটি দেশব্যাপী জনসংযোগ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ ‘ক্যায়া বোলতি পাবলিক’ নামে এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন নিজের শহর ছত্রপতি সম্ভবনাগরে।

মানুষের সমস্যাগুলো বোঝার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচিটি দেওয়া হয়েছে বলে অভিজিৎ দীপ জানান।

চলতি বছরের জুন-জুলাইয়ে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায়, তখনকার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। ২৫ জুলাই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পর সেই আন্দোলন শেষ হয়।

বৃহস্পতিবার, দীপকের সঙ্গে দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা ভবিষ্যৎ কৌশল তুলে ধরেন।

দীপকে বলেন, তাদের প্রচারে শিক্ষা অগ্রাধিকার পাবে। তাঁর দাবী, স্কুল, কলেজ ও কোচিংয়ের বেতন বেড়ে যাওয়ার কারণে অনেক পরিবারের পক্ষে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা কমছে এবং ক্ষোভ বাড়ছে।

‘সকালে মানুষ এক দলকে ভোট দেয়, সন্ধ্যায় সেই জনপ্রতিনিধি অন্য দলে চলে যান। কোথাও ভোট একটি সরকারের পক্ষে পড়ে, কিন্তু পরে অন্য সরকার গঠন হয়। তা না হলে ইডি-সিবিআই ব্যবহার করে দল ভাঙা হয়। এভাবে চলতে থাকলে তা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’, বলেন তিনি।

দীপকে নির্বাচন কমিশন ও বিচারব্যবস্থার জবাবদিহি বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘আগে ভোটার সরকার বেছে নিত, এখন সরকার ঠিক করছে কে ভোট দেবে। সাধারণ মানুষের মামলার শুনানি বিলম্বিত হলেও প্রভাবশালীদের ক্ষেত্রে দ্রুত, এমনকি মধ্যরাতে শুনানি হয়।’

ঝাড়খণ্ডে জেপিএসসি ও জেএসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, দলটি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছে। একটি প্রতিনিধি দল রাঁচিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করবে এবং পরে দলের শীর্ষ নেতারাও সেখানে যাবেন।

দেশব্যাপী প্রচার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে দীপকে বলেন, কোনো সংগঠনের নিজস্ব এজেন্ডা থাকা জরুরি, তবে জনগণের মতামতও জানতে হবে। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরের আন্দোলনে অংশ নেওয়া মানুষই শিক্ষা ইস্যুর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও বিচারব্যবস্থা নিয়েও কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। তাই তিনি মনে করেন আরও বিস্তৃত জনপরামর্শের প্রয়োজন রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসিনা আসার ঘোষণা দিয়ে নিরীহ নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলেছেন: কাদের সিদ্দিকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


হাসিনা আসার ঘোষণা দিয়ে নিরীহ নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলেছেন: কাদের সিদ্দিকী

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, 'শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন নিরীহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।' তিনি মন্তব্য করেন যে, পরিকল্পিত প্রস্তুতি ছাড়া এ ধরনের ঘোষণা নেতাকর্মীদের জন্য আইনি এবং রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করছে।

বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জে জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেকের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী উল্লেখ করেন, 'শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার গুঞ্জনকে ঘিরে নিরীহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।' তিনি বলেন, 'যদি পরিকল্পিতভাবে এমন ঘোষণা আসে তাহলে দলটির নেতাকর্মীরা উৎসাহিত হতে পারতেন। কিন্তু এখন এ ধরনের ঘোষণার কারণে অনেকেই জেলে যাচ্ছেন এবং আইনি জটিলতায় পড়ছেন।'

ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'তিনি দেশের যে ক্ষতি করেছেন, তার বিচার হলেও তা কম হবে।' তিনি আরও বলেন, 'তবে জুলাই দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ড. ইউনূসকে যে সম্মান দেখিয়েছেন, সেটিকে তিনি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।'

বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, 'জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা সংকটের মধ্যেও বর্তমান সরকার অধ্যাপক ইউনূসের সময়ের তুলনায় ভালোভাবে দেশ পরিচালনা করছে।'

জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেন, 'জামায়াতে ইসলামী একটি দুর্ভাগা দল। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের শেষ পর্যন্ত তারা ব্রিটিশদের পক্ষে ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও স্বাধীনতার পক্ষে না দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল। এ কারণেই তাদের অধঃপতন হয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল পশু চিকিৎসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল পশু চিকিৎসকের

ঢাকার ধামরাই উপজেলার কালামপুর-কাওয়ালীপাড়া আঞ্চলিক সড়কের মধুডাঙ্গা এলাকায় একটি শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেলের আরোহী পশু চিকিৎসক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম মো. বজলুর রশীদ। তার বাড়ি ধামরাই উপজেলার কাঁঠালিয়া এলাকায়। তিনি পেশায় একজন পশু চিকিৎসক (ভেটেরিনারি সেবাদাতা) ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তিনি মোটরসাইকেলে কালামপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন মধুডাঙ্গা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় একটি শিশুকে নিয়ে একজন ব্যক্তি রাস্তা পারাপারের চেষ্টা করছিল। শিশুটিকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল আরোহী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সে অবস্থায় ট্রাক তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু ঘটে। একই ঘটনায় ট্রাকের হেলপারও আহত হন এবং তাকে পরে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মাতব্বর এ বিষয়ে জানাচ্ছেন, হাইওয়ে সড়কের দুর্ঘটনাগুলোর তদন্ত আমরা করি। এই ঘটনাটি বাইপাস সড়কের দুর্ঘটনা। তাই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

কাওয়ালীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. ইলিয়াছ জানান, কালামপুর-কাওয়ালীপাড়া সড়কের মধুডাঙ্গা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে তাদের কেউ অবহিত করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%