বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪২ এম
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নতুন করে আন্দোলনে নামার পরিকল্পনা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট। আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে, ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশের পর বিরোধীরা আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে।
সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি জানান, আন্দোলনের কৌশল হিসেবে বড় মিছিল আয়োজনের পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারকে অভিশংসনের দাবিতে একটি ‘মক পার্লামেন্ট’ বা প্রতীকী সংসদ অধিবেশন আয়োজনের প্রস্তাব উঠেছে। এই অধিবেশনে বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে।
গত অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দিল্লিতে বিরোধীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। ৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইন বাতিল এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) স্থগিতের দাবি জানায়। এছাড়াও, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৩ কোটি ভোটারের নাম পুনর্বহালের দাবিও তারা তোলে। রাষ্ট্রপতি ভোট চুরির অভিযোগের প্রমাণ চাওয়ার জবাব দেন।
১২ অক্টোবর রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী নেতারা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা দেন। নির্বাচন কমিশনের একতরফা সিদ্ধান্ত এবং ভোটাধিকার থেকে যোগ্য নাগরিকদের বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়।
নবরাত্রি ও দুর্গাপুজোর কারণে আন্দোলনে সাময়িক বিরতির পর কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলো ফের জনসমর্থন বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন শরিক দলকে নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে। বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গুলি চালিয়ে তিন শিশু ও এক শিক্ষককে হত্যা করার ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ১৬ বছর বয়সী হামলাকারী গ্রিফিন জে. জন দ্বিতীয়কে তার মায়ের জন্মদিনের উপহার হিসেবে বন্দুকটি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। হামলার পেছনে কারণ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারীর মা শনটাই নিকারসন ২০২৬ সালের আগস্টে আইন মেনে একটি ‘ম্যাভেরিক ৮৮’ পাম্প-অ্যাকশন ১২-গেজ শটগান ক্রয় করেন। পরে বিনোদনমূলক ব্যবহারের জন্য তিনি সেটি ছেলে গ্রিফিন জে. জন দ্বিতীয়কে জন্মদিনের উপহার হিসেবে দেন বলে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ওরেগন অঙ্গরাজ্যের বেন্ড শহরের সিলভার রেইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা চালায় ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোর। উল্লেখ্য, তিনি একসময় ওই বিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনা করেছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ে প্রবেশের আগে জন একটি চলন্ত পিকআপ ট্রাক লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ওই গাড়ির চালকই প্রথম জরুরি নম্বর ৯১১-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।
এরপর তালাবদ্ধ কাচের দরজায় গুলি করে হামলাকারী বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে। দরজা দিয়ে ঢুকে বাঁ পাশের প্রথম শ্রেণিকক্ষে গিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে তিন শিশু ও এক শিক্ষক নিহত হন এবং আরও দুজন আহত হন।
হামলায় নিহত তিন শিশুর মধ্যে একজন পাঁচ বছর বয়সি রোয়াম সামার। নিহত অন্য দুই শিশুর বয়স ছিল ৮ ও ১১ বছর। এ ঘটনায় ২৫ বছর বয়সী শিক্ষক মেগান ল্যামবার্টও প্রাণ হারান।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় সাত বছর বয়সি এক ছাত্রী এবং ৫৪ বছর বয়সী আরেক শিক্ষকও আহত হয়েছেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় শ্রেণিকক্ষে চারজন প্রাপ্তবয়স্ক ও পাঁচ শিশুসহ মোট নয়জন উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের ভেতরে এক শিক্ষক হামলাকারীর কাছ থেকে অস্ত্রটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় দুই শিক্ষার্থীর বাবা জিয়ামাঙ্কো সেখানে প্রবেশ করেন এবং গুলি চালিয়ে হামলাকারীকে হত্যা করেন।
হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং কিশোরটি কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্রটি পেয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
হামলায় নিহত তিন শিশুর মধ্যে একজনের শোকাহত অভিভাবকেরা ইতিমধ্যে আইনজীবী নিয়োগ করেছেন। তারা বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাবিধি, হামলা ঠেকাতে কী ধরনের ব্যবস্থা ছিল এবং হামলাকারী কীভাবে অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে চান।
এদিকে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের এ ঘটনায় কোনো আইনগত দায় রয়েছে কি না, তা নির্ধারণের চেষ্টা করছেন কৌঁসুলিরা।
তদন্তে হামলার উদ্দেশ্য, অস্ত্র সংগ্রহের প্রক্রিয়া এবং বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না—এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ায় বন্যার সংবাদ সংগ্রহের সময় এক টেলিভিশন সাংবাদিক অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। কুইন্সল্যান্ড রাজ্যে বন্যার পানিতে একটি গাড়ি সম্পূর্ণরূপে তলিয়ে যাওয়ার ঠিক আগে, এক পথচারীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এক চালককে জীবিত উদ্ধার করেছেন।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার সম্প্রচার সংস্থা ‘এবিসি’-এর সাংবাদিক উইল মারে এই সাহসিকতার জন্য পরিচিত। দুর্ঘটনার সময় চালকের উদ্ধার অভিযানের দৃশ্য সিসিটিভি ও ক্যামেরা ফুটেজে স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) কুইন্সল্যান্ডের ব্রিসবেন শহরের উত্তরাঞ্চলীয় মোরেফিল্ড এলাকায় ভারি বর্ষণ ও প্লাবনের খবর সংগ্রহ করছিলেন এবিসির প্রতিবেদক উইল মারে। এ সময় এক চালক তার ফোর-হুইল ড্রাইভ গাড়িটি প্রবল পানির প্রবাহের মধ্য দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিছু দূর যাওয়ার পর গাড়িটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় এবং তা দ্রুত তলিয়ে যেতে শুরু করে।
গাড়িটি সম্পূর্ণরূপে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সময় চালক ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। বিপদের সংকেত পেয়ে মারে এবং কাছাকাছি থাকা এক সাধারণ পথচারী দ্রুত সাঁতরে গাড়ির কাছে পৌঁছান। গাড়িটি সম্পূর্ণরূপে ডুবে যাওয়ার মুহূর্তে তারা দক্ষতার সঙ্গে চালককে টেনে বের করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং এবিসির ক্যামেরা অপারেটর লিজ পিকারিং বলেন, ‘পরিস্থিতি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কোনো সময় নষ্ট না করে ওরা যেভাবে পানির মধ্যে নেমে পড়েছিল—ওরা দুজন মিলে নিশ্চিতভাবেই লোকটির জীবন বাঁচিয়েছে।’
সম্প্রচারকারী সংস্থা এবিসি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার মোরেফিল্ড শহরে রেকর্ড প্রায় ১৭০ মিলিমিটার (৬.৭ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়েছিল। হঠাৎ করে এ ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে অঞ্চলটিতে আকস্মিক প্লাবন ও তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, যার ফলে সড়কটিতে এ বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সকাল ৯টায় উপজেলা আমীর মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফিরোজের সভাপতিত্বে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক আমীর ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিমের সদস্য জনাব জাফর সাদেক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার বোরহান উদ্দিন এবং জেলা অফিস ও প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি এজাহারুল ইসলাম। এ ছাড়া সন্দ্বীপ উপজেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাফর সাদেক বলেন, সদস্য (রুকন) হিসেবে প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে নিজেদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবন ইসলামের আদর্শে গড়ে তুলতে হবে। সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার প্রতি অবিচল থেকে নিজেদের যোগ্যতা ও নৈতিক মানোন্নয়নে সচেষ্ট থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় জনগণ রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে। জামায়াতে ইসলামী সংবিধান সংশোধন নয়, বরং সংবিধান সংস্কার চায়।”
তিনি সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, পাড়ায় পাড়ায় ইউনিট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রুকনদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার আলোকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি সমাজের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।
প্রধান অতিথি সদস্যদের নিয়মিত পবিত্র কুরআন অধ্যয়ন, ইসলামী জ্ঞান অর্জন, আত্মগঠন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা আমীর মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফিরোজ সদস্যদের ওপর অর্পিত সাংগঠনিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান। তিনি দ্বীন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা জোরদার করা, জনসেবামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে সবাইকে আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সম্মেলনে সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে সদস্যদের ব্যক্তিগত মানোন্নয়ন, সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিওনেল মেসি প্রথমবারের মত প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের জন্য স্পেন সফরে যাচ্ছেন। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, যা স্পেনের রাজপরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়, ক্রীড়া বিভাগে ২০২৬ সালের বিজয়ী আর্জেন্টাইন মহাতারকার জন্য। আগামী ২৩ অক্টোবর, স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফেলিপে ও রানী লেতিসিয়ার উপস্থিতিতে তিনি ওভিয়েদোর তেয়াত্রো কাম্পোয়ামোরে এই পুরস্কার গ্রহণ করবেন। এটি এককভাবে কোনো ফুটবলার হিসেবে প্রথমবারের মত দেওয়া হচ্ছে।
লিওনেল মেসির অর্জনের তালিকা বিশ্বকাপ জয়, আটটি ব্যালন ডি'অর এবং বিভিন্ন শিরোপা নিয়ে গঠিত। এবার নতুন একটি পালক যুক্ত হতে যাচ্ছে তার এই তালিকায়। তিনি স্পেনের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি 'প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড' ২০২৬ সালের ক্রীড়া বিভাগে অর্জন করেছেন।
১৯৮১ সালে এই পুরস্কারের যাত্রা শুরু হয়। বিজ্ঞান, সাহিত্য, শিল্পকলা, সামাজিক বিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং খেলাধুলা—মোট আটটি বিভাগে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ফাউন্ডেশন। পুরস্কারের সঙ্গে রয়েছে হুয়ান মিরোর নকশা করা ভাস্কর্য, সনদ, ব্যাজ এবং ৫০ হাজার ইউরো অর্থমূল্য।
গত ৩ জুন, স্পেনের ওভিয়েদোতে জুরির আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় মেসিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তার ধারাবাহিকতা, বিনয় এবং অর্জনের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় তার দাতব্য কাজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২৭ জন মনোনীতের মধ্যে মেসিকেই বেছে নেয় প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ফাউন্ডেশন।
এর আগে সেরেনা উইলিয়ামস এবং রাফায়েল নাদালের মত তারকারা এই পুরস্কার পেয়েছেন। তবে ফুটবলে এই পুরস্কার এসেছে তিনবার। ২০০২ সালে দলগতভাবে বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিল এবং ২০১০ সালে স্পেন এই পুরস্কার লাভ করে। এছাড়া ২০১২ সালে যৌথভাবে দুই স্প্যানিশ ফুটবলার ইকার ক্যাসিয়াস ও জাবি হার্নান্দেজ এই স্বীকৃতি পান। ফলে, মেসি প্রথমবারের মত এককভাবে এই পুরস্কার গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ