০৫:৫৫ পি.এম
বিদ্যুৎ আসে কিন্তু যাওয়ার মানে নেই, আসেই না। সারা দিনে দুই একবার আসলেও তা ১০-১৫ মিনিটের বেশী স্থায়ীত্ব পায় না। বিদ্যুৎ সমস্যায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এ বিষয়ে আক্ষেপের সাথে মন্তব্য করেছেন আমতলী পৌর শহরের বাসিন্দা মোঃ রিপন মুন্সি। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুতের প্রতি আশা ছেড়ে দিয়ে বিকল্প চিন্তা ভাবনা করছি।
আমতলী পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের এজিএম মোঃ কাওসার আহমেদ জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার কারণে এমন লোডশেডিং ঘটছে। আমতলী উপজেলায় ১৩ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের চাহিদা বিদ্যমান। তবে সেখানে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুৎ। তাই ৮ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের লোডশেডিং অবশ্যম্ভাবী।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আমতলী উপজেলায় ৬৭ হাজার পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। এই সকল পরিবারের প্রতিদিন ১৩ মেগাওয়ার্ড বিদ্যুতের প্রয়োজন। কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিং দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে চার-পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে, বাকী সময় নয়তো কোনোভাবে লোডশেডিং হচ্ছে। এ নাজুক পরিস্থিতিতে আমতলী বাসী আরও অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে অসুস্থ সাংবাদিকদের রোগমুক্তির জন্য দোয়া মাহফিল
গৃহিনী রুমা আক্তার বলেন, বর্তমানে বিদ্যুতের যন্ত্রণা চরম অবস্থায় রয়েছে। দিনের বেলায় তো বিদ্যুৎ নেই, রাতের সময়ও বিদ্যুৎ আসলে তা কিছু ক্ষণ পরই চলে যায়। বিদ্যুতের যন্ত্রণার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে তিনি দাবি জানাচ্ছেন।
স্কুলছাত্রী তানজিলা আক্তার বলেন, বিদ্যুতের কারণে রাতের লেখাপড়া প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। বর্তমানে হারিকেন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
মাছ বিক্রেতা আব্দুল কাদের জানান, বরফ না পাওয়ার ফলে মাছ নিয়ে চরম সমস্যায় রয়েছি। আল্লাই জানেন, কবে এই সমস্যার থেকে আমরা রক্ষা পাব।
আমতলীর ফাতেমা আইস ফ্যাক্টরীর মালিক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুতের অভাবে বরফ উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসার পরিস্থিতি খুব খারাপ। মাছ ব্যবসায়ীদের বরফ দিতে পারছি না, যার ফলে তাদেরও সমস্যা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: মাইশার মৃত্যুর পর সীতাকুণ্ডে ২০ স্পিডব্রেকার, যানজট বেড়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন