বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৪ এম
যুক্তরাজ্যে ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সফরের উপলক্ষে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস উইন্ডসর ক্যাসেলে একটি নৈশভোজের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে রানী ক্যামিলাসহ উভয় দেশের বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। রাজা চার্লস ওমানের সুলতানকে স্বাগত জানাতে গিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বিখ্যাত হাদিস উদ্ধৃত করেন এবং ওমানের জনগণের স্বভাব ও শান্তির প্রতি তাদের অনুরাগের প্রশংসা করেন।
রাজা চার্লস বক্তৃতায় ওমানি জনগণের চমৎকার আচরণ তুলে ধরে মহানবীর বাণী উল্লেখ করেন, "যদি তোমরা ওমানের মানুষের কাছে যেতে, তারা তোমাদের কখনোই গালি দিত না কিংবা আঘাত করত না।" তিনি এই উদাহরণ দিয়ে জানান যে, যুগ যুগ ধরে ওমানের মানুষ তাদের শান্তিকামী স্বভাব বজায় রেখেছে, যা পুরো বিশ্বের জন্য একটি দারুণ দৃষ্টান্ত।
রাজা চার্লস যুক্তরাজ্য ও ওমানের শত বছরের পুরনো বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের এই সময়ে ওমান সবসময় আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে সমুদ্রপথে বিশ্ববাণিজ্য নিরাপদ রাখতে ওমানের প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। দুই দেশের এই শক্ত সম্পর্কের কারণে বিশ্ব যেমন অনেক নিরাপদ থাকে, তেমনই ভবিষ্যতেও ওমান যুক্তরাজ্যের এক বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সূত্র: ওমান অবজারভার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলা কবিতার আকাশে তিনি এক নিঃসঙ্গ নক্ষত্র। বাংলার প্রকৃতি, ধূসর জীবন, হারানো সময় এবং অনন্ত বিষণ্নতা তাঁর কবিতায় অনন্য রূপে ফুটে উঠেছে। মৃত্যুর সাত দশকেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও তাঁর কবিতার মায়াবী জগত্ আজও পাঠকদের আকর্ষণ করে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশের ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২২ অক্টোবর।
১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন জীবনানন্দ দাশ। প্রকৃতি, প্রেম, নিঃসঙ্গতা, স্মৃতি এবং মানবজীবনের গভীর অনুভূতি তাঁর কবিতার মূল উপাদান। রবীন্দ্র প্রভাবের বাইরে তিনি নিজস্ব কাব্যভাষা, চিত্রকল্প এবং দর্শন তৈরি করে বাংলা কবিতায় আধুনিকতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।
জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘বনলতা সেন’, ‘রূপসী বাংলা’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘মহাপৃথিবী’ এবং ‘সাতটি তারার তিমির’। ১৯৫৪ সালের ১৪ অক্টোবর কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জীবদ্দশায় যথাযথ স্বীকৃতি না পেলেও পরবর্তী সময়ে তাঁর কবিতা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করে। বাংলার নিসর্গ ও মানুষের অন্তর্গত বিষণ্নতার অনন্য রূপকার হিসেবে জীবনানন্দ দাশ আজও সমান প্রাসঙ্গিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ফুলের নাওড়ী ও নাঙ্গলকোটের হুগলি এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর ওপর সেতুর অভাবে দুই পাড়ের বাসিন্দাদের জন্য চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিদিন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পার হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বাড়লে এই ভোগান্তি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়।
দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি কোনো উদ্যোগ না পাওয়ার কারণে যাতায়াতের কষ্ট লাঘবের জন্য সম্প্রতি এলাকাবাসীরা নিজেদের অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছাশ্রমে ২৬০ ফুট দীর্ঘ একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। ফুলের নাওড়ী গ্রামের এয়াকুব মজুমদার, নাজমুল হোসেন এবং হুগলি এলাকার আবদুল মান্নান ও অলি আহমেদসহ স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
স্থানীয় অভিভাবক আবুল কাশেম ও বেলাল হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
সাঁকো নির্মাণের উদ্যোক্তা এয়াকুব মজুমদার জানিয়েছেন, ‘সবার ছোট ছোট সহযোগিতায় আমরা এই সাঁকোটি তৈরি করছি, যেন কোমলমতি শিশু ও সাধারণ মানুষের পথচলা কিছুটা সহজ হয়।’
ফুলের নাওড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেছেন, ‘নদীর ওপার থেকে অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট করে আমাদের বিদ্যালয়ে আসে। সাময়িকভাবে বাঁশের সাঁকো দেওয়া হলেও, স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারি উদ্যোগে এখানে দ্রুত একটি ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে গিয়ে মার্কিন নাগরিকদের গ্রেফতার করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইসরাইলি বাহিনীর এই ধরনের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নীরবতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।
সিনেটরের অভিমত হলো, শীর্ষ পর্যায়ের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ না হওয়ার কারণে ইসরাইল দিন দিন আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং একের পর এক অন্যায় কাজ করে যাচ্ছে।
ঘটনাটি ঘটে অধিকৃত পশ্চিম তীরে, যেখানে স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা জলপাই সংগ্রহের কাজ করছিলেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাহায্য করতে যান কিছু মার্কিন প্রতিনিধি। এদের মধ্যে আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডারও ছিলেন। কিন্তু ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ তাদের সবাইকে আটক করে। যদিও পরে ব্র্যাড ল্যান্ডারকে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য মার্কিন আন্দোলনকারী এবং কয়েকজন ধর্মযাজক এখনও বন্দি রয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে সিনেটর ভ্যান হোলেন স্পষ্ট করে জানান, "শুধু একজনকে ছেড়ে দিলেই সব চুকেবুকে যায় না," এবং তিনি দাবি করেন যে ইসরাইল সরকারকে বাকিদেরও অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমেরিকানদের সঙ্গেই যদি ইসরাইল এমন আচরণ করতে সাহস পায়, তবে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর তারা কী পরিমাণে নির্যাতন চালাচ্ছে, তা সহজেই বুঝে নেওয়া যায়।"
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরীর টিবি হাসপাতাল এলাকার টিবি পুকুরপাড়ে মাদকবিরোধী তৎপরতার সময় দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের বিরুদ্ধে। গত ২০ অক্টোবর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ফারুক নিজেও দুই যুবকের গায়ে হাত তোলার কথা স্বীকার করে ঘটনাটিকে ভুল বলে মন্তব্য করেছেন।
তবে তাঁর দাবি, এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগের খবর পেয়ে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। যুবকদের আচরণ তাঁর কাছে অসম্মানজনক মনে হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন, তাঁদের মারধর না করে পুলিশকে খবর দেওয়া এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া উচিত ছিল।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা: অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২০ অক্টোবর রাতে টিবি হাসপাতাল এলাকার টিবি পুকুরপাড়ে মাদকবিরোধী তৎপরতার সময় ফারুকের সঙ্গে থাকা কয়েকজনের উপস্থিতিতে দুই যুবককে মারধর করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফেসবুক লাইভের দৃশ্যেও দুই যুবকের গায়ে হাত তোলার ঘটনা দেখা গেছে বলে প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষণ।
তবে ভিডিওটির সম্পূর্ণ অংশ, ঘটনার আগে ও পরের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট দুই যুবকের পরিচয় ও বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে ভিডিওতে দৃশ্যমান ঘটনাপ্রবাহের বাইরে কী ঘটেছিল, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
তালাশ বিডিকে দেওয়া বক্তব্যে মনিরুজ্জামান খান ফারুক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে পুরো ঘটনা উঠে আসেনি। এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগের কথা শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। কয়েকজন যুবকের মাদক সেবনের খবর পেয়ে দলীয় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে দাবি করেন তিনি।
ফারুক বলেন, “আসলে অন্যায় হয়েছে, গায়ে হাত তোলা উচিত হয়নি। তাদের যে আচার-ব্যবহার, তার কারণে আমি কাজটা করে ফেলেছি। তবে উচিত ছিল তাৎক্ষণিক পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের আইনের হাতে সোপর্দ করা। পরবর্তীতে এরকম করার আগে অবশ্যই আরও সতর্ক হব।”
ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল কি না, জানতে চাইলে ফারুক জানান, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল না; তিনি হঠাৎ সেখানে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি বা তাঁর কর্মীরা চাঁদাবাজি কিংবা টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত নন। বরিশালে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের আশ্রয় না দেওয়ার বিষয়ে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মাদক নির্মূলে সামাজিক সচেতনতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও অপরাধের অভিযোগে কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করা বা নিজ উদ্যোগে শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতার নেই। কারও বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি বা সেবনের অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়াই যথাযথ পন্থা।
ফারুকের বক্তব্যে মারধরের ঘটনা স্বীকারের পাশাপাশি ভুলের বিষয়টিও উঠে এসেছে। তবে তাঁর দেওয়া ব্যাখ্যা ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরলেও মারধরের আইনগত বৈধতা প্রতিষ্ঠা করে না।
ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দুই যুবকের বক্তব্য, ভিডিওর পূর্ণাঙ্গ দৃশ্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডে ফরিদ সিকদার ও তাজের পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে দাবি করা হয়েছে। ফটোকার্ডটিতে বলা হয়েছে, মাদকবিরোধী তৎপরতার সময় ফারুকের সঙ্গে থাকা ফরিদ সিকদার আটক হওয়া এক যুবক তাজের বাবা।
তবে এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ফরিদ সিকদার ও তাজের পরিচয়, তাঁদের পারিবারিক সম্পর্ক এবং ঘটনার সঙ্গে তাঁদের সংশ্লিষ্টতা নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই করা প্রয়োজন। যাচাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এ ধরনের দাবিকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
ঘটনার বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেলাল হোসাইন, পিপিএমের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। এ সময় তাঁকে জানানো হয়, গত এক মাসে বরিশাল মহানগর পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে সাংবাদিকেরাও পুলিশের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে অংশ নিয়েছেন। এসব অভিযানে মাদক কারবারের অভিযোগে অনেককে আটক করা হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাউকে মারধর করতে দেখা যায়নি বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়।
এরপর গত ২০ অক্টোবর রাতে মাদকবিরোধী তৎপরতার সময় দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ সম্পর্কে পুলিশের আইনগত অবস্থান ও বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার বেলাল হোসাইন, পিপিএম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট দুই যুবকের বক্তব্য এবং ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশের আনুষ্ঠানিক অবস্থান পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ