প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিল্লির যন্তর মন্তরে সাম্প্রতিক আন্দোলনের পরে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি একটি দেশব্যাপী জনসংযোগ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ ‘ক্যায়া বোলতি পাবলিক’ নামে এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন নিজের শহর ছত্রপতি সম্ভবনাগরে।
মানুষের সমস্যাগুলো বোঝার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচিটি দেওয়া হয়েছে বলে অভিজিৎ দীপ জানান।
চলতি বছরের জুন-জুলাইয়ে নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায়, তখনকার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। ২৫ জুলাই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পর সেই আন্দোলন শেষ হয়।
বৃহস্পতিবার, দীপকের সঙ্গে দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা ভবিষ্যৎ কৌশল তুলে ধরেন।
দীপকে বলেন, তাদের প্রচারে শিক্ষা অগ্রাধিকার পাবে। তাঁর দাবী, স্কুল, কলেজ ও কোচিংয়ের বেতন বেড়ে যাওয়ার কারণে অনেক পরিবারের পক্ষে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা কমছে এবং ক্ষোভ বাড়ছে।
‘সকালে মানুষ এক দলকে ভোট দেয়, সন্ধ্যায় সেই জনপ্রতিনিধি অন্য দলে চলে যান। কোথাও ভোট একটি সরকারের পক্ষে পড়ে, কিন্তু পরে অন্য সরকার গঠন হয়। তা না হলে ইডি-সিবিআই ব্যবহার করে দল ভাঙা হয়। এভাবে চলতে থাকলে তা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’, বলেন তিনি।
দীপকে নির্বাচন কমিশন ও বিচারব্যবস্থার জবাবদিহি বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘আগে ভোটার সরকার বেছে নিত, এখন সরকার ঠিক করছে কে ভোট দেবে। সাধারণ মানুষের মামলার শুনানি বিলম্বিত হলেও প্রভাবশালীদের ক্ষেত্রে দ্রুত, এমনকি মধ্যরাতে শুনানি হয়।’
ঝাড়খণ্ডে জেপিএসসি ও জেএসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, দলটি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে রয়েছে। একটি প্রতিনিধি দল রাঁচিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করবে এবং পরে দলের শীর্ষ নেতারাও সেখানে যাবেন।
দেশব্যাপী প্রচার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে দীপকে বলেন, কোনো সংগঠনের নিজস্ব এজেন্ডা থাকা জরুরি, তবে জনগণের মতামতও জানতে হবে। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরের আন্দোলনে অংশ নেওয়া মানুষই শিক্ষা ইস্যুর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও বিচারব্যবস্থা নিয়েও কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। তাই তিনি মনে করেন আরও বিস্তৃত জনপরামর্শের প্রয়োজন রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন